কৃতজ্ঞতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন মুনীর চৌধুরী-কামরুল হাসান বাদল-কবি ও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 15/09/2016-02:22pm:   
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন দৃঢ় ও আপোষহীন। ফলে দলের দুর্নীতিবাজদের বিষয়ে বলতে গিয়েও তিনি কোনো রাখঢাক করতেন না। প্রকাশ্য জনসভায় এ বিষয়ে তিনি বেশ কয়েকবার তার ক্ষোভ ও বিরক্তি প্রকাশ করেছিললেন। রেগে গেলে মানুষ সাধারণত মাতৃভাষা বা তাঁর আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করেন। বঙ্গবন্ধুও তেমন করেছেন। একবার বলতে গিয়ে ফরিদপুরের আঞ্চলিক ভাষায় বললেন, ‘আমি বিদেশ থেইকা চাইয়া আনি, চাটার দল সব খাইয়া ফেলে।’ (স্মৃতি থেকে লিখলাম বলে একটু পরিবর্তন হয়ে থাকতে পারে) তিনি বলেছেন, ‘হিসেবে আমিও একটি কম্বল পাই। সেইটাও আমি পাই নাই।’
সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার স্বার্থে তিনি বড় বড় মিল-কারখানা জাতীয়করণ করেছিলেন। সেখানে দুর্নীতির চেহারা দেখে দুঃখ করে বলেছিলেন, ‘তরুণ শিক্ষিত ছেলেদের আমি মিল-কারখানার দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তারাও যদি চুরি করে তাহলে আমি কাকে বিশ্বাস করব।’ বঙ্গবন্ধু দেখছিলেন তার সরকার ও দলের অনেকেই তখন দুর্নীতিতে জড়িয়ে গেছে। এ নিয়ে তাঁর ক্ষোভ ও হতাশার শেষ ছিল না। তাই চরম হতাশা ব্যক্ত করে বলেছিলেন, ‘অন্যরা পায় সোনার খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি।’ বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর দলের দুর্নীতিবাজদের বিশাল একটি অংশ পরে অন্য দলে ভিড়ে গেছে। কারণ দুর্নীতিবাজদের কোনো আদর্শ থাকে না। দল ক্ষমতায় থাকলে দুর্নীতিবাজরা ভিড় করে, না থাকলে দূরে সরে থাকে। তখন দলটিকে বাঁচিয়ে রাখে, সচল করে রাখে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা।
বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গিয়ে তাঁর মহান পিতার মতোই দুর্নীতিবাজদের সামলাতে হিমসিম খাচ্ছেন। তিনিও যাকে বিশ্বাস করছেন তাঁদের অধিকাংশই পুরো আস্থা বজায় রাখতে পারছেন না। তাঁর দল ও সরকারের অনেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। তিনি কিংবা তাঁর পরিবারের কেউ দুর্নীতির সাথে জড়িত না থাকলেও দল ও সরকারের দুর্নীতিবাজ সদস্যদের কারণে ক্ষতি ও দুর্নামের ভাগি হতে হচ্ছে তাঁকে সরকার প্রধান হিসেবে। এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে দেশের টেকসই উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় অবাধ দুর্নীতি। এই দুর্নীতির শেকড় এত ভিতরে প্রোথিত যে তা উপড়ে ফেলা শেখ হাসিনার জন্য সহজ কাজ বলে মনে হচ্ছে না। বঙ্গবন্ধু ছাড়া বাংলাদেশের অন্য সরকার বা রাষ্ট্র প্রধানের চেয়ে শেখ হাসিনার এখনো বড় সুবিধা যা তা হলো তিনি কোনো প্রকার দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন। কাজেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া তাঁর পক্ষেই খুব সম্ভব। এ কথাটি দৃঢ়ভাবে উচ্চারণ করলাম এ কারণে যে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক হিসেবে দেশখ্যাত ‘ম্যাজিস্ট্রেট’ মুনীর চৌধুরীকে তাঁর নিয়োগ দান। মুনীর চৌধুরীর অতীত কর্মকাণ্ড নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রীর জানা। সেই মুনীর চৌধুরীকে দুদকের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তিনি দুর্নীতিবাজদের একটি মহাসতর্কবার্তা দিয়ে দিলেন। অবশ্য দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার পদক্ষেপ এটিই প্রথম নয়। ২০১২ সালের ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রীসভার বৈঠকে ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়। জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে গৃহীত এই কৌশলপত্রের মুখবন্ধে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য ও দায়িত্ব হলো নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার সমতা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই রাষ্ট্র সুশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য কৌশল হলো সমাজ ও রাষ্ট্রকে দুর্নীতিমুক্ত রাখা এবং দেশে শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা। দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশ উল্লেখিত মহান আদর্শকে রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে স্থির করেছিল। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে ‘মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ’ রাষ্ট্র পরিচালনায় অন্যতম মূলনীতি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং ‘অনুপার্জিত আয়’কে সর্বোতভাবে বারিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়েছে। এই নীতির সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্র ও সমাজে দুর্নীতি দমন ও শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। সরকার অব্যাহতভাবে দুর্নীতি দমনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং এরই সুসমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ শিরোনামে এই জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলটি প্রণয়ন করা হয়েছে।’ (অংশ বিশেষ) অর্থাৎ দুর্নীতিমুক্ত, মানবিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় থেকেই শেখ হাসিনা তাঁর নিজ আগ্রহে এবং তাঁর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর সরকার গঠন করতে গিয়ে তাঁর পরিবর্তিত মন্ত্রীসভা দেখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থানের বিষয়ে কিছুটা ধারণা করা যেতে পারে।
শেখ হাসিনা অসাধারণ দুটি কাজ করেছেন অসীম সাহস ও বিচক্ষণতার সাথে। একটি জাতির জনকের হত্যাকারীদের বিচার ও রায় কার্যকর করা। অপরটি দেশ-বিদেশের প্রচুর চাপ, ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার করে শীর্ষ অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা। দেশের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে এই বিচার সম্ভব হয়েছে একমাত্র শেখ হাসিনার দৃঢ়তার কারণেই। নির্বাচনের আগে এই দুটি বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েই তিনি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েছিলেন।
শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের প্রায় সকলের বিচারের রায় কার্যকর করেছেন তিনি। সাঈদীর রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে রিভিউ আবেদন করা হয়েছে। আশা করা যায় এটিও নিষ্পত্তি হবে সহসাই। এরপরও ট্রাইব্যুনাল সচল থাকবে অন্যদের বিচারের জন্য। এখন বঙ্গবন্ধুর শোষণহীন, বঞ্চনাহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পালা। আর সে পথে প্রধান যে অন্তরায় তা হলো দুর্নীতি। আমার ব্যক্তিগত মত শেখ হাসিনা এবার সে পথেই অগ্রসর হচ্ছেন। কয়েক মাস আগে দুদকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এবার মুনীর চৌধুরীর মতো একজন আলোচিত ব্যক্তিকে মহাপরিচালক নিয়োগ দিয়ে তিনি দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলার কাজে হাত দেবেন। সন্দেহ নেই তিনি এ বিষয়ে জনগণের একশতভাগ সমর্থন লাভ করবেন। এবং সফল হবেন। মুনীর চৌধুরী এই চট্টগ্রামেরই সন্তান। তিনি তাঁর সাহসী কর্মের জন্য ইতিমধ্যে জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। এবং একজন সফল ও সৎ মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। সরকারের প্রশাসন বিভাগের এই কর্মকর্তা চট্টগ্রাম বন্দরের ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালনকালে বন্দরের কোটি কোটি টাকার বেহাত হওয়া সম্পত্তি উদ্ধার করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিলেন। বন্দরের এই সম্পত্তি ভোগদখলকারীরা ছিলেন সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে নিজের জীবনকে বিপন্নের মুখে ঠেলে দিয়ে তিনি বন্দরের জমি উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। ২০০৩ সালের ঘটনা। তখন একের পর এক লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটছিল। আর এর কারণ ছিল লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বোঝাই। সে সময় তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্রের মালিকানাধীন কোকো জাহাজকে আটক করে তার যাত্রা বাতিল করেছিলেন অধিক যাত্রী পরিবহনের অপরাধে। সে ঘটনাটি ছিল একটি দুঃসাহসিক ঘটনা। পরিবেশ অধিদপ্তরে থাকাকালীনও তিনি চট্টগ্রামের সরকারদলীয় প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছিলেন। মিল্কভিটার মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করে সেখান থেকে দুর্নীতি দূর করে সেটিকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছিলেন। স্পেশাল টাস্কফোর্সের দায়িত্ব নিয়ে বিদ্যুৎখাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দেড় বছরে তিনি ১১০০ কোটি টাকার বাড়তি রাজস্ব আদায় করেছিলেন। তাঁর অনেক সাহসী কাজের মধ্যে মাত্র কয়েকটি উল্লেখ করলাম। করলাম এজন্য যে, মুনীর চৌধুরীর এইসব কর্মকান্ড প্রত্যক্ষ করে এবং তাঁর প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রেখেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবার তাঁকে দুদকের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী জানেন এখানেও তিনি সব ধরনের ভয়ভীতিকে উপেক্ষা করে তাঁর ওপর ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করবেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। অভিনন্দন জানাই মুনীর চৌধুরীকে। আমাদের বিশ্বাস দুদকেও মুনীর চৌধুরী অভাবনীয় কিছু দেখাবেন।
সমাজে আজ দুর্নীতি যেভাবে গেড়ে বসেছে, তা থেকে দ্রুত উত্তরণের পথ বের না করলে একটি বিপর্যয় নেমে আসবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। দুর্নীতি আজ সর্বগ্রাসী রূপ গ্রহণ করেছে। যে পারছে সে-ই দুর্নীতির সুযোগ নিচ্ছে। এভাবে একটি রাষ্ট্র বা সমাজ টিকে থাকতে পারে না। তাই সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প কিছু নেই। আর সে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে, টেকসই উন্নয়ন করতে হলে দুর্নীতি দূর করতে হবে। দুর্নীতি কমাতে না পারলে রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়ন বা মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার কোনোটিই সম্ভব হবে না।
তবে স্বীকার করতে হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া বর্তমানে খুব সহজ কাজ নয়। বর্তমানে সরকারকে জঙ্গিবাদের মতো একটি বৈশ্বিক সমস্যাকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে। এই জঙ্গিবাদে যে অর্থায়ন হয় তাও দুর্নীতি থেকে। কাজেই কান টানলে মাথা আসার মতো দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হতে গেলে সমাজের অনেক স্তর ও শ্রেণি থেকে বাধা আসবে, বাধা আসবে নিজ দল ও সরকারের দুর্নীতিবাজদের পক্ষ থেকে। বাধা আসবে সরকার দুর্নীতি দমনে যে সব প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করবে তাদের ভেতর থেকেও। কাজেই এ ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর উক্তিটিকে স্মরণে রেখে অগ্রসর হতে হবে। তিনি বলেছিলেন ‘নেশন মাস্ট বি ইউনাইটেড অ্যাগেইনস্ট করাপসন। পাবলিক অপিনিয়ন মবিলাইজ না করলে শুধু আইন দিয়ে করাপসন বন্ধ করা যাবে না।
জাতির জনকের হত্যাকারী ও একাত্তরের গণহত্যাকারীদের বিচারে যে রূপ জনমত তৈরি হয়েছিল, দুর্নীতির বিরুদ্ধেও সেই রূপ জনমত গড়ে তুলতে হবে। আর সে কাজটিও করতে হবে শেখ হাসিনাকে। ইতিমধ্যেই তিনি তাঁর সাহসী ও অনঢ় ভূমিকার কারণে নন্দিত হয়েছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনমত গঠনে তিনি ডাক দিলে জনতা সাড়া দেবে। সমর্থন দেবে তাঁকে। শুধু মিনতি একটাই তিনি যেন মুনীর চৌধুরীকে সর্বোতভাবে সাহস, উৎসাহ ও সমর্থন যুগিয়ে যান।
email: [email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।