কোটা সংস্কার আন্দোলন–শুনতে হবে শোনাতে হবে-কামরুল হাসান বাদল ,কবি, সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 12/04/2018-10:55am:    -» » কামরুল হাসান বাদল ,লেখক,কবি, সাংবাদিক, টিভি ব্যক্তিত্ব,ও সংগঠক
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর বক্তব্যের পর পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল। ৭ মে পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট ঘোষণা ছাড়া আন্দোলন না থামানোর ঘোষণা দিয়েছেন। অথচ তার একদিন আগে সচিবালয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ২০ প্রতিনিধির সাথে বৈঠকে সেতুমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেছিলেন এবং ৭ মের মধ্যে সংস্কার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন বলেছিলেন। সেদিন তাঁর বক্তব্যটি অত্যন্ত আন্তরিক ছিল ।অনেক দিন পর তিনি বেশ ভালো বক্তব্য দিয়েছিলেন বলে মনে হয়েছিল আমার।
গত রোববার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন দলের নেতৃবৃন্দকে। রোববার সারারাত পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়। এর মধ্যে রোববার দিনগত রাত দেড়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গিয়ে আন্দোলনকারীদের বৈঠকে বসার প্রস্তাব দেন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির কবির নানক। তিনি আন্দোলনকারীদের বলেন, সরকারের মন্ত্রীসভার প্রভাবশালী মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই তার পরদিন সচিবালয়ে ২০ শিক্ষার্থী বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদেরের সাথে। সেখানে সরকার পক্ষে নেতৃত্ব দেন ওবায়দুল কাদের। ফলে ধরে নিতে হবে যে, তাঁর কথা বা প্রতিশ্রুতিই প্রধানমন্ত্রী তথা সরকারের প্রতিশ্রুতি। এতে দ্বিমত করার কিছু নেই। ধরে নিতে হবে এই ইস্যুতে সরকারের মুখপাত্র হিসেবে যা বলার ওবায়দুল কাদেরই বলবেন। কিন্তু মাঝখানে বেফাঁস মন্তব্য করে আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছেন সরকারের দুই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। ব্যক্তিগতভাবে যাঁরা সৎ রাজনীতিক হিসেবে সম্মানিত।
মুহিত সাহেব বলেছেন ‘সংষ্কার হবে তবে তা বাজেটের পর’ আর বেগম মতিয়া চৌধুরী সংসদে বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানেরা সুযোগ পাবে না রাজাকারের বাচ্চারা সুযোগ পাবে? তাদের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংকুচিত হবে? পরিস্কার বলতে চাই, মুক্তিযুদ্ধ চলছে, চলবে। রাজাকারের বাচ্চাদের আমরা দেখে নেব।’
এই আন্দোলনটিকে এভাবে বিচার করলে বড় ভুল হবে। এই আন্দোলনের গতি প্রকৃতি, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং এর নেতৃত্বে কারা কারা আছেন এবং তাদের মধ্যে অনেকের রাজনৈতিক পরিচিতিও মাথায় রাখতে হবে। আন্দোলনে অনেক শিক্ষার্থী আছেন যাঁরা রাজনীতির সাথে জড়িত নন। তাঁরা জড়িত হয়েছেন নিজেদের ভবিষ্যত চিন্তা থেকে। নিজেদের ক্যারিয়ারের কথা ভেবে। এই অঞ্চলে সংঘটিত অন্যান্য ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গেও এর মিল নেই। ১৯৫২ সাল থেকে শুরু করে গণজাগরণ মঞ্চসহ সব ছাত্র আন্দোলন সংঘটিত হয়েছে রাজনৈতিক আদর্শের লক্ষ্যে। বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয়দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গণ আদালত বা ঘাতক দালাল বিরোধী আন্দোলন এবং সবশেষে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন। এই আন্দোলনগুলো ছিল ভাষার জন্য, দেশের জন্য, স্বাধীনতার জন্য গণতন্ত্রের জন্য, মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের জন্য। সেসব আন্দোলনে কর্মী বা নেতাদের ব্যক্তিগত লাভালাভের বিষয় ছিল না, সবই ছিল নীতি, আদর্শ ও সর্বজনীন কল্যাণের। কিন্তু বর্তমান আন্দোলনের সঙ্গে আন্দোলনকারী সবারই ব্যক্তিগত লাভালাভের বিষয় আছে, ব্যক্তিগত স্বার্থ আছে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা মনে করছেন বর্তমান কোটার কারণে তারা ব্যক্তিগত অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটির সংস্কার হলে তাদের ব্যক্তিগত ফায়দা হবে। কাজেই এই আন্দোলনের গতি–প্রকৃতি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অন্য আন্দোলন থেকে ভিন্ন। ফলে এর বহিপ্রকাশ ও মাত্রা ভিন্ন হওয়াই স্বাভাবিক। কাজেই সরকারকে এই বিষয়ে অত্যন্ত সজাগ থাকতে হবে।
এই আন্দোলনে গোড়া থেকে পানি ঢেলেছে দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তিটি। যারা চায় না রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মরা সম্পৃক্ত হোক। আমাদের মনে রাখা দরকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই প্রথম ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন, জীবনবাজী রেখে যুদ্ধ করে যাঁরা দেশকে স্বাধীন করেছেন দেশ গড়ার কাজে তারাও সম্পৃক্ত হোক। কিন্তু ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যে প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছিল তারা তা বন্ধ করে দিয়েছিল। ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আবার আসীন হওয়ার পর শেখ হাসিনার সরকার পুনরায় মুক্তিযোদ্ধা কোটা চালু করেন। তাঁরও লক্ষ্য হচ্ছে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ চাকরিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম বা চেতনায় বিশ্বাসীরা থাকলে দেশকে সঠিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পরিচালিত করা সহজ হবে।
’৭৫ থেকে ’৯৬ পর্যন্ত যে রাজনৈতিক শক্তি মুক্তিযোদ্ধা কোটা বন্ধ রেখেছিল, যাঁরা দেশকে পাকিস্তানি চেতনায় ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল, যাঁরা মানবতাবিরোধী অপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছিল, যাঁরা একাত্তরে গণহত্যা সংঘটনে পাকিস্তানিদের সহায়তা করেছিল তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিরোধী এবং তারাই সুকৌশলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে জড়িত হয়েছে। অনেকে নেতৃত্বে এসেছে এবং এরাই সংস্কারের নামে মুক্তিযোদ্ধাদের কোটার বিরুদ্ধে বিষোদগার করে দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের চরম অসম্মান করার গুটি চালছে। অন্যদিকে সরকারবিরোধী শক্তি, জঙ্গিগোষ্ঠী, উগ্রবাদী ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী, এতদিন যাঁরা সরকারকে দুর্বল করার, আঘাত করার সুযোগ পায়নি অর্থাৎ সুযোগের অপেক্ষায় ছিল তারা মিশে গেছে আন্দোলনকারীদের সাথে। স্বাধীনতার পর ধর্মভিত্তিক ও যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ হলে তারা যেমন জাসদের ছায়াতলে জড়ো হয়েছিল, মিশে গিয়েছিল। কোটা সংস্কার আন্দোলনে শুধু যে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিই মিশে গেছে তা নয়, আপাতদৃষ্টিতে প্রগতিশীল বলে মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে যারা চরম প্রতিক্রিয়াশীল ও প্রচন্ড আওয়ামীলীগ বিরোধী তারাও এই আন্দোলন থেকে ফায়দা নেওয়ার তালে আছে। এরা এই আন্দোলন সহজে থেমে যাক কিংবা দ্রুত মিমাংসা হোক তা চাইবে না। ওবায়দুল কাদেরের সাথে আলোচনার পর ৭ মে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রাখার বিষয়ে সম্মত হয়ে আন্দোলনকারী ২০ নেতা যখন ফিরে এসে সমাবেশে এই ঘোষণা দেন তখন কেউ কেউ বক্তাকে ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে অপমান করছিল। এবং তাদেরই অংশটি শাহবাগে এসে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। তখন পর্যন্ত মুহিত কিংবা মতিয়া চৌধুরী বক্তব্য রাখেননি।
কোটা সংস্কারের বিপক্ষে মানুষ খুব কম। সরকারের মধ্যেও বেশিরভাগ কোটা সংস্কারের প্রয়োজনের কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীতো বিবেচনা ও পর্যালোচনার নির্দেশই দিয়েছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন নিয়ে নতুন করে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। দেশের শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ অর্থাৎ বুদ্ধিজীবীদের অধিকাংশই কোটা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। অনেকে মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র–নৃগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী কোটা ছাড়া অন্য কোটা তুলে দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। আন্দোলনকারীরা কোটা ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন। অনেকে ৫০ শতাংশের অধিক কোটা সংরক্ষণের সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে এই সংখ্যা ৫০ এর নিচে নিয়ে আসার কথা বলেছেন। ফলে দেখা যাচ্ছে এই সমস্যার সমাধান হঠাৎ কোনো ঘোষণার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন অধিক পরীক্ষা–নিরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত। মনে রাখা দরকার একটি অনগ্রসর দেশে বা সমাজে সমতা বজায় রাখার স্বার্থে অনেক সময় কোটা পদ্ধতি বজায় রাখতে হয়। এদেশে নারীরা অনগ্রসর বলে তাদের জন্য কোটা আছে।এদেশের কিছু অনুন্নত, সুবিধাবঞ্চিত জেলা আছে সেখানকার অধিবাসীদের সরকারি চাকরি প্রাপ্তির সুবিধার জন্য জেলা কোটা রাখা হয়েছে। সব জেলার সন্তানদের পক্ষেতো রাজধানীতে এসে নামি–দামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সৌভাগ্য হয় না। তারপরেও কোটা সংস্কার দরকার। পূর্বে নির্ধারিত কোটার এখন কতটুকু রাখা দরকার, কতটুকু বর্জন করা দরকার তা আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হোক। এবং এই নিষ্পত্তির সময়ও নির্দিস্ট হোক। গতরাতে (মঙ্গলবার দিবাগত) টিভিতে দেখলাম ওবায়দুল কাদের আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন তাঁর বক্তব্যই সরকারের বক্তব্য, অন্য মন্ত্রীদের বক্তব্য তাদের নিজস্ব মতামত। তা সরকারের নয়। এই আন্দোলন যখন একেবারে তুঙ্গে অর্থাৎ পুলিশের আক্রমণের পর যখন পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হয়ে উঠেছিল তখন গণজাগরণমঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার তাঁর ফেসবুকে এক শিক্ষার্থীর নিহত হওয়ার গুজব ছড়ান। এই গুজব আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্ষিপ্ত করে তোলে। ইমরানের এই স্ট্যাটাসের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাড়িতে সশস্ত্র আক্রমণ হয় এবং তার বাড়ি লণ্ডভণ্ড করা হয়, গাড়িতে আগুন দেয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকা অবস্থাতেই বেশ কয়েকজন হলের বাতি নিভিয়ে আন্দোলনকারীদের পেটানো হচ্ছে বলে ফেসবুকে পোস্ট দেন। এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয় এবং সেখানে কোটা সংস্কারের পক্ষে োগান দেওয়া হয়।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের দ্বারা কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলেও আমরা দেখতে পাচ্ছি দেশের কিছু উগ্র সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীরা এর নেতৃত্বে চলে এসেছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ভর করে এই অপশক্তি তাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ ও এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। এই সাম্প্রদায়িক উগ্র শক্তিগুলোই দেশে বিদেশে অবস্থান করে ইন্টারনেটভিত্তিক একটি শক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। তাদের হাজার হাজার পেইডকর্মী আছে যারা সর্বক্ষণ ইন্টারনেটভিত্তিক সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর রাখে এবং ব্যাপক অপপ্রচার চালায়। এই শক্তিরই কারো দ্বারা সরকারি সাইট হ্যাক হয়ে থাকতে পারে। এদের এবং ফেসবুকে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সরকারকে আরও বড় কোনো বেকায়দায় পড়তে হবে। এই আন্দোলনের অনেকটা নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে মৌলবাদী ও চরম বামপন্থী সংগঠনের নেতারা। ফলে সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সরকারের পক্ষে নানা জন নানা কথা বলে বিভ্রান্তি তৈরি না করে একজনকে মুখপাত্র হিসেবে কথা বলতে হবে। প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে হবে। প্রয়োজনে তাদের কথা সরাসরি শুনে সরকারি পদক্ষেপের কথা তাদের সরাসরি শোনাতে হবে। সময়ক্ষেপণ করা কোনোভাবেই সমীচিন হবে না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রশমনের উদ্যোগ নিতে হবে। তাঁদের কাঁধে বন্দুক রেখে অপশক্তির উত্থানের পথ দ্রুত রুখতে হবে।
একাত্তরের পাক হায়েনাদের মতো ভিসির বাংলোয় তাণ্ডব এবং পহেলা বৈশাখের মঙ্গলশোভাযাত্রার আয়োজনে ভাংচুরের মতো ঘটনার সাথে এই আন্দোলন বা দাবি আদায়ের কোনো সম্পর্ক নেই। কাজেই এই ঘটনাকে খুব খাটো করে দেখার অবকাশ নেই।
[এই লেখা যখন প্রেসে, তখন প্রধানমন্ত্রী কোটা পদ্ধতি তুলে দেওয়ার কথা জানালেন সংসদে।

সর্বশেষ সংবাদ
এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।  তথ‌্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি মহোদয়ের শুভ জন্মদিন আজ করোনায় পোশাক কারখানায় ৫৫ শতাংশ কাজ কমে গেছে: রুবানা হক