সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত হোক বাংলাদেশ- কামরুল হাসান বাদল,লেখক,কবি ও সংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 22/10/2018-12:09pm:    এ এক অসাধারণ, অপূর্ব,অনন্য দৃশ্য। মায়ের হাত ধরে দুটো ফুটফুটে শিশু শহরের ফুটপাত ধরে হাঁটছে। তাদের চোখে মুখে এক স্বর্গীয় দ্যুতি। কলকল করে কথা বলছে তারা। কোনোদিকে তাদের ভ্রুক্ষেপ নেই। নির্ভার, নির্ভয়ে হাঁটছে। চারদিকে কোলাহল, মানুষের ভিড় আর মাইকের উচ্চ স্বরে তাদের কথাগুলো হারিয়ে যাচ্ছে কিন্তু খানিকটা দূরে থেকেও আমি তাদের হৃদয়ের উত্তাপটুকু পাচ্ছি। তাদের খুশী আর আনন্দের মাত্রাটা টের পাচ্ছি। এই শিশুরা প্রতিমা দেখতে বেরিয়েছে। একটি মন্ডপ থেকে আরেকটি মন্ডপে যাচ্ছে।
ওই দুটি শিশুর মধ্যে মুহূর্তেই আমি বিশ্বের তাবৎ শিশুদের দেখতে পাই। বালুচরে উপুড় হয়ে পড়ে থাকা মৃত আয়লানকে দেখতে পাই। আমি শরণার্থী শিবিরে, অভিবাসীদের দীর্ঘ মিছিলে, সমুদ্রে ভাসমান নৌকা-জাহাজে অসহায়, অভুক্ত, মৃতপ্রায় লাখ লাখ শিশুদের দেখতে পাই। আমি বোমার আঘাতে মৃত ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া, লেবানন আর ফিলিস্তিনের ক্ষত-বিক্ষত, গলিত শিশুদের লাশ দেখতে পাই। ভাবি এখন যে দৃশ্যটি আমি দেখেছি, বিশ্বের সবচেয়ে সুখী যে দুটি শিশুকে আমি দেখেছি, তা কেন বিশ্ব জুড়ে দেখতে পাই না। এই সভ্য! পৃথিবী কেন তার শিশুদের রক্ষা করতে পারে না। কেন এমন নির্ভার, নির্ভয় একটি সময় আমরা বিশ্বের সকল শিশুর জন্য নিশ্চিত করতে পারি না। শুধু অস্ত্রের বাজার বিস্তৃত করার জন্য দেশে দেশে যুদ্ধ কেন হবে। মুনাফার জন্য যুদ্ধ কেন হবে। দখলের জন্য যুদ্ধ কেন হবে। ধর্মের জন্য যুদ্ধ কেন হবে। আর সে যুদ্ধে কেন হাজার হাজার, লাখ লাখ নিরীহ মানুষ মারা যাবে। শিশু মারা যাবে।
বাংলাদেশে এখন বাঙালি সনাতন-ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব দুর্গাপূজা চলছে। লেখাটি যেদিন প্রকাশিত হবে সেদিন শুভ বিজয়া। চট্টগ্রাম নগরীর পুরনো এলাকায় যারা থাকেন- না চাইলেও এই উৎসবের সঙ্গে তাদের জড়িয়ে যেতে হয়। এসব এলাকায় এখনো প্রচুর হিন্দু পরিবার বাস করেন। শুধু হিন্দু নয় বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের লোকদেরও বাস চট্টগ্রাম নগরীর পুরনো এলাকাগুলোতে। কাজেই দুর্গাপূজা, বুদ্ধ পূর্ণিমা, বড়দিন আর ঈদ এলে এসব এলাকা উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে। চট্টগ্রাম একটি ব্যতিক্রমী শহর। অনন্য ও অসাধারণ একটি শহর। এই শহরেই বিশ্বের অন্যতম প্রধান চারটি ধর্মের লোক- মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান বাস করে। এছাড়া শহর থেকে একশ কিলোমিটারের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে আছে ১৭টি ধর্ম মিলে অন্তত ২৫ ধরনের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র। এমন নজির বিশ্বের অন্য কোথাও আছে কি না এখন পর্যন্ত আমার জানা নেই। শহরের নতুন গড়ে ওঠা সামান্য অংশ বাদ দিলে মূল শহরে সারা বছর জুড়েই থাকে এমন বৈচিত্রময় উৎসব। কোনো মাসে দোল পূর্ণিমাতো অন্য মাসে শ্যামা পূজা। এ মাসে ঈদ তো তার পরের মাসেই দুর্গাপূজা। কখনো শবে বরাতের রাতে দল বেধে ছেলেরা ছুটছে এক মাজার থেকে অন্য মাজার। অন্য মাসে রাত জেগে থাকে ফানুস উড়িয়ে। এত ধর্মের, এত বর্ণের, এত প্রাণখোলা, অবারিত, মাটির গন্ধমাখা উৎসব বিশ্বের কয়টি দেশে আছে। এখানে ধর্ম যার যার উৎসব সবার হয়ে ওঠে। ধর্ম নির্বিশেষে সবাই যেমন প্রতিমা দর্শনে কিংবা বন্ধুদের সাথে ঘুড়ে বেড়ায় তেমনি ঈদের দিন নতুন পাঞ্জাবী পড়ে কোলাকুলি করতে এগিয়ে আসে অন্য ধর্মের লোকেরাও। তখন ধর্ম নয় মানবতা আর ভ্রাতৃত্বই বেশ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
হবেই তো। আসলে এই রাষ্ট্রটির জন্মইতো হয়েছিল এ জন্যে। ছোট বড় সকলের দেশ হবে বলে। হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানের দেশ হবে বলে। ধনী-গরিবের দেশ হবে বলে। কিন্তু রাষ্ট্রটিকে এভাবে চলতে দেওয়া হয়নি। ১৯৭৫ সালে জাতির জনকের হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়েছে। মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এরপরে সমাজ তথা রাষ্ট্র ক্রমাগত পিছু হটেছে। আর দিন দিন সাম্প্রদায়িকতার দীর্ঘ ছায়ার নিচে ঢাকা পড়েছে। তাতে মানুষের লাভ কিছু হয়নি। বরং মানবতা মুখ থুবড়ে পড়েছে। লাভবান হয়েছে ধর্মান্ধ মৌলবাদী গোষ্ঠী যারা পক্ষান্তরে যুদ্ধবাজ অস্ত্র বিক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষা করছে।
ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করলে কী পরিস্থিতি দাঁড়ায় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ধর্মনিরপেক্ষ বহু সংস্কৃতির দেশ ভারত। সম্প্রতি ভারতে গরু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিজেপি সরকার সস্তা জনপ্রিয়তা লাভের আশায় এবং তার মিত্র, অতি কট্টর ধর্মীয় দলগুলোর পরামর্শে কাজটি করেছে বটে কিন্তু এখন তার দায় নিতে হচ্ছে সরকার প্রধান নরেন্দ্র মোদিকে। গরু জবাই করেছে বলে গুজব রটিয়ে নয়াদিল্লির অনতিদূরে এক গ্রামে ইকবাল নামে যে ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে পরে দেখা গেছে তার ফ্রিজে যে মাংস পাওয়া গিয়েছিল তা গরুর নয় খাসীর। সংখ্যালঘুদের ওপর এ ধরনের নির্যাতনের প্রতিবাদে ভারতের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার তথা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত সকল লেখক-বুদ্ধিজীবী শিল্পী তাদের পুরস্কার ফেরত দিয়েছেন দলে দলে। যুগে যুগে কালে কালে মানবতার বিপর্যয়ে সমাজের কিছু অগ্রসর চিন্তার মানুষ এগিয়ে আসেন এভাবেই। এটিই মানবতাবোধ। এবং এ জন্যেই পৃথিবী এখনো মানুষের বাসযোগ্য হয়ে আছে। ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলী সরকারের বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সেখানেও মানবতাবাদী ইহুদীরা মানববন্ধন করে, প্রতিবাদ করে। যে মুসলমানরা সালমান রুশদির মাথার দাম ধরে দিয়েছিল সে রুশদি ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে লেখকদের প্রতিবাদকে সমর্থন জানিয়েছেন। ২০০১ সালে নির্বাচনে বিজয় লাভ করে ক্ষমতায় আসে বিএনপি-জামায়াত জোট। সে সময়ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছিল। সে নির্যাতনের কাহিনী দেশের মানুষের অজানা নয়। সে নির্যাতনের প্রতিবাদও করেছিল বাংলাদেশের উদার ও প্রগতিশীল ঘরানার মানুষ। তবে দুঃখজনক হলেও বলতে হয় আজ ভারতে লেখক-শিল্পী তথা বুদ্ধিজীবীরা প্রতিবাদের যে দৃঢ়তা দেখাতে পেরেছেন সেদিন বাংলাদেশের অনেকেই তা পারেননি কিংবা করেননি। দেশের অনেক বরেণ্য লেখক-বুদ্ধিজীবী আছেন যারা ওসমানী উদ্যানের গাছ কাটার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছিলেন কিন্তু ২০০১ সালের সেই বর্বরোচিত নির্যাতনের বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি। এখনো বাংলাদেশে প্রতিদিন কোথাও না কোথাও সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। কারও না কারও বাড়িঘর দখল হচ্ছে। এ ধরণের ঘটনা শুধু বাংলাদেশে ঘটছে তা নয়। পৃথিবী ব্যাপী ঘটছে। তবে উন্নত দেশগুলোতে এ পরিস্থিতি সহনশীল মাত্রায় আছে এখনও। তবে তাও যে বেশিদিন থাকবে তা মনে হয় না। কারণ সারাবিশ্বে নতুন করে আবার যে ধর্মীয় প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে এই আশাঙক্ষাই দানা বাধে। আঠার শতকের পরে ইউরোপে সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ধর্ম তথা গির্জার প্রভাব কমতে থাকে। সেখানে এখন ধর্মচর্চা ব্যক্তিগত আচারে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে মুসলিম দেশ সমূহে বেড়েছে ধর্মের প্রভাব এবং এ কারণে সে সব দেশে বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠী- উপগোষ্ঠীর জন্ম হয়েছে। জন্ম নিয়েছে উগ্রবাদ। যা এখন সশস্ত্র রূপ নিয়েছে। তালেবান, আল কায়েদার পরে এখন আইসিসের যুগ চলছে। এরা পূর্বের দলগুলোর চেয়ে আরও বেশি ভয়ঙ্কর। আরও বেশি নির্মম। সিরিয়া ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আইএসযে আমেরিকা ও ইসরাইলের মদদ ও অর্থে সৃষ্ট সেটি আর গোপন নেই। ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইটে অনুসন্ধান চালালে তার পক্ষে অজস্র প্রমাণ পাওয়া যাবে। কাজেই ইসলামী স্টেটের ধুয়া তুলে যারা হাজার হাজার মানুষ হত্যা করছে। ধর্মযুদ্ধের দোহাই দিয়ে যারা অস্ত্র ব্যবসায়ীদের মুনাফা স্ফীত করছে তারা কোনোভাবে মানুষ ও মানবতার বন্ধু নয়।
যে যা-ই বলুক। বিশ্বে কখনও একটি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। জোর করে হত্যা করে প্রতিষ্ঠা করা হলেও সে রাষ্ট্র কখনো টিকে থাকবে না। বিশ্বে মানবতার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো মতবাদ মতাদর্শ টিকে থাকেনি। একটি ধর্মরাষ্ট্র কখনো টিকে থাকবে না সে রাষ্ট্রের চরিত্রের কারণে। কারণ সেখানে মানুষের কথা বলার অধিকার থাকবে না। মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে না। অথচ থাকবে ধর্মীয় বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন মতবাদ। আর নিজেদের সেই মতবাদকে চূড়ান্ত ও একমাত্র সত্য মনে করে তা প্রতিষ্ঠার জন্য তারাও বেছে নেবে হত্যা, কতল আর আত্মঘাতি হামলা।
অস্ত্র বিক্রেতা সাম্রাজ্যবাদী শক্তি আর ধর্মীয় জঙ্গিদের মধ্যে আদর্শগত পার্থক্য নেই। এদের চরিত্রগত মিলই বেশি। ইরানের প্রাচীন সভ্যতা ধ্বংস করেছে আমেরিকা। সেই ধারাবাহিকতায় আফগানিস্তান, সিরিয়ার হাজার হাজার বছর আগের মানবসভ্যতার ক্রমবিকাশের নিদর্শন ধ্বংস করেছে তালেবান ও আইএস জঙ্গিরা। আজ যারা ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় তাদের স্মরণ রাখতে হবে যে তাদের সে রাষ্ট্রটির চরিত্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে টিকবে না। আমরা স্পষ্ট দেখতে পাই সেই ইসলামী রাষ্ট্রে মসজিদে মাইক ব্যবহার করা যাবে কি না, ক্বেয়াম করা বৈধ কি না, মোনাজাত করার প্রয়োজন আছে কি না তাই নিয়েও যুদ্ধবিগ্রহ হবে।
বর্তমান যুগে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব নয়। আমার ধারণা এই সত্য এখন সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ক্ষমতার বাইরে থেকে রাজনৈতিক মাঠে যত সহজে যে সব কথা উচ্চারণ করা যেত ক্ষমতার মসনদে বসে তা বাস্তবায়ন সহজ নয়। ভারতে সাম্প্রতিক সংখ্যালঘু সমস্যা নিয়ে এই সরকার মহাফাঁপড়ে পড়েছে। বহুমত বহুপথ, বহুধর্ম, বহুসংস্কৃতির ভারতকেই এখন হুমকির মুখে পড়তে হবে যদি না বিজেপি সরকার নমনীয় না হয় ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি।
আমি দুটি শিশুর কথা উল্লেখ করে লেখাটি শুরু করেছিলাম। আসলে আমি বলতে চেয়েছিলাম বিশ্বের সব শিশু যেন এমন নিরাপদ ও নির্ভিকভাবে তাদের ধর্মচর্চা করতে পারে। বেঁচে থাকার অধিকার পায়। একটি শিশুও যেন ধর্ম -বর্ণের কারণে বৈষম্যের শিকার না হয়। আর এই ব্যবস্থা করতে পারে কেবল একটি ধর্মনিরপেক্ষ কল্যাণ রাষ্ট্র। বাংলাদেশকে সে পথেই থাকতে হবে। থাকতে হবে তার অস্তিত্বের কারণেই। কারণ বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রনীতি থেকে সরে গেলে এর অখণ্ডতা থাকবে না।
একটি আধুনিক ও মানবিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে তাই। এখানে বহু ধর্মের, বহু বর্ণের, বহু সংস্কৃতির এক বর্ণিল মেলবন্ধন থাকবে। ধর্ম হবে যার যার ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও আচারের ব্যাপার। রাষ্ট্র ও উৎসব হবে সবার। এই বাস্তবতাটা চট্টগ্রামে আছে। এটি সারাদেশের জন্য উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে। শুধু দেশ নয় আমরা সচেষ্ট হলে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশও বিশ্বের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে।

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।