কঙ্গনার অভিযোগ–রুপালী জগৎ থেকে বাবাদের ডেরা-কামরুল হাসান বাদল, লেখক,কবি, সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 07/09/2017-09:35pm:    এই সময়ে বলিউডের অন্যতম সুন্দরী অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। নবাগত হিসেবে পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। তার গত কয়েক বছরের ছবি ও সেসব ছবির খোঁজখবর নিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, মুম্বাই ফিল্মি জগতের সামনের দিনগুলো কঙ্গনার। শুধু একটি আকর্ষণীয় ফিগার নিয়ে নয়, সাথে অভিনয় প্রতিভা নিয়েও যে এসেছেন তার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি ইতিমধ্যেই।
সেই কঙ্গনা সম্প্রতি ভারতের একটি টিভি চ্যানেলে উপস্থিত হয়ে তাঁর সাবেক তিন প্রেমিকের কথা ফাঁস করে দিয়েছেন। এর মধ্যে সাবেক এক প্রেমিকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগও এনেছেন তিনি। তাঁর বাবার বয়সী বলে উল্লেখ করে অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তিনি। আদিত্য ছাড়া কঙ্গনার প্রেমিক ছিলেন ঋত্বিক রোশন ও অধ্যয়ন সুমন।
এসব ক্ষেত্রে যা হয় কঙ্গনার অভিযোগ অস্বীকার করে আদিত্য পাঞ্চোলি তাকে ‘পাগল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন আদিত্য। এই ঘটনায় আদিত্যের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর অভিনেত্রী স্ত্রী জরিনা ওয়াহাব। জরিনা বয়সে আদিত্যের বড় হলেও তারা বিয়ে করেছিলেন প্রেম করে। যে বিয়েতে আদিত্যের বাবা–মা রাজি ছিলেন না। একই ধরনের অভিযোগ করার কারণে ঋত্বিক রোশন কঙ্গনার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন। সে মামলা এখনো চলছে। কঙ্গনার অভিযোগ ১৭ বছর বয়সে বলিউড অভিষেকের সময় আদিত্য যৌন নির্যাতন করেছিলেন। নবাগত এই নায়িকাকে মুম্বাইয়ে একটি ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছিলেন আদিত্য পাঞ্চোলি। প্রায় গৃহবন্দী অবস্থায় সেখানে কঙ্গনার দিন কেটেছে। এক সময় সহ্য করতে না পেরে আদিত্যের স্ত্রী জরিনার কাছে নালিশ করেছিলেন কঙ্গনা। টিভি সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা বলেছেন, এতে ফল হয়েছিল উল্টো।
এ ধরনের ঘটনা, অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ, মামলা, অস্বীকার ইত্যাদি মুম্বাই চলচ্চিত্র জগতে নতুন নয়। শুধু মুম্বাই বলে নয় কোনো দেশের শোবিজ জগতে নতুন বা আকস্মিক ঘটনা নয়। মাত্র কয়েক মাস আগে একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রেখা তাঁর ওপর যৌন নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন, তাঁর প্রথম ছবির নায়ক বিশ্বজিৎ (প্রসেনজিতের বাবা) তাঁকে যৌন হয়রানি করেছিলেন। আর এই কাজে বিশ্বজিৎকে সহায়তা করেছিল সে ছবির পরিচালক। অবশ্য সে ছবিটি বিভিন্ন কারণে পরে মুক্তি পায়নি।
মুম্বাইয়ের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা মেহমুদ আর অরুণা ইরানির সম্পর্কটি ছিল ওপেন সিক্রেট। অরুনা মেহমুদকে বিয়ে করেননি। তবে মেহমুদের বলয় থেকে তার মুক্তিও ঘটেনি। একটি সাক্ষাৎকারে অরুণা মেহমুদ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেছিলেন, গড অ্যান্ড ডেভিল। মেহমুদ ইরানিকে মুম্বাইয়ে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য অনেক সাহায্য সহযোগিতা করেছেন বিনিময়ে ইরানিকে এক প্রকার রক্ষিতা করে রেখেছিলেন।
অ্যামেরিকান একটি টিভি চ্যানেলের অনুকরণে ভারতে একটি অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হতো ‘সাচ কি সামনে’ নামে। অনুষ্ঠান শুরুর আগে অংশগ্রহণকারীর কাছ থেকে তাদের জীবনের বিভিন্ন বয়ান নেওয়া হতো। অনুষ্ঠানের সময় লায়ার মেশিনের মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তরের সত্যাসত্য যাচাই করা হতো। আসলে অর্থের বিনিময়ে সে অনুষ্ঠানে এসে নিজের গোপন কথাগুলো প্রকাশ করাই ছিল অনুষ্ঠানের বিষয়। বেশি দিন চলেনি অনুষ্ঠানটি। সে অনুষ্ঠানের শেষ এপিসোডে উপস্থিত ছিলেন বাঙালি অভিনেত্রী রূপা গাঙ্গুলী। সে অনুষ্ঠানে তিনি অকপটে অনেক কিছুই স্বীকার করেছিলেন। তাঁর জীবনের বিশেষ করে মুম্বাই চলচ্চিত্র জগতে টিকে থাকার কথা বলতে গিয়ে তার এমন অনেক অপমানের কথা বলে তিনি কেঁদেছিলেনও। অবশ্য সে রূপা গাঙ্গুলি বর্তমান বিজেপির সাংসদ, ধর্ষণ নিয়ে উল্টোপাল্টা বলে খুব নিন্দিত ও সমালোচিত হয়েছেন ভারতে। এ নিয়ে একটি মামলাতেও জড়িয়েছেন তিনি। ‘সাচ দি সামনে’ অনুষ্ঠানটিতে শোবিজ জগতের অনেকে এসেছিলেন যাঁরা তাঁদের জীবনের গোপন কথাগুলো বিক্রি করে অর্থ কামাই করে ঘরে ফিরেছেন। এই অনুষ্ঠানটির আদি সংস্করণটির কয়েকটি পর্ব দেখেছিলাম। সেখানে সেলেব্রেটিরা এসে মূলত তাদের গোপন সম্পর্ক বা জীবনের ভুল–ত্রুটিগুলো প্রকাশ করে অর্থ কামাই করেছেন। অবশ্য অনেককে দেখেছি প্রায় সবগুলো প্রকাশ করেও বেশি অর্থ নিয়ে ঘরে ফিরতে পারেনি, কিছু ভুল উত্তর দেওয়ার কারণে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ চলচ্চিত্র জগৎ বলিউডে শুধু রেখা, অরুণা ইরানি, রূপা গাঙ্গুলী বা কঙ্গনার জীবনেই যে এমন ঘটেছে তা মনে করার কোনো কারণ নেই। এই জগতে পা রাখতে আসা প্রায় সব নারীর জীবনেই এমন কিছু না কিছু ঘটেছে। এবং তা শুধু বলিউডেই নয়, বিশ্বের সমস্ত শোবিজ জগৎ এমন অনেক নারীর অপমান, লাঞ্ছনা আর যৌন নির্যাতনের কাহিনীতে ভরপুর যা অনেক চলচ্চিত্রের কাহিনীকেও ম্লান করে দেবে।
কয়েক বছর আগে মুম্বাইয়ের ডার্টি পিকচার নামে একটি ছবি খুব ব্যবসা সফল হয়েছিল। জনপ্রিয়ও হয়েছিল বেশ। এই ছবিতে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছিলেন বিদ্যা বালান। দক্ষিণের অভিনেত্রী সিল্ক স্মিতার জীবনভিত্তিক এই ছবিতে তুলে ধরা হয়েছিল ফিল্মি জগতের পুরুষরা একটি জীবন সংগ্রামী নারীকে কিভাবে ব্যবহার করেছে তার চিত্র। তাঁকে ভোগ করেছে এবং প্রয়োজন ফুরিয়ে যাওয়ার পর তাকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। জীবন সংগ্রামে ব্যর্থ হয়ে হতাশ হয়ে এবং মানুষের ওপর আস্থা হারিয়ে সিল্ক স্মিতা এক সময় আত্মহত্যা করেছিলেন। ফিল্ম জগতের যে পুরুষদের কারণে একদিন সিল্ক স্মিতা আত্মহত্যা করেছিলেন সে পুরুষরাই একদিন তার জীবনকে তার সংগ্রামকে উপজীব্য করে চলচ্চিত্র বানিয়ে কামিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি রুপি। কিন্তু তাতে সিল্ক স্মিতাদের জীবনের কোনো পরিবর্তন হয়নি। এখনো কত সিল্ক স্মিতা পুরুষের খেলার সামগ্রী হয়ে জীবনদান করছেন সে হিসাব আমরা রাখি না। মুম্বাই ফিল্মের ঝলমলে জগতের আকর্ষণে প্রতি বছর কত কঙ্গনা এসে মুম্বাইয়ে স্থায়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন, শেষে দু’একজন কঙ্গনা অনেক কিছু ত্যাগ করে টিকে গেলেও প্রতি বছর শত শত কঙ্গনা মুম্বাই শহরে হারিয়ে যাচ্ছেন এবং শেষ পর্যন্ত কোনো নিষিদ্ধ পল্লীতে নিজেদের ভোগের সামগ্রী করে তুলতে বাধ্য হয়েছেন। আর এই ধারা শুধু মুম্বাইয়ে নয় বিশ্বজুড়েই চলছে।
কাউকে নায়িকা বানিয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে কাউকে মডেল, কাউকে লেখক/ কবি কিংবা কাউকে রাজনীতিতে পথ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ভোগের সামগ্রী করে রাখার ইতিহাস, রক্ষিতা করে রাখার ইতিহাস বিশ্বে নতুন নয়। প্রতিনিয়ত সর্বত্র এটাই চলছে। অতিক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ পরিসর পর্যন্ত। ঝলমলে জগতের আশায় এসে অধিকাংশই এই জগতের অন্ধকার গলিতে হারিয়ে যান।
অত্যন্ত দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা সিল্ক স্মিতা লড়াই করে ফিল্মে টিকে থাকতে চেয়েছিলেন। তাঁকে যারা সুযোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের অধিকাংশই তাঁকে ভোগ করতে চেয়েছেন। শেষে হেরে যান সিল্ক। আত্মহত্যা করেন। মেরিলিন মনরো, হলিউড অভিনেত্রীও মডেল, জগৎজুড়েই ছিল যাঁর জনপ্রিয়তা। সৌন্দর্যের দেবী হয়ে উঠেছিলেন তিনি। তিনিও উঠে এসেছিলেন খুব দরিদ্র পরিবার থেকে। তাঁকেও অনেক অবমাননাকর পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয়েছিল। তাঁকে নিয়েও পুরুষের কামড়াকামড়ির শেষ ছিল না। প্লে বয় ম্যাগাজিনে মনরোর আলোচিত ন্যুড ছবির জন্য তাকে দেওয়া হয়েছিল মাত্র ৫০ ডলার। বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি আমেরিকার (জনপ্রিয়) প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি প্রেমে পড়েছিলেন মনরোর। বিশ্বের এক নম্বর ক্ষমতাধর ব্যক্তির প্রেমিকার ব্যক্তিগত জীবন কেমন হতে পারে তা শুধু আমরা কল্পনাই করতে পারব, অনুধাবন করতে পারব না কখনো। এ নারীও বেশিদিন বাঁচতে পারেননি। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তার জীবন প্রদীপ নিভে গিয়েছিল। তাঁর মৃত্যু নিয়ে এখনো রহস্যের শেষ নেই। কেউ বলেন, তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন, কেউ বলেন, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল। যাই হোক, মনরোর জীবনও যে পুরুষরা বিষিয়ে তুলেছিলেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কেনেডির স্ত্রী, জেকুলিন কেনেডি, পরে গ্রিসের জাহাজ ব্যবসায়ী ধনকুবের ওনাসিসকে বিয়ে করে জেকুলিন ওনাসিস হয়েছিলেন। প্রায় তিন দশক আগে একটি পত্রিকায় সাক্ষাৎকার নিতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি আমার মতো চলাফেরা করতে পারি না, কথাও বলতে পারি না।’ কারণ পাপারাজ্জিদের কারণে তিনি অতিষ্ঠ ছিলেন।
সেলিব্রিটি নারী কিংবা সেলিব্রিটির আশায় এগিয়ে আসা নারীদের জীবন দুর্বিষহ করার পেছনে সংবাদকর্মীদের ভূমিকাও কম নয়। সিনে ম্যাগাজিনের সাংবাদিক বা পত্রিকার বিনোদন পাতার সম্পাদক ও রিপোর্টাররাও কম যান না এ বিষয়ে। ভালো প্রতিবেদন করার কথা বলে কিংবা বাজে সংবাদ প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে তারাও এমন নারীদের জীবন বিষিয়ে তোলেন যা কখনো তারা প্রকাশ্যে বলতে পারেন না। লেখক বানিয়ে দেওয়া কিংবা কবি হিসেবে যশ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠিত লেখকও নবীনদের ব্যবহার করেন। তসলিমা নাসরিন এই বিষয়ে বেশ খোলামেলা লিখেছিলেন তাঁর বইতে।
বাংলাদেশেও এমন ঘটনাই ঘটছে অহরহ। চলচ্চিত্র জগৎ থেকে টেলিভিশন, নাটক পাড়া থেকে মডেলিংদের জগৎ, সবস্থানেই প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত নারীর অপমান আর তাদের পুতুল হয়ে ওঠার ঘটনা ঘটছে। এক কবরীই যদি মুখ খোলেন তাহলে অনেকেরই আসন টলে যাবে।
আসলে শোবিজের এই রুপালী জগৎ, আলোর ঝলকানির জগতের নিচেই আছে প্রচন্ড অন্ধকার। যেখানে প্রতিনিয়ত নিহত হচ্ছে স্বপ্ন, লাঞ্চিত হচ্ছে শত শত নারীর সম্ভ্রম আর মর্যাদা, সে খবর আমরা কজনইবা রাখি। আমরা শুধু তাদের সাফল্যের হাসিটি দেখি, একটি সুখি সুখি মুখাবয়ব দেখি, এর পেছনে ওই নারীর যাপিত বেদনা, অপমান লাঞ্চনা, বঞ্চনার দীর্ঘশ্বাস দেখতে পাই না।
নারীদের ভোগ্যবস্তু করে তোলার ক্ষেত্রে এই জগতের পুুরুষরাই জড়িত তা নয়। যারা ইহকালের চেয়ে পরকালের কথা বলেন বেশি, স্বর্গ–নরক আর পাপ পূণ্যের কথাও বলেন অহোরাত্র, তারা কিন্তু পিছিয়ে নেই এই কাজ থেকে। সর্বধর্মের এই বাবাদের কাছেও প্রতিনিয়ত নিগৃহীত হচ্ছে লাঞ্ছিত হচ্ছে নারীরা। ঈশ্বর সেজে ভোগ করছে নারীদের। এই বাবাদের শিকারে পরিণত হয় সমাজের সহজ সরল সাধারণ মানুষরা। তবে এই বাবাদের কাছে সমাজের অসাধারণ ব্যক্তিরাও আসেন। তাদের অসাধারণ কাজের ভাগাভাগি করতে আর সেই ‘ঈশ্বর’ এর ভোগ থেকে ভাগ নিতে। এই বাবাদের অবশ্য টিকিয়ে রাখেন রাজনীতিবিদ আর সমাজের বিত্তশালীরা। কারণ ধর্মীয় লেবাসের আড়ালে অনেক দুষ্কর্ম করা যায় এবং অনেক সময় করেও পার পাওয়া যায়।
সম্প্রতি এমনই এক বাবা ভারতের গুরুমিত রাম রহিম সিং তার দুজন সাধিকাকে ধর্ষণ করার অপরাধে ২০ বছরের জন্য জেলে ঢুকেছেন। এই ভণ্ড বাবার জন্য পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে তার ৩৬ জন শিষ্য মারাও গেছেন। দৌর্দন্ড প্রতাপশালী এই বাবা জেলে ঢোকার পর শুনেছি তার ডেরায় লোক কমতে শুরু করেছে। অনেক স্থানে তার ছবি ছিঁড়ে নালায় ফেলা হচ্ছে। আমার ধারণা কিছুদিনের মধ্যে মানুষ এসব ভুলে যাবে। ফলে অন্যদিকে আরেক বাবার শুভ আবির্ভাব ঘটবে এবং একই কাজ চলতে থাকবে। এই বাস্তবতা শুধু ভারতে নয় বাংলাদেশেও অসংখ্য বাবার গৃহে এমনি ঘটনা ঘটছে, যার খবর জানলেও আমি নিষ্ক্রিয় থাকছি যতক্ষণ পর্যন্ত তা আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি না করছে। [email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।