জনস্বাস্থ্য নিয়ে আমরা কি কিছু ভাবছি-কামরুল হাসান বাদল লেখক কবিও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 25/05/2019-12:13pm:    বয়স পঞ্চাশ পেরিয়েছে অথচ শারীরিকভাবে সুস্থ আছে এমন মানুষের সংখ্যা কত হবে দেশে। অথবা প্রশ্নটা এমনভাবেও করতে পারি, দেশের কতভাগ মানুষ সুস্থ বা নিরোগ শরীরে আছে। চিত্রটি ভীষণ উদ্বেগজনক হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
খুব বেশি নয়, ২০/২৫ বছর আগেও অনেকের মৃত্যুর কারণ হিসেবে বলা হতো, বার্ধক্যজনিত কারণে। সংবাদপত্রেও মৃত্যু সংবাদ লিখতে গিয়ে অনেকের ক্ষেত্রে বলা হতো, বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। এসব ক্ষেত্রে মৃতদের অধিকাংশের বয়স উল্লেখ থাকতো অন্তত ৭০ বছরের ওপর। এখন এমন সংবাদ দেখা যায় না। অধিকাংশের মৃত্যু সংবাদে বলা হয় তিনি দীর্ঘদিন যাবত ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, কিডনি রোগে ভুগছিলেন। আর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ও হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুর খবরতো এখন সাধারণ সংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমাজে আগে অনেক বৃদ্ধ বৃদ্ধা দেখা যেত, যাঁরা বেশ শারীরিক সুস্থতা নিয়ে বেঁচে ছিলেন। এখন ৫০ বছর পেরুলেই ডায়াবেটিস নয়তো ক্যান্সার, নয়তো লিভার, নয়তো কিডনি ইত্যাদির মতো জটিল রোগে ভুগছেন। উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে ভুগছেন।
অনেকের মনে হতে পারে যে, আগেও এসব রোগে মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তবে তা নির্ণীত হতো না বলে জানা যেত না। এটিও সত্য তবে তা পুরোপুরি নয়। ডাক্তার চিহ্নিত করতে পারেননি এমন রোগ হলে সাধারণ মানুষ মনে করতো ভূত-জিনের আছর বা তাবিজ টোনা বান মারার কারণে মৃত্যু হচ্ছে। এসব বিশ্বাস করতে গিয়ে কতলোক অপচিকিৎসায় মারা গেছে তার কোনো ইয়ত্তা নেই। এখনো অনেকে এমন তাবিজটোনায় বিশ্বাস করে। অনেকে ‘বাবা’দের কাছে যায় আধ্যাত্মিক শক্তির জোরে ভালো হওয়ার আশায়। গ্রামে এখনো মানসিক রোগীদের জিনে ধরেছে বলে অপচিকিৎসা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কল্যাণে এখন রোগ নির্ণয় সহজ হয়েছে বটে তবে একথা স্বীকার করতে হবে যে, রোগ-বালাই পূর্বের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি হচ্ছে। এখন শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না মরণঘাতী রোগ বালাই থেকে।
কিডনিরোগ, লিভার ক্যান্সারের মতো রোগেও আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। চিকিৎসকরা বিষয়টি উদ্বেগজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন। মাত্র ২০ বছর আগেও দেশে এত ক্লিনিক হাসপাতাল ও রোগ নির্ণয় কেন্দ্র ছিল না। এখন শত শত ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার হয়েছে। যাঁদের এসব স্থানে যেতে হয়েছে তাঁরা জানেন এখানে প্রতিদিন কী পরিমাণ রোগীর ভিড় হয়ে থাকে। ২০/৩০ বছর আগেও শহরের প্রায় প্রতিটি পাড়ায় ডাক্তারখানা ছিল। প্রাইভেট প্র্যাকটিশনার ও এমবিবিএস পাস করা চিকিৎসকরা সেখানে বসতেন। সন্ধ্যার দিকে তাদের চেম্বারে সামান্য ভিড় দেখা যেত। এসব চিকিৎসকরা অনেক সময় রোগীর বাড়িতে গিয়েও চিকিৎসা দিতেন। তাঁদের ফিস ছিল সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে। চোখ দেখে, নাড়ি টিপে, বুকে-পিঠে স্টেথিস্কোপ বসিয়ে তাঁরা রোগ নির্ণয় করতেন। ছোটখাটো অপারেশন তাঁরা নিজেরাই চেম্বারে সেরে নিতেন। এমন চিকিৎসকদের অনেককে দেখেছি তাঁরা রোগীদের পারিবারিক খোঁজ খবরও নিতেন। অনেক সময় স্যাম্পল হিসেবে পাওয়া ওষুধ রোগীদের দিয়ে দিতেন। আমি ডাক্তারের ফিস বাকি রাখতেও দেখেছি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি অন্য রকম। পাড়ায় পাড়ায় আর আলাদা ডাক্তারখানা নেই। চিকিৎসকরা সবাই ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেন্দ্রিক হয়ে উঠেছেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও চমৎকারভাবে সজ্জিত এইসব প্রতিষ্ঠানে চাকচিক্যের সাথে সাথে চিকিৎসককে দেখানোর ঝক্কি ঝামেলা বেড়েছে। চিকিৎসকের ফিসও বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন সামান্য সর্দি-জ্বর নিয়েও ওইসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আগে সিরিয়াল নিতে হয় এবং অনেকক্ষণ দুর্বিষহ অপেক্ষার পর চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। এখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া মানে প্রচুর টেস্ট করার স্লিপ হাতে বেরিয়ে আসা। প্রয়োজন নেই এমন অনেক টেস্টও করান কিছু কিছু চিকিৎসক তাঁর নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেখান থেকে তিনি ৪৫% ভাগ কমিশন নিয়ে থাকেন। বেশ কিছুদিন আগে গ্রামে একটি মুদির দোকানের সামনে অপেক্ষা করছিলাম।
মধ্যবয়েসি এক লোক এসে দোকানিকে বললেন, দুয়ো জ্বরর দাবাই দ’ দুয়ো গ্যাস্ট্রিকের দ’ আর আধ বাবা মশুর ডাইল দ’। বলে তিনি দোকানির সামনে একটি ১০০ টাকার নোট রাখলেন। (দুটো জ্বরের দাওয়াই দাও, দুটো গ্যাস্ট্রিকের আর আধ পোয়া মশুর ডাল দাও)। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। শুধু গ্রামে নয় শহরেও অনেক মুদি বা পান-সিগারেটের দোকানেও অনেক ধরনের ওষুধ বিক্রি হয়।
বাংলাদেশে যে পরিমাণ ওষুধের দোকান আছে এবং এরা যে পদ্ধতিতে ঔষুধ বিক্রি করে তা বিশ্বের কোনো উন্নত ও সভ্য দেশে সম্ভব নয়। ইউরোপ আমেরিকার কথা বাদ দিন আমাদের প্রায় পাশবর্তী দেশ থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ায়ও এভাবে ওষুধ বিক্রি করার নিয়ম নেই। কিছুদিন আগে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা গিয়েছিলাম, সেখানেও ওষুধের দোকান দেখিনি। এত এত ক্লিনিক. ডায়াগনস্টিক সেন্টার চোখে পড়েনি। বাংলাদেশে কোথাও তিনটি দোকান থাকলে তারমধ্যে প্রথমেই থাকবে একটি চায়ের দোকান। তারপর একটি ওষুধের দোকান তৃতীয়টি অধুনা মোবাইলে টাকা জমা ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের হবে।
পশ্চিমারা বলে তাদের প্রকৃত জীবন শুরু হয় ৫০ থেকে আর আমাদের দেশের মানুষ ৫০ বছর পেরুলেই বেহেস্ত-দোযখের চিন্তায় আচ্ছন্ন থাকে দেহে একাধিক রোগের অস্তিত্ব রেখে। আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার কয়েকটি দেশ ছাড়া বাংলাদেশের মতো এমন রোগাক্রান্ত জাতি আর কোথাও আছে বলে মনে হয় না। ২০/৩০ বছর আগের তুলনায় এখন চিকিৎসার সুবিধা বৃদ্ধি পেলেও তাতে সংকুলান হচ্ছে না রোগীর। আবার দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর আস্থাও রাখতে পারছে না অধিকাংশ রোগী। ফলে প্রতিবছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা চলে যাচ্ছে ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে। চিকিৎসাখাতে বছরে কত হাজার কোটি টাকা বিদেশে চলে যাচ্ছে তার সঠিক পরিসংখ্যান কোথাও নেই। অনেকে অভিযোগ করেন চিকিৎসার নামেও দেশ থেকে বাইরে পাচার হয়ে যাচ্ছে অর্থ।
দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির একটি হিসাব আছে আমাদের কাছে। বলা হচ্ছে ১৯৭১ সালে যেখানে গড় আয়ু ছিল ৩৯ বছর এখন তা দাঁড়িয়েছে ৭১ বছর। সাধারণভাবে বিষয়টি খুব ইতিবাচক ও আনন্দের সংবাদ বলে মনে হলেও প্রকৃত বিষয়টি ভিন্ন। মানুষ কি এখন বেশিদিন বেঁচে থাকছে? বাস্তবতা তেমন বলে না। দেশে সত্তরোর্ধ মানুষের সংখ্যা খুব বেশি নেই। ৮০/৯০ বছর বেঁচে আছে এমন মানুষের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। আসলে ঘটনাটি হলো এখন শিশু মৃত্যুর হার কমেছে আশাব্যঞ্জক হারে। সে সাথে প্রসবকালীন মৃত্যুও। সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন দাইদের দ্বারা শিশু প্রসবের সংখ্যা কমেছে। ফলে প্রসবকালীন শিশুমৃত্যুর সংখ্যা অনেক হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে অনেক রোগের ভ্যাকসিন আবিষ্কার ও তা প্রয়োগের বিষয়ে সরকারি উদ্যোগ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়াও শিশুমৃত্যুর হার কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ। কিন্তু বড় হতে হতেই এরাই নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কিছু গবেষণা সংস্থা দাবি করেছে দেশে প্রতি দুজনে একজন ডায়াবেটিস আক্রান্ত। এই সংখ্যা আগে নগরকেন্দ্রিক জীবনে বেশি মাত্রায় ছিল। এখন গ্রামীণ সমাজেও এই রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। লিভার কিডনি ও হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যাও আনুপাতিক হারে কম নয়। অনেকে বলে থাকেন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে স্থাপিত হাসপাতালগুলো টিকে আছে বাংলাদেশি রোগীদের কারণে।
শুধু শারীরিক রোগের ক্ষেত্রেও নয়, মানসিকভাবে অসুস্থ রোগীর সংখ্যাও দেশে উদ্বেগজনক। কিছুদিন আগে একটি পরিসংখ্যানে বলা হয়েছিল দেশের ৬০ শতাংশ লোক কোনো না কোনোভাবে মানসিক অসুস্থ। এইসব বিষয়ে উদাসীনতার কারণে মানুষ তা বুঝতে পারছে না।
এই ধরনের একটি অসুস্থ জাতির ভবিষ্যৎটা কী? আমরা কি কিছু ভাবছি তা নিয়ে? সরকার আছে তার নানা উন্নয়নকাজের চিত্র তুলে ধরার কাজে। বিরোধীদল আছে আগামী নির্বাচনে কি করলে জেতা যাবে তার ধান্ধায়। দেশের রাজনীতিকদের মধ্যে ক্ষমতাসীনরা আছেন আখের গোছানোর তালে। বিরোধী রাজনীতিকরা আছেন লুটপাট করতে না পারার আফসোসে। ইসলামী চিন্তাবিদরা আছে ধর্মানুভূতিতে কোনো ধরনের আঘাত লাগে কিনা সে দিকে প্রখর দৃষ্টি রাখতে, উগ্রবাদীরা আছেন মানুষ মেরে জিহাদ করতে। ছাত্র ও যুবনেতারা আছেন দামি মোবাইলে সেলফি তুলতে। পুলিশ আছে সব ধরনের অনৈতিক কাজে কীভাবে সহায়তা করা যায় তা খতিয়ে দেখতে। এনজিও কর্মকর্তা, সমাজকর্মীরা আছেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে গলায় টাই লাগিয়ে সেমিনারে বক্তব্য উপস্থাপনে। অন্যদিকে একটি জাতি ধীরে ধীরে ক্ষয়ের দিকে নিঃশেষের দিকে, মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তার দিকে কারো খেয়াল নেই। দেশের মানুষ এত অসুস্থ হচ্ছে কেন? এর কারণ ও প্রতিকারে কেউ এগিয়ে আসছে না। সরকারের একটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আছে। তারাও কোনোদিন এমন প্রশ্ন তোলেনি। যে চিকিৎসকরা রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার সুযোগে মাসে লাখ লাখ টাকা কামাচ্ছেন তারাও কোনো দিন একটু মানবতার খাতিরেও কোনো ফোরামে কিংবা কোনো আলোচনায় প্রশ্ন তুললেন না এত এত মানুষ রোগাক্রান্ত হচ্ছে কেন?
অনেকে, বিশেষ করে যারা বিদেশে চিকিৎসার জন্য গেছেন তারা জেনেছেন আমাদের খাদ্যই রোগের প্রধান কারণ। অনেক চিকিৎসক আমাদের খাদ্যাভ্যাসকে দায়ী করেছেন এক্ষেত্রে। বেশি লাল মাংস খাওয়া, ফাস্ট ফুড, তেল-মশলা ভাজা-পোড়া ইত্যাদি খাওয়ার কারণে আমাদের দেহে নানা রোগ বাসা বাঁধছে।
খাদ্যই যে আমাদের দেহে রোগ সৃষ্টির অন্যতম কারণ তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আমাদের খাদ্যমান বলতে কিছু নেই। মান নিয়ন্ত্রণে কোন ব্যবস্থা নেই। ভেজাল-নকল খাদ্য খেতে খেতে আমাদের শরীরের অঙ্গে প্রত্যঙ্গে পচন ধরে যাচ্ছে দেখার কেউ নেই। এদেশের অধিকাংশ খাবারের মান ঠিক নেই। এখানে মাস্টার গামে পারফিউম দিয়ে ১ নং বাঘাবাড়ির ঘি তৈরি করা হয়। এখানে সব ধরনের খাদ্যে কাপড়ে দেওয়ার রং মেশানো হয়। এখানে মরিচ হলুদের গুড়ার সাথে ইট, মাটি পচা ডাল মেশানো হয়,এখানে সয়াবিন তেলের নামে অপরিশোধিত তেল খাওয়ানো হয়। প্রায় প্রতিটি খাদ্যে কার্বাইড নতুবা ফরমালিন মেশানো হয়। এই ধরনের ভেজাল ও নকল খেতে খেতে যখন আমরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হই তখন অনেক ভেজাল ও নকল ডাক্তারের কাছে যাই। তাদের দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে ভুল রিপোর্ট আনি। তারপর প্রেসক্রিপশন নিয়ে ওষুধের দোকান থেকে নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে ঘরে ফিরি আর প্রতিদিন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাই।
দেশের বড় বড় অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিক চিকিৎসক আর মহান (!) জিহাদকারীদের প্রতি আকুল আবেদন জানাব-আগে-মানুষ বাঁচান। তারপর রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি ও বেহেস্ত দোযখের হিসাব করুন। কিছু কিছু লোভী না-মানুষের কারণে দেশের মানুষ স্লো পয়জনিংয়ের শিকার হচ্ছে আর আপনারা পরিবার-পরিজন দেশের বাইরে পাঠিয়ে ভাবছেন ভালো থাকবেন তা হবে না। অকালে আমাদের মরতে হলে সাথে আপনাদেরও যেতে হবে।
Email:[email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।  তথ‌্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি মহোদয়ের শুভ জন্মদিন আজ করোনায় পোশাক কারখানায় ৫৫ শতাংশ কাজ কমে গেছে: রুবানা হক