আতাউর রহমান খান কায়সার এক সংস্কৃতিবান রাজনীতিক-কামরুল হাসান বাদল

পোস্ট করা হয়েছে 06/10/2016-10:39pm:    রাজনীতি থেকে সংস্কৃতি বিযুক্ত হয়ে পড়লে রাজনীতি তখন দুর্বৃত্তায়িত হয়ে পড়ে। বর্তমানে যা প্রত্যক্ষ করছি। এই প্রবণতা শুরু হয়েছিল ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর থেকে। এরপর রাষ্ট্র ক্ষমতায় যারাই এসেছেন তারাই সংস্কৃতির পথটি রুদ্ধ করতে চেয়েছেন। আর তার পরিবর্তে সমাজে ধর্মের নামে ধর্মান্ধতা, রাজনীতির নামে সাম্প্রদায়িকতাকে সমাজে ছড়িয়ে দেওয়ার সবধরনের চেষ্টা করেছেন।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পরপরই পূর্ববঙ্গের জাতীয় নেতারা অনুধাবন করেছিলেন এতে পশ্চিম পাকিস্তানিদের লাভ হলেও বাঙালির প্রকৃত মুক্তি ঘটেনি।
ঔপনিবেশিক শাসনকর্তার পরিবর্তন হয়েছে, ঔপনিবেশিকতার ভূত বাঙালির কাঁধ থেকে নামেনি। যে কারণে ১৯৪৮ সালেই তাঁরা গঠন করেছিলেন একটি রাজনৈতিক দল, আওয়ামী মুসলিম লীগ। একই সময়ে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্র-জনতার মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং যার মাধ্যমে এদেশে ভাষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল তার সবটুকুই ছিল বাঙালির আত্মোপলব্ধির কাল, জাগরণের কাল।
১৯৫২ সালের আন্দোলনকে আমরা ভাষা আন্দোলন বলছি ঠিকই কিন্তু তা ছিল প্রকৃত অর্থে একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলন। কারণ ভাষা হচ্ছে যে কোনো সংস্কৃতির অন্যতম বাহন। কাজেই মায়ের ভাষায় কথা বলার অর্থই হলো আপন সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা, লালন করা। ’৫২ এর এই আন্দোলন না হলে বাঙালির ভেতরে স্বাধীনতার স্পৃহা জন্ম নিতে আরও সময় লাগতো। ১৯৪৮ সালে এদেশের অগ্রসরমান রাজনীতিকরা অনুধাবন করেছিলেন বাঙালির প্রকৃত স্বাধীনতা আসেনি। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর সে কথা সাধারণ্যে বোঝাতে সমর্থ হয়েছিলেন নেতারা। এরপর থেকে বাঙালির স্বাধীকার ও স্বাধীনতার সংগ্রাম চলেছে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সাথে সমান্তরালভাবে। বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এদেশের সংস্কৃতিকর্মীদের অবদান তাই কম নয়। লেখক, কবি শিল্পীদের অংশগ্রহণে সেই সময়ের রাজনীতি বেগবান হয়েছে। ঋদ্ধ হয়েছে, পরিশুদ্ধ হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে ছিলেন এদেশের ভূমিপুত্র। গ্রামের সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা মানুষ। তাঁর গায়ে এদেশের সোঁদা মাটির গন্ধ। তিনি যখন রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের জন্য গ্রামগঞ্জে ছুটে বেড়াচ্ছেন তখন তাঁর সঙ্গী হয়েছেন এদেশের প্রখ্যাত কবি, শিল্পীগণ। তাঁর জনসভার পূর্বে মঞ্চে গাওয়া হতো জাগরণী গান, আবৃত্ত হতো কবিতা।
রাজনীতির মাঠে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে লড়াই করছে ছাত্র-জনতা। অন্যদিকে সে লড়াইয়ে সমর্থন দিয়ে নির্মিত হচ্ছে চলচ্চিত্র, লেখা হচ্ছে কবিতা, গাওয়া হচ্ছে প্রতিবাদী গান, নাটক হচ্ছে প্রতিবাদের, যাত্রা হচ্ছে প্রতিবাদের, এমনকি সাধারণের যে কবিগান সেখানেও উঠে আসছে বাঙালির স্বাধীকার, স্বাধীনতা কিংবা বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফার কথা। ৬৯, ৭০, ৭১ এর বাংলাদেশের পথে-প্রান্তরে উন্মাতাল সময়ে রাজনৈতিককর্মীদের পাশাপাশি সাংস্কৃতিককর্মীদের অংশগ্রহণ বেগবান করেছে সংগ্রামকে, আন্দোলনকে। মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হতো সংগ্রামী গান। কবিতা, আর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে ক্যাম্পে ঘুরে সংগ্রামী আর জাগরণী গান উজ্জীবিত করেছে মুক্তিযোদ্ধাদের।
স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু এই দেশকে তাই গড়তে চেয়েছেন বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায়। যে চেতনা মূলত অসাম্প্রদায়িক। তিনি অনুধাবন করেছিলেন একটি রাষ্ট্রকে আধুনিক করে গড়ে তুলতে হলে, তাতে সব ধরনের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হলে সে রাষ্ট্রে সকল মানুষদের সমমর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। সব ধর্মের সব বর্ণের, সব লিঙ্গের মর্যাদা সমান করতে হবে। সে উদ্দেশ্যে তিনি স্বাধীন দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। কারণ ধর্মভিত্তিক রাজনীতির নিষ্ঠুর চেহারা তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন পাকিস্তানিদের শাসনামলে, সাম্প্রদায়িকতার নিষ্ঠুর ও বীভৎস চেহারা তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন দেশ-বিভাগের আগে আগে দুই-বাংলা, বিহার ও অন্যান্য স্থানে।
দেশের শুরুটাও হয়েছিল বেশ। স্বাধীনতার এক বছরের মধ্যে একটি অসাধারণ সংবিধান উপহার দিয়ে বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্র পরিচালনায় হাত দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে তা শেষ করতে দেওয়া হয়নি। মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় তাঁকে হত্যা করে এদেশকে পুনরায় পাকিস্তানি কায়দায় চালানোর প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। এবং সে সাথে সমাজে সাম্প্রদায়িকতাকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন অনেক আওয়ামীলীগ নেতাও। আমরা এমন অনেক নেতাকে দেখতে পাই দল হিসেবে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ করলেও মনে প্রাণে একজন সাম্প্রদায়িক মানুষ। এই হার বর্তমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে উদ্বেগজনক হারে।
আগেই উল্লেখ করেছি রাজনীতি থেকে সংস্কৃতি বিযুক্ত হয়ে পড়লে সে রাজনীতি হয়ে পড়ে দুর্বৃত্তায়িত। অসততা, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি গ্রাস করে রাজনীতিকে। তখন সবচেয়ে খারাপ মানুষগুলোর আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে রাজনীতি। আমরা এমন রাজনীতিকদেরও প্রত্যক্ষ করেছি খুব কাছ থেকে। তবে সবাই এই স্রোতে গা ভাসিয়েছেন তা নয়। ব্যতিক্রমও ছিলেন অনেকে। কায়সার ভাই, অর্থাৎ আতাউর রহমান খান কায়সার ছিলেন এই ব্যতিক্রমীদের অন্যতম।
তিনি যে ধনাঢ্য পরিবারের জন্ম নিয়েছেন সে পরিবার থেকে তাঁর মুসলিম লীগই করার কথা আওয়ামীলীগ নয়। যে পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন তাঁর হওয়ার কথা গোঁড়া বা রক্ষণশীল। কিন্তু তিনি তা হননি। তিনি দল করেছেন সাধারণ মানুষের কথা বলেছেন সাধারণ মানুষের জন্য। সংগ্রাম করেছেন সাধারণ মানুষের মুক্তির জন্য। আমরা দেখছি আজ রাজনীতির জাদুর স্পর্শে কপর্দকহীন অবস্থা থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক হতে। আর কায়সার ভাই রাজনীতি করেছেন জমিদারির টাকা ব্যয় করে। তাঁর সমকালেও অন্যরা যখন নিচ্ছেন শুধু নিচ্ছেন তখনও তিনি দিয়ে যাচ্ছিলেন।
আমরা যারা চট্টগ্রামে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির সাথে জড়িত তাদের সাথে কায়সার ভাইয়ের সম্পর্ক ছিল অনেক অন্তরঙ্গ। ঠিক একজন রাজনৈতিক নেতার মতো নয়। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে আওয়ামীলীগের অংশগ্রহণের প্রয়োজনে চট করে যে নেতার নাম আসতো সবার আগে তিনি কায়সার ভাই। মাঝে মধ্যে মনে হতো যিনি যতটা রাজনীতিক ঠিক ততটাই একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। কায়সার ভাইয়ের প্রসঙ্গ তোলার আগে দীর্ঘ ভূমিকা দিয়েছি এ কারণে যে, কায়সার ভাই অন্যতম একজন যিনি বঙ্গবন্ধুর ওই ধারাটি বহন করে গেছেন। কায়সার ভাই বুঝতেন অসংস্কৃতিবান ব্যক্তিদের হাতে রাজনীতি চলে গেলে পরিণতি কী হবে। তিনি রাজনীতির পঙ্কিল কাদার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছেন কিন্তু সে কাদা নিজের গায়ে লাগতে দেননি। নিজেকে পরিচ্ছন্ন রেখেছেন, নিষ্কলুষ রাখার চেষ্টা করেছেন। দলের কোন্দলে নিজেকে সম্মানের স্থানে ধরে রেখেছেন। যারা ক্ষমতার রাজনীতির কদর্য রূপ প্রত্যক্ষ করেছেন, যারা দলাদলি ও আধিপত্য বিস্তারের রাজনীতি প্রত্যক্ষ করেছেন তারা ভালো জানেন সেখানে কায়সার ভাই নিজেকে কীভাবে স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করেছেন।
তিনি ছিলেন একজন ‘পারফেক্ট জেন্টলম্যান’। আধুনিক মনস্ক মানুষ। শিল্পানুরাগী মানুষ। এবং একজন প্রকৃত সংস্কৃতিবান মানুষ। তাঁর শিক্ষা, রুচি, আভিজাত্য তাঁকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করেছে অন্য দশজনের চেয়ে। তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। ১/১১ সময়ে দলের এবং জননেত্রীর দুঃসময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
দেশ এখন দুটো সংকটের মুখোমুখী। একদিকে চরম সাম্প্রদায়িকতা তথা জঙ্গিবাদ, অন্যদিকে চরম দুর্নীতি। এই দুই সংকট মোকাবেলা করে দেশকে মানুষের বাসযোগ্য করে রাখার জন্য যে নেতৃত্বের প্রয়োজন তা যথেষ্ট নয়। কারণ শেখ হাসিনার একার পক্ষে এই সমস্যা সমাধান করা প্রায় দুরূহ। এর জন্য তার দল ও নেতাদের যে ভূমিকা পালনের কথা তা আশাব্যঞ্জক নয়। কারণ রাজনীতিকদের মধ্যে অধিকাংশই এখন দুর্নীতিগ্রস্তএবং সাম্প্রদায়িকও। এ ধরনের সংকটকালে দেশে আতাউর রহমান খান কায়সারদের মতো সৎ, মেধাবী, সংস্কৃতিবান ও অসাম্প্রদায়িক নেতার খুব প্রয়োজন। এ লেখার শুরুতে আমি যে দীর্ঘ ভূমিকা নিয়েছি তার অর্থ হলো ওই ধারার নেতাদের মধ্যে কায়সার ভাই ছিলেন অন্যতম এবং সম্ভবত প্রায় সর্বশেষ ব্যক্তিও। এক সময় রাজনীতিকরা ছিলেন জনগণের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আস্থার স্থল। এখন তা সুদূর অতীত। এখন খুব কম নেতাই আছেন যাঁদের অকৃত্রিমভাবে ভালোবাসে ও শ্রদ্ধা করে জনগণ। এখন নেতা মানেই ক্ষমতাধর ব্যক্তি, আর ক্ষমতা মানেই যে কোনো কিছু করার, করতে পারার অবাধ স্বাধীনতা। এখন নেতাদের কেউ আদর্শ হিসেবে মানেন বলে মনে হয় না। তাঁর ক্ষমতাকে মানেন। নেতার পিছু পিছু থেকে নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য যতটুকু মানার ততটুকু মানেন।
এখন যে তরুণরা রাজনীতিতে আসছেন তারা ভুল রাজনীতিকদের দেখে আসছেন। তাদের অনেকেই কায়সার ভাইদের মতো সৎ, নিবেদিত নেতাদের বিষয়ে বিশেষ কিছু জেনে রাজনীতিতে আসে না। ফলে রাজনীতিত যে একদা জনগণকে দেওয়ার নীতি ছিল তা তারা জানতে পারে না। তারা বোঝেন এখন রাজনীতি করা মানে নিজের আখের গুছিয়ে নেওয়া।
কায়সার ভাইদের সাথে আমার ব্যক্তিগত স্মৃতি খুব বেশি নেই। ২০১০ সালের মাঝামাঝি হবে হয়তো। একটি কাজে তাঁকে ফোন করেছিলাম। ফোন ধরে বললেন, বাসায় যেতে। আমি গেলাম। তাঁর ব্যক্তিগত কর্মচারী বললেন স্যার দোতলায় আছেন, আপনাকে সেখানে যেতে বলেছেন। আমি দোতলার বিশাল হলরুম পেরিয়ে একেবারে দক্ষিণে একটি কক্ষে তাঁকে পেলাম। মনে হলো এটি এক সময় টানা বারান্দা ছিল। এখন রুম করা হয়েছে। টেলিভিশন দেখছিলেন তিনি। সামনে টেবিলে চায়ের কাপ। বোঝা যাচ্ছে তা একটু আগে শেষ করেছেন। আমাকে দেখে বসতে বললেন, কুশল জানার পর চা দিতে বলবেন কাওকে। এই ফাঁকে দুয়েক কথার পর হঠাৎ দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, খুব নিঃসঙ্গ লাগে বাদল। বলে অনেকক্ষণ চুপ করে রইলেন। আমার বলার মতো কিছু ছিল না। ভাবী মারা যাওয়ার পর কায়সার ভাই এক প্রকার নিঃসঙ্গই হয়ে পড়েছিলেন।
ভাবী ভীষণ প্রাণবন্ত মানুষ ছিলেন। রাজনীতি করার কারণে সাধারণ মানুষের সাথে তাঁর অন্তরঙ্গতা ছিল। অধিকাংশ সময়ে ওই বাড়িতে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের আনাগোনা ছিল। কোলাহল ছিল সারা বাড়িতে। হঠাৎ এই নীরবতা। এই নিঃসঙ্গতা কায়সার ভাইয়ের জীবনে অবসাদ এনে দেয়। আমি খুব কাছে বসে কায়সার ভাইয়ের বুকের শূন্যতা অনুভব করি। আর একটি প্রাণবন্ত সুখী দম্পতির স্মৃতি হাতড়ে বেড়াই।
রাজনীতিতে এখন যে দুর্বৃত্তায়ন ঘটেছে তা থেকে যদি আমরা উত্তরণের পথ খুঁজি তাহলে এই প্রজন্মের কাছে আতাউর রহমান খান কায়সারদের মতো রাজনীতিকদের অবদান তুলে ধরতে হবে। তাদের জানাতে হবে যে, জনগণকে কিছু দেওয়ার প্রত্যয়ে রাজনীতি করতে হয়, জনগণ থেকে কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়।
আগামী ৯ অক্টোবর কায়সার ভাইয়ের মৃত্যুদিবস। এই দিবসে তাঁকে নিয়ে অনেক অনুষ্ঠান হবে হয়তো। তাঁর অনেক গুণের কথা বলবেন অনেক নেতা, তাঁর প্রশংসা করবেন অনেক নেতা এবং কেউ কেউ তাঁকে অনুসরণ করার কথাও বলবেন হয়তো। কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিফলন কতটুকু দেখব তাই ভাবছি। Email:[email protected]

সর্বশেষ সংবাদ