শীর্ষ সংবাদ

সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিনে বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে প্রশাসনসর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিনে সরকারি বাধিনিষেধ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।শহর ও শহরতলিতে চলছে পুলিশের টহল। বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও পণ্যবাহী ও জরুরি সেবাদানকারী যান চলাচল করছে। শহরের শপিং মল ও দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। খোলা রয়েছে নিত্যপয়োজনীয় দ্রব্যাদির দোকান। সরকারের জারি করা ১৩ দফা বিধিনিষেধ সংক্রান্ত জনসচেতনতা বাড়াতে চলছে প্রচার-প্রচারণা।এছাড়া সর্বাত্মক লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা ও উপজেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হওয়ার সব পথে পুলিশের কঠোর নজরদারি

আজ বুধবার(১৪এপ্রিল)কঠোর বিধিনিষেধে রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হওয়ার সব পথে ছিলো পুলিশের কঠোর নজরদারি। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকেই ঢাকায় ঢুকতে বা বেরোতে দেয়া হচ্ছে না। তারপরও নানা অজুহাতে ঢাকা প্রবেশের চেষ্টা করেন অনেকে। কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিনে ঢাকায় প্রবেশ ও বাইরে যেতে পড়তে হয়েছে পুলিশের বাঁধার মুখে।আজ গাবতলী এলাকার পুলিশ চেকপোস্টে তল্লাশি করা হয়। অকারণে কেউ ঢাকায় প্রবেশ করতে চাইলে ফিরিয়ে দেয়া হয় তাদের। তবে, জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে যারা মুভমেন্ট পাস দেখাচ্ছেন তাদের বাঁধা দেয়া হয়নি। তবুও নানা অজুহাতে ঢাকায় প্রবেশের চেষ্টা অনেকের। একইভাবে ঢাকাও ছাড়ছেন কেউ কেউ। তবে, সংখ্যায় খুবই কম। আটকে পড়া শ্রমিক কিংবা চিকিৎসা নিতে আসা অনেকে ঢাকা ছেড়েছেন। যানবাহন না থাকায় কেউ কেউ অটোরিকশা কিংবা হেঁটেই রওনা হয়েছেন। একই অবস্থা ছিলো যাত্রাবাড়ী, কেরানিগঞ্জ ও আবদুল্লাপুর এলাকায়ও। এসব স্থানেও ঢাকা প্রবেশে ও বাইরে যেতে পড়তে হয়েছে পুলিশের বাঁধার মুখে। তারা বলছে, যৌক্তিক উত্তর না দিলে ব্যবস্থা নিচ্ছেন তারা। দেয়া হচ্ছে মামলাও। প্রয়োজন না হলে ঘরের বাইরে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তুলতে হবে:সেতুমন্ত্রী

আজ বুধবার(১৪ এপ্রিল)করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তোলার আহবান জানান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এই আহবান জানান তিনি। আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে বাংলা নববর্ষ ও পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এবারকার বৈশাখ এসেছে প্রাণহীন এক বৈরী পরিবেশে, জীবনের এক নিষ্ঠুর বাতাবরণে। করোনা কবলিত বাংলাদেশে আবার এসেছে বাঙালির উৎসবের সবচেয়ে প্রাণবন্ত দিন পহেলা বৈশাখ। তিনি বলেন, ‘সম্মিলিত শক্তি দিয়ে প্রতিহত ও পরাজিত করতে হবে প্রাণঘাতী করোনাকে। অদৃশ্য শত্রু করোনার বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তুলতে হবে।’চিরচেনা পহেলা বৈশাখকে আজ চেনাই যায় না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই দিনের সব রূপ-রস-গন্ধ হারিয়ে গেছে। হারিয়ে গেছে হাসি আনন্দের চিরচেনা বাশির সুর। সার্বজনীন বৈশাখী আবেগ উচ্ছ্বাস হারিয়ে গেছে মহামারী করোনার আতংকের অন্ধকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, তবুও নতুন আশার মালা গেঁথে বাঙালির বেঁচে থাকার নিরন্তর লড়াই চলছে। ওবায়দুল কাদের আশা প্রকাশ করে বলেন, সময়ের সাহসী কান্ডারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিজয়ী হই করোনার বিরুদ্ধে, বিজয়ী হই বৈশাখীর চেতনার শত্রু সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে।

সোনারগাঁয়ে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ২

আজ বুধবার(১৪ এপ্রিল)নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী মামা-ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে।আজ উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মোগড়াপাড়ার সাদিপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনায় ঘটনা ঘটে।পরে পুলিশ গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে নারায়নগঞ্জ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহতরা হলেন, হবিগঞ্জ সদরের আশারা এলাকার রহমত আলী (৩৭) ও তার ভাগ্নে ছায়েদ মিয়া (৩০)। কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মনিরুজ্জামান জানান, বুধবার দিবাগত রাতে মোটর সাইকেল যোগে রহমত আলী ও তার ভাগ্নে ছায়েদ মিয়া হবিগঞ্জ থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে নারায়ণগঞ্জের মোগড়াপাড়ার সাদিপুর এলাকায় পল্লী বিদ্যুত অফিসের সামমে পৌঁছলে পেছন থেকে আসা বেপরোয়া গতির একটি ট্রাক তাদের মোটর সাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এসময় তারা দুই আরোহীরা রাস্তায় ছিটকে পড়ে পরে ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই ২ জন মারা যান। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরে তাদের লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ওসি আরও জানান, পুলিশ ট্রাকটি আটক করেছে কিন্তু চালক ও হেলপার পলাতক। তাদের আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।

সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু না ফেরার দেশে » রাষ্ট্রপতিও প্রধানমন্ত্রীর শোক

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু। আর নেই ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে বুধবার (১৪ এপ্রিল) বিকাল ৪:৪৫ মিনিটে, রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান । তিনি রণাঙ্গনের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ৭১ বছর বয়সে জীবন প্রদীপ নিভে গেলো রণাঙ্গণের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমান সংসদ সদস্যসহ তিনি মোট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রথম সরকারে তিনি আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। রাজনীতির পাশাপাশি দেশের আইন অঙ্গনে ছিল তার সমান বিচরণ।আবদুল মতিন খসরু ১৯৫০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় জন্মগ্রহন করেন। ব্যক্তি জীবনে তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। কুমিল্লার বুড়িচং থানার মুক্তিযোদ্ধাকালীন কমান্ডার ছিলেন মতিন খসরু। ১৯৭৮ সালে কুমিল্লা জজকোর্টে আইনি পেশার জীবন শুরু করেন এই মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৮২ সাল থেকে হাইকোর্ট বিভাগে আইন পেশা শুরু করেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেন ছাত্রলীগ দিয়ে। এরপর যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেন কুমিল্লার এই সন্তান। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হন তিনি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন প্রথম সরকারের আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন আবদুল মতিন খসরু। আইনমন্ত্রী থাকাকালীন মানবতা বিরোধী কালো আইন ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পথ উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখেন। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সারা দেশে আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীর মামলায় হাইকোর্টে বিনা পারিশ্রমিকে আইন সহায়তা দেন তিনি। ২০০৯ সাল থেকে টানা আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন মতিন খসরু। ২০১৭ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য হন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ।। এর আগে, অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল-সিএমএইচ এর লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। গত ১৬ মার্চ তার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। ওই দিনই তাকে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। ১ এপ্রিল মতিন খসরুর করোনার নেগেটিভ আসে। পরে তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে নেয়া হয়। পরে আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। গত ১৩ই মার্চ সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি সভাপতি নির্বাচিত হন আবদুল মতিন খসরু।

করোনা প্রতিরোধে কঠোরভাবে বিধি-নিষেধ প্রতিপালনে পুলিশের প্রতি নির্দেশ আইজিপি’র

আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল)করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে প্রতিপালনের জন্য পুলিশের সকল ইউনিট প্রধানকে নির্দেশনা দিয়েছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ ড. বেনজীর আহমেদ।আইজিপি আজ বিকেলে করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার রোধ এবং পবিত্র রমজান উপলক্ষে সকল পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপার ও থানার অফিসার্স ইনচার্জগণকে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেন। আইজিপি বলেন, সরকারি বিধি-নিষেধ চলাকালে বিনা প্রয়োজনে কেউ ঘরের বাইরে যাবেন না। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে পুলিশের মুভমেন্ট পাস নিয়ে চলাচল করবেন। জরুরি কাজে ঘরের বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এসময় আইজিপি ধৈর্য ধরে বুদ্ধিমত্তার সাথে সরকারি বিধি-নিষেধ প্রতিপালনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, খাদ্যপণ্য, ঔষধ, উৎপাদন সামগ্রী ও অন্যান্য জরুরি সেবার যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোভিড-১৯ সংক্রমণ, লকডাউন, রমজান উপলক্ষে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোড করে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট না করতে পারে তা নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন আইজিপি। বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষিশ্রমিক পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শ্রমিকরা এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাতায়াত করতে পারবেন বলে সভায় জানান আইজিপি। আইজিপি বলেন, রমজানে মহাসড়কে কোন ধরনের চাঁদাবাজি বরদাশত করা হবে না। তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাসে জুমা ও ওয়াক্তের নামাজের সময় মসজিদের ভিতরে বা বাইরে কোন জমায়েত এবং ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা যাবে না। রমজান উপলক্ষে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনসমূহের ধর্মীয় উগ্রবাদী গোষ্ঠীর পোস্টার ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম প্রতিহত করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। রমজান উপলক্ষে যাকাত, ফিতরা, খাদ্য সামগ্রী ইত্যাদি বিতরণের ক্ষেত্রে জনসমাগম পরিহার নিশ্চিত করতে হবে। আইজিপি বলেন, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অনেক মানুষ ঢাকা ও অন্যান্য শহর ছেড়ে গ্রামে বাড়ি যেতে পারেন, সে সময় তাদের বাসা বাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় রেল স্টেশন, লঞ্চ ও বাস টার্মিনালে ঘরমুখী মানুষের ভিড় বাড়তে পারে। জনশৃঙ্খলা রক্ষায় এসব স্থানে পুলিশি টহল বাড়াতে হবে। রমজানে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেন আইজিপি। আইজিপি বলেন, দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য ইউনিট প্রধানদের নির্দেশ দেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে সীমিত পরিসরে প্রতীকী মঙ্গল শোভাযাত্রা

আজ বুধবার (১৪ এপ্রিল)‘কাল ভয়ঙ্করের বেশে আসে ঐ সুন্দর’ স্লোগান নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে সীমিত পরিসরে প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপিত হচ্ছে বাংলা নববর্ষ ১৪২৮। করোনা সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত এক সপ্তাহের লকডাউনের শুরুর দিন উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।আজ চারুকলা অনুষদের শিল্পীদের তৈরি বিভিন্ন মুখোশ নিয়ে অনুষদ প্রাঙ্গণে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সংক্ষিপ্তভাবে প্রতীকী মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রতীকী এ শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। প্রতীকী এ মঙ্গল শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূইয়াসহ চারুকলা অনুষদের স্বল্প সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশ নেন। ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, আবহমান কাল থেকে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নেওয়ার যে বর্ণিল উৎসব ও ঐতিহ্য, সেটি অসাম্প্রদায়িক, উদার ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন। নানা বিবেচনায় বাংলা-১৪২৮ গুরুত্ববহ একটি বছর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সন্ধিক্ষণে বাংলা নববর্ষের আগমন ঘটল। কোভিড-১৯ উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে অত্যন্ত সীমিত পরিসরে বাংলা নববর্ষকে স্বাগত জানাতে প্রতীকী মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত মঙ্গল শোভাযাত্রা। কিন্তু চলমান করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে এ বছর পহেলা বৈশাখ উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা আশা করি, আগামীতে করোনা উত্তর বাংলাদেশে আগের রূপে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করতে সক্ষম হবো। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও সংক্ষিপ্তভাবে প্রতীকী এ মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজন করায় আমি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।

আজ থেকে মহারাষ্ট্রে ‘জনতা কার্ফু’

আজ বুধবার (১৪ এপ্রিল) করোনা সংক্রমণে ভারতের মধ্যে কঠিন অবস্থা পার করছে মহারাষ্ট্র। রাজ্যটিতে লকডাউন নয়, কড়া ‘জনতা কার্ফু’ জারি করা হয়েছে। আজ রাত ৮টা থেকে ১ মে সকাল ৭টা পর্যন্ত এই কার্ফু জারি থাকবে। তিনি জানান, ‘মহারাষ্ট্র সরকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতিতে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু যেভাবে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর প্রবল প্রভাব পড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এখন রাজনীতি করার সময় নয়। প্রতিনিয়ত অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ছে, হাসপাতালে শয্যার সংখ্যা কমে আসছে, ওষুধের চাহিদাও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। তাই সরকার ‘জনতা কার্ফু’ জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ কার্ফুর নির্দেশনায় বলা হয়, বিশেষ কারণ ছাড়া বাইরে বেরুনোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো। সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা, প্রতিষ্ঠান, কাজকর্ম বন্ধ রাখতে হবে। তবে চালু থাকবে জরুরি পরিষেবা। খোলা থাকবে থাকবে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্বাস্থ্যবীমা অফিস, ওষুধের দোকান ও ওষুধ-কারখানা। এছাড়া স্যানিটাইজার, মাস্ক, টিকা সরবরাহ ও দেয়ার কাজ চলবে। বিমান, ট্রেন, ট্যাক্সি, অটো, বাস চলবে। বন্ধ থাকবে শপিং মল, সিনেমা হল। তবে রেস্তোরাঁ থেকে শুধু খাবার কিনে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। রাজনৈতিক সভা, বিয়ে বাড়ি ও শ্রাদ্ধের মতো অনুষ্ঠান করতে হবে নামমাত্র লোক নিয়ে। রাজ্যটিতে ইতিমধ্যেই দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে, সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন

আজ বুধবার (১৪ এপ্রিল)করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারাদেশব্যাপী ৮ দিনের কঠোর লকডাউন চলছে। আজ ভোর ৬টা থেকে লকডাউনের বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। ঢাকার রাস্তায় যানবাহন খুবই কম। পুলিশী তৎপরতা চোখে পরার মত। একটু পর পরই ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। সেখানে রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনকে থামিয়ে দিচ্ছে, কাগজপত্র চেক করতে দেখা গেছে। গত সোমবার (১২ এপ্রিল) কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। খোলা স্থানে কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যদি কেনা-বেচা করা যাবে ৬ ঘণ্টা। প্রজ্ঞাপনে ১৩টি নির্দেশনা দেওয়া হয়, তা হলো- ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। ২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। ৩. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। ৪. শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। ৫. আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে। ৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। ৭. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে। ৮. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে। ৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে। ১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদপেক্ষ গ্রহণ করবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে। ১১. স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন। ১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবির নামাজে জমায়েত বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে। ১৩. উপরোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

সর্বাত্মক লকডাউন ব্যাংকে লেনদেন ১০টা থেকে ১টা

আজ বুধবার (১৪ এপ্রিল) সর্বাত্মক লকডাউনের দিনগুলোতে (সরকারি ছুটি ছাড়া) ব্যাংক খোলা থাকবে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। তবে লেনদেন চলবে আজ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। এই সময়ে ব্যাংকের স্থানীয়, প্রধান শাখাসহ সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) শাখা ও জেলা সদরের ব্যাংকের প্রধান শাখা খোলা রাখতে হবে। সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রতি দুই কিলোমিটারের মধ্যে একটি শাখা (এডি শাখা না থাকলে) খোলা রাখতে হবে। এদিকে ব্যাংক খোলা থাকায় শেয়ারবাজারের লেনদেনও চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। দুই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে আরো বলা হয়, এই সময়ে উপজেলা পর্যায়ে প্রতিটি ব্যাংকের একটি শাখা রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার খোলা রাখতে হবে। ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অফিসে আনা-নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। বিধি-নিষেধ চলাকালে যেসব শাখা বন্ধ থাকবে সেগুলোর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম খোলা রাখা শাখার মাধ্যমে সম্পাদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর আগে গত ১২ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, বিধি-নিষেধের আওতায় সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কথা বলেছে সরকার। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। কিন্তু এ নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠার পর মঙ্গলবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এ ব্যাপারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ব্যাংক একদম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তটি যুক্তিযুক্ত ছিল না। কারণ ব্যাংক বন্ধ থাকলে শুধু ব্যক্তি গ্রাহক অসুবিধার সম্মুখীন হয় না, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

লাইভ টিভি

ওয়ার্ড পরিক্রমা

আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎসাহী সমাজকর্মী, স্কাউট আন্দোলন এর কর্ণধার ও আলোর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও বসুন্ধরা শিশু কিশোর সংগঠন এর উপদেষ্টা আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, প্রিয় স্যারের প্রতি আবু তাহের সর্দার স্মরণ সভা কমিটির উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, বলেন আবু তাহের সর্দার সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। জন্মিলে মরিতে হবে এটি চিরন্তন সত্য। তবুও মানুষ তাঁর সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকতে পারে। সেজন্য যাঁরা কীর্তিমান তাঁরা তাঁদের সেবামুলক কাজের মাধ্যমে মানবসমাজে বেঁচে থাকেন বহু যুগ যুগ ধরে। তিনি বলেন, এ নশ্বর পৃথিবীতে সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ, কোনো মানুষই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে না। সেজন্য দেশ ও মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই আবু তাহের সর্দার অমর হয়ে থাকবেন এ রাষ্ট্র সমাজে। এ জনসমাগম স্মরণ সভা থেকে তা বুঝ যায় তিনি কতবড় ত্যাগী মানুষ ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৬৩ বছর এ রাষ্ট্র সমাজের জন্য শ্রম দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত মনের বিস্ময় প্রতিভা মানুষ ছিলেন আবু তাহের সর্দার। বক্তরা বলেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে লাঘব করতে আবু তাহের সর্দারের প্রচেষ্টা অতুলনীয়; সমাজের আলোক বর্তিকা হয়ে তিনি সমুজ্জ্বল। আবু তাহের সর্দারের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজ বিনির্মানে তরুনদের এগিয়ে আসার শপথ নিতে হবে। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম, বখতিয়ার উদ্দীন সহ মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা।

খেলা

নিগারের শতকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে বাংলাদেশ আজ রোববার দক্ষিণ আফ্রিকা নারী দলের বিপক্ষে টানা তিন ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল। এবার হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে মাঠে নেমেছে নিগার সুলতানা বাহিনী। ম্যাচে অধিনায়কের অনবদ্য শতকে চড়ে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৩৬ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং নারী দল। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০১ রান করেন নিগার সুলতানা জোতি। অধিনায়কের ১৩২ বলের এই ইনিংসে ছিল ৮টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কার মার। এছাড়া সর্বোচ্চ ৪৫ রান আসে শোভানা মোশতারির ব্যাট থেকে। তার ৫২ বলের সময়োপযোগী এ ইনিংসে ছিল তিনটি চারের সঙ্গে একটি ছক্কার মার। ওপেনার মুরশিদার ব্যাট থেকেও আসে মূল্যবান ৪১টি রান। আর শেষ দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন লতা মণ্ডল। তার ১৬ বলে ২৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসেই মূলত সোয়া দুইশ ছাড়ায় দলের স্কোর। একটি করে চার ও ছয় হাঁকান লতা।আজ সকালে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। যদিও দলীয় মাত্র ১৬ রানেই প্রথম উইকেট হারিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা। ২১ বলে ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার শারমিন সুলতানা। তবে এরপর ৭২ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন মুরশিদা খাতুন ও অধিনায়ক নিগার সুলতানা। এ পর্যায়ে রান আউটে কাটা পড়ে বিচ্ছিন্ন হন ওপেনার মুরশিদা। ফেরার আগে ৪১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। তার ৭৮ বলের ইনিংসে ছিল পাঁচটি চারের মার। এরপর ক্রিজে এসে থিতু হতে পারেননি ফারজানা হক। মাত্র ১ রান করেই নবুলুমকো বেনিতেই এর শিকার হন প্রথম ম্যাচের নায়িকা। যাতে ১০৫ রানেই তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পরে শোভানা মোশতারিকে নিয়ে দলের রান বাড়াতে মনযোগী হন নিগার সুলতানা। সিরিজে নিজের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নিয়ে সেঞ্চুরির লক্ষ্যেই ছুটতে থাকেন অধিনায়ক। চতুর্থ উইকেটে শোভানাকে (৪৫) সঙ্গে নিয়ে গড়েন অনবদ্য ৯৭ রানের জুটি। দলীয় ২০২ রানে শোভানা ফিরলে নিগারের সঙ্গী হন লতা। এই ব্যাটারের ঝড়ে শেষ ২৩ বলে ৩৪ রান যোগ করে বাংলাদেশ। যাতে দলের স্কোর দুইশ ত্রিশ ছাড়ায়। প্রোটিয়া নারীদের পক্ষে মিকেলা অ্যান্ড্রিউস, নবুলুমকো বেনিতেই ও লিচ জোনস একটি করে উইকেট লাভ করেন। এর আগে ফারজানা হক, নিগার সুলতানা জোতি এবং রাবেয়া খাতুন ও মুরশিদা খাতুনের যৌথ নৈপূণ্যে প্রথম তিন ওয়ানডেতে যথাক্রমে ৫৪ রানে, ৭ উইকেটে ও ৬ উইকেটে জিতে সিরিজ নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ দল। বাংলাদেশ দল: শারমিন সুলতানা, মুরশিদা খাতুন, নিগার সুলতানা জোতি (অধিনায়ক), ফাহিমা খাতুন, ফারজানা হক, লতা মণ্ডল, নাহিদা আক্তার, রাবেয়া খাতুন, রিতু মনি, সালমা খাতুন ও শোভানা মোশতারি।

সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিনে বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হওয়ার সব পথে পুলিশের কঠোর নজরদারি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তুলতে হবে:সেতুমন্ত্রী সোনারগাঁয়ে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ২ সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু না ফেরার দেশে » রাষ্ট্রপতিও প্রধানমন্ত্রীর শোক করোনা প্রতিরোধে কঠোরভাবে বিধি-নিষেধ প্রতিপালনে পুলিশের প্রতি নির্দেশ আইজিপি’র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে সীমিত পরিসরে প্রতীকী মঙ্গল শোভাযাত্রা আজ থেকে মহারাষ্ট্রে ‘জনতা কার্ফু’ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে, সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন সর্বাত্মক লকডাউন ব্যাংকে লেনদেন ১০টা থেকে ১টা