এই সুরের আগুন ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে-কামরুল হাসান বাদল-কবি ও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 22/09/2016-10:31am:    ১। জ্যোৎস্না প্লাবিত-বৃক্ষতলে
গত শুক্রবারের সন্ধ্যা। সূর্য ডোবার পরপরই পূর্ণিমার চাঁদ উঠেছে আকাশে। ইমারতের এই নগরে হাজার বাতির আলোয় সে জ্যোৎস্নাকে অনেকে অনুভব করতে না পারলেও চন্দ্রভূক একদল মানুষের কাছে পূর্ণিমার রাত অন্যরাতের চেয়ে আলাদা। আকাশের চাঁদকে মর্ত্যে থেকেও তারা অনুভব করেন, জ্যোৎস্নাকে উপভোগ করেন। সে জ্যোৎস্না উপভোগের সাক্ষী হয়েছিলাম সেদিন। বন্ধু, কণ্ঠশিল্পী ও সংগঠক শাহরিয়ার খালেদের আহবানে সাড়া দিয়ে আমিও আমার স্ত্রী উপস্থিত হলাম মহসিন কলেজের অধ্যক্ষ অঞ্জন নন্দীর বাসভবনে। টিলার ওপর, চারপাশে অসংখ্য-বৃক্ষরাজির ভেতর মহসিন কলেজ অধ্যক্ষের বাসভবন। আমরা পৌঁছানোর আগেই অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে। বাইরে থেকেই সে সুরের ছোঁয়া পাচ্ছিলাম। ততক্ষণে আমন্ত্রিতদের অধিকাংশই চলে এসেছেন। বাসার সামনে প্রশস্ত উঠানে চেয়ার পেতে দেয়া। ঢোকার পথকে পেছনে রেখে বসেছেন সবাই। উল্টোদিকে মঞ্চ। যেখানে রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করছিলেন এক শিল্পী। অতিথি ও শিল্পী হয়ে যাঁরা এসেছেন। তাঁদের অধিকাংশই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র। উদ্যোক্তা অঞ্জন নন্দী, শাহরিয়ার খালেদ ও মোহাম্মদ সরওয়ার হোসেন আজিজ। তাঁদেরই আহ্বানে জড়ো হয়েছেন অন্য বন্ধুরা। এই আয়োজনে আমার মতো এক ক্ষুদ্র মানুষের উপস্থিত থাকার কথা নয়। সেটি সম্ভব হয়েছে শাহরিয়ার খালেদের স্বজনপ্রীতির (!) কারণে। এত সুন্দর আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পেরে ভাবছিলাম কিছু কিছু স্বজনপ্রীতি মন্দ নয়। অনুষ্ঠানের এক ফাঁকে আমি গেটের বাইরে এসে দাঁড়ালাম। রাস্তাটি অধ্যক্ষের বাসভবনকে বাঁয়ে রেখে উপরে উঠে গেছে। কতদূর গেছে তা আমি জানি না। কারণ এই চত্বরে আমি প্রথম এসেছি। এখানে আসাতো দূরের কথা মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম কলেজে শেষ কবে এসেছিলাম মনে করতে পারব না। ১৯৮৪ সালে ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী শাহাদাতকে গলা কেটে হত্যা করে শিবির কর্মীরা। এরপর দেশের অন্যতম সেরা এই দুটি বিদ্যাপীঠ প্রায় তিন দশক ধরে ছাত্র শিবিরের দখলে ছিল। দেশের প্রগতিশীল ঘরানার কোনো ব্যক্তির পক্ষে এ দুটো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ অলিখিতভাবে নিষিদ্ধ ছিল। এ দুটো কলেজকে ছাত্র শিবির মিনি ক্যান্টনমেন্টে পরিণত করেছিল। চট্টগ্রাম কলেজ পার হয়ে গনি বেকারিকে বামে রেখে জামালখানের দিকে আসতে কিংবা এই পথে চকবাজার হয়ে কোথাও যেতে পথের দুপাশে দুটো পাহাড়। দক্ষিণেরটি ফজলুল কাদের চৌধুরীর গুডস হিল, যা একাত্তরে কনসেনট্রেশান ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হতো এবং ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কুঠিবাড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হতো। তার উত্তরেই পাহাড়ের চূড়ায় সরকারি মহসিন কলেজ। দীর্ঘ দীর্ঘ বছর এই পথ দিয়ে যেতে যেতে কতবার ভয়ে কুণ্ঠিত হয়েছি, কতবার দীর্ঘশ্বাস ফেলেছি এই ভেবে যে, এই সুন্দর প্রকৃতির অভ্যন্তরে মানবতার শত্রুরা কী নির্ভয়ে বসবাস করছে। শিবির যতদিন নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল এই দুটি কলেজ ততদিন এখানে সঙ্গীতের কোনো চর্চা হয়নি, শিল্পের কোনো চর্চা হয়নি, মানবতার কোনো চর্চা হয়নি। ভালোবাসার কথা কখনো উচ্চারিত হয়নি। ভাবছি কতদিন পরে আজ এই আঙিনায় সুরের ধ্বনি শোনা গেল, কবিতা শোনা গেল, জীবনের কোলাহল শোনা গেল। আমি জানি না এখানে শেষ কবে কবিতার পংক্তি আবৃত্ত হয়েছিল। গুন গুন করে গান গেয়ে উঠেছিল কোনো প্রেমিক যুগল। কারণ আগেই বলেছি-এই অঙ্গন যারা দখল করে রেখেছিল ওদের কাছে হত্যাই ছিল উৎসব।
অধ্যক্ষের বাসভবনের মূল ফটকের উল্টো দিকে একটি ব্যানার টাঙানো। তাতে বঙ্গবন্ধুর ছবি। দেখে আমি কিছুটা আবেগতাড়িতও হয়ে পড়ি। মনে মনে ধন্যবাদ জানালাম এই অসম্ভবকে যাঁরা সম্ভব করে তুলেছেন তাঁদের। আমি মনে মনে অসংখ্যবার ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা জানালাম অধ্যক্ষ অঞ্জন নন্দীকে। যিনি এই অচলায়তন ভেঙে আজ এই ভরা পূর্ণিমায় আমাদের সুরের ধারায় অবগাহন করালেন। ধন্যবাদ উদ্যোক্তাদের।
২। ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে
যে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারেন একটি আয়োজন নিয়ে আমার এই অতি আগ্রহ কেন? একটি জনপদে, বা নগরে এমন পরিবেশইতো স্বাভাবিক। আমিও তাই বলি, এটিইতো স্বাভাবিক হওয়ার কথা। এই ৬০ লাখ নাগরিকের এই নগরে প্রতিদিন কিংবা প্রতি শুক্রবার বা যে কোনো বন্ধের দিন এমন আয়োজনতো শত শত হওয়ার কথা। কিন্তু এখন তা নেই কেন? কেন আমাদের পাড়ায় পাড়ায় যে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো ছিলো, যারা সারা বছর জুড়ে পাড়ায় মহল্লায় নাটক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদির আয়োজন করতো। সিটি করপোরেশনের অনেক স্কুলে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন বিভিন্ন সংগঠন ক্লাশ পরিচালনা করতো। যেখানে সঙ্গীত, আবৃত্তি নৃত্য ইত্যাদি সাংস্কৃতিক নানা শাখার শিক্ষা প্রদান করা হতো। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি এখন আমাদের সমাজে সে চিত্র পুরোপুরি অনুপস্থিত। পাড়ায় মহল্লায়তো এখন কোনো সাংস্কৃতিক সংগঠনের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়াই মুশকিল। এমন কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এখন কোনো সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড হয় না। আগে বিভিন্ন সরকারি বড় বড় অফিস বা বড় বড় কোম্পানির হেড অফিসে একটি অডিটরিয়াম বা মিলনায়তন থাকত। যেখানে তারা বাৎসরিক নাটক থেকে শুরু করে বিভিন্ন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেত। অফিস পাড়ার নাটক এ ধরনের একটি কথাও এক সময় প্রচলিত ছিল। এমনকি বিভিন্ন সরকারি কলোনিতে এ ধরনের মিলনায়তন থাকতো। যেখানে কলোনিতে বসবাসকারীদের বিভিন্ন আয়োজন ছাড়াও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চলতো। এখন সে সব কমিউনিটি সেন্টারে পরিণত হয়েছে। বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বদলে সেখানে মেজবান অনুষ্ঠিত হয় এখন। বাংলাদেশ রেলওয়েরও কয়েকটি অডিটোরিয়াম ছিল, যার সবগুলো এখন কমিউনিটি সেন্টারে পরিণত হয়েছে। পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনির অডিটোরিয়ামটি। বন্দরের দুটো হলই এখন কমিউনিটি সেন্টার। পদ্মা অয়েল কোম্পানির বিশাল অডিটোরিয়ামের বর্তমান কি হাল তা জানি না। এক সময় সিটি কর্পোরেশনভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাটকসহ রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী পালন করা হতো। এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে আয়োজিত হতো তাদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা (মেয়েদের অংশগ্রহণসহ)। মুসলিম হলে হতো সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। পাড়ায় পাড়ায় ছিল পাঠাগার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছিল পাঠাগার। এখন তা অতীত ইতিহাস। খেলাঘর, কচি কাঁচার আসর, শাপলা কুঁড়ির আসর, চাঁদের হাটের মতো জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠনগুলো দেশের শিশুদের মানবিক ও সুসভ্য করে তোলার জন্য প্রতিযোগিতা করত। এখন সে সংগঠনগুলোও চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। বর্তমানে দেশের যে আলোকিত মানুষদের আমরা দেখতে পাই, যাঁরা বিভিন্নভাবে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা ধরে রেখেছেন তাদের প্রায় সবাই এ ধরনের কোনো না কোনো শিশু সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।
১৯৭৫ সালের পর ওই রাষ্ট্রটিকে পুনরায় পাকিস্তানি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের মতো প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে সমাজে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে সংকুচিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। আর এর পাশাপাশি ধর্মীয় উন্মাদনা তৈরি করে সমাজে ধর্মীয় প্রভাব বৃদ্ধির চেষ্টা করা হয়েছে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু এ দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। জেনারেল জিয়া এসে এই শক্তিকে রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে লালন করায় এবং প্রশ্রয় দেওয়ায় সমাজে সাম্প্রদায়িকতার কালো ছায়া বিস্তার লাভ করেছে।
আমরা একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবো, যে সমাজে ধর্মীয় প্রভাব যত বেশি সে সমাজ ততবেশি দুর্নীতিগ্রস্ত, অমানবিক ও অশোভন। এর প্রমাণ হলো-বাংলাদেশ-ভারত পাকিস্তান, উপমহাদেশের এই দেশগুলো ছাড়াও অন্যান্য আরও কিছু রাষ্ট্র। এর পাশাপাশি রাষ্ট্র থেকে ধর্মকে আলাদা করতে পারায় এবং সমাজে ধর্মীয় প্রভাব কমিয়ে আনায় ইউরোপের দেশগুলোতে অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশতো তাদের জেলখানা বন্ধ বা অন্য দেশকে ভাড়া দিয়ে দিচ্ছে অপরাধীর সংখ্যা কমে যাওয়ায়। পাকিস্তান একটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র থাকা সত্ত্বেও সে সময়ের সমাজ ব্যবস্থা ছিল অনেক অসাম্প্রদায়িক। ধর্মীয় প্রভাবও বর্তমানের মতো ছিল না। কিন্তু সমাজে দুর্নীতি কম ছিল। এত নিষ্ঠুর ও অমানবিক ছিল না সে সময়ের সমাজের লোক। ৩। উত্তরণের কী উপায়
বর্তমানে সমাজ যেভাবে চলছে সেভাবে দীর্ঘদিন চলতে দেওয়া যাবে না। সাম্প্রদায়িকতা, উগ্র ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে সমাজে শুভবোধের চর্চা বাড়াতে হবে, মানবিকতার চর্চা বৃদ্ধি করতে হবে। আর এই কাজটি করা যেতে পারে দেশে সুষ্ঠু, সুস্থ ও দেশীয় সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্র বিস্তৃত করে। সাংস্কৃতিক জাগরণ ছাড়া বর্তমানের সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। সমাজে দুর্নীতি কমাতে সমাজকে বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে আবারও পাড়ায় পাড়ায়, সাংস্কৃতিক সংগঠন, পাঠাগার, শিশু সংগঠন গড়ে তোলা দরকার। আমাদের বিভ্রান্ত হয়ে পড়া সন্তানদের বোঝাতে হবে হত্যায় কোনো মুক্তি নেই, ভালোবাসায় মুক্তি। আমরা যারা ৭০ দশক থেকে কিংবা তার মাঝামাঝি থেকে সিনেমা, নাটকে, সঙ্গীতে, কবিতায় পাড়া থেকে শিক্ষায়তন মাতিয়ে রাখতাম সেই আমরা এখন প্রৌঢ়ত্বের ধাপে পড়েছি। আমাদের প্রজন্মের অনেকেই এখন অঞ্জন নন্দীর মতো কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছি। সে আমরা যদি আমাদের সেই সবুজ সময়গুলোকে আমাদের সন্তানদের সামনে উপস্থাপন করতে পারি, তাদের যদি জীবনের পথে ফিরিয়ে আনতে পারি, তাদের যদি ভালোবাসার টানে বন্ধনের কৌশল শিখিয়ে দিতে পারি তাহলে আমাদের সন্তানরা জঙ্গিবাদ নয়, মানবতাবাদে উজ্জীবিত হবে।
শাহরিয়ার খালেদ, অঞ্জন নন্দীদের মতো অন্যরাও যদি এভাবেই শুরু করেন তাহলে আবার সাংস্কৃতিক জাগরণ সৃষ্টি হবে যে জাগরণে সকল অন্ধকার, কূপমন্ডকতা, সাম্প্রদায়িকতা বানের জলের মতো ভেসে যাবে।
বর্তমান সরকার সংস্কৃতিবান্ধব সরকার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সরকার। এই সময়ে এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে। মনে রাখতে হবে আমরা জন্মের সময় যে মাতৃভূমি পেয়েছিলাম আমাদের মৃত্যুকালে আমাদের সন্তানদের জন্য তার চেয়েও উন্নত একটি মাতৃভূমি রেখে যেতে হবে। এ আমাদের জন্মঋণ। যে ঋণ কখনো শোধ হবার নয়।
[email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।