উদ্ধত পুলিশ–ভাগ্যবান সমর চৌধুরী-কামরুল হাসান বাদল,লেখক,কবি, সাংবাদিক ও টিভি ব্যক্তিত্ব

পোস্ট করা হয়েছে 23/07/2018-08:31pm:   
“ওসি হিমাংশু বলে, ‘শালাকে ফেলে দিয়ে আয়।’ এরপর হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে আমাকে গাড়িতে তোলা হয়। ওই সময় আমি আমার মেয়ে ও স্ত্রীর কী হবে বলে আকুতি করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।”
গাড়িতে করে তাঁকে চরণদ্বীপ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানালে সাংবাদিকরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন চোখ বাঁধা অবস্থায় তিনি কী করে চরণদ্বীপ বুঝলেন। এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ড্রাইভার কোথায় যাবে জানতে চাইলে তাকে বলেছিল চরণদ্বীপ নিয়ে যেতে। ওই গাড়িতে পাঁচজন পুলিশ ছিল বলে জানান তিনি।এরপর তিনি বলেন, “ আমি হ্যান্ডকাপটা একটু হালকা করে দিতে বললে একজন বলেন, ‘আর দুই/ তিন মিনিট আছে। তারপরতো তোকে বেহেস্তে পাঠিয়ে দেব।’
‘চরণদ্বীপ এলাকায় নিয়ে গিয়ে আমার চোখ খুলে দিয়ে চলে যেতে বলে। ওই সময় আমার মনের মধ্যে ভয় চলে আসে। আমি না গিয়ে তাদের সাথে দাঁড়িয়ে থাকি এবং ঠাকুরের নাম জপ করতে থাকি।’ না যাওয়ায় তখন এক পুলিশ সদস্য লাঠি দিয়ে হাঁটুতে আঘাত করেন। তিনি বলেন, “ওই সময় এসআইয়ের মোবাইলে একটি ফোন আসলে তিনি আমার কাছ থেকে দূরে সরে গিয়ে ফোনে কথা বলেন। কথা শেষ করে এসে আবার চোখ বন্ধ করে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে গাড়িতে তোলেন।” সেখান থেকে সারোয়াতলী এলাকায় বাড়িতে নিয়ে পুলিশ ইয়াবা উদ্ধারের ‘গল্প সাজায়’ বলে জানান তিনি। থানা হাজতে নেওয়ার পর পানি চাইলে এক এস আই তাকে ‘প্রস্রাব খাওয়াতে’ চেয়েছিলেন বলে জানান তিনি। সদ্য জামিনে মুক্ত হয়ে ষাটোর্ধ্ব সমর চৌধুরী সাংবাদিকদের কাছে সে রাতের কাহিনি তুলে ধরেন।
সমর চৌধুরীর বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর সারোয়াতলী গ্রামে। তবে বসবাস করেন চট্টগ্রাম শহরে। তিনি একজন শিক্ষানবীস আইনজীবী। একজন আইনজীবীর সহকারী হিসেবে চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিংয়ে কর্মরত আছেন। তার গ্রামের লন্ডনপ্রবাসী সঞ্জয় দাশের সঙ্গে সঞ্জয়ের কাকা স্বপন দাশের জমি নিয়ে বিরোধ আছে। স্বপন দাশকে আইনগত সহায়তা দিতো সমর চৌধুরী।
যেদিন সমর চৌধুরীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় সে রাতের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন “রাতের বেলা আমি ওসি হিমাংশু দাশকে দেখে তার পা জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করি। তাকে বলি তার দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী স্বপন দাশের সাথে আর কোনো যোগাযোগ রাখিনি। এসময় ওসি হিমাংশু আমাকে লাথি মেরে ফেলে দিলে আমার মাথা ফেটে যায়। ওসি কবে এবং কেন স্বপন দাশের সাথে যোগাযোগ রাখতে মানা করেছিলেন জানতে চাইলে সমর বলেন, গত বছরের শেষ দিকে ওসি থানায় যোগদান করার পর আমাকে ডেকে নিয়ে যায়। ওই সময় একটি কাগজ দেখিয়ে বলে, ডিআইজি আপনার নাম, স্বপন দাশ ও বাপন দাশের নাম দিয়েছে। আপনার নাম প্রথমে আছে। সমর চৌধুরীকে এরপর ইয়াবা ও অস্ত্র মামলার আসামী করা হয়। তার হাতে একটি অস্ত্র ধরিয়ে দিয়ে ছবি তুলে তা প্রকাশের জন্য পাঠানো হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সারাদেশে প্রতিবাদ হলে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মনির উজ জামানকে চট্টগ্রাম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে সমর চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। এই ঘটনার কয়েকদিন আগে টেকনাফের যুবলীগ নেতা একরামুল হকের কথিত ‘বন্দুক যুদ্ধে’ নিহত হওয়া এবং সে ঘটনার সময় মোবাইলে ধারণ হওয়া অডিও ফাঁস হয়ে গেলে সারাদেশে প্রতিবাদ ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচারের দাবিতে সোচ্চার ছিল পুরো বাংলাদেশ। সমর চৌধুরী গ্রেপ্তারের পরপর চট্টগ্রামে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে, মানববন্ধন করে নাগরিকরা। ফলে ঘটনা বেশিদূর এগুতে পারেনি। সমর চৌধুরী শেষ পর্যন্ত গত ১২ জুলাই জামিনে মুক্তি পান।
সমর চৌধুরীর ভাগ্য ভালো। ইকরামুল হকের ভাগ্য বরণ করতে হয়নি তাকে। একেবারে মৃত্যুর দুয়ার থেকে তিনি ফিরে আসতে পেরেছেন। চরণদ্বীপে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সম্ভবত ‘বন্দুক যুদ্ধের’ জন্য। কোনো কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ‘বন্দুক যুদ্ধে’র বদলে মামলা দেওয়া হয় তাকে। এমন কত ঘটনা ঘটছে বাংলাদেশে তা আমরা জানি না। একটি দুটি ঘটনাক্রমে প্রকাশ হয়ে পড়ে। এবং তাতে যারা বেঁচে যেতে পারেন তারা ভাগ্যবান।
কয়েকদিন আগে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে হাতেম আলী (২০) নামে এক যুবকের পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে দিয়ে টাকা নেওয়ার সময় সিঙ্গাইর থানার এ এস আই মো. মনিরুজ্জামান মানিককে গণপিটুনি দেয় স্থানীয়রা। গত বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে উপজেলা বডধারা ইউনিয়নের ছোট কালিয়াইশের বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ও সময় এক পুলিশ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে এএসআই মানিক একটি দোকানে বসে আলাপরত স্থানীয় যুবক হাতেম আলীকে ডেকে নেয় এবং তার পকেটে দুটো ইয়াবা ট্যাবলেট্‌ ঢুকিয়ে দিয়ে হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে মারধর শুরু করে এবং সে সাথে তার কাছে টাকা দাবি করে। স্থানীয়রা প্রথমে নিরীহ হাতেম আলীকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি করে। পুলিশ তা অগ্রাহ্য করলে সমবেত জনতা পুলিশকে গণপিটুনি দেয়। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গণমান্যদের মধ্যস্থতায় এবং থানার ওসির বিচার করার আশ্বাসে জনতা মানিককে ছেড়ে দেয়।
ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে কিংবা মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় এবং সাধারণ ও নিরীহ মানুষকে হয়রানি করার এন্তার অভিযোগ আছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এর কিছু কিছু সংবাদমাধ্যমে আসে। অধিকাংশই আসে না। পুলিশ ছুঁলে বাহাত্তর ঘা’ এই ভয়ে অধিকাংশই টাকা–পয়সা দিয়ে ঘটনা শেষ করে ফেলতে চায়।
মাদক ব্যবসার সাথে মূলত পুলিশের একটি বড় অংশ জড়িত কিনা তা আমি নিজে বলতে চাই না। সমর চৌধুরীর ঘটনায় দ্রুত বদলি করে দেওয়া চট্টগ্রামের ডিআইজি মনির উজ জামানের স্থলে নতুন যোগ দেওয়া নতুন ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকের কিছু উদ্ধৃতি তুলে দিই। গত মঙ্গলবার নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে দায়িত্ব নিয়ে শুদ্ধি অভিযান চালানোর ঘোষণা দেন তিনি। বদলি হয়ে কক্সবাজার জেলায় যারা বারবার যাচ্ছেন তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। তিনি বলেন, যেসব পুলিশ সদস্য বারবার কক্সবাজারে বদলি হয়ে যাচ্ছে, তাদের বদলি করে দেব। তাদের ওখানে রাখব না। মাদকের সাথে জড়িত পুলিশ সদস্যদের ধরতে পারলে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে।
নতুন ডিআইজি সাহেব কিছু ভালো কথা বলেছেন সাংবাদিকদের। এ যদি তাঁর মনের কথা হয় তাহলে ভালো। মুশকিল হলো আমাদের দেশে কথা আর কাজের মধ্যে মিল পাওয়া যায় সামান্যই। তিনি বলেন, আমাদের বলা হয় সিভিল সার্ভেন্ট, মানে জনগণের চাকর। আমরা যখন এসপি, ডিআইজি এই রকম পদে চলে যাই তখন আমরা এসব ভুলে যাই। আমি মনে করি এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের দায়িত্ব আমাদের মনে করিয়ে দেওয়া যে, আমরা সিভিল সার্ভেন্ট, সিভিল মাস্টার না। যে সমস্ত সরকারি কর্মকর্তারা বেশি বাড়াবাড়ি করে তাদের লাগামটা টেনে ধরা আপনাদের দায়িত্ব।’
মোহিত হওয়ার মতো কথা। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তাতো দূরের কথা একজন সাধারণ কনস্টেবলওতো একজন সাধারণ মানুষকে মানুষ মনে করে না। সামান্যতম ভদ্রতা করে কথা বলে না। অবশ্য এটা স্বাভাবিক। একজন সশস্ত্র ব্যক্তি আর একজন নিরস্ত্র ব্যক্তির মধ্যে আচরণগত পার্থক্যতো থাকবেই। আমার বন্ধুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। বর্তমানে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। অত্যন্ত ভদ্র, অমায়িক ও সজ্জন ব্যক্তি। কখনো কোনো ব্যক্তির বিরূপ সমালোচনা করে না। অকৃপণভাবে প্রশংসা করেন মানুষের। খুব খারাপ একজন মানুষের মধ্যেও তিনি ভালো কিছু একটা আবিষ্কার করার চেষ্টা করেন। দুসপ্তাহ আগে ওই কলামে পুলিশ নিয়ে আমার লেখাটি পড়ে তিনিও তার অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বিনিময় করলেন। তাঁর একটি ব্যক্তিগত গাড়ি আছে। অধিকাংশ সময় তা তিনি নিজেই ড্রাইভ করেন। গাড়ি চালনা করতে গিয়ে পুলিশ সম্পর্কিত বেশ কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বিশেষ করে পুলিশের অভদ্রচিত আচরণের কথা বললেন তিনি। আলাপকালে তিনি বলেন, পুলিশ এখন আমার পরিচয় ও পেশা জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি সে কথা আর বলি না। কারণ অতীতে বলার পরও ভালো আচরণ পাইনি। ফলে এখন পরিচয় দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের পদটাকেই খাটো করতে ইচ্ছা করে না। সড়ক ও মহাসড়কে পুলিশের তল্লাশিকালে সাধারণ যাত্রী বিশেষ করে উঠতি বয়সি তরুণদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের অত্যন্ত রূঢ় আচরণ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন এমন দলে নারী অফিসার ও কনস্টেবল থাকলে কিছুটা ভালো ব্যবহার পাওয়া যায়।
টেকনাফ থেকে সারাদেশে কীভাবে ইয়াবা পাচার হয় এবং তার সঙ্গে কারা কারা জড়িত তা দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানে। তা সত্ত্বেও কক্সবাজার টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামগামী পাবলিক বাসসমূহে তল্লাশির নামে যাত্রীদের হয়রানি করে পুলিশ। নগরীর কোরবানীগঞ্জের বলুয়ারদীঘির পাড় এলাকার কয়েকজন যুবক অভিযোগ করেছেন এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে যিনি ইয়াবা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি করেন। এই অভিযোগ শুধু কোরবানীগঞ্জের নয়। সারা বাংলাদেশে পুলিশের বিশাল একটি অংশ সাধারণ ও নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কাজে ব্যাপৃত আছে।
সাধারণ মানুষ কোনো কোনো পুলিশের এই অনৈতিক কর্মকান্ডে বিরক্ত। তারা পুলিশের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছেন। কিন্তু বিষয়টি সুখকর নয়। একটি রাষ্ট্র পুলিশবিহীন চলতে পারে না।
বর্তমান সমাজে বাস করতে হলে যে কোনো সময় পুলিশের সহযোগিতা দরকার। পুলিশ–আইনশৃঙ্খলার রক্ষক। সুবিচার বা কোনো অন্যায়ের প্রতিকার চেয়ে যে কোনো নাগরিক পুলিশের শরণাপন্ন হতে পারেন। কিন্তু দুপক্ষের মধ্যে সুসম্পর্ক না থাকলে, পরস্পর আস্থা ও বিশ্বাস না থাকলে সমাজতো স্বাভাবিক গতি হারিয়ে ফেলবে।
জাতির জনক এই রাষ্ট্রটিকে প্রকৃত অর্থে জনগণের রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিলেন। যে কারণে সংবিধানের শুরুতে, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ বলে উল্লেখ করেছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি বক্তৃতায় বিবৃতিতে বারবার এই কথাটি মনে করিয়ে দিয়েছেন। তিনি তাঁর একটি বিখ্যাত ভাষণে বলেছেন,‘জনগণের টাকায় তোমাদের বেতন–বাহাদুরী মন্ত্রী আমলারা ভুলে যেও না।
স্পিকার মুহাম্মদ উল্লাহর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ গণপরিষদে অনুষ্ঠিত সংবিধান বিল (গৃহীত) এর ওপর প্রধানমন্ত্রী ও গণপরিষদ নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ বক্তৃতা দিয়েছিলেন। সেখানে এক পর্যায়ে তিনি বলেছিলেন, ইংরেজ আমলে আইসিএস, আইপিএসদের প্রটেকশন দেওয়া হতো। সেই প্রটেকশন পাকিস্তান আমলেও দেওয়া হতো। আমলাতন্ত্রের সেই প্রটেকশনের ওপর আঘাত করেছি। অন্য জায়গায় আঘাত করিনি। এই ক্লাস রাখতে চাই না। কারণ শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। ক্লাসলেস সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আইনের চক্ষে সাড়ে সাত কোটি মানুষের যে অধিকার সরকারি কর্মচারীদেরও সেই অধিকার। মজদুর–কৃষকদের টাকা দিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মাইনে। খাওয়া–পরার ব্যবস্থা করা হয়। সুতরাং মজদুর কৃষকদের যে অধিকার সরকারি কর্মচারীদের সেই অধিকার থাকবে। এর বেশি অধিকার তারা পেতে পারে না।”
সরকারি কর্মচারীদের মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে যে, তারা শাসক নন–তারা সেবক। Some people came to me and wanted protection from me. I told them, "My people want protection from you, gentlemen."
চট্টগ্রাম রেঞ্জের নতুন ডিআইজি মহোদয়ও বঙ্গবন্ধুর এসব কথার প্রতিধ্বনি করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের পাহারা দিয়ে রাখতে বলেছেন। আশা করি তিনি তার বক্তব্যের প্রতি সৎ থাকবেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দায়িত্ব, কর্তব্য, অধিকার নিয়ে মাঝে মধ্যে স্মরণ করিয়ে দেব যে তারা শাসক নন, সেবক। এ কাজ করতে গিয়ে যেন রোষানলে না পড়ি, আমাদের নিরাপত্তা যেন বিঘ্নিত না হয় সে বিষয়টি তিনি দেখবেন। দেখবেন জনগণের রাষ্ট্রে পাবলিক সার্ভেন্টরা যেন জনগণকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য না করে ঘুষের বিনিময়ে যেন কোনো ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা না করে। দু সপ্তাহ আগে লিখেছিলাম ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যাবে কিনা। তার উত্তর এখনো জানা হলো না। ৯৯৯ না হোক অন্তত নিরাপদে নির্ভয়ে পুলিশের অন্যায় অপকর্মের বিরুদ্ধে নালিশ করা যায় তেমন একটা ব্যবস্থা অন্তত চালু করা হোক।
Email: [email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।  তথ‌্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি মহোদয়ের শুভ জন্মদিন আজ করোনায় পোশাক কারখানায় ৫৫ শতাংশ কাজ কমে গেছে: রুবানা হক