সু চি–তুমি ছিলে শুধু রং করা পুতুল …কামরুল হাসান বাদল, লেখক,কবি, সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 23/09/2017-07:01pm:    ঐতিহ্যবাহী বার্মিজ পোশাক পরে মাইক্রোফোনের সামনে যখন বক্তব্য রাখছিলেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি তখন মনে হচ্ছিল একটি তোতা পাখি তাকে শিখিয়ে দেওয়া কথাগুলো বলছে। সম্পর্কিত নয় তথাপি এমন একটি গান গতকাল (মঙ্গলবার) আমার মনে সারাদিন অনুরণন সৃষ্টি করেছে, ‘আমি মানুষ চেয়েই করেছিলাম ভুল, তুমি ছিলে শুধু রং করা পুতুল।’ আমরা যারা শেষ ভরসা হিসেবে, শেষ পর্যন্ত সু চির কাছ থেকে মানবিক কিছু একটার আশা করেছিলাম। আমার ধারণা শেষ পর্যন্ত সবার অনুভূতি এমনই হয়েছে।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নিধন শুরু হওয়ার দীর্ঘ ২৪ দিন পর মিয়ানমারের এই নেত্রী, যাঁকে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের জন্য বিশ্ব এতদিন যাঁকে সম্মান দিয়ে এসেছে, অং সান সু চি প্রথম প্রকাশ্যে মুখ খুললেন। শান্তিকামী বিশ্ববাসী যখন শেষ পর্যন্ত সু চির কাছ থেকে ইতিবাচক কিছু একটার প্রত্যাশা করছিল সে সময় তাঁর ৩০ মিনিটের ভাষণে সু চি মিথ্যা, পরস্পরবিরোধী তথ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করা ও বোকা বানানোর চেষ্টা করেছেন।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমার সরকারের ‘জাতিগত নিধন’ যা গণহত্যার ঘটনা, সারা বিশ্বের গণমাধ্যমে যখন গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংস্থা ইত্যাদি যখন মিয়ানমারের এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছিল এবং মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে মিয়ানমারে রাষ্ট্রীয় অপরাধ সংগঠনে বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক গণআদালতে মিয়ানমারের একজন বৌদ্ধ মানবাধিকার কর্মী এই নৃশংসতার বর্ণনা দিয়ে জবানবন্দি দিচ্ছিলেন, সে সময় মিয়ানমারের এই নেত্রী অনর্গল মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছিলেন।
তিনি যেন তাঁর দেশের সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করতে মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। যে বাহিনীর হাতে লেগে আছে নিরপরাধ মানুষের রক্ত, যে সামরিক বাহিনী বছরের পর বছর তাঁকে অন্তরীণ করে রেখেছিল আর সে সময় এই নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী তাঁর মুক্তির স্বপক্ষে দাঁড়িয়েছিল।
২৪ দিন যেন তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুম থেকে হঠাৎ জেগে বললেন, ‘রাখাইন থেকে মুসলিম জনগোষ্ঠী কেন পালিয়ে বাংলাদেশে গেছে। তার সরকার সেটি অনুসন্ধান করতে চায়।’ তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের রাখাইন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের বিষয়ে মিয়ানমার সরকার ভীত নয়।’
মিয়ানমারের প্রশাসনিক রাজধানী নেপিডোর সিটি হলে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে সু চি বলেন, আমরা শান্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা রাখাইনে শান্তি, স্থিতিশীল ও আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারাবদ্ধ। আমরা শান্তি চাই, ঐক্য চাই। যুদ্ধ চাই না।’ শত শত রোহিঙ্গাকে হত্যা করে, তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে দেশ ছাড়া করে তিনি রাখাইনে কোন শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চান তা জানি না। মনে হয় তিনি কবরের শান্তিটুকুই প্রতিষ্ঠা করতে চান।
মঙ্গলবার সকালে এই বক্তৃতার পরপরই এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছেন, ‘আজকের ভাষণে সু চি স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি ও তাঁর সরকার রাখাইনে সহিংসতা বিষয়ে বালুতে মাথা গুঁজে রেখেছে। তিনি বরং তাঁর বক্তব্যে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। যারা আক্রান্ত হয়েছে তাদেরই তিনি দোষারোপ করেছেন।”
সামরিক সরকারের যে নাগরিকত্ব আইনের প্যাঁচে পড়ে সু চি নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও মিয়ানমারের সরকার প্রধান হতে পারেননি সে সু চি কি নির্লজ্জভাবে সেই সামরিক শক্তির করা ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনে রাষ্ট্রবিহীন করা রোহিঙ্গাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ যেন সেই সু চি নয়, এ এক রং করা পুতুল।
জাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বে আনান কমিশন গঠনে সম্মতি ছিল সু চির। গত ২৫ আগস্ট এই কমিশন ইয়াংগুনের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারের কাছে কিছু সুপারিশ তুলে ধরে তা বাস্তবায়নের আহবান জানায়। এই সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এবারের অত্যাচার নিষ্ঠুরতা অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে। রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের অজুহাত হিসেবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসার দ্বারা যে হামলার কথা বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছিল সে বিষয়ে মিয়ানমারের এক নাগরিক জবানবন্দি দিয়েছেন। সু চি যখন বক্তৃতা করছিলেন তাঁর দেশে সে একইদিন কুয়ালালামপুরে আন্তর্জাতিক গণআদালতে ওই বৌদ্ধ মানবাধিকার কর্মী জবানবন্দি দিয়েছেন। ব্রিটেন প্রবাসী মিয়ানমার নাগরিক ড. মং জার্নি বলেন, ‘আমার বাড়ি মিয়ানমারের মান্দালয় এলাকায়। জার্মানিতে হিটলার বলেছিলেন, ইহুদিরা জার্মান নয়। কিন্তু ইহুদি হিসেবেই তাদের হত্যা করা হয়েছিল। কথিত আরসার দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার তথ্যকে জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করে তিনি আদালতে দেওয়া তার জবানবন্দিতে বলেন, শুধু জাতিগত পরিচয়ের কারণে রোহিঙ্গা মুসলিমরা মিয়ানমারে পদ্ধতিগতভাবে গণহত্যার শিকার হচ্ছে। তাদের রাষ্ট্রবিহীন হয়ে পড়া এবং তাদের সব ধরনের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার সঙ্গে মিয়ানমারে গণতন্ত্র আসা না আসা কিংবা আরসা গত ২৫ আগস্ট বা তার আগে পরে কী করেছে বা করেনি, বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে বিপথগামী কোনো রোহিঙ্গা গোষ্ঠী হতে মিলিয়েছে। কিংবা মেলায়নি তার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের জাতিগত নির্মূল অভিযানের কোনো সম্পর্ক নেই।’ দাবি করেন ড. মং।
এই আদালতে ড. মং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে রোহিঙ্গাদের অধিকারকে আরও স্বচ্ছ ও যৌক্তিক করে তুলবে। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে অন্যতম নৃগোষ্ঠী। প্রখ্যাত স্কটিস ভূগোলবিদ ফ্রান্সিস বুফানন ১৭৭৮ সালেই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আরাকানের নেটিভ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। সুতরাং ঐতিহাসিক নৃতাত্ত্বিকসহ সব বিবেচনায় তারা আরাকানের নাগরিক ড. মং জার্নি নে উইন সরকারের করা ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জেনোসাইড চালানোর অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করেন। আন্তর্জাতিক গণ আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দিতে মিয়ানমারে ‘মন্থর গণহত্যা’ চলছে বলে অভিমত উঠে আসে।
মিয়ানমার সরকার তথা সু চির হাতে এখন মুখ রক্ষারও যে উপায় নেই তা প্রতীয়মান হয়ে উঠছে। এই লেখাটি যখন পাঠকদের হাতে যাবে সে সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার অসহায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছেন। ষোল কোটি মানুষের অন্ন সংস্থান করতে পারলে বাড়তি কয়েক লাখ রোহিঙ্গার জন্য কেন পারব না এই কথার মধ্য দিয়ে তাঁর যে মানবিক চেতনার প্রকাশ ঘটেছে তারও উচ্চকিত প্রশংসা করেছেন বিশ্বনেতারা। কাজেই সমগ্র বিশ্বের অনেকের নজর এখন বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ এবং তৎপরবর্তী প্রতিক্রিয়ার ওপর। তবে অন্তত একটি কথা স্বীকার করতে হবে যে এবার মিয়ানমার সরকার সত্যিকারভাবে কোণঠাসা অবস্থায় পড়েছে। যদিও চীনের প্রত্যক্ষ এবং রাশিয়ার পরোক্ষ সমর্থন পাচ্ছে দেশটি। তবে শেষ পর্যন্ত মিয়ানমার সরকারকে আলোচনার টেবিলেই বসতে হবে এবং রোহিঙ্গা প্রশ্নে একটি সন্তোষজনক মিমাংসায় পৌঁছাতে হবে।
সমস্যাটি মিয়ানমারের কিন্তু বাংলাদেশকে বারবার এই সমস্যায় জড়িয়ে যেতে হচ্ছে। মানুষের সমস্যা হচ্ছে সে তার প্রতিবেশী নির্বাচন করতে পারে না। ফলে বাংলাদেশের প্রতিবেশী হিসেবে মিয়ানমারের যন্ত্রণা বাংলাদেশকেও ভোগ করতে হচ্ছে। তবে রোহিঙ্গারা মুসলিম না হলে কিংবা বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ না হলে বাস্তবতা অন্যকিছুও হতে পারত। ১৯৭৮ সাল থেকে বড় মাপের শরণার্থী আসলেও বাংলাদেশে কমবেশি রোহিঙ্গা সবসময় এসেছে। দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ সামাজিকভাবে দুভাগে বিভক্ত। একটি চাটিগ্রাঁই অর্থাৎ চট্টগ্রামী আদি চট্টগ্রামের মানুষ। অন্য অংশটি রোঁয়াই অর্থাৎ রোহিঙ্গা। যারা কালে কালে বাংলাদেশে এসে বসতি স্থাপন করেছে। এদের ভাষাও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষা হলেও অনেক শব্দ, উচ্চারণ ও টানে ভিন্নতা আছে। ভিন্নতা আছে কালচারেও। যে কারণে চাটিগ্রাঁইদের সাথে রোঁয়াইদের আত্মীয়তার সম্পর্ক খুব একটা হয় না। চট্টগ্রামে আদি মানুষ রোহিঙ্গাদের পছন্দ করে না। না করার পেছনে কিছু কারণও আছে। এরা স্বভাবগতভাবে উদ্ধত ও গোঁয়ার প্রকৃতির। এদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা বেশি। এদের অধিকাংশই নানা প্রকার অপরাধ কর্মের সাথে জড়িত থাকে। এদের নিয়ে খুব একটা প্রশংসা শোনা যায় না।
আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি কোনো মানুষ বা নির্দিষ্ট কোনো জনগোষ্ঠী অপরাধী হিসেবে জন্ম নেয় না। পরিবেশ, প্রতিবেশ এবং সামাজিক বৈষম্য তাদের অপরাধ প্রবণ করে তোলে। রোহিঙ্গাদের নিয়েও আমার ধারণা তেমন। তারা অপরাধী কিংবা উদ্ধত হিসেবে জন্ম নেয়নি। দীর্ঘদিনের শোষণ, বঞ্চনা, অধিকারহীনতা তাদের মধ্যে এই বৈশিষ্টের জন্ম দিয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে মূল জনগোষ্ঠীর সাথে সম্পর্কহীন। তারা শিক্ষাহীন, চিকিৎসাহীন এক অমানবিক পরিবেশে বেড়ে উঠেছে। শিক্ষার আলো, জ্ঞানের আলোর সন্ধান তারা পায়নি। তারা মানবিক কোনো শিক্ষা পায়নি। তারা সংস্কৃতির কোনো ছোঁয়া পায়নি। ফলে তাদের ভেতর মানবিকতার প্রকাশ ঘটেনি। তারা অনেকটা আদিমভাবে বেঁচে থাকে। কাজেই একটি আধুনিক রাষ্ট্র বা সমাজের নাগরিকদের মতো আচরণ আমরা তাদের কাছ থেকে আশা করতে পারি না। এই লক্ষে তাদের ভেতর কেউ কাজও করেনি। তারা শুধু মৌলবাদী কিছু সংগঠনের ক্রীড়ানক ও খেলার সামগ্রী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কিছু কিছু ইসলামী উগ্রবাদী সংগঠন কেবলই তাদের বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আর সেই অভিযোগে মিয়ানমার সরকার বারংবার হত্যালীলায় মেতে উঠেছে। এখন বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। কিন্তু এই পরিস্থিতি বাংলাদেশ কতদিন মোকাবেলা করতে পারবে? বাংলাদেশের সাধ্য সীমিত। বাংলাদেশে ব্যবহারযোগ্য জমির পরিমাণও কম। ফলে এই বিপুল জনগোষ্ঠীর বাসস্থানের ব্যবস্থা করাও বাংলাদেশের জন্য সম্ভব নয়। মিয়ানমার যতই কালক্ষেপণ করবে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ ততই অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক চাপে থাকবে। (আগামী সংখ্যায় সমাপ্য)
লেখক,কবি, সাংবাদিক কলামিস্ট-কামরুল হাসান বাদল,

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।