শীর্ষ সংবাদ

সীতাকুণ্ডে চলছে তিন) দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী শিব চতুর্দশী মেলা।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধামে চলছে তিন) দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী শিব চতুর্দশী মেলা। ২০জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে মেলা চলবে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত। তিন দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী শিব চতুর্দশী মেলা। মেলা হিসেবে পরিচিত হলেও এটি মূলত ধর্মপ্রাণ হিন্দুদের শত বছরের পুরনো একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান। প্রতি বছর দেশ-বিদেশের লাখো তীর্থযাত্রী এ মেলায় যোগ দেন। এবারের মেলায় লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয় শিবচতুর্দ্দশী তিথি উপলক্ষে শিবের মাথায় বেলপাতা, ফুল,জল,দুধ ও অর্ঘ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম ঘটে এবারের শিবচতর্দ্দশী অনুষ্ঠানে।যাতায়াতের সুব্যবস্থা থাকায় মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় চিত্র কার্য সম্পন্ন করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করায় কোন বিশৃংখলার ঘটনা দেখা যায়নি।এছাড়া যে কনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধ করার লক্ষ্যে রয়েছে পুলিশসহ প্রশাসনের সর্বক্ষেত্রে প্রখর নজরদারি। শিব চতুর্দ্দশীর দ্বিতীয় দিন শনিবার (২২ফেব্রুয়ারি)ভোর পাঁচটার সময় ভিড়ের মধ্যে পড়ে ধাক্কাধাক্কিতে এক পুণ্যার্থী চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচে পড়ে যায়।

বিশ্ব স্কাউট দিবস পালিত

বিশ্ব স্কাউট দিবস আজ। স্কাউটিং আন্দোলনের প্রবক্তা লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল ১৮৫৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তারই হাত ধরে ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে স্কাউটিং আন্দোলনের সূত্রপাত। ব্যাডেন পাওয়েলের জন্মদিনটিকে স্মরণ করতেই প্রতিবছর ২২ ফেব্রুয়ারি স্কাউট দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৩৮ মিলিয়ন স্কাউট এ দিবসটি পালন করছে আজ। বর্তমানে বিশ্বের ২১৭টি দেশে তিন কোটি ৮০ লাখ স্কাউট ও গাইড রয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশে স্কাউটিংয়ের যাত্রা শুরু ব্রিটিশ আমলে। মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বয় স্কাউট সমিতি নামে নতুন করে যাত্রা শুরু হয়। ১৯৭৮ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ স্কাউটস। ১৯৯৪ সাল থেকে দেশের মেয়েরা এর সদস্য হয়। বাংলাদেশ স্কাউটসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, বর্তমানে দেশে স্কাউটের সংখ্যা ১২ লাখ পাঁচ হাজার। সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ স্কাউটস বিশ্বে পঞ্চম। বাংলাদেশ স্কাউটস সূত্রে জানা গেছে, কমিউনিটি সেবা, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিশুকল্যাণ, নির্মাণ ও সস্তায় বাড়িঘর তৈরিতে স্কাউটসরা সহায়তা করে থাকেন। এ ছাড়া বন্যা, ঝড় ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ সামাল দিতে, অসহায় মানুষের আশ্রয় বা পুনর্বাসনে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করেন তারা

২০২১ সালের মধ্যে আমরা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস- ২০২০ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের একজন মানুষও যেন গৃহহারা না থাকে। যারা নদী ভাঙনে ঘর হারিয়েছেন তারা ঘর পাবেন। আমরা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা ঘরে ঘরে আলো জ্বালাবো। তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তারা বারবার আমাকে ভোট দিয়েছেন। মানুষের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যিনি আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন, সেই জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী আমরা পালন করতে যাচ্ছি। ২০২০ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত আমরা মুজিব বর্ষ ঘোষণা দিয়েছি। ২০২১ সালে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো। তিনি বলেন, আমরা এখন স্বাধীন জাতি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমতায়। দীর্ঘ এক দশক ধরে ক্ষমতায় থেকে আমরা অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশকে কেউ এখন অবহেলা করতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে আমরা ঘরে ঘরে আলো জ্বালাবো। বাংলাদেশের একজন মানুষও যেন গৃহহারা না থাকে। যারা নদী ভাঙনে ঘর হারিয়েছেন তারা ঘর পাবেন। আমরা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।

মেয়ে ও বোনকে নিয়ে বাবার প্রতিকৃতির সামনে প্রধানমন্ত্রীর সেলফি

রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় ‘লাইটিং দ্য ফায়ার অব ফ্রিডম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শিরোনামে এই প্রদর্শনী চলছে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ভাষা দিবসের আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী শিল্পকলা একাডেমির এই প্রদর্শনী দেখতে যান। এ সময় বোন শেখ রেহানা ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন তার সঙ্গে ছিলেন। প্রদর্শনীতে এসে বিভিন্ন চিত্রকর্ম ও আলোকচিত্র দেখার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতির সামনে দাঁড়িয়ে বোন রেহানা ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদকে নিয়ে সেলফি তোলেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস রানা এ তথ্য জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের গবেষণা উইং সিআরআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রদর্শনী দেখার সময় চিত্রকর্মগুলো নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী রবীন্দ্র সঙ্গীত নিষিদ্ধ করার পর সে সময় পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন প্রদর্শনীতে দেখে সরাসরি আন্দোলনে অংশ নেওয়ার স্মৃতিচারণ করেন তিনি। এসময় শেখ হাসিনা জানান, তাদের আন্দোলন অংশ নেয়ার ছবি পত্রিকায় প্রকাশিত হলে কয়েক দিন বাসা থেকে বের হতে দিতেন না মা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। প্রদর্শনীতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ভিডিও দেখানো হচ্ছে। সেখানে এসে অনেকটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। একে অপরের হাত ধরে সম্পূর্ণ ভাষণ শোনেন তারা। সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন-সিআরআইয়ের সহযোগিতায় গত ৭ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি সিসমিক মুভমেন্ট নিয়ে শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করা হয় ঢাকা আর্ট সামিট। ‘মুজিববর্ষের’ অংশ হিসেবে এই আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে রাখা হয় বিশেষ প্রদর্শনী ‘লাইটিং দি ফায়ার অব ফ্রিডম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’। ঢাকা আর্ট সামিট শেষ হয়ে গেলেও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী সাধারণ দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকছে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

বেল শরীরের জন্য কেন ভাল?

স্বর্ণালী প্রিয়া ডেক্সঃবেল একটি পুষ্টিকর আর উপকারী ফল। শীতের শেষ ও গরমের শুরু এই সময় আবহাওয়ার পরিবর্তন খুব তাড়াতাড়ি শরীরে প্রভাব ফেলে। এই সময়টায় খেতে পারেন বেল। তার জেরে ছোট থেকে বড় প্রায় সকলেই নাজেহাল হন। এর রয়েছে হাজারও উপকারিতা। সেই প্রাচীন সময় থেকেই কিন্তু আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে পাকাপক্ত জায়গা করে নিয়েছিল বেল। তাই বেল খেলে সুস্থ থাকতে পারবেন। কাঁচা পাকা দুটোই সমান উপকারী। বেল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও আমাশয়ে উপকার করে। আধাপাকা সিদ্ধ বেল আমাশয়ে অধিক কার্যকরী। বেলের শরবত হজমশক্তি বাড়ায় এবং তা বলবর্ধক। বেলের পাতার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে চোখের ছানি ও জ্বালা উপশম হয়। বেল পাতার রস, মধু ও গোল মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে জন্ডিস রোগ নিরাময় হয়। শিশুর স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য বেল অত্যন্ত উপকারী। বেলের অন্যান্য উপকারিতা............ * কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সবাই বেলের কার্যকারিতা জানেন।বেল পেট পরিস্কার রাখে, একথা কিন্তু বৈজ্ঞানিক ভাবেও সত্য।নিয়মিত টানা ৩ মাস যদি আপনি বেল খান তাহলে আপনি সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। * আলসারের ওষুধ হিসেবে কাজ করেবেল।সপ্তাহে তিনদিন বেলের শরবত খান। পাকা বেলের শাঁসে যে ফাইবার আছে তা আলসার উপশমে খুবই কার্যকরী।এছাড়া বেলের পাতা সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খেলেও অনেকংশে কমে আলসার। * ডায়াবেটিস কমায় বেল। পাকা বেলে আছে মেথানল নামের একটি উপাদান, যা ব্লাড সুগার কমাতে অনবদ্য কাজ করে। তবে এক্ষেত্রে শরবত করে নয়, বেল খেতে হবে এমনিই। * আর্থ্রারাইটিস কমাতে দারুন কার্যকরি বেল। ব্যাথা ছাড়া এখন খুব কম মানুষই আছেন। নিয়মিত বেল খেলেই মুক্তি পাবেন আর্থ্রারাইটিসের সমস্যা থেকে। * এনার্জি বাড়াতে বেলের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১০০ গ্রাম বেল ১৪০ ক্যালোরি এনার্জি দেয়। এছাড়াও বেল মেটাবলিক স্পিড বাড়ায়। বেলে প্রচুর ভিটামিন সি আছে। এই ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। * ব্লাড প্রেসার কমায় বেল। ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেলের জুড়িমেলা ভার। শরবত কিংবা এমনিই খেতে পারেন পাকা বেল। * ক্যান্সারেও খুব উপকারি বেল। এতে রয়েছে অ্যান্টি প্রলেফিরেটিভ ও অ্যান্টি মুটাজেন উপাদান। যা ক্যান্সার সৃষ্টিতে বাঁধা] দেয়।

১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে চসিকের একুশে সম্মাননা পদক

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য নগরীর ১৫ গুণিজনকে মহান একুশে স্মারক সম্মাননা পদক ও সাহিত্য পুরস্কার-২০২০ প্রদান করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের সিজেকেএস জিমনেসিয়ামে মুজিব বর্যে বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত অমর একুশে বইমেলা-২০২০ চট্টগ্রাম মঞ্চে এচসিক মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন সম্মাাননা প্রাপ্তদের হাতে এ সম্মাননা পদক তুলে দেন। ভাষা আন্দোলনে আবু তালেব চৌধুরী (মরণোত্তর), শিক্ষায় অধ্যক্ষ এএফএম মোজাফফর আহমদ (মরণোত্তর), চিকিৎসাসেবায় প্রফেসর সৈয়দা নুরজাহান ভূঁইয়া (মরণোত্তর), স্বাধীনতা আন্দোলনে শহীদ হারুনুর রশীদ (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ হারিছ, সাংবাদিকতায় আখতার-উন-নবী (মরণোত্তর), সংগঠক প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন, সংগঠক বিএফইউজের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, ক্রীড়ায় সিরাজ উদ্দিন মো. আলমগীর, সংগীতে ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ, সমাজসেবায় সন্ধানী চমেক ইউনিটকে একুশে সম্মাননা স্মারক এবং কথাসাহিত্যে (অনুবাদ) ড. মাহমুদ উল আলম, প্রবন্ধ গবেষণায় অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল আমিন, কবিতায় ওমর কায়সার ও শিশুসাহিত্যে আকতার হোসাইনকে সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। মরণোত্তর সস্মাননা স্মারক প্রাপ্তদের পক্ষে তাদের প্রতিনিধি এবং মুক্তিযোদ্ধা হারিছ, প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন, বিএফইউজের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর, ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ, ড.মাহমুদ উল আলম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল আমিন, কবি ওমর কায়সার ও আকতার হোসাইন প্রমুখরা উপস্থিত থেকে সিটি মেয়রের হাত থেকে স্মামননা স্মারক ও পুরস্কার গ্রহন করেন। এই উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চসিক প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, অমর একুশে বইমেলার আহ্বায়ক কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন আমি এই শহরের আদিবাসি। আমার পিতা,দাদা এ শহওে জম্ম গ্রহন করেন। আমার জম্মও এ শহরে। সম্ভবত: ১১৮০ সালে আমার পূর্ব পুরুষেরা এ শহরে এসেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আামি এই শহরের অনেক ভালো-মন্দের সাথে পরিচিত। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত হয়ে স্কুলজীবনে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে জড়িত হই। অনেক চড়াই -উতরাই পেরিয়ে আজকের এ অবস্থানে আসা। আমি এদেশের মাটি ও মানুষকে অন্তরে ধারণ করে রাজনীতি করি। আমৃত্যু এটি থাকবে। এ নগরবাসীর সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং আগামীতেও থাকবো। এ নগরবাসীর কাছে আমি অনেক বেশি ঋণী। বেঁচে থাকলে, এ ঋণ শোধ করার চেষ্টায় থাকবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।সিটি মেয়র বলেন, আগামী ৪ আগস্ট মেয়র হিসেবে মেয়াদ শেষ হবে আমার। গত মেয়র নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যার প্রতি আমি চিরঋণি। তিনি বলেন এবার বইমেলায় গতবারের চেয়ে দ্বিগুণ স্টল হয়েছে। গতবারের ভুল ত্রুটি দূর করে এবারের বইমেলা সাজানো হেেয়ছে। আগামীতেও জিমনেশিয়ার প্রাঙ্গনে এই মেলা আয়োজনের কথা উল্লেখ করে সিটি মেয়র এব্যাপারে তার সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে বলে উল্লেখ করেন। এক্ষেত্রে নতুন মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরও যেন ফেরুুয়ারিতে চট্টগ্রামে সম্মিলিত বইমেলার ধারাবাহিকতা থাকে সেব্যাপারে চসিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান সিটি মেয়র । তিনি বলেন, একুশ বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটিয়েছে। এটি চির অম্লান হয়ে থাকবে। এ ভাষা যত বেশি অন্তরে ধারণ করবো, লালন করবো আন্তর্জাতিক ভাবে ততবেশী গ্রহণযোগ্যতা, সম্মান ও মর্যাদা বাড়বে। নগরীর ঝুপড়ি দোকানে ইংরেজি সাইনবোর্ড , সামাজিক অনুষ্ঠানে ইংরেজীতে নিমন্ত্রণপত্র ছাপানোকে বিকৃত মানসিকতা বলে মন্তব্য করে মেয়র । কবি ওমর কায়সার বলেন, পঁচাত্তরের পনেরোই আগস্টের পর দেশের মানুষ ছিল স্তব্ব । কথা বলতে পারছিলো না। তখন কয়েকজন তরুণ চট্টগ্রামের রাজপথে জয় বাংলা সেøাগান দিয়েছিলেন। সেই শ্লোগান দাতাদের মধ্যে একজন হলেন মেয়র নাছির। চট্টগ্রামের মেয়র পদবীটা ছোট্ট একটি স্টেশন। এই ছোট্ট স্টেশনের গন্ডি পেরিয়ে মেয়র নাছির অনেক দূরে যাবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেন, পদকের জন্য আমি নিজেকে যোগ্য মনে করি না। কম বয়সে আমাকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হলো। আমি চসিকের কাছে কৃতজ্ঞ।

জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও প্রধানমন্ত্রীর মান রক্ষা করবো : -রেজাউল করিম

আজ বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার দেয়া উপহার নৌকার প্রতীক নিয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন তিনি। তাঁর এ আগমনকে ঘিরে চট্টগ্রাম শহরজুড়ে যেন উৎসবের আমেজ বয়ে যাচ্ছে। স্টেশনের সামনে সাজানো মঞ্চে উঠে এম রেজাউল করিম চৌধুরী সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, আপনাদের এ ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এবং আপনাদের এ ভালোবাসায় সিক্ত ও অশেষ কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার ওপর আস্থা রেখে নৌকার প্রতীক হাতে তুলে দিয়েছেন। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তাঁর মর্যাদা রক্ষা করবো। জহুর আহমদ চৌধুরী, এমএ আজিজ, মহিউদ্দীন চৌধুরীর পথ অনুসরণ করবো। চতুর্দিক থেকে হঠাৎ মিছিল এসে জনসমুদ্র হয়ে যায় স্টেশন রোডের পুরো এলাকা। সময় যখন ৩টা ৫মিনিট তখন উপস্থিত নেতাকর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন, রেজাউল ভাইয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম। তখন রেজাউল করিম চৌধুরীর বলেছেন, ‘নেতা হতে আসিনি, মানুষের সেবায় জীবন উৎসর্গ করে দেবো। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে আপনাদের ভালোবাসায় আজ সিক্ত। আপনাদের ভালোবাসার কারণেই বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়েছেন। বিকেল ৩টায় পুরাতন রেল স্টেশন চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন আমি জয়ী হলে সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি বসবাসযোগ্য, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো। চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে চট্টগ্রামে আগমন উপলক্ষে এ সমাবেশ আয়োজন করে চট্টগ্রাম নগর, উত্তর জেলা ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ। মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তার মর্যাদা রক্ষা করবো। জহুর আহমদ চৌধুরী, এমএ আজিজ, মহিউদ্দীন চৌধুরীর পথ অনুসরণ করবো। তিনি বলেন, চট্টগ্রামবাসীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। নির্বাচনে যদি জয়ী হতে পারি তাহলে মানুষের পাশে থাকবো। চট্টগ্রামে যে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে তা আরও এগিয়ে নিতে কাজ করবো। তিনি বলেন, মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী যারা ছিলেন তারা সবাই যোগ্য ছিলেন। কিন্তু নেত্রী আমাকে বেছে নিয়েছেন। আমি তার প্রতিদান দেবো। মহানগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর পরিচালনায় বক্তব্য দেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ এমপি, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম। এ সময় দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে তা আরও এগিয়ে নিতে কাজ করবো-রেজাউল করিম

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে পুরাতন রেল স্টেশন চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন আমি জয়ী হলে সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি বসবাসযোগ্য, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো। চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে চট্টগ্রামে আগমন উপলক্ষে এ সমাবেশ আয়োজন করে চট্টগ্রাম নগর, উত্তর জেলা ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ। মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তার মর্যাদা রক্ষা করবো। জহুর আহমদ চৌধুরী, এমএ আজিজ, মহিউদ্দীন চৌধুরীর পথ অনুসরণ করবো। তিনি বলেন, চট্টগ্রামবাসীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। নির্বাচনে যদি জয়ী হতে পারি তাহলে মানুষের পাশে থাকবো। চট্টগ্রামে যে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে তা আরও এগিয়ে নিতে কাজ করবো। তিনি বলেন, মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী যারা ছিলেন তারা সবাই যোগ্য ছিলেন। কিন্তু নেত্রী আমাকে বেছে নিয়েছেন। আমি তার প্রতিদান দেবো। মহানগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর পরিচালনায় বক্তব্য দেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ এমপি, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম। এ সময় দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আজ ঢাকা আসছেন মোদি

আজ বুধবার (১৯ফেব্রুয়ারি)আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন তিনি। ঢাকা সফরের মধ্য দিয়ে নরেন্দ্র মোদির সফরের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলো। দুদিনে বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অ্যাডভান্স টিমের সদস্যরা। ঢাকায় অবস্থানকালে মোদি যে হোটেলে থাকবেন ও যেসব স্থানে যাবেন, সেগুলো সরেজমিন ঘুরে দেখেছেন তারা। সংশ্লিষ্টরা জানান,, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজন ছাড়াও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগামীর সফরটি তাত্পর্যপূর্ণ। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের শীতলতা প্রশ্নে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে যে বিতর্ক চলছে, সেটির অবসানেও সফরটির সফল বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ। মোদির ঢাকা এ সফর হবে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কোন্নয়নে দিল্লির আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ। এমন একসময়ে মোদি ঢাকা সফরে যাচ্ছেন, যার কিছুদিন আগেই ভারতে বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) পাস হয়েছে। ওই আইনে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে গিয়ে বসবাস করা সব অমুসলিমকে দেশটির নাগরিকত্ব দেয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে। এতে ভারতের বহু মুসলিম দেশহীন হয়ে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ আইনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-নয়াদিল্লির সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। গত ১১ ডিসেম্বর ভারতের পার্লামেন্টে সিএএ পাস হওয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের তিনজন মন্ত্রী বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ভারত সফর বাতিল করেছেন।

আজ তাপস পালের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে

ওমর ফারুক খান নিয়ন ডেক্স প্রতিবেদনঃআজ বুধবার (১৯ফেব্রুয়ারি)রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভারতীয় বাংলা সিনেমার দাপুটে অভিনেতা তাপস পালের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।আজ বিকালে রবীন্দ্র সদন চত্বর থেকে শুরু হবে শেষযাত্রা। যা শেষ হবে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে। তবে এর আগে আজ ভক্ত-অনুরাগীদের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তার মরদেহ রাখা হয়েছে রবীন্দ্রসদন চত্বরে। সেখানে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত রয়েছেন টালিউডের শিল্পী, কলাকুশলী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা। সেই সঙ্গে রয়েছেন অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। উল্লেখ্য, ‘দাদার কীর্তি’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয় জগতে পা রাখেন তাপস। এরপর ‘গুরুদক্ষিণা’, ‘সাহেব’, ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’সহ বেশ কিছু সিনেমা তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয়। ‘সাহেব’ সিনেমার জন্য তিনি ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। শুধু কোলকাতাতেই নয়, অভিনেতা হিসেবে বাংলাদেশেও অধিক জনপ্রিয় তিনি। অভিনেতা তাপস পাল রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ২০০৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনয়ন পেয়ে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। গতকাল মঙ্গলবার ভোরে ভারতের মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৬১ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তাপস পাল। তার আগে দীর্ঘদিন তিনি স্নায়ু এবং রক্তচাপ সমস্যায় ভুগছিলেন।

লাইভ টিভি

ওয়ার্ড পরিক্রমা

আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎসাহী সমাজকর্মী, স্কাউট আন্দোলন এর কর্ণধার ও আলোর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও বসুন্ধরা শিশু কিশোর সংগঠন এর উপদেষ্টা আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, প্রিয় স্যারের প্রতি আবু তাহের সর্দার স্মরণ সভা কমিটির উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, বলেন আবু তাহের সর্দার সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। জন্মিলে মরিতে হবে এটি চিরন্তন সত্য। তবুও মানুষ তাঁর সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকতে পারে। সেজন্য যাঁরা কীর্তিমান তাঁরা তাঁদের সেবামুলক কাজের মাধ্যমে মানবসমাজে বেঁচে থাকেন বহু যুগ যুগ ধরে। তিনি বলেন, এ নশ্বর পৃথিবীতে সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ, কোনো মানুষই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে না। সেজন্য দেশ ও মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই আবু তাহের সর্দার অমর হয়ে থাকবেন এ রাষ্ট্র সমাজে। এ জনসমাগম স্মরণ সভা থেকে তা বুঝ যায় তিনি কতবড় ত্যাগী মানুষ ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৬৩ বছর এ রাষ্ট্র সমাজের জন্য শ্রম দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত মনের বিস্ময় প্রতিভা মানুষ ছিলেন আবু তাহের সর্দার। বক্তরা বলেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে লাঘব করতে আবু তাহের সর্দারের প্রচেষ্টা অতুলনীয়; সমাজের আলোক বর্তিকা হয়ে তিনি সমুজ্জ্বল। আবু তাহের সর্দারের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজ বিনির্মানে তরুনদের এগিয়ে আসার শপথ নিতে হবে। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম, বখতিয়ার উদ্দীন সহ মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা।

খেলা

বিশ্বকাপজয়ী বীরদের দেশের মাটিতে ' আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ প্রতীক্ষার প্রহর শেষে বাংলার স্বপ্ন সারথিরা দেশে ফিরেছেন। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার কিছু আগে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলটিকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিশ্বকাপজয়ী যুবাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন বিসিবি সভাপতি ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। বিমানবন্দর থেকে বীর ক্রিকেটারদের ক্রিকেট বোর্ডে নেয়া হবে বিশেষ বাসে। ইয়াং টাইগারদের জন্য সকাল থেকে বিমানবন্দরে অপেক্ষায় রয়েছেন সমর্থকরা। ইতিহাস সৃষ্টিকারীদের নিয়ে মাতামাতি হবে এটাই স্বাভাবিক। হয়েছেও তাই। সকাল থেকেই সাজ সাজ রব ছিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে। যেন উৎসবের শহর। এ যাত্রায় রং ছড়িয়েছেন সমর্থকরা। দেশের ক্রিকেটকে যারা নিয়ে গেছেন গৌরবের শীর্ষে তাদের ছুঁয়ে দেখতে ভক্তদের আকুতি সীমাহীন। সকাল থেকেই তাই লাল সবুজের জার্সিতে বিসিবিতে জড়ো হতে থাকেন সমর্থকরা। শুরুতে ওয়াটার স্যালুটের কথা থাকলেও, আপাতত তা হচ্ছে না। বিমানবন্দরে কেক কাটার পর্ব শেষে তারা পাবেন ফুলেল সংবর্ধনা। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান উপস্থিত থেকে শুরু করবেন আনুষ্ঠানিকতা। ছাদ খোলা বাস তাদের নিয়ে যাবে মিরপুরে হোম অফ ক্রিকেটে। ইয়াং টাইগারদের এমন অর্জনে শিগগিরই প্রধানমত্রীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল।

সর্বশেষ সংবাদ