ভোট, যাকে খুশি তাকে দেবেন কেন-কামরুল হাসান বাদল লেখক কবিও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 27/12/2018-11:26am:    ভোটর বাজার জমি গেইয়ে/ মাইনসুর দাম বাইরগি/ বেয়ানবেলা প্রার্থী উগগা/ দুয়ারত কড়া লাইরগি। আদর করি বেরাই ধরি/ কইলজা হাডি দিতু চা’র/ যেনে ফা’রে বুঝাই আজই/ ভোট্টান তেঁই নিতু চার/ এটি নির্বাচন নিয়ে লেখা কবি ও সাংবাদিক ওমর কায়সারের আঞ্চলিক ছড়ার অংশবিশেষ। ছড়া ছাপা হয়েছে প্রথম আলোয়। পরে এটিকে সুরারোপ করে ইউটিউবে দেওয়া হয়েছে। গানটি ইতিমধ্যে জনপ্রিয়তাও পেয়েছে। ছড়া বা গানটি আঞ্চলিক ভাষায় লেখা। যাদের বুঝতে অসুবিধা হবে তাদের জন্য প্রমিত বাংলায় অনুবাদ করে দিচ্ছি, ভোটের বাজার জমে গেছে/ মানুষের দাম বেড়েছে/ সকালবেলা প্রার্থী একটা/ দরজায় কড়া নেড়েছে/ আদর করে জড়িয়ে ধরে/ কলিজা কেটে দিতে চান/ যে করেই পারে বুঝিয়ে শুনিয়ে/ ভোটটি তিনি নিতে চান।’
এটি বাংলাদেশের একটি চিরন্তন চিত্র। নির্বাচন এলে সে নির্বাচন জাতীয় হোক কিংবা স্থানীয় সরকারের, ভোটারদের কদর বেড়ে যায় প্রার্থীদের কাছে। সাধারণত কোনো ধরনের খোঁজখবর না নেওয়া মানুষগুলো পথেঘাটে নেমে পড়ে যাকে পারেন তাকে জড়িয়ে ধরেন। ভাই-বোন, মা-খালা, চাচা-মামা ইত্যাদি বলে সম্বোধন করেন। তাদের আচরণে মনে হয় এমন আপন মানুষ আর হয় না। বর্তমানকালে যারা নির্বাচন করেন তাদের অধিকাংশই ধনী মানুষ। এরা যখন খুব সাধারণ মানুষকে জড়িয়ে ধরে হাসিমুখে ছবি তোলেন তখন কেউ কেউ বিভ্রান্ত হয়ে ভাবেন, আহা এত বড় মানুষ, কোনো অহংকার নাই। কী অবলীলায় গরিবদের বুকে টেনে নিচ্ছেন। আর অন্যদিকে অনেকে বুঝতে পারে প্রার্থীদের এই অমায়িক আচরণ যে মৌসুমী শুধু ভোট পাওয়ার জন্য তা বুঝতে পেরে এদেরকে অনেকে বসন্তের কোকিল বলে সম্বোধন করেন।তারপরও এরা নির্বাচন করেন এবং এদের মতো অনেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিতও হন। এইভাবে নির্বাচিত হওয়া লোকদের ভোটাররা যে সারা বছর আবার কাছে পান। অভাব অভিযোগ জাগতে পারেন এবং দেখলে বুকে জড়িয়ে ধরেন তা কিন্তু নয়। কিছু কিছু ব্যতিক্রমী জনপ্রতিনিধি বাদ দিলে অন্যদের কাছেও ঘেষতে পারে না সাধারণ মানুষ। ওমর কায়সারের ছড়াটিতে বিষয়টি চমৎকারভাবে এসেছে।
আসলে এটাই আমাদের নির্বাচনী সংস্কৃতি হয়ে উঠেছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর খুব কম সংখ্যক জনপ্রতিনিধির সাধারণ মানুষের সাথে মেলামেশা করেন। তখন তারা এক শ্রেণির তাবেদার দ্বারা বৃত্তবন্দী হয়ে পড়েন অথবা হয়ে থাকেন। তাদের অতিক্রম করে সেই জনপ্রতিনিধির কাছে যাওয়া সবসময় সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব হয় না। পাঁচ বছর তাই একবারই সাধারণ মানুষদের দাম বাড়ে। তাদের কাতারে নেমে আসেন ওইসব অসাধারণ মানুষেরা। আর দুদিন পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আবার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা সাধারণ মানুষ বা ভোটাররা তাদের মূল্যবান ভোট প্রদান করে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। নির্বাচন এলে কিছু কিছু স্লোগান বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তেমন একটি স্লোগান হলো আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দেব। বিশেষ করে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার সরকার পতনের পর দেশে যখন গণতন্ত্রের অভিযাত্রা আবার শুরু হয় তখন এই স্লোগানটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। এখনও অনেকেই এই স্লোগানটি দিয়ে থাকে।
আমার বারবারই মনে হয় স্লোগানটি একটি অপরিণত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজকে প্রশ্রয় দেওয়ার মতো। আমার ভোট আমি দেব ঠিক আছে কিন্তু যাকে খুশি তাকে দেব কেন? আমরা যারা সাধারণ ভোটার আমাদের সংখ্যই বেশি। ফলে যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার প্রবণতাটা যুক্তিযুক্ত নয়, দূরদর্শি নয়, এটি বিচক্ষণতার পরিচায়কও নয়। একজন ভোটার, পাঁচ বছরে একবারই শুধু তার মতামত প্রকাশের সুযোগ পায়। তার মতামত বা ভোটের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য কোন দল রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছে। ফলে ভোট দেওয়ার আগে ভোটারদের তাই অনেক কিছুই বিবেচনায় নিতে হবে। ভাবতে হবে, এবং বুঝে শুনে ভোট প্রদান করতে হবে। যাকে খুশি তাকে ভোট দিয়ে কোনো অযোগ্য, অপশক্তিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সুযোগ করে দেওয়া দায়িত্বশীল নাগরিকের কাজ হতে পারে না।
নির্বাচনের মাত্র দুদিন বাকি। তার আগে আগে এই লেখাটি লিখবার মূল উদ্দেশ্যে হলো বর্তমান নির্বাচনটি নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ বাংলাদেশ এখন অগ্রযাত্রার যে মহাসড়কে আরোহন করেছে সেখানে তার সঠিক গতিপথ অব্যাহত রাখতে একটি ভোটেরও মূল্য অপরিসীম। বাংলাদেশ এখন তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। বাংলাদেশ এখন পরনির্ভরশীল কোনো দরিদ্র রাষ্ট্রও নয়। বাংলাদেশ এখন বিশ্বসভার অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে উচ্চারিত একটি দেশের নাম। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। অগ্রগতির প্রত্যেকটি সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান বিস্ময়কর। এ তথ্য আমার নয়, বিশ্বের নানা গণ মাধ্যমের রাষ্ট্রের এবং দাতাসংস্থাসমূহের। বাংলাদেশ যে উন্নয়ন করেছে তার বর্ণণা তুলে ধরতে গেলে তা বিশার উপাত্থানে পরিণত হবে, তা লিখে শেষ করা যাবে না। বরং কোথায় উন্নতি করেনি সে বিষয়ে লেখাটাই সহজ হবে তার কারণ তা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত হবে।
শেখ হাসিনার দূরদর্শি বিচক্ষণ নেতৃত্ব, সাহস-স্বপ্ন, স্বপ্ন বাস্তবায়নের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা, নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং তার সরকারের ধারাবাহিকতা গত দশ বছরে বাংলাদেশকে আমূল পাল্টে দিয়েছে। তাঁর ভিশন ২০২১, ২০৪১ দেশকে খুব দ্রুতগতিতে একটি লক্ষ্যমাত্রায় পৌছে দিচ্ছে। অতি সম্প্রতি বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ নামে দীর্ঘমেয়াদী একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার। এই উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে নেদারল্যান্ডস। সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তখন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অর্থনৈিতক উন্নয়নকে ‘বিস্ময়কর’ বলে মন্তব্য করেন। ১০০ বছরের এই ডেল্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডসকে বেছে নেওয়ার উদ্দেশ্যে হলো এই দেশটির ভোগলিক কারণ এবং এই কারণ সত্ত্বে দেশটি অভাবিত উন্নয়নের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো। নেদারল্যান্ডসও আমাদের মতো মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীন হওয়া একটি দেশ। স্বাধীনতার জন্য স্পেনের বিরুদ্ধে তারা ৩০ বছর ধরে যুদ্ধ করেছিল। দীর্ঘমেয়াদী এই পরিকল্পনার মাধ্যমে বন্যা মোকাবিলা, নদীভাঙন রোধ ও নদী শাসন, নদী ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, শহর ও গ্রামের পানি সরবরাহ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন করার কৌশল নির্ধারনের কথা বলা হয়েছে। একটি রাষ্ট্র বা দেশকে উন্নতি করতে হলে তার জন্য প্রথমে প্রয়োজন সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়া। ২০০৯ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহণ করে শেখ হাসিনা ২০২১ এবং ২০৪২ দুটি ভিশন নির্ধারন করেন। ২০২১ সালে মধ্যে তিনি বা তাঁর সরকার কী কী কাজ করবেন এবং ২০৪১ সালে মধ্যে বাদবাকি কি কাজ করবেন তার পরিকল্পনা করেছেন। শুধু পরিকল্পনা করেই তিনি ক্ষান্ত হননি, সে পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারঙ্গমও হয়েছেন। তিনি কঠোরভাবে জঙ্গিবাদকে মোকাবেলা করেছেন। গরিবের ভাগ্য উন্নয়ন করেছেন এবং সারাদেশে চুরি-ডাকাতি কমিয়ে এনে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করেছেন। নির্বাচনে জিতে যে কেউ এমপি মন্ত্রী হতে পারেন। দলীয় প্রধান হলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে প্রধানমন্ত্রীও হতে পারেন। অর্থাৎ ভোটে জিতলে রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধান হওয়া সম্ভব। অতীতে এদেশের বেশ ক’জন তা হয়েছেনও কিন্তু যোগ্যতা না থাকলে, গুন না থাকলে সবাই জাতির বা দেশের নেতা হয়ে উঠতে পারে না। শেখ হাসিনা আজ শুধু প্রধানমন্ত্রী নন। তিনি এ দেশের নেতা। এবং ক্রমেই তিনি বাংলাদেশের নেতার স্থান থেকে বিশ্বনেতায় পরিণত হচ্ছেন। আজ শেখ হাসিনার নাম বিশ্বসভায় শ্রদ্ধা ও সমীহের সাথে উচ্চারিত একটি নাম।
এই নির্বাচনটি গুরুত্বপুর্ণ এ কারণে যে, আজ নির্বাচনটি হচ্ছে মেখ হাসিনা বনাম শেখ হাসিনাবিরোধী শক্তির। শেখ হাসিনার পক্ষে একাত্তরের বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতা, অসাম্প্রদায়িকতা উন্নয়ন ও শান্তি আর তার বিপরীতে একাত্তরের পরাজিত শক্তি, জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগের নয়া ভাসানী বিএনপি এবং সদ্য গড়ে ওঠা ক্ষমতাপাগল একদল দিকভ্রান্ত আদর্শহীন, নীতিহীন,কর্মক্ষমহীন রাজনীতিক। মূলত এবারের নির্বাচনটি হয়ে দাঁড়াল বাংলাদেশ বনাম বাংলাদেশবিরোধী অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে। নির্বাচনটি তাই সত্যের বিরুদ্ধে অসত্যের, সুন্দরের বিরুদ্ধে অসুন্দরের, কল্যাণের বিরুদ্ধে অকল্যানের, দয়ার বিরুদ্ধে নির্মমতার, সৃষ্টির বিরুদ্ধে ধ্বসের এবং মানবের বিরুদ্ধে দানবের।
ড. কামাল হোসেনরা আজ গণতন্ত্রের কথা বলে জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি দলকে ক্ষমতার বলয়ে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। যে জামায়াতের ইসলামী গণতন্ত্রের বিশ্বাস করে না। যারা বাংলাদেশকে স্বীকার করে না এবং দেশের সংবিধানকে মানে না। ড. কামাল হোসেনরা আজ বিএনপির মতো একটি সাম্প্রদায়িক দলকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন যে দলটির জন্মই হয়েছিল অগণতান্ত্রিক পন্থায় এবং হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রই যাদের অন্যতম রাজনৈতিক কৌশল। আমি পূর্বেও বহুবার বলেছি, কোনো আদর্শিক কারণে নয়, শুধুমাত্র শেখ হাসিনার ওপর ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণে ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে একত্রিত হয়েছেন রাজনীতির মূলধারা থেকে ছিটকে পড়া একদল রাজনীতিক। এরা নিজেদের দলে একটি সম্মেলন করতে পারে বছরের পর বছর। এরা পরিকল্পিতভাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলন সম্পন্ন করতে পারে না তারা কীভাবে আগামীর ইমার্জিং বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন।
তারা পরিবর্তনের কথা বলেন। কথায় কথায় বলেন, জনগণ পরিবর্তন চায়। ‘পরিবর্তন’ শব্দটি একটি ইতিবাচক শব্দ। সাধারণত অবস্থার উন্নতি বোঝাতে আমরা পরিবর্তন শব্দটিকে ব্যবহার করি। ভালো অবস্থান থেকে অধিকতর খারাপ অবস্থানে যাওয়াকে পরিবর্তন বলি না। কাজেই শেখ হাসিনার মতো নেতার বদলে খালেদা জিয়া কিংবা তারেক রহমানের মতো এক সন্ত্রাসবাদী ব্যক্তির শাসনকে পরিবর্তন বলতে পারি না। পারি না আওয়ামীলীগের মতো মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া, বাংলাদেশের সকল অর্জনের সাথে ছড়িয়ে থাকা দল আওয়ামী লীগের পরিবর্তে জামায়াতে ইসলামী বা কোনো জঙ্গি মদদদাতার দলকে ক্ষমতায় আনার প্রচেষ্টাকে পরিবর্তন বলে মেনে নিতে পারি না।
গর্বাচভ ক্ষমতায় এসে ওলটপালট করে দিয়েছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নকে। ভেঙে গিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। প্রায় শতাব্দিকালে সাম্যবাদের বদলে গ্রহণ করেছিলেন পুঁজিবাদ ও মুক্তবাজার অর্থনীতিকে। ভাঙা তোরার সেই অস্থির সময়ের পর শ্রমিকরা যখন আবার কল-কারখানায় যোগ দিলেন তখন তারা দেখলের সেখানে তাদের দাম দিয়ে কফি কিনে খেতে হচ্ছে। লাঞ্চের জন্য টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। তাদের বাসাভাড়া কেটে রাখা হচ্ছে এবং তাদের বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল দিতে হচ্ছে। এভাবে দিতে অনভ্যস্ত শ্রমিকরা জানতে চাইলো, এই ব্যবস্থা কেন? তখন তাদের জানানো হলো, এখন থেকে রাষ্ট্রের ব্যবস্থা কী এভাবেই চলবে, এটাই এখন নিয়ম। বিস্মিত শ্রমিকরা সমস্বরে বলল এই পরিবর্তনতো আমরা চাই। এই উপলব্ধি যখন তারা করেছিল তখন তাদের পূর্বাবস্থায় ফিরে যাওয়ার আর কোনো পথ ছিল না। কাজেই বাংলাদেশের মানুষকে ভাবতে হবে তারা প্রকৃতপক্ষে কোন পরিবর্তন চান। ভাগ্যের না কি শাসন ব্যবস্থার। যে পরিবর্তন তাদের আবার জঙ্গিবাদ, বাংলা ভাই ও হাওয়াভবনের যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।
ভোটটি যাকে খুশি তাকে নয়। ভেবে চিন্তে দিন। বাংলাদেশের পক্ষে দিন। অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিল পক্ষের দিন।
[email protected]

সর্বশেষ সংবাদ