আনন্দময় শৈশব চাই সুখী সুন্দর বাংলাদেশে’--কামরুল হাসান বাদল-কবি ও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 04/03/2016-10:43pm:    জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন খেলাঘরের স্লোগান এটি। আমি নিজেও খেলাঘর করেছি বলে ঐ স্লোগান অনেকবার দিয়েছি। আজ বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ আছেন যাঁরা শিশু বেলায় খেলাঘর আন্দোলনের সাথে ছিলেন। এ সংগঠনটি বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনের উজ্জ্বল উত্তরাধিকার। সারাদেশেই সংগঠনটির শাখা আছে। এক সময়ে বাংলাদেশে বেশ কিছু শিশু সংগঠন ছিল। কচি কাঁচার আসর, চাঁদের হাট, শাপলা কুঁড়ির আসর, আমরা পলাশ ইত্যাদি। দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক সংবাদকেন্দ্রিক ছিল যথাক্রমে কচি কাঁচার আসর ও খেলাঘর আসর। শাপলা কুঁড়ির আসর ছিল দৈনিক বাংলার বাণী কেন্দ্রিক। এছাড়া ১৯৭৫ সালে জাতির জনককে সপরিবারে হত্যার পর তাঁর শিশু সন্তান শেখ রাসেলের নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল শেখ রাসেল শিশু-কিশোর মেলা। আমরা রাসেল, শেখ মুজিব শিশু-কিশোর মেলা। এর বাইরে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ছিল কিছু সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, যেখানে শিশু-কিশোরদের জন্য আলাদা অংশগ্রহণের ব্যবস্থা থাকতো। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল নিয়মিত। এখন পাড়ায় পাড়ায় আর সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন তেমন নেই বললেই চলে। জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন খেলাঘর আসর এখন দুভাগে বিভক্ত। কচি কাঁচার আসর, চাঁদের হাটের কার্যক্রম এখন আর চোখে পড়ে না। অথচ একটি সময় ছিল আমাদের জাতীয় দিবসগুলোকে সামনে রেখে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলতো পাড়ায় পাড়ায়। বিকেলে সন্ধ্যায় হেঁটে যেতে হারমোনিয়াম, তবলা, নূপুর, আবৃত্তি কিংবা নাটকের সংলাপ শোনা যেত। এখন পাড়ায় পাড়ায় ওরশ আর মেজবান হয়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয় না। শিশুরা পরস্পরের সাথে মেলামেশার সুযোগ পায় না। স্কুল, টিউশনি আর টিভি-কার্টুন ছবি আর ইন্টারনেট নিয়ে তাদের সময় কাটে। সংস্কৃতির চর্চা, মানবিকতার চর্চা-সামাজিক চর্চা, পরস্পরের সাথে ভাবনা বিনিময় ও আনন্দ ভাগাভাগির চর্চা এখন আর হয় না।
এখন পাড়ার ছেলে-মেয়ে এক সাথে বড় হওয়ার সুযোগ পায় না। এখন শিশুরা প্রকৃতি দেখার সুযোগ পায় না, পাখির গান শোনে না, প্রাকৃতিক বাতাস সেবন করে না। মাটির স্পর্শ পায় না, ফুল চেনে না, গাছ চেনে না। এখন তারা বড় হয় সম্পূর্ণ যান্ত্রিকভাবে। ঘরের ছাদটাকে তারা আকাশ ভাবে। এরা পাশের বাসার শিশুটিকে চেনে না। এরা আনন্দময় শৈশবের স্বাদ পায় না। এরা মুক্তভাবে বিচরণ করতে পারে না। এরা নিজে নিজে স্কুলে যেতে পারে না। স্কুল থেকে আসতেও পারে না। বাবা-মায়েরা সন্তানের নিরাপত্তার কথা ভেবে একা সন্তানদের কোথায় যেতেও দেন না। তারপরেও এদেশে শিশুরা নিরাপদ নয়। শিশুদের জীবন নিরাপদ নয়। ওদের শিকার হতে হয় নির্মমতার। বড়দের প্রতিহিংসার। নিষ্পাপ আর কচি কচি চোখে মৃত্যুদূতকে দেখে। মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে। মৃত্যুর আগে জানতেও পারে না কী অপরাধ ছিল তার। আমাদের এমন এক সমাজ। আমাদের এমন এক রাষ্ট্র, যেখানে আমরা শিশুদের নিরাপত্তা দিতে পারি না। আনন্দময় শৈশবতো দূরের কথা। আমাদের সমাজ এত অমানবিক এখানে শিশুদের নিরাপত্তা নেই। এখানে শিশুদের আনন্দ নেই। দিন দিন শিশু মৃত্যুর হার বাড়ছে। শিশুদের ওপর নির্যাতনের সংখ্যা ও ভয়াবহতা বাড়ছে। কিন্তু কেন? এ সমাজ কেন এত অমানবিক হয়ে উঠলো যেখানে শিশুরাও সামান্য নিরাপদ নয়। হবিগঞ্জে চার শিশুর মৃত্যুর শোক না শুকাতেই গত শনিবার কুমিল্লায় দুই শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। বছরের শুরুতে ঝিনাইদহে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয় তিন শিশুকে এরপরে টঙ্গী ও চট্টগ্রামে শিশু হত্যার ঘটনা ঘটে। একটি পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় গত চার বছরে দেশে শিশু হত্যার হার বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। ২০১২ সালে খুন হয়েছে ২০৯ শিশু। পরের বছর এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৮ তে। ২০১৪ সালে খুন হয়েছে ৩৬৬ শিশু। ২০১৫ সালে ২৯২। আর এ বছরের ১ মার্চ পর্যন্ত খুন হয়েছে ৪৯ শিশু।
এটি কোনো সুস্থ ও মানবিক সমাজের চিত্র হতে পারে না। একটি সমাজ বা রাষ্ট্রকে ততটুকু সভ্য বলা হয় ঐ সমাজ নারী ও শিশুদের প্রতি কতটা সভ্য আচরণ করে তার ওপর। এখন প্রশ্ন হলো বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় কী এমন ঘটেছে যে সমাজটি এত অমানবিক ও নিষ্ঠুর হয়ে ওঠল। এর একটি মনোবিশ্লেষণ ও সমীক্ষার প্রয়োজন। কারণ বাঙালির চিরকালীন মেজাজ ও সংস্কৃতির সাথে এমন নিষ্ঠুরতা মানানসই নয়। কারণ ঐতিহাসিকভাবে বাঙালি শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে পরিচিত। একটি সময়ে খাকি পোশাক দেখলেই বাঙালি ভয় পেতো। সমাজে সচরাচর খুন-খারাবী হতো না বলে হঠাৎ এ ধরনের কোনো ঘটনায় চাঞ্চল্য পড়ে যেত আর পাঁচটি গ্রামে। গত শতকের ত্রিশ দশকে মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বিদ্রোহে এই অঞ্চলে বড় ধরনের ঘটনা বলে স্বীকৃত। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বুকে পুলিশের গুলিতে ছাত্র জনতা হত্যা ছিল একটি বড় ঘটনা। ওই হত্যাকাণ্ড বাঙালির সমাজে এমন প্রভাব ফেলে যে তার প্রতিক্রিয়া হয়েছিল দীর্ঘ। তৎকালীন পাকিস্তানি শাসক বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হয়। ৫২ সালের মৃত্যু বাঙালিদের এমন নাড়া দিয়েছিল যে, সে ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে রচিত হয়েছে অসংখ্য গান, কবিতা, ছড়া, গল্প ও নাটক উপন্যাস। একুশের শহীদদের নিয়ে শহীদ মুনির চৌধুরীর কবর নাটকটির একটি অসাধারণ সৃষ্টি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার একটি দীর্ঘকালীন ছাপ পড়ে যায় পশ্চিমা বিশ্বে। লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু, ধ্বংস আর যুদ্ধের ভয়াবহতা ইত্যাদির ইউরোপীয় সমাজে একটি নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। তা কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘ সময় লেগেছে তাদের। বাংলাদেশের দীর্ঘ ন’মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ এবং তার ভয়াবহতা বাঙালির শান্তিবাদী চরিত্রে এক বিরূপ ও নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। যুদ্ধের হিংস্রতা, মৃত্যু, ধ্বংস মানুষের মানস জগতে পরিবর্তন ঘটায়। এটি যুদ্ধোত্তর সে কোন সমাজ বা রাষ্ট্রে ঘটে থাকে। বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম নয়। যুদ্ধের পূর্বে দু-চার-পাঁচটি মৃত্যুতে এই সমাজ যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতো, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যু সে অনুভূতিকে ভোঁতা করে দেয়। স্বাধীনতা পরবর্তী বিভিন্ন ঘটনাও সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় জাতির জনককে সপরিবারে হত্যা করার মধ্য দিয়ে বাঙালি সমাজ প্রবেশ করে নিষ্ঠুরতা আর অমানবিকতার জগতে। এরপর সামরিক শাসনের নামে মূলত কুশাসন দীর্ঘকালীন প্রভাব রেখে যায় সমাজে।
এরপর ৯/১১ এর ঘটনা। আমেরিকার নিউইয়র্কের টু-ইন টাওয়ার ধ্বংসের মাধ্যমে বিশ্ব প্রবেশ করে এক নতুন নিষ্ঠুর ও অমানবিক যুগে। সে ঘটনার জের ধরে আমেরিকার তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে এখনো প্রতিদিন প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। ইরাকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে যুদ্ধ চাপিয়ে আমেরিকা সাদ্দামকে হত্যা করেছে। ধ্বংস করেছে একটি উন্নত ও ঐতিহ্যবাহী মানবসভ্যতার ইতিহাসকে। সে সাথে আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া, লেবানন ইত্যাদি দেশে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যুদ্ধ বজায় রেখেছে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধবাজ শক্তিগুলো। মানবসভ্যতার ভয়াবহতম শত্রু আইএস’র জন্ম হয়েছে আমেরিকার কারণে, তার ও তার মিত্র দেশগুলোর প্রত্যক্ষ মদদে। একদিকে আমেরিকা অন্যদিকে আইএসের এসব নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসযজ্ঞের ছবি ও সংবাদ প্রতিদিন প্রচারিত হচ্ছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। অবাধ তথ্য প্রযুক্তির কারণে এই সংবাদচিত্রগুলো দ্রুত থেকে দ্রুততম সময়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে। সাদ্দামকে ফাঁসি দেওয়ার দৃশ্য কিংবা আইএস জঙ্গি কর্তৃক কতল করার দৃশ্য সাধারণ মানুষের মোবাইলে মোবাইলেও ছড়িয়ে পড়েছে। এ ছাড়া বিগত কয়েক বছর আন্দোলন সংগ্রামের নামে বিএনপি-জামায়াত যে ভয়াবহ তান্ডব পরিচালিত করেছে দেশে তারও একটি প্রভাব পড়েছে সমাজে। পেট্রোল বোমায় নির্বিচারে সাধারণ মানুষ হত্যা, নারী-শিশু হত্যার খবরগুলো সচিত্রভাবে দেখেছে সাধারণ মানুষ। প্রতিদিন টেলিভিশনের পর্দায় দেশি-বিদেশী এ ধরনের নিষ্ঠুর কর্মকান্ডের ছবি ও সংবাদ দীর্ঘকালীন ছাপ ফেলেছে সমাজে। সাধারণ সন্ত্রাসবাদীরা এ ধরণের সংবাদ প্রচারে বেশি আগ্রহবোধ করে। কারণ এর দ্বারা মানুষের মনোজগতে যে নিষ্ঠুর ও প্রতিশোধপরায়ণতা জন্ম নেয় তার সুযোগ নিতে চায় তারা। পাকিস্তান আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে তালেবান ও আইএস জঙ্গিদের দখলকৃত এলাকায় তারা শিশু-কিশোরদের হাতে তুলে দিচ্ছে ভয়ানক মারণাস্ত্র। শিশুদের দ্বারা হত্যাকান্ড ঘটিপয়ে তার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে দিচ্ছে বিশ্বময়। এ ধরনের ছবি ও ঘটনা যে কোনো সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এর প্রভাব যে শুধু বাংলাদেশেই পড়ছে তা নয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যসহ পশ্চিমা বিশ্বেও এর প্রভাব পড়ছে তার কিছু কিছু নমুনা প্রকাশিতও হচ্ছে এখন। মানুষের মনে নিষ্ঠুরতা ও প্রতিহিংসা জাগ্রত করতে বিনোদন দুনিয়ার ভূমিকা কম নয়। হলিউড, বলিউড এমনকি অধুনা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ছবিতে যে ভাবে ভায়োলেন্স দেখানো হয় তাতে একজন মানুষের সুস্থ চিন্তা করারও ক্ষমতাও কমে যায়। এ ধরনের ছবি শিশুর মনোবিকাশের অন্তরায় একথা অনেক আগে থেকে বলা হয়ে এলেও তাতে কর্ণপাত করেনি কেউ।
বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতিও এ ধরনের হত্যাকান্ড সংগঠনে ভূমিকা রয়েছে তাতেও কোনো সন্দেহ নেই। খুব আলোচিত (যেমন সিলেটের রাজন হত্যা) দু’একটি ঘটনার দ্রুত বিচার হলেও বেশিরভাগ হত্যাকান্ডের বিচারে পুলিশের দুর্বলতা, অবহেলা দলীয় প্রভাব ও বিচারের দীর্ঘসূত্রতা এ ধরণের ঘটনা ঘটাতে এক প্রকার সহায়ক ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে কোনো কোনো ঘাতকের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মৃত্যুও ঘটছে। কিন্তু এর কোনটাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জোরালো ভূমিকা রাখছে না। বিচারহীন ‘ক্রসফায়ার’ যেমন কোনো সভ্য সমাধান নয়, তেমনি কিছু কিছু বিচার না করাও (যেমন নারায়ণগঞ্জের তকী হত্যা) সুষ্ঠু ও ন্যায় বিচারের চিত্র নয়।
একট সমাজকে সভ্য করে রাখতে, মানবিক করে রাখতে সমাজে প্রয়োজন মানবতার চর্চা। বর্তমান সমাজ দুএকদিনে এমন অমানবিক হয়ে ওঠেনি। এর পেছনের কারণগুলোর কিছু কিছু পূর্বে উল্লেখ করেছি। এর বাইরেও অনেক কারণ থাকতে পারে। রাষ্ট্রের ক্ষমতায় যারা আছেন, সমাজের অধিপতি যারা আছেন তারা প্রয়োজনে আরও গভীরে চিন্তা করতে পারেন। শুধু আইন দিয়ে পুলিশ দিয়ে, ‘ক্রসফায়ার’ দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সমাজে শুভবোধের চর্চা করা, মানবতার চর্চা করা, সংস্কৃতির চর্চা করা, যে সংস্কৃতি একজন শিশুকে প্রকৃত মানুষ হওয়ার প্রেরণা দেবে, যে সংস্কৃতি একজন মানুষকে প্রকৃত মানুষ হওয়ার প্রণোদনা যোগাবে। কেউ কেউ শুধু পারলৌকিক চিন্তায় বুঁদ হয়ে থাকেন তাদের উচিত যতদিন পৃথিবীতে বেঁচে আছেন অর্থাৎ ইহলৌকিক এই জীবনকে সুষ্ঠু, স্বাভাবিক, মানবিক করার প্রচেষ্টা নেওয়া।
একটি সমাজ যখন দুর্নীতিতে ছেয়ে যায়, একটি সমাজে যখন রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার প্রতিযোগিতা চলে, একটি সমাজে যখন মূল্যবোধ হারিয়ে যায় তখন সে সমাজ প্রকৃত পথও হারিয়ে ফেলে। আমাদের সমাজ বোধহয় তার প্রকৃত পথ, মুক্তির পথ, মানবতা ও শান্তির পথ হারিয়ে ফেলেছে। এর থেকে পরিত্রাণের পথ যত দ্রুত প্রসারিত হবে ততই জাতির মঙ্গল হবে। email: [email protected]

সর্বশেষ সংবাদ