সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দূর করা কি অসম্ভব? কামরুল হাসান বাদল লেখক কবিও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 24/01/2019-12:37pm:    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর শাসন ক্ষমতায় যারা এসেছিল তারা দেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে চিরতরে দূর করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। যে কারণে তারা সংবিধান থেকে সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদকে মুছে দিয়েছিল। আর গণতন্ত্র? বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে সঙ্গেইতো তারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। ৭৫ থেকে ৯৬ পর্যন্ত একটানা রাষ্ট্রকে তার জন্মউদ্দেশ্যের বিপরীত ধারায় পরিচালিত করা হয়েছিল। পরিস্থিতি তখন এমন ছিল যে, প্রকাশ্যে রাজাকার শব্দটিও উচ্চারণে বাধা ছিল বাংলাদেশে। সে সময় প্রায় নিষিদ্ধ ছিল জয় বাংলা স্লোগান। শুধু ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের সভা-সমাবেশ ও মিছিল ছাড়া আর কোথাও উচ্চারিত হতো না এ স্লোগান। একা কোথাও কেউ এই স্লোগান উচ্চারণে ভয় পেত। সে কঠিন সময়ে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ বিটিভিতে প্রচারিত তার একটি নাটকে একটি পাখির মুখে উচ্চারণ করালেন ‘তুই রাজাকার।’ এরপর তা ইতিহাস। শতাব্দির প্রথম অসাম্প্রদায়িক আন্দোলন গণজাগরণ মঞ্চের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্লোগান হয়ে ওঠে ‘তুই রাজাকার’ কথাটি। নব্বই দশকের শুরুতে শহিদজননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে বাংলাদেশে তখন গোলাম আজমের নাগরিকত্বের প্রতিবাদে আন্দোলন গড়ে ওঠে। ৭৫ এর পর সেই প্রথম বাংলাদেশে রাজাকার আলবদর জামায়াত ইসলামী ও গোলাম আজমদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে এবং দুর্বিনীতভাবে কথা বলার সুযোগ তৈরি হয়। এই আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে দেশের সবখানে। গড়ে উঠতে থাকে দেশে রাজাকার বিরোধী আন্দোলন। সে ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামেও আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে। লেখকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিটিও সামনে চলে আসে। তৎকালীন সরকার ইনডেমনিটি বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করে। তবে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাপ্য সম্মান প্রদানের চেষ্টা করলেও সে সময় একাত্তরের ঘাতক তথা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি। ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে পরাজিত করা হলে পরিস্থিতি আবার ঘুরে যায়। শুধু ঘুরে যাওয়া নয়। স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রীসভায় জামায়াতের দুজনকে ঠাঁই দেওয়া হয় যারা এদেশের জন্মেরই বিরোধিতা করেছিল। যদিও রাজাকারদের মন্ত্রী বানানো বিএনপির নতুন সিদ্ধান্ত নয়। জিয়াউর রহমান ক্ষমতার বসে তার সরকারের প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন শাহ আজিজুর রহমানকে যিনি দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা রেখেছিলেন।
এই প্রজন্মের সন্তানেরা হয়ত এখনও বিশ্বাসই করতে পারবে না যে এদেশে একসময় বঙ্গবন্ধু, জয় বাংলা কথাগুলো উচ্চারিত হতে পারেনি। রাজাকারকে রাজাকার বলা যায়নি। এমন একটি সময়ের মধ্য দিয়ে আমাদের যেতে হয়েছে। এদেশে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে, এদেশে রাজাকার আলবদরদের বিচার হবে। এদেশে কোনোদিন গোলাম আজম, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, মীর কাশেম আলীদের গায়ে সামান্য আচড় দেওয়া যাবে তা কল্পনাও করেনি কেউ। বঙ্গবন্ধুকে যখন হত্যা করা হয় তখন আমরা কিশোর। তারপর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত শুনে এসেছি এদেশে কখনো বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হবে না। আমাদের অগ্রজেরা বিভিন্ন দেশের জাতীয়তাবাদী নেতাদের হত্যাকাণ্ড এবং সে সব হত্যাকাণ্ডের বিচারের বিবরণ তুলে ধরে বলতেন বাংলাদেশেও তার বিচার হবে না। অতিবিপ্লবী, আধা বিপ্লবীরা বলতেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হবে না, কারণ সে বিচার তার কন্যা শেখ হাসিনাই করবেন না। কারণ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার শেষ হলেতো শেখ হাসিনার রাজনীতি থাকে না। শেখ হাসিনা তার রাজনীতির স্বার্থে এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের বিষয়টি মুলার মতো ঝুলিয়ে রাখবেন।
একটি সময়ে মনে করা হতো দেশে রাজাকার আলবদরদের বিচার কখনো হবে না। ওদের বিচার করার সাহস দেশে কারুরই নেই। আমরা নিজেরা যুক্ত হয়েছি ঘাতক-দালাল বিরোধী আন্দোলনে। একাত্তরে পরাজিত শক্তি ঘাতক রাজাকার-আলবদর তথা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি বটে তবে আমাদের মধ্যে আমরা কতজন বিশ্বাস করতে পারতাম যে, এদেশে একদিন গোলাম আজমের বিচার হবে। মতিউর রহমান নিজামী, কাদের মোল্লা, মুজাহিদদের ফাঁসি হবে? আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত মীর কাশেম আলী, পাকিস্তানের আইএসের সমর্থনপুষ্ঠ সালাহউদ্দিন কাদেরকে সত্যি সত্যিই ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলতে হবে! পঁচাত্তর পরবর্তীতে আমরা যারা বড় হয়ে উঠেছি সেই আমাদের মধ্যে কতজন বিশ্বাস করেছিলাম একদিন কর্নেল ফারুকের ফাঁসি হবে এদেশে? এ ধরনের অবিশ্বাস্য, অসম্ভব ঘটনাগুলো বাস্তব হয়ে উঠেছে বাংলাদেশে। একদিন দোর্দণ্ড প্রতাপে যারা বাংলাদেশকে গালি দিয়েছে জয় বাংলাকে গালি দিয়েছে, জাতির জনক এবং তার পরিবারকে নিয়ে ব্যঙ্গ করেছে তারা এখন মাথা নিচু করে হাঁটে। বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আওয়ামী লীগ ও তার অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সর্বদা ব্যঙ্গকারী, ধর্মীয় উস্কানিদাতা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী এখন জেলে আর দশজন কয়েদির মতো বাগানের ঘাস কাটবে। সে কথা কে বিশ্বাস করেছিল একদিন।
এসবই সম্ভব হয়েছে যে মানুষটি দ্বারা সে মানুষটি, বাঙালির সে মহান নেতাটি, যার অসাধারণ নেতৃত্বে মাত্র দশ বছরেই বদলে গেছে বাংলাদেশ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে। দুর্নীতি দূর করে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। তাঁর নতুন মন্ত্রিসভা দেখে তার ইচ্ছার প্রতিফলন ও আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ দেখতে পাচ্ছি আমরা। ইতিমধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সরকারি দফতরগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে সংস্থাটি। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর ‘জিরো টলারেন্স’ কার্যকর হবে বলে ধরে নিতে পারি আমরা। তিনি সরকার গঠন করেই প্রতিদিন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যাচ্ছেন এবং সেখানেই তার এই উদ্যোগের কথা বলছেন এবং এ বিষয়ে সতর্ক করছেন, দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন।
আমি পূর্বে আমার বিভিন্ন লেখায় উল্লেখ করেছিলাম দুর্নীতি দূর করার এই যুদ্ধ তার জন্য খুব সহজ হবে না। জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে তিনি আগেই জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছিলেন। জঙ্গিবাদ দমনে তিনি অনেক সফল হয়েছেন। তার কারণ পুলিশ থেকে প্রশাসনের সর্বস্তরে জঙ্গিবাদ দমনে তিনি সমর্থন পেয়েছেন। তারা তাদের স্বার্থেই সরকারকে সে ব্যাপারে সহযোগিতা করেছে। মাদক নিয়ন্ত্রণেও অনেকটা তাই। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষে জড়িতরা ছাড়া বাদবাকি সবাই মাদক নির্মূলে সরকারকে সহযোগিতা করতে চায়। ফলে সেক্ষেত্রেও সরকারের সফলতা লাভ এক সময়ে সম্ভব হবে। তবে দুর্নীতির বিষয়ে যেহেতু সরকারি-বেসরকারি-ডান-বাম-মধ্য-বিপ্লবী-মাওলানা-আমলা-ক্ষমতাবানরা এক সেহেতু সেক্ষেত্রে সফলতা পেতে তার অনেক বেগ পেতে হবে। দুর্নীতিবিরোধী অভিযান দৃঢ় হলে, সবক্ষেত্রে ধরপাকড় শুরু হলে এরা সবাই এক হয়ে যেতে পারে এবং সেক্ষেত্রে সরকার পতনের লক্ষে নানা ধরনের অজুহাত বা ইস্যু তৈরি করতে পারে। সেক্ষেত্রে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। মানুষ পিতৃশোক ভুলতে পারে সম্পদের শোক ভোলে না। ফলে যারা এতদিন দুর্নীতি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছে তারা তাদের সে সাম্রাজ্য হারাতে চাইবে না। তখন তাদের কাছে দল, আদর্শ, নীতি কিছুই মূখ্য হবে না। তারা সবাই একজোট হয়ে তাদের বলয় রক্ষা করার চেষ্টা করবে। সরকারকে যে কোনো সময় বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করবে। কেউ কেউ গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে সরকার পরিবর্তনের দাবি তুলে জনগণের দৃষ্টিকে অন্যত্র ফেরানোর চেষ্টা করবে এবং সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান ও অবস্থানকে ব্যর্থ করে দেওয়ার চেষ্টা করবে।
তারপরও আমি আশাবাদী। আমি মনে করি শেখ হাসিনার এই যুদ্ধ সফল হবে। একদিন বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার যেমন অসম্ভব মনে হয়েছিল। একদিন একাত্তরের ঘাতকদের বিচার যেমন অসম্ভব মনে হয়েছিল। একদিন কর্নেল ফারুক, সাকা, গোলাম আজমদের বিচার যেমন অসম্ভব মনে হয়েছিল তেমনি হয়ত অনেকের কাছে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান বা দুর্নীতি দমন আজ অসম্ভব মনে হতে পারে। কিন্তু শেখ হাসিনা যা বলেন তা বাস্তবায়ন করে ছাড়েন এমন দৃষ্টান্ত আমরাতো দেখলামই। কাজেই আমি মনে করি দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালন করবেন শেখ হাসিনা। কারণ এই যুদ্ধে শেখ হাসিনা না জিতলে আর কারো পক্ষে জেতা সম্ভব নয়।
২০১২ সালে দুর্নীতি দূর করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করতে, প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তিনি ‘শুদ্ধাচার কৌশলপত্র-২০১২’ প্রণীত করেছিলেন। শুদ্ধাচারের মুখবন্ধে লেখা হয়েছে, ‘সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়’ জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল। মুখবন্ধ-“রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য দায়িত্ব হল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার, সমতা, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই রাষ্ট্র সুশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য কৌশল হল সমাজ ও রাষ্ট্রকে দুর্নীতিমুক্ত রাখা এবং দেশে শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা।
দীর্ঘ স্বাধীনতা-সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশ উল্লিখিত মহান আদর্শকে রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে স্থির করেছিল। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে ‘মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ’ রাষ্ট্র পরিচালনায় অন্যতম মূলনীতি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং ‘অনুপার্জিত আয়’কে সর্বোতভাবে বারিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়েছে। এই নীতির সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্র ও সমাজে দুর্নীতি দমন ও শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। সরকার অব্যাহতভাবে দুর্নীতি দমনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং এরই সুসমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়-জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল শিরোনামে এই জাতীয় কৌশলটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘নেশন মাস্ট বি ইউনাইটেড এগেইনস্ট করাপশন। পাবলিক অপিনিয়ন মবিলাইজ না করলে শুধু আইন দিয়ে করাপশন বন্ধ করা যাবে না।’
শুদ্ধাচার কৌশলপত্রের মুখবন্ধে জাতির জনকের যে উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে সে আলোকে বলতে চাই সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে যেভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছিল, যেভাবে মাদকবিরোধী জনমত তৈরি হয়েছিল ঠিক সেভাবে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে সফল করে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে।
এক্ষেত্রে শেখ হাসিনার সুবিধা হবে দেশের তরুণ শ্রেণি যারা বাংলাদেশকে বদলে দিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে তারা মনে-প্রাণে দুর্নীতিবিরোধী। শেখ হাসিনা তার নতুন যুদ্ধে এদের সবাইকে কাছে পাবেন। ফলে দুর্নীতি দূর করে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে সত্যিকার সোনার বাংলা শেখ হাসিনার হাতেই নির্মিত হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। Email: [email protected]

সর্বশেষ সংবাদ