সুশাসনের প্রতি যাত্রা শুভ হোক কামরুল হাসান বাদল লেখক কবিও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 10/01/2019-10:07am:    নতুন মন্ত্রিসভার অধিকাংশই গত মঙ্গলবার তাদের কার্যালয়ে গেছেন এবং দায়িত্বভার বুঝে নিয়েছেন। এর আগে সোমবার বিকেলে বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। প্রথমে শপথ নেন দলপ্রধান শেখ হাসিনা এবং তারপর পর্যায়ক্রমে শপথ নেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীগণ। রাষ্ট্র পরিচালনায় এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সঙ্গী করেছেন ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী ও ৩ জন উপমন্ত্রীকে। এবার মন্ত্রিসভায় প্রবীণদের মধ্যে অধিকাংশই বাদ পড়েছেন। আর নতুন মন্ত্রিসভায় অর্ধেকের বেশি নতুন মুখ। শুধু তাই নয়, এবারই প্রথম সংসদ সদস্য হয়েছেন এমন কয়েকজনকেও মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়েছে। এবারের মন্ত্রিসভায় জোটের কাউকে রাখা হয়নি। মহাজোটের অংশীদার জাতীয় পার্টি এবার বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নির্বাচনের আগে ও পরে একটি প্রসঙ্গই ঘুরে ফিরে এসেছে, তাহলো দুর্নীতি ও সুশাসন। অনেক সাধারণ মানুষ, যারা আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে না, তাদেরও বলতে শুনেছি, দুর্নীতি দূর করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারলে আওয়ামী লীগকে কেউ হঠাতে পারবে না। গত দশ বছরে দেশ অনেক অগ্রসর হয়েছে। সামাজিক-অর্থনৈতিক নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জন সত্যিকার অর্থেই তাক লাগানো। ২০৩৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৫টি বড় অর্থনীতির দেশের একটি হবে। তখন বাংলাদেশ হবে ২৪তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান ৪১তম। ২০৩৩ সালে আমাদের পেছনে থাকবে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, দক্ষিণ আফ্রিকা এমনকি সুইডেন, সুইজারল্যান্ডের মতো দেশও। আগামী ১৫ বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি গড়ে ৭ শতাংশ থাকবে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইকোনোমিক অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক লিগ টেবিল ২০১৯ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে ১৯৩টি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে গত এক দশক ধরে বাংলাদেশ গড়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশ এসব কারণেই সামনের দিকে এগিয়ে গেছে।
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা বিস্ময়কর তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এই জাদুকরী পরিবর্তনের কারিগর যে শেখ হাসিনা তা-ও বলার অপেক্ষা রাখে না। এই সত্যটি কমবেশি সকলেই স্বীকার করেন। শেখ হাসিনার সততা, নিষ্ঠা, দেশপ্রেম, কর্মদক্ষতা এবং নেতৃত্বগুণ নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। ফলে দেশে দলের চেয়েও তিনি অনেক বেশি জনপ্রিয়। ব্যাপারটা পরিষ্কার করে বললে বলতে হয় দল আওয়ামী লীগের চেয়েও দলনেতা শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। আওয়ামী লীগ করেন না, আওয়ামী লীগকে পছন্দ করেন না এমন অনেকে শেখ হাসিনাকে পছন্দ করেন। তার নেতৃত্বগুণেরও প্রশংসা করেন। এইসব অগ্রগতি সত্ত্বেও একটি অভিযোগ এই সরকারের বিরুদ্ধে ঘুরে ফিরে এসেছে তা হলো দুর্নীতি ও সুশাসন। আমি আগেই বলেছি দুর্নীতি দূর করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারলে আগামী দিনও শেখ হাসিনার হবে, তার দলের হবে।
ইশতেহারে আওয়ামী লীগ সুশাসনের কথা বলেছে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ প্রদর্শনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই কথায় আশ্বস্তও হয়েছে দেশের মানুষ। অধিকাংশ মানুষ মনে করেছিল এবার রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে শেখ হাসিনা দুর্নীতি দূর করবেন এবং দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবেন। শেখ হাসিনার সেই প্রত্যয় ও সদিচ্ছার একটি প্রতিফলন দেখতে পেলাম তার নতুন মন্ত্রীদের প্রথম কর্মদিবসের প্রথম প্রতিক্রিয়ায়। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বুঝে নিয়ে এদের অধিকাংশই দুর্নীতি দূর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আমার কাছে বিষয়টি ভীষণ উদ্দীপক মনে হয়েছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই দলের প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। ক্ষমতা গ্রহণ করে তখনও মন্ত্রী ও নেতাদের মুখে সে প্রতিশ্রুতি পূরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত হয়েছিল। আমি মনে করি এবারও তা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত জিরো টলারেন্সের প্রতিধ্বনি উচ্চারিত হয়েছে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের মুখেও।
আওয়ামী লীগ যে জনগণের ভাষা বুঝতে পারে তার পরিচয় এই দলটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দিয়ে এসেছে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর বাংলাদেশ, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান এক নব্য ঔপনিবেশিক শক্তির কবলে পড়েছিল। ব্রিটিশদের বদলে বাঙালিদের শাসন-শোষণে নতুনভাবে আবির্ভাব ঘটেছিল পশ্চিম পাকিস্তানকেন্দ্রিক পাকিস্তানের শাসকশ্রেণি।
সেই অপশাসন থেকে মুক্তি এবং রাজনীতিকে ধনিক-বনিক তথা তথাকথিত অভিজাত শ্রেণি মুসলিম লীগ থেকে মুক্ত করতে গঠিত হয়েছিল একটি বিরোধী দল। দেশবিভাগের পরপরই বাঙালির নেতারা অনুধাবন করেছিলেন দেশে একটি বিরোধীদলের প্রয়োজনীয়তা। ফলে গঠিত হলো, সাধারণ মানুষের, আম-জনতার মুসলিম লীগ-আওয়ামী মুসলিম লীগ। এরপর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে জাগ্রত হওয়া বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনের অভিপ্রায়ে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি ফেলে দেওয়া হয়।
বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলার অধিকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তা বাঙালির সাংস্কৃতিক-আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়েছিল। এই আন্দোলন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি জাতিসত্ত্বার নবজাগরণ তথা রেনেসাঁ তৈরি করেছিল। সে সময় জনগণ কী চায় তা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ঠিকই অনুধাবন করে দলকে সে লক্ষে পরিচালিত করেছিলেন। দিনদিন পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানিদের শাসন-শোষণের মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছিল।
অর্থনৈতিকভাবে পূর্ব পাকিস্তানকে দিন দিন দুর্বল করার চেষ্টা হচ্ছিল আর এই শোষণ ও বঞ্চনার প্রতি সাধারণ মানুষ যখন প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠার পন্থা বা অবলম্বন খুঁজছিল তখন বঙ্গবন্ধু জাতির সামনে পেশ করেন তার ঐতিহাসিক ছয়দফা কর্মসূচি। যা ছিল প্রকৃতপক্ষে বাঙালির শোষণমুক্তির এক ‘ম্যাগনাকার্টা’। জনগণের ভাষা তখনও আওয়ামী লীগ বুঝতে পেরেছিল। পাকিস্তান নামক সাম্প্রদায়িক ও ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রের পরিবর্তে একটি উদার মানবিক, শোষণহীন বঞ্চনাহীন একটি নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি আদায়ে আওয়ামী লীগ নিয়োজিত হয়েছিল এবং সফল হয়েছিল।
১৯৭৫ সালে জাতির জনককে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় আবার আবির্ভাব ঘটে পাকিস্তানি ভাবধারার সাম্প্রদায়িক শক্তির। এই শক্তি রাষ্ট্রের মূল চারনীতিকে বিসর্জন দিয়ে বাংলাদেশকে আবার পাকিস্তান বানানোর অপচেষ্টা চালায়। ১৯৭৫ সালের আগস্ট থেকে ১৯৯৬ সালের জুন পর্যন্ত তারা বাঙালির দীর্ঘ মুক্তি সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। ইতিহাস বিকৃত করে এবং একাত্তরের পরাজিত শত্রু ও জামায়াতে ইসলামী নেতা রাজাকারদের মন্ত্রিসভায় স্থান দেয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে সে বদ্ধ দুয়ার খুলে দেয়। এবং এরপর থেকে নতুন প্রজন্মের সন্তানেরা বাংলার প্রকৃত ইতিহাস জানার সুযোগ পায়। এবং তাদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ এবং এর গৌরব গাথার প্রতি আগ্রহ ও শ্রদ্ধা বাড়তে থাকে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামায়াতে ইসলামী, তাদের দোসর এবং পৃষ্ঠপোষকতাকারীদের প্রতি তাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। জনগণের মধ্যে স্বাধীনতার চেতনার নবউন্মেষ ঘটে। আওয়ামী লীগ জনগণের এই ভাষাও বুঝতে পারে। ফলে তারা সেবার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিল। জনগণও সেবার তাদের ভোট দিয়ে সে সুযোগ করে দিয়েছিল। এরপরের ইতিহাস পাঠকরা জানেন। শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার জনগণকে দেওয়া সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। যুদ্ধাপরাধে জড়িত শীর্ষ অপরাধীদের বিচার করে তাদের সাজা কার্যকর করেছে।
বর্তমানে বাংলাদেশকে উন্নয়নের যে মহাসড়কে নিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা সে ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যয়ে জনগণ আবার শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে চেয়েছে। তার দশ বছরের শাসনামলে সফলতার তুলনায় ব্যর্থতার দিক খুবই সামান্য। জনগণ এখন তার কাছ থেকে যা চায় তাহলো একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ। তিনি তথা আওয়ামী লীগ জনগণের এই ভাষাও বেশ ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে। ফলে তিনি ইশতেহারে তার উল্লেখ করেছেন এবং ঘোষণা দিয়েছেন এবার তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাবেন। এর আগে তিনি জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধেও জিরো টলারেন্স দেখিয়েছেন। ফলে দেশে জঙ্গিবাদের প্রসার ঘটেনি। বাংলাদেশকে তিনি জঙ্গিবাদমুক্ত করেছেন। মাদকের বিরুদ্ধেও তিনি জিরো টলারেন্স দেখিয়েছেন। এর ফলেও দেশে মাদকের ব্যাপকতা অনেকটা কমেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি তার এবারের সংগ্রামটি অর্থাৎ দুর্নীতি দূর করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা খুব সহজ কাজ হবে না। তার কারণ হলো, দেশে জঙ্গিবাদের প্রসার ঘটলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে কারা? নিরাপত্তা বাহিনী, আধা সামরিক বাহিনী, পুলিশ, প্রশাসন, বিচারালয়, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী শিল্পী-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবী পেশাজীবী এ ধরনের সবাই। ফলে এদের সিংহভাগই আন্তরিকভাবে দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঠেকাতে সরকারকে সহায়তা করেছে। মাদকের বেলায় যারা মাদকের ভয়াবহতায় কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যাদের পরিবারে কেউ মাদকাসক্ত হয়েছেন তারা এবং তাদের পরিবার স্বজন তারা মাদকের বিস্তার রোধে সরকারকে সহায়তা করেছে। কিন্তু দুর্নীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াত, ডান-বাম-মধ্য-জঙ্গি-আইন প্রণেতা-আইনভঙ্গকারী, পুলিশ-ছাত্র-সবাই একাকার। লুটপাট ও দুর্নীতিতে এরা কোন দল বা আদর্শ মানে না। এক্ষেত্রে সাপে-নেউলে সবাই এক। সুদূর বিস্তৃত এই দুর্নীতির শেকড় ওপড়ানো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তাই খুব সহজ হবে বলে মনে হচ্ছে না।
কিন্তু একটি স্বস্তির বিষয় হলো, দেশের আপামর জনতা, ছাত্র-তরুণ প্রজন্ম চায় দেশ দুর্নীতিমুক্ত হোক, দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হোক। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে অনেক বাঘা-বাঘা বোয়ালরা শেখ হাসিনার বিপক্ষে যাবেন। তাকে ব্যর্থ করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ‘প্লাসপয়েন্ট’ হলো শেখ হাসিনা নিজেই দুর্নীতিমুক্ত এবং তার পরিবারও দুর্নীতিমুক্ত। ফলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে উচ্চকন্ঠে কথা বলার শক্তি আছে তাঁর। আর তার এই নতুন লড়াইয়ে তার সঙ্গে আছে দেশের কয়েক কোটি তরুণ প্রজন্ম যারা দুর্নীতিকে সর্বদা ‘না’ বলে।
তবে এক্ষেত্রে তাকে কঠোর হতে হবে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগে ঘাপটি মেরে থাকা অপশক্তির বিরুদ্ধে। আমার বিশ্বাস তিনি ঘর থেকেই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করবেন।
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনার নবযাত্রা শুভ হোক প্রিয় প্রধানমন্ত্রী। আপনার হাতেই নির্মিত হোক জাতির জনকের স্বপ্নের শোষণহীন বঞ্চনাহীন সোনার বাংলা। Email: [email protected]

সর্বশেষ সংবাদ