শোক যেন উৎসবে পরিণত না হয়-কামরুল হাসান বাদল, লেখক,কবি, সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 17/08/2017-09:11am:   
> খাওয়া-দাওয়া যে কোনো উৎসব আয়োজনে বাড়তি জৌলুস, আনন্দ দান করে, পূর্ণতা দেয়। আয়োজন বড়; উৎসব বড় কিন্তু তাতে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা না থাকলে তা অনেকটা পানসে বলে মনে হয়। ফলে আনন্দ-উৎসবের অন্যতম একটি অংশ হয়ে ওঠে আপ্যায়ন। চট্টগ্রামের মানুষ মেহমানদারি বেশ করে। অবশ্য এ বিষয়ে বাঙালিদের একটি সুনামও আছে। একজন বিত্তহীন ব্যক্তিও তার বাড়িতে আসা কোনো ব্যক্তিকে সামান্য কিছু হলেও না খাইয়ে ছাড়তে চায় না। চট্টগ্রামের মেজবান সে ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। চট্টগ্রামের মানুষ মেজবান দেয় বিভিন্ন উপলক্ষে। মিলাদুন্নবী (সা.), খাজা বাবার ওরশ বা বিভিন্ন পীর আউলিয়ার-জন্ম ও মৃত্যুদিন উপলক্ষেও ওরশ, যা মূলত মেজবান, তার আয়োজন হয়। এ ছাড়া কেউ মারা গেলে তার কুলখানি বা চেহলামে মেজবান দেওয়া হয়। মৃত্যুবার্ষিকীতে মেজবান দেওয়া হয়। নতুন বাড়ি করলে, ছেলের খৎনা, মেয়ের কান/ নাক ছিদ্র করা উপলক্ষেও মেজবান দেওয়া হয়। নতুন বাড়ি করলে, নতুন পয়সাওয়ালা হলেও মেজবান দেয় অনেকে। অনেকে কোনো কারণ ছাড়াও মেজবান দেয়। মেজবান বা মেজবানের মাংস চট্টগ্রামে এতই জনপ্রিয় যে, অনেক হোটেল আলাদাভাবে মেজবানের মাংস বিক্রি করে। বলে রাখা ভালো মেজবানের মাংস মানে গরুর মাংসের একটি আলাদা রেসিপি। যা চট্টগ্রামের বিশেষ বাবুর্চিরাই তৈরি করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে গরুর বদলে মহিশের মাংসও মেজবানে রান্না হয়।
বিত্তহীন পরিবার ছাড়া চট্টগ্রামে যে কারো মৃত্যুর পর মেজবানের আয়োজন হয়। অবশ্য তা সুন্নি মতাদর্শের পরিবারে প্রচলিত বেশি। ওয়াহাবিরা মেজবান দিতে আগ্রহী নয়; তবে খাওয়ার ব্যাপারে তাদের আপত্তি নেই।
বলছিলাম খাওয়া-দাওয়ার সাথে উৎসবের একটি মেজাজ থাকে। আমি এমন অনেক পরিবারকে দেখেছি। মৃতের চারদিনের ফাতেহা উপলক্ষে আয়োজিত মেজবানের খাওয়া-দাওয়ার হই হুল্লোড়ের মধ্য দিয়ে শোকের পরিবেশও বিদায় নিতে। অর্থাৎ মেজবানের পরেই সে পরিবারে যেন অনেকটা স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে। ফিরে আসে কারণ মেজবানের আয়োজনের ঝামেলা, অর্থব্যয় আর মেজবানের দিন হাসিমুখে মেহমানদারি করতে গিয়ে মেজবানের সময়টি শোকের চেয়ে উৎসবের আমেজেই ভরপুর থাকে। এত বড় ভূমিকা দিলাম, একটি প্রসঙ্গ তোলার জন্য। গত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের দিন এমন কিছু আয়োজন দেখে আমার শঙ্কা হচ্ছে ১৫ আগস্টের শোকের আবহ শোক উৎসবের আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে না তো? আমরা কি এই দিনটিকে শোক উৎসবে পরিণত করে ফেলছি? পূর্বেই বলেছি খাওয়া-দাওয়ার বিষয়টি উৎসবের অংশ, শোকের নয়।
’৭৫ এর পর এদেশে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণেও বাধা দেওয়া হয়েছিল। এদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি কঠিন করে তোলা হয়েছিল। নাম-চিহ্ন মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর। আমার লেখায় পূর্বেও উল্লেখ করেছিলাম, এমন সময় গেছে খুব নীরবে, গোপনে ১৫ আগস্টের শোক দিবস পালন করতে হতো বঙ্গবন্ধুর অনুসারীদের। আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি। ৮০’র দশকের দিকে আমরা কিছু বন্ধু ১৫ আগস্টের দিন কালো ব্যাজ ধারণ করতাম। আমার এক বন্ধুর ভাইয়ের কাপড়ের দোকান ছিল চট্টগ্রামের বিপনি বিতানে। সে আগের দিন আমাদের মনে করিয়ে দিত। ১৫ আগস্ট সকালে আমরা তার দোকানে যেতাম আর আগে থেকে কালো কাপড় কেটে তৈরি করে রাখা কালো ব্যাজ সে আলপিন দিয়ে আমাদের শার্টের ওপর লাগিয়ে দিত। ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে দলের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছিল। জিয়াউর রহমানের রোষানলে পড়ে পালিয়ে থাকা, অসংগঠিত থাকা দলের নেতা কর্মীরা সংগঠিত হতে থাকেন। দল পুনরায় চাঙা হতে থাকে। ৮০’র দশকের শেষ দিক থেকে কিংবা ৯০ দশকের শুরুর দিক থেকে শোক দিবস উপলক্ষে কাঙালি ভোজের আয়োজন শুরু হতে থাকে এবং প্রতি বছর এর ব্যাপ্তি বাড়তে থাকে। এখন এটি এক প্রকার প্রতিযোগিতার মতো হয়ে গেছে। এখন কেউ ১০ হাজার লোকের আয়োজন করলে অন্য কেউ করে ২০ হাজার লোকের। কেউ ৩০ হাজারের করলে অন্যজন করছে ৫০ হাজারের। এই পরিমাণ যেভাবে বাড়ছে তাতে মনে হয় অচিরেই তা লাখের ওপর ছাড়িয়ে যাবে। এখন চট্টগ্রামের এই মেজবান চট্টগ্রামের সীমানা পেরিয়ে গোপালগঞ্জের টুঙিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর জন্মগ্রামে গিয়ে পৌঁছেছে। এর ফলে যা ঘটছে তা হলো জাতির জনকের এই মৃত্যুদিবস যা জাতীয় শোক দিবসের যে গাম্ভীর্য থাকার কথা, এর যে গভীরতা, পবিত্রতা আর স্নিগ্ধতা থাকার কথা তা থাকছে না। শোকদিবস ক্রমশ শোক উৎসবে পরিণত হচ্ছে। যা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাথেও খাপ খায় না।
বঙ্গবন্ধুর জীবন ছিল আড়ম্বরহীন। বাহুল্য তিনি কখনো পছন্দ করেননি। জাতির জনক, রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরও ৩২ নম্বরের পুরোনো বাড়ি ছেড়ে তাঁর জন্য নির্ধারিত সরকারি ভবন গণভবনে ওঠেননি। তাঁর জন্য উপহার দেওয়া দামি কার্ডিলাক গাড়িতে চড়েননি। তিনি ব্যবহার করতেন একটি পুরোনো মডেলের গাড়ি। ফলে কোনো প্রকার আড়ম্বরতা, জৌলুস ও অপব্যয় বঙ্গবন্ধুর জন্য মানায় না। শুধু বঙ্গবন্ধুর কথাইবা বলি কেন, তাঁর পরিবারের কেহই তো আড়ম্বরপূর্ণ জীবন যাপন করেননি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং তাঁদের সন্তানদের কেউই তো জৌলুসপূর্ণ জীবন যাপন করেন না। অপচয় বা অপব্যয় করেন না।
মুসলিম লীগ করতো ধনী ও জমিদার শ্রেণির লোকেরা। বঙ্গবন্ধু দেশে গরিবদের জন্য রাজনীতি করার লক্ষে আওয়ামী লীগকে সেভাবে গড়ে তুলেছিলেন। পাকিস্তান আমলে তাই গণমানুষের দল ছিল আওয়ামী লীগ। গরিবদের এই দলটি সে সময় কীভাবে চলতো তার একটা বিবরণ তুলে দিচ্ছি বঙ্গবন্ধু ‘কারাগারে রোজনামচা’ গ্রন্থ থেকে। ছয় দফা ঘোষণার পর তিনি তখন জেল খাটছেন। সে সময়ের কথা (১২ জুন ১৯৬৬) সাল। তিনি তাঁর ডায়েরিতে লিখেছেন, ‘৬ দফার বাস্তবায়নে সংগ্রাম আওয়ামী লীগ অব্যাহত রাখবে তাও ঘোষণা করেছে। এখন আর আমার জেল খাটতে আপত্তি নেই। কারণ আন্দোলন চলবে।’
‘ভাবতে লাগলাম কর্মীদের টাকার অভাব হবে। পার্টি ফান্ডে টাকা নাই। আমিও বন্দোবস্ত করে দিয়ে আসতে পারি নাই। মাসে যে টাকা আদায় হয় তাতে অফিসের খরচটি চলে যেতে পারে। তবে আমার বিশ্বাস আছে, অর্থের জন্য কাজ বন্ধ থাকে না। জনসমর্থন যখন আওয়ামী লীগের আছে জনগণের প্রাণও আছে। আমি দেখেছি এক টাকা থেকে হাজার টাকা অফিসে এসে দিয়ে গিয়েছে। যাদের কোনদিন আমি দেখি নাই। বোধহয় অনেককে দেখবও না। ভরসা আমার আছে, জনগণের সমর্থন এবং ভালোবাসা দুই-ই আছে আমাদের জন্য। তাই আন্দোলন ও পার্টির কাজ চলবে।’
এই হচ্ছেন আওয়ামী লীগের নেতা। আর এই হচ্ছে গণমানুষের সংগঠন আওয়ামী লীগ। সাধারণ মানুষের ভালোবাসায়, তাদের ভালোবাসার দান এক টাকা থেকে হাজার টাকায় গড়ে উঠেছিল দলটি। আন্দোলন চালিয়ে এসেছিল দলটি। আওয়ামী লীগের ওই পরিস্থিতি যারা দেখেছেন, জেনেছেন তাঁদের কাছে প্রশ্ন রাখি। এই দলটি কি এসব সাধারণ মানুষের আছে? এটাও কি ক্রমে ক্রমে বড়লোকদের রাজনৈতিক দলে পরিণত হচ্ছে না তো? বঙ্গবন্ধু তাঁর দ্বিতীয় বিপ্লবকালে এই দলের নাম দিয়েছিলেন কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ। এই দল এখন প্রকৃতপক্ষে কৃষক-শ্রমিকের আছে তো?
এ বছরের জাতীয় শোক দিবসে কয়েকটি অনুষ্ঠানে গেছি। আমি বলার চেষ্টা করেছি, জাতির জনক মনে-প্রাণে দেশকে, দেশের মানুষকে ভালোবেসেছিলেন। তিনি সৎ জীবন যাপন করেছেন। তিনি নিরহংকারী, আড়ম্বরহীন ছিলেন। তিনি সর্বাঙ্গীনভাবে ভালো মানুষ ছিলেন। সারাদিন মাইক বাজিয়ে, মেজবানের নামে খাদ্যোৎসব করে, আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান করে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো যাবে না। তাঁকে যদি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানাতে হয়, যদি তাঁর ঋণ শোধবার চেষ্টা করা হয় তাহলে তাঁর চরিত্রের গুণাবলী ধারণ করেই করতে হবে। যেকোনো শর্তে তাঁর মতো মানুষের প্রতি, দেশের প্রতি আদর্শের প্রতি অবিচল থাকতে হবে। এই মহান নেতার ঋণ শোধবার পন্থা এর চেয়ে আর ভালো কিছু হতে পারে না। এক সময় বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করতে দেওয়া হয়নি। রাষ্ট্রের সকল পর্যায় থেকে তাঁর সমস্তটুকু মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে কিন্তু তাতে শাসকরা সফল হয়নি। কারণ বাংলার মানুষ বঙ্গবন্ধুকে ঠাঁই দিয়েছিল বুকে। তারা হৃদয়েই নিয়েছিল জাতির পিতার নাম। কাজেই এই বাহুল্য, এই আড়ম্বর অনাবশ্যক। ২। স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর কেউ যখন বলার চেষ্টা করেন যে, কারো একক নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়নি তখন কিছু না বলে পারি না। উচ্চ আদালতের রায় নিয়ে আমার বলার কিছু নেই। আইন বিভাগের সাথে বিচার বিভাগের বিষয় তা। আমি শুধু পর্যবেক্ষণের এই অংশের বিষয়ে বলতে চাই।
ঐতিহাসিক রুশ বিপ্লবের মহানায়ক হিসেবে ইতিহাস লেনিনের কথা লিখেছে। লেনিনের সাথে সে বিপ্লবে আরও অনেক ছিলেন নেতৃত্বে। কিন্তু ইতিহাস লিখেছে লেনিনের নাম। কিউবার বিপ্লবে অংশ নিয়েছে অনেকে। সে বিপ্লবে চেগুয়েভারার ভূমিকার কথা কে না জানে। কিন্তু কিউবা বিপ্লবের নায়ক বলা হয় ফিদেল কাস্ত্রোকে। তেমনি করে জর্জ ওয়াশিংটন, মহাত্মা গান্ধি, মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ’র নাম লিখেছে ইতিহাস। নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারে অনেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, ইতিহাস লিখেছে তাজউদ্দিনের নাম। ইতিহাসের নায়ক কিংবা মহানায়ক একজনই হন, একাধিক হন না। ‘একক নেতৃত্বে হয়নি’ বলার মধ্যে তাঁকে খাটো করার চেষ্টা করে লাভ নেই কারণ ইতিহাস বাংলার মহানায়ক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর নামই লিখেছে। ষোড়শ সংশোধনী রায় নিয়ে বিএনপি ও তার সমমনা সুশীল শ্রেণি বেশ তৎপর ও উদ্দীপ্ত হয়ে উঠেছে। অনেকে এটিকে সরকারের পরাজয় হিসেবে মনে করে ফেলেছিল। সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে ফেলেছেন বিএনপি নেতারা। যারা একদিন এই বিচারপতির নিয়োগের কড়া সমালোচনা করেছিলেন আজ তাদের কাছে পরম নমস্য হয়ে উঠেছেন সেই তিনি। তাতে কোনো অসুবিধা নেই। আওয়ামী লীগ এর চেয়েও বড় বড় দুঃসময় অতিক্রম করে এসেছে। এটিও করবে নিশ্চয়ই। তবে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, এই ঘটনার আগে পরে একটি মহল বেশ তৎপর হয়ে উঠেছে যারা ‘ওয়ান ইলেভেন’ এর স্তুতিকারী হিসেবে আমাদের কাছে পরিচিত। এরা খুব তক্কে তক্কে থাকে একটু দুর্বলতা পেলেই যেন আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনাকে ঠেসে ধরা যায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে তাই এই মহলের আরও ‘তৎপরতা’ আমাদের অবলোকন করতে হবে।
এই বছর খালেদা জিয়া লন্ডন থাকায় ১৫ আগস্ট বিএনপির কেক কেটে জন্মদিন পালনোৎসব হয়নি তেমন। রুহুল কবির রিজভি বলেছেন: বন্যার্ত মানুষের কথা বিবেচনা করে এবার জন্মদিন পালন স্থগিত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘১৫ আগস্ট জন্মদিন পালনকারীদের সাথে কোনো আলোচনা নয়।’
বাংলাদেশের রাজনীতিতে যাঁরা ইউরোপীয় আচরণ আশা করেন তাঁদের কাছে আমি সবিনয়ে জানতে চাই, যারা ১৫ আগস্টের মতো ইতিহাসের ন্যক্কার ও কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যারা ১৫ আগস্টের মতো আরেকটি ঘটনার জন্ম দিতে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে তারা তখন কোন সভ্যতার পরিচয় দিয়েছিল? যারা রাষ্ট্রকে বর্বর ও সমাজকে অসভ্য করে তুলেছিল তারা কোন দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করেছিল? সামরিক শাসন জারী করে যারা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছিল তা কোন নীতি ও আদর্শে করেছিল।
পর্যবেক্ষণে এই বিষয়গুলোর উল্লেখ থাকলে ভালো হতো না?

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।