শীর্ষ সংবাদ

আজ কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর মৃত্যুবার্ষিকী

আজ শনিবার (২৫ জানুয়ারি)কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।২০১৮ সালের আজকের এই দিনে ৮১ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন।১৯৬৪ সালে তার প্রথম উপন্যাস পিঙ্গল আকাশ প্রকাশিত হয়। এরপর প্রকাশিত হয়েছে ওয়ারিশ, প্রদোষে প্রাকৃতজন, উত্তরের খেপসহ কয়েকটি কালোত্তীর্ণ গ্রন্থ। বাংলা কথাসাহিত্যিক অমর লেখকের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের রায়গঞ্জে।দেশ ভাগ হওয়ার পর তিনি দিনাজপুরে বসবাস শুরু করেন। তার প্রথম লেখা গল্প প্রকাশিত হয় কলকাতার ‘নতুন সাহিত্য’ পত্রিকায়। এর পর দৈনিক মিল্লাত, মাসিক সমকাল, ইত্তেফাকে তার অনেক গল্প, কবিতা ও শিশুতোষ রচনা প্রকাশিত হয়। সাহিত্যে অনবদ্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ শওকত আলী পেয়েছেন বাংলা একাডেমি ও একুশে পদক। এ ছাড়াও তিনি ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ লেখক শিবির কর্তৃক হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে অজিত গুহ স্মৃতি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৬ সালে ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার এবং ১৯৮৯ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কারে সম্মানিত হন। এর মধ্যে উত্তরের খেপ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। তার প্রকাশিত উপন্যাসের তালিকায় রয়েছে যাত্রা, দক্ষিণায়ণের দিন, অপেক্ষা, গন্তব্যে অতঃপর, অবশেষে প্রপাত, জননী ও জাতিকা, জোড় বিজোড় ইত্যাদি।

২৪ জানুয়ারির গণহত্যা শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে ডকুমেন্টারি তৈরির পরিকল্পনা

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) গণহত্যা দিবসে ২৪জন শহীদের স্মরণে নগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সিটি মেয়র ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি লাল দিঘী মাঠে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় পুলিশের হামলায় নিহত ২৪জন শহীদের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিচ্ছেন ।২৪ জানুয়ারির গণহত্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা ছিলো। সেই দিন প্রাণের নেত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান। গত ২০ জানুয়ারি মামলার রায়ে অভিযুক্তদের পাঁচ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। সরকার বিভিন্নভাবে গণহত্যা দিবসে প্রাণ হারানো শহীদ পরিবারকে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে এবার ২৪ জানুয়ারির গণহত্যা দিবস নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হচ্ছে। এরমধ্য দিয়ে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে আরো একটি লক্ষ্য বাস্তবায়ন হবে। আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এড. সুনীল সরকার, নঈন উদ্দিন চৌধুরী, এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, গণহত্যা মামলার জেলা স্পেশাল পিপি এড. মেজবাহ মেজবাহ উদ্দিনসহ শহীদ পরিবারের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভার শেষে চট্টগ্রাম আদালত এলাকাস্থ গণহত্যা শহীদ চত্বরে পুস্পস্তবক অর্পন করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, নগর যুবলীগ, নগর ছাত্রলীগ, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ, নগর শ্রমিক লীগসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনসহ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন নেতাকর্মীরা।

মির্জাপুল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মেয়র

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন মির্জাপুল এলাকার সংগঠিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। তিনি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে যান এবং ক্ষতিগ্রস্ত ১’শ পরিবারের প্রত্যেককে অর্থ সহায়তা, গৃহস্থালি সামগ্রী ও আপদকালীন ভরণপোষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য চসিক বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ডা. শেখ শফিউল আজম, বিজেএমইএ নেতা আবদুস সালাম, নগর আওয়ামী লীগ নেতা বেলাল আহমেদ, শুলকবহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সরওয়ার্দী, স্থানীয় কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর, পাঁচলাইশ জোন পুলিশের এসি দেবদূত, ওসি আবুল কাসেম, প্রমুখ।

আজ মহাকবি মাইকেল মধুসূদনের ১৯৬তম জন্মদিন

আজ শনিবার (২৫ জানুয়ারি)বাংলা সাহিত্যের মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৬তম জন্মবার্ষিকী। যশোরের সাগরদাঁড়ি কপোতাক্ষ নদের তীরে কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে হাজার হাজার কবিভক্তের আগমনে মুখরিত সাগরদাঁড়ির নিভৃত পল্লী। ১৮২৪ খ্রিস্টাব্দ ২৫ জানুয়ারি সাগরদাঁড়িতে তার জন্ম। ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন বেলা ২টায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বাবা জমিদার রাজনারায়ণ দত্ত আর মা জাহ্নবী দেবী। এবারও কবির জন্মদিন ঘিরে এপার বাংলা-ওপার বাংলার সাহিত্যিক, রাজনৈতিক নেতাসহ সর্বস্তরের মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠেছে মেলা প্রাঙ্গণ। যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় কবির জন্মজয়ন্তী ও মধুমেলা চলছে। মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট রচয়িতা। প্রথম মহাকাব্য লেখেন মেঘনাদবধ। তার লেখা প্রহসন, পত্রকাব্য, ট্র্যাজেডিসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বাংলা ভাষাকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কবির জন্মস্থান সাগরদাঁড়িকে ১৯৮৭ সালে মধুপল্লী ঘোষণা করে ১ কোটি টাকা বরাদ্দ করেন। মধুপল্লীর বিভিন্ন উন্নয়ন চলমান থাকার সময় ২০০১ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বদল হলে মধুপল্লীর উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যায়। মধুমেলা আয়োজনের সদস্য সচিব কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান বলেন, মধুসূদনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং মেলাকে বাঙালির চিরন্তন সংস্কৃতির রূপ দিতে সব ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে। এবারের মেলায় প্রায় ২ হাজার দোকানি তাদের পসরা নিয়ে বসেছেন। মেলায় মুক্তমঞ্চে যাত্রাপালা, মৃত্যুকূপে মোটরসাইকেল চালানো, সার্কাস ও জাদু প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রয়েছে। কারু শিল্পীরা তাদের কাঠে খোদাই করা আসবাবপত্র নিয়ে আসবেন। মেলায় প্রতিদিন স্থানীয় ও ঢাকা থেকে আগত শিল্পীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ২৮ জানুয়ারি মধুসূদন পদক প্রাপ্তদের সম্মাননা দেয়ার মাধ্যমে মেলা শেষ হবে। কেশবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ আবু সাইদ জানান, মেলায় সব রকমের অশ্লীলতা মুক্ত করতে এবং মধুভক্তদের নিরাপত্তা দিতে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। মধুসূদনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ও তার স্মৃতিকে স্মরণ করতে ১৮৯০ সালে প্রথমবার কবির জন্মস্থান সাগরদাঁড়িতে মধুসূদন দত্তের স্মরণসভার আয়োজন করা হয় বলে মধুসূদন গবেষক কবি খসরু পারভেজ জানান।

নগরীর নিউমার্কেট এলাকা থেকে ইয়াবাসহ দু’জন রোহিঙ্গা আটক

নগরীর নিউমার্কেট এলাকা থেকে ১ হাজার ৯’শ পিস ইয়াবাসহ দু’জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রেপ্তারকৃতরা দু’জন রোহিঙ্গা হলেন- ছমোদা বেগম (৩০) ও শাহাদাত হোসেন (১৮)। , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে দু’জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯’শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিভিন্ন স্থানে পাচার করার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে

দেশের অগ্রযাত্রায় নেতা-কর্মীদের সহযোগিতার আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান,রাষ্ট্র ক্ষমতায় তাঁর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতা দেশের অগ্রগতি দৃশ্যমান করেছে। তিনি জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোর লক্ষ্যে সরকারের প্রয়াসে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। শুক্রবার কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটি এবং উপদেষ্টা কাউন্সিলের যৌথ সভায় বক্তৃতাকালে এসব কথা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী জানান,২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়লাভের পর একটানা তিন মেয়াদের জন্য সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।এই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান,সরকারের ধারাবাহিকতার ফলে দেশের উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে এবং জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটছে। তিনি বলেন, দলের প্রত্যেক নেতা-কর্মীকে জাতির জনকের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। ইনশাল্লাহ, আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলা গড়তে পারবো।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে দেশবাসীর ভাগ্য পরিবর্তন করা। আমরা এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছি এবং এই কাজ অব্যাহত থাকবে। শেখ হাসিনা আরো বলেন, সরকার জাতীয় পর্যায়ে মুজিব বর্ষ উদযাপনের জন্য ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহন করেছে। পাশাপাশি অন্যান্য সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানও ভাবগম্ভীর পরিবেশে বঙ্গবন্ধু’র জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করবে। আমরা ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পযর্ন্ত মুজিব বর্ষ উদযাপন করবো এবং আমরা ইতোমধ্যেই ক্ষণগণনা শুরু করেছি। আমরা ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবো। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করে তাঁর নাম একেবারে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কিন্তু এখন আর কেউ তাঁর নাম মুছতে পারবেনা, কারণ তিনি সংগ্রাম করেছিলেন এবং সারাজীবন দেশের মানুষের জন্য কষ্ট সহ্য করেছিলেন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর ২৪ বছরের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে এবং জাতির পিতার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় অর্জিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা, ত্রিশ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা-বোনকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে তাঁদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলা।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন দেশকে স্বাধীন করেছিলেন তখন ৮২ শতাংশের বেশি মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করত। তিনি বলেন, ‘আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার দারিদ্র্য হারকে ২০ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।’ শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন এবং তিনিও এ লক্ষ্যে কাজও শুরু করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তবে আমাদের দুর্ভাগ্য, বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যার পরে বাংলাদেশ সেই আদর্শ ও চেতনা থেকে বিচ্যুত হয়েছিল।’ দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশ আবারও উন্নয়নের দিকে যাত্রা শুরু করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা সম্ভব হয়েছে যেহেতু আমরা জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করছি। এরআগে, প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত কেন্দ্রিয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাঁরা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আজ অপরাহ্নে জাতির পিতার সমাধি সৌধে পুষ্পাঞ্জলী অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান। প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা প্রথমে জাতির পিতার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পাঞ্জলী অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার এই মহান স্থপতির প্রতি সম্মান জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে, শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে সমাধি সৌধের বেদিতে আরেকটি শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এই বাঙালি বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তাঁরা সেখানে ফাতেহা পাঠ করেন এবং বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠিত বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে অনুষ্ঠিত একটি মিলাদেও তাঁরা অংশগ্রহণ করেন। মোনাজাতে দেশ ও জাতির অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতি কামনার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

নদী দখলে দেশে চট্টগ্রাম বেশ এগিয়ে

চট্টগ্রামে নদী-খাল দখলে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ভূমিদস্যুরা। নানা স্থাপনা বানিয়ে ভরাট করে খাল-নদীর অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তুলছে তারা। অবৈধ দেশে নদী দখলদারদের যে তালিকা প্রকাশ করেছে তাতেও জেলাওয়ারি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দখলদারের তালিকায় চট্টগ্রামের স্থান দ্বিতীয়। চট্টগ্রাম জেলায় নদী দখলদারের সংখ্যা চার হাজার ৭০৪ জন। তালিকার প্রথম ও তৃতীয় স্থানে যে দুই জেলা, তাও চট্টগ্রাম জেলার প্রতিবেশী। এর মধ্যে ৫ হাজার ৯০৬ জন নদী দখলদার নিয়ে তালিকার প্রথম স্থানটি কুমিল্লার। অন্যদিকে ৪ হাজার ৪৯৯ জন দখলদার নিয়ে নোয়াখালী রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। দেশে নদী দখলদারের তালিকায় চট্টগ্রামের স্থান দ্বিতীয়। চট্টগ্রাম জেলায় নদী দখলদারের সংখ্যা চার হাজার ৭০৪ জন। তালিকার প্রথম ও তৃতীয় স্থানে যে দুই জেলা, তাও চট্টগ্রাম জেলার প্রতিবেশী। এর মধ্যে ৫ হাজার ৯০৬ জন নদী দখলদার নিয়ে তালিকার প্রথম স্থানটি কুমিল্লার। অন্যদিকে ৪ হাজার ৪৯৯ জন দখলদার নিয়ে নোয়াখালী রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। জাতীয় সংসদের প্রশ্ন-উত্তরে সরকারি দলের এম. আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এসব তথ্য জানান। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, ‘দেশের সব জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে নদ-নদীর অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকা জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট জেলা তথ্য বাতায়নে আপলোড করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এতে সারাদেশে ৪৯ হাজার ১৬২ জন অবৈধ দখলদারের বিবরণ লিপিবদ্ধ আছে। নদ-নদীর অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়া। ইতোমধ্যে সব জেলা প্রশাসককে তালিকা অনুসারে ক্রাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে সারাদেশে নদ-নদীতে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার জন্য অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ নদী দখলে শীর্ষ ১০ জেলার মধ্যে বাকিগুলো হচ্ছে কুষ্টিয়া (৩ হাজার ১৩৪ জন), বরিশাল (২ হাজার ২৭২ জন), ময়মনসিংহ (২ হাজার ১৬০ জন), ফরিদপুর (১ হাজার ৮৪৩ জন), বরগুনা (১ হাজার ৫৫৪ জন), নাটোর (১ হাজার ৫৪১ জন), গোপালগঞ্জ (১ হাজার ৩৯৯ জন)। সবচেয়ে কম নদী দখলদার রয়েছেন লালমনিরহাট জেলায় (১৩ জন)। বিভাগভিত্তিক সবচেয়ে বেশি দখলদার রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এখানে মোট নদী দখলদারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৪১১ জন। অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে খুলনা বিভাগে সাত হাজার ২১৮ জন, ঢাকা বিভাগে সাত হাজার ৫৮২ জন, বরিশাল বিভাগে পাঁচ হাজার ৬১১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে তিন হাজার ৪৯৫ জন, রাজশাহী বিভাগে দুই হাজার ৭৮৩ জন, রংপুর বিভাগে দুই হাজার ৪১৪ জন এবং সিলেট বিভাগে দুই হাজার ৪৪ জন। সবমিলিয়ে সারা দেশের ৬৪ জেলায় ৪৯ হাজার ১৬২ জন অবৈধ দখলদারের বিবরণ লিপিবদ্ধ করেছে সরকার।

টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা

নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী ফাতহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করেন। আওয়ামী লীগের ২১ তম কাউন্সিলে ফের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনার এটাই প্রথম টুঙ্গিপাড়া সফর। এরপর আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী নবগঠিত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, ফাতেহাপাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাজাহান খান, মতিয়া চৌধুরী, কাজী জাফর উল্লাহ, সাহারা খাতুনসহ নবগঠিত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ, গোপালগঞ্জ জেলা ও টুঙ্গিপাড়াসহ ৫ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জুমার নামাজের পর বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স মসজিদের দোয়া মাহফিল হয়। এতে কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন। পরে নবগঠিত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী ও উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম সভা হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন। এর আগে, বেলা ১১টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কমপ্লেক্স মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। এ সময় হেলিপ্যাডে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সড়ক পথে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে পৌঁছান। বিকালে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করবেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতিসহ দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের নবনির্বাচিত নেতাদের আগমন উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ার পথে পথে স্থাপন করা হয়েছে ‘জাতির পিতা তোরণ’ ও ‘বঙ্গবন্ধু তোরণ’। টুঙ্গিপাড়া জুড়ে নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা।

টাইগাররা মাত্র ১৪১ রানের লক্ষ্য দিল পাকিস্তানকে ।

শুক্রবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ ইনিংস শুরু করে বেশ ধীর গতিতেই। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ হলেও মারমার কাটকাট ব্যাটিংয়ের কোনও দেখা নেই। বাংলাদেশের দলের ওপর আজ যেন ভর করেছে রান-আউটের ভুত! যাতে একে একে সাজঘরে ফেরেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। আর এই জোড়া ধাক্কা কাটিয়ে বড় স্কোর গড়তে পারেনি টাইগাররা। পাকিস্তানের বিপক্ষে তুলতে পেরেছে মাত্র ১৪১ রান। দর্শকরা মাঝেমধ্যে চিৎকার করে আসর জমানোর চেষ্টা করলেও শুরু থেকেই ধীর ব্যাটিং করছিলেন তামিম ইকবাল। তরুণ মোহাম্মদ নাঈম শুরুতে হাত খুললেও সময়ের সঙ্গে ধীরগতির ব্যাটিং শুরু করেন তিনিও। যদিও ওপেনিং জুটিতে এসেছে মূল্যবান ৭১ রান, তথাপি এতে সময় লেগেছে ১১ ওভার! মোহাম্মদ রিজওয়ানের থ্রোতে উইকেট ভাঙলে সাজঘরে ফেরেন ৩৪ বলে ৩৯ করা তামিম ইকবাল। তামিম ইকবালের বিদায়ের পর নাঈমের সঙ্গী হন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা লিটন দাস। কিন্তু ১৩ বলে ২ বাউন্ডারিতে ১২ রান করা লিটনও প্যাভিলিয়নে ফেরেন সেই রান আউটেই! এসময় উইকেটে আসেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আর তখনই শাদাব খানকে ছক্কা মারতে গিয়ে ইফতেখারের তালুবন্দি হয়ে ফেরেন ৪১ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪৩ রান করা নাঈম শেখ। যাতে ৯৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপরও ছিল বড় রানের আশা। কিন্তু দুই অলরাউন্ডার আফিফ (৯) ও সৌম্য (৭) দ্রুত আউট হলে ভেস্তে যায় টাইগারদের বড় স্কোরের সেই আশা। শেষ পর্যন্ত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মোহাম্মদ মিঠুনের ব্যাটে ১৪১ রান তুলতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ। যেখানে অধিনায়ক ১৪ বলে ১৯ করে এবং মিঠুন তিন বলে পাঁচ করে অপরাজিত থাকেন। স্বাগতিকদের হয়ে শাহীন আফ্রিদি, শাদাব খান ও অভিষিক্ত হারিস রউফ একটি করে উইকেট লাভ করেন। এদিকে, পাকিস্তানের বিপক্ষে এই প্রথমবার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে টাইগাররা। সবশেষ সিরিজে জিততে না পারলেও ভারতকে তাদেরই মাটিতে কাঁপিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে, আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও সময়টা ভালো যাচ্ছে না পাকিস্তানের। ফল হওয়া সবশেষ ৯ ম্যাচের আটটিতেই হেরেছে তারা। ভারতের বিপক্ষে খেলা সবশেষ ম্যাচের একাদশে খুব একটা পরিবর্তন আনেনি বাংলাদেশ। তিন পেসার মোস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন হোসেন ও শফিউল ইসলামের সঙ্গে আছেন লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

সোনার বাংলা বিনির্মাণই আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য সেতুমন্ত্রী

আজ শুক্রবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি কমপ্লেক্সে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণই আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে ট্র্যাডিশনের সঙ্গে টেকনোলজি, আইডিয়ালিজমের সঙ্গে রিয়েলিজমের সুন্দর সমন্বয় করে সোনার বাংলা বিনির্মাণের চূড়ান্ত লক্ষ্য অভিমুখে আমরা উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে এগিয়ে যেতে চাই।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সোনার বাংলা বিনির্মাণ একটি সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য। আমাদের টার্গেট আছে, ভিশন আছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার যে ভিশন ২০২১, ভিশন ২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান রয়েছে, আমরা এই তিনটিকে সামনে রেখে আমাদের এজেন্ডা ঠিক করেছি। সময়ের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’ সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সম্মেলনের পর আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ ও জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়ায় এসেছি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সোনার মানুষ তৈরির কারখানা হিসেবে আওয়ামী লীগকে সময় ও যুগের চাহিদা অনুযায়ী নতুন মডেলে আমরা ঢেলে সাজাব। সাংগঠনিক কাঠামোকেও শুদ্ধ করব, সুশৃঙ্খল করব। সারাবাংলায় তৃণমূল পর্যন্ত এই লক্ষ্য ছড়িয়ে দেওয়ার শপথ ও অঙ্গীকার নিতেই আমরা আজ এখানে এসেছি।’ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাধা ও চ্যালেঞ্জ তো থাকবেই। সময়ের পরিবর্তনে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসবে। নতুন নতুন বাধাও আসতে পারে। চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হবে। আর তার জন্য সময়ের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের সুশৃঙ্খল সংগঠন গড়ে তুলতে হবে। সাংগঠনিক শক্তি ও আদর্শের পতাকা হাতে আমরা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করব।

লাইভ টিভি

ওয়ার্ড পরিক্রমা

আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎসাহী সমাজকর্মী, স্কাউট আন্দোলন এর কর্ণধার ও আলোর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও বসুন্ধরা শিশু কিশোর সংগঠন এর উপদেষ্টা আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, প্রিয় স্যারের প্রতি আবু তাহের সর্দার স্মরণ সভা কমিটির উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, বলেন আবু তাহের সর্দার সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। জন্মিলে মরিতে হবে এটি চিরন্তন সত্য। তবুও মানুষ তাঁর সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকতে পারে। সেজন্য যাঁরা কীর্তিমান তাঁরা তাঁদের সেবামুলক কাজের মাধ্যমে মানবসমাজে বেঁচে থাকেন বহু যুগ যুগ ধরে। তিনি বলেন, এ নশ্বর পৃথিবীতে সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ, কোনো মানুষই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে না। সেজন্য দেশ ও মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই আবু তাহের সর্দার অমর হয়ে থাকবেন এ রাষ্ট্র সমাজে। এ জনসমাগম স্মরণ সভা থেকে তা বুঝ যায় তিনি কতবড় ত্যাগী মানুষ ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৬৩ বছর এ রাষ্ট্র সমাজের জন্য শ্রম দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত মনের বিস্ময় প্রতিভা মানুষ ছিলেন আবু তাহের সর্দার। বক্তরা বলেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে লাঘব করতে আবু তাহের সর্দারের প্রচেষ্টা অতুলনীয়; সমাজের আলোক বর্তিকা হয়ে তিনি সমুজ্জ্বল। আবু তাহের সর্দারের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজ বিনির্মানে তরুনদের এগিয়ে আসার শপথ নিতে হবে। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম, বখতিয়ার উদ্দীন সহ মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা।

খেলা

টাইগাররা মাত্র ১৪১ রানের লক্ষ্য দিল পাকিস্তানকে । শুক্রবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ ইনিংস শুরু করে বেশ ধীর গতিতেই। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ হলেও মারমার কাটকাট ব্যাটিংয়ের কোনও দেখা নেই। বাংলাদেশের দলের ওপর আজ যেন ভর করেছে রান-আউটের ভুত! যাতে একে একে সাজঘরে ফেরেন তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। আর এই জোড়া ধাক্কা কাটিয়ে বড় স্কোর গড়তে পারেনি টাইগাররা। পাকিস্তানের বিপক্ষে তুলতে পেরেছে মাত্র ১৪১ রান। দর্শকরা মাঝেমধ্যে চিৎকার করে আসর জমানোর চেষ্টা করলেও শুরু থেকেই ধীর ব্যাটিং করছিলেন তামিম ইকবাল। তরুণ মোহাম্মদ নাঈম শুরুতে হাত খুললেও সময়ের সঙ্গে ধীরগতির ব্যাটিং শুরু করেন তিনিও। যদিও ওপেনিং জুটিতে এসেছে মূল্যবান ৭১ রান, তথাপি এতে সময় লেগেছে ১১ ওভার! মোহাম্মদ রিজওয়ানের থ্রোতে উইকেট ভাঙলে সাজঘরে ফেরেন ৩৪ বলে ৩৯ করা তামিম ইকবাল। তামিম ইকবালের বিদায়ের পর নাঈমের সঙ্গী হন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা লিটন দাস। কিন্তু ১৩ বলে ২ বাউন্ডারিতে ১২ রান করা লিটনও প্যাভিলিয়নে ফেরেন সেই রান আউটেই! এসময় উইকেটে আসেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আর তখনই শাদাব খানকে ছক্কা মারতে গিয়ে ইফতেখারের তালুবন্দি হয়ে ফেরেন ৪১ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪৩ রান করা নাঈম শেখ। যাতে ৯৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপরও ছিল বড় রানের আশা। কিন্তু দুই অলরাউন্ডার আফিফ (৯) ও সৌম্য (৭) দ্রুত আউট হলে ভেস্তে যায় টাইগারদের বড় স্কোরের সেই আশা। শেষ পর্যন্ত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মোহাম্মদ মিঠুনের ব্যাটে ১৪১ রান তুলতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ। যেখানে অধিনায়ক ১৪ বলে ১৯ করে এবং মিঠুন তিন বলে পাঁচ করে অপরাজিত থাকেন। স্বাগতিকদের হয়ে শাহীন আফ্রিদি, শাদাব খান ও অভিষিক্ত হারিস রউফ একটি করে উইকেট লাভ করেন। এদিকে, পাকিস্তানের বিপক্ষে এই প্রথমবার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে টাইগাররা। সবশেষ সিরিজে জিততে না পারলেও ভারতকে তাদেরই মাটিতে কাঁপিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে, আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও সময়টা ভালো যাচ্ছে না পাকিস্তানের। ফল হওয়া সবশেষ ৯ ম্যাচের আটটিতেই হেরেছে তারা। ভারতের বিপক্ষে খেলা সবশেষ ম্যাচের একাদশে খুব একটা পরিবর্তন আনেনি বাংলাদেশ। তিন পেসার মোস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন হোসেন ও শফিউল ইসলামের সঙ্গে আছেন লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

সর্বশেষ সংবাদ
আজ কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর মৃত্যুবার্ষিকী ২৪ জানুয়ারির গণহত্যা শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে ডকুমেন্টারি তৈরির পরিকল্পনা মির্জাপুল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মেয়র আজ মহাকবি মাইকেল মধুসূদনের ১৯৬তম জন্মদিন নগরীর নিউমার্কেট এলাকা থেকে ইয়াবাসহ দু’জন রোহিঙ্গা আটক দেশের অগ্রযাত্রায় নেতা-কর্মীদের সহযোগিতার আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নদী দখলে দেশে চট্টগ্রাম বেশ এগিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা টাইগাররা মাত্র ১৪১ রানের লক্ষ্য দিল পাকিস্তানকে । সোনার বাংলা বিনির্মাণই আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য সেতুমন্ত্রী