৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস শিক্ষায় পরিবর্তন হোক দৃষ্টিভঙ্গি নারী হবে উন্নয়নের সঙ্গী।

পোস্ট করা হয়েছে 04/03/2016-10:02pm:   
খন রঞ্জন রায়, মহাসচিব ডিপে¬ামা শিক্ষা গবেষণা কাউন্সিল, বাংলাদেশ। ৪৭, মতি টাওয়ার, চকবাজার, চট্টগ্রাম।
৮ মার্চ দিনটি নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সুদীর্ঘ আন্দোলনে ঐতিহাসিক একটি দিন। উনিশ শতকে যখন পশ্চিমা বিশ্বের ব্যাপক বিকাশ ঘটে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রসার লাভ করতে থাকে, তখন শিল্প, কলকারখানায় নারী শ্রমিকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। বিশ শতকের শুরু থেকে কাজের পরিবেশ, শ্রমিকের মজুরি, কর্মঘণ্টা, ভোটের অধিকার ইত্যাদি দাবি নিয়ে নারী শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম বিকশিত হতে থাকে। এই পটভূমিকায় ১৯১০ সালে সংগ্রামী নারীদের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কোপেনহেগেনে। এই সম্মেলনে বিশ্ব সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী ক্লারা জেৎকিন আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদ্যাপনের ধারণাটি উত্থাপন করেন। এই সম্মেলনে ১৭টি দেশের শতাধিক প্রতিনিধি সমবেত হয়েছিলেন। তাঁরা ছিলেন বিভিন্ন সমাজতান্ত্রিক দল, কর্মজীবী নারী, ট্রেড ইউনিয়ন ও নানা সংগঠনের প্রতিনিধি। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ফিনল্যান্ডের সংসদে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত তিনজন নারী সদস্য। ক্লারা জেৎকিনের প্রস্তাব সব প্রতিনিধি সমর্থন করেন। এভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের সূচনা ঘটে, যা নারীর অধিকার আদায়ের আন্দোলনের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ঘোষণার পরবর্তী দুই বছর ১৯১১ ও ১৯১২ সালে দিনটি পালিত হয় ১৯ মার্চ। ১৮৪৮ সালের ১৯ মার্চ প্যারি কমিউনের বিপ্লবের দিনটি স্মরণ করে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। ১৯১১ সালে ১৯ মার্চ সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় অষ্ট্রিয়া, ডেনমার্ক ও সুইজারল্যান্ডে।
১৯১৩ সাল থেকে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের পর সমাজতান্ত্রিক রাশিয়ায় রাষ্ট্রীয়ভাবে নারী দিবস পালন শুরু হয় এবং কালক্রমে তার বিস্তার ঘটে। ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে, জাতিসংঘের এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
বাংলাদেশে নারী দিবস পালনের সূচনাকালের কথা এখানে স্মরণ করা যেতে পারে। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নারী দিবস শুরু হয়েছিল ষাটের দশকের শেষাশেষি। প্রগতিশীল নারী নেত্রীরা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সীমিত আকারে গোপনভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করেছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় প্রকাশ্যে প্রথম ‘নারী দিবস’ পালিত হয় পূর্ব পাকিস্তান মহিলা সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে। সভাপতিত্ব করেছিলেন কবি সুফিয়া কামাল। পরে ১৯৭০ সালে ৪ এপ্রিল এই সংগ্রাম পরিষদ মহিলা পরিষদ নামে অত্মপ্রকাশ করে। এর পর থেকে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নিয়মিত প্রতি বছর নারী দিবস পালন করে আসছে। বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে নারী দিবস পালিত হচ্ছে। ১৯১০ সালে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের পর দীর্ঘ সময় অতিক্রম হয়েছে।
জাতিসংঘ দিবস হিসাবে পালনে কিছু ধারাবাহিক দশক কর্মসূচি হাতে নেয়। ১৯৭৬-১৯৮৫ প্রথম নারী দশক এরপর ১৯৭৬-১৯৮৫ ২য় দশক এরপর ১৯৯৫-২০০৫ তৃতীয় নারী দশক হিসেবে নতুন নতুন বিশ্ব কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে সারা বিশ্বে নারীপ্রগতির পথে বাধাসমূহ চিহ্নিত হয়। একবিংশ শতাব্দিতে সারা বিশ্বে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। ফলে সমাজ ও রাষ্ট্রের যে কোন সমস্যা সমাধান ও নীতি নির্ধারণে নারীর অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করার ব্যাপারে সচেতনতা বাড়ছে। নারীর অধিকার নারীর ক্ষমতায়ন এর বিষয়গুলো এখনও অনেক দেশে সভা সেমিনার মানববন্ধন ও বিবৃতির মাঝে সীমাবদ্ধ।
গবেষণা মতে, বাংলাদেশে ৫০ শতাংশ বিবাহিত নারী যৌতুকের কারণে শারীরিক অথবা মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য মতে, ২০১৫ সালে যৌতুকের কারণে খুন হন ২৩৬ জন নারী। ২০১৪ সালে যৌতুকের বলি হয়েছে অন্তত ২১৪ জন নারী। পত্রিকার পাতা খুলতেই প্রতিদিন চোখে পড়ে অত্যান্ত লজ্জাকর এই খবরগুলো। পরিবারিক ক্ষেত্রে বাধা, শিক্ষায় বাধা, ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কার, কর্মক্ষেত্রে নারী হয়রানি, পরিবহনের সুযোগ-সুবিধার অভাব, ভূ-সম্পত্তিতে নারী অধিকারের অভাব, সমাজিক ও আইনত নিরাপত্তার অভাব, ফতোয়া-প্রতিদিন এসব প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে নারীকে টিকে থাকতে হয়। যখন বলা হচ্ছে ‘নারীর অধিকার মানবাধিকার’, নারীর প্রতি সহিংসতা মানবাধিকার লঙ্ঘন’, সেই সময় কেবল নারী হওয়ার কারণে সমাজে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৃহে, কর্মস্থানে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, হাটবাজারে, রাস্তায় নারী হচ্ছে সহিংসতার শিকার। গবেষণায় দেখা যায়, ৮০ শাতাংশ নারী পরিবারিক সহিংসতার শিকার। জাতীয় আয়ের ৩ শতাংশ নারীর প্রতি সহিংসতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ক্রমাগত বিচারহীনতা, জৈবিক তাড়না, নারীর প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি, ধর্মীয় উসকানি, রাস্তাঘাটে নারীর ওপর থুথু নিক্ষেপ, নৈতিক শিক্ষার অভাব ও বিশ্বব্যাপী পর্ণগ্রাফির বিস্তার নারীর প্রতি সহিংসতার বিভৎস রূপ। নারী প্রগতির আরেকটি প্রধান বাধা বাল্যবিবাহ। পাড়ার বখাটের উৎপাত, ইভটিজিং এবং সর্বশেষ ধাপ ধর্ষণ ও হত্যার মতো ঘটনাতে গিয়ে সমাপ্তি ঘটে।
তবে সমাজে এখনও নারীকে মানুষ হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। নারীরা এ দেশে এখনও শৃঙ্খলিত এবং পদে পদে নির্যাতন ও বঞ্চনার শিকার। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীর অবস্থান এখনও তলানিতে। শ্রমের বাজারেও নারীরা আজ বঞ্চনার শিকার। দেশের শ্রমশক্তির প্রায় এক তৃতীয়াংশ নারী হলেও তারা শ্রমের ন্যায্য মজুরি পায় না। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে গার্মেন্ট শিল্পের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা থাকলেও এখানে অধিকাংশ নারী শ্রমিক কাজ করে অমানবিক পরিবেশে। পায় না ন্যায্য অধিকার। মৌখিক নিয়োগ, মৌখিক ছাঁটাই চলে। সাপ্তাহিক ছুটি নেই। অসুস্থতার কারণে কাজে না এলে বেতন কাটা হয়, যা আমানবিক ও শ্রম আইনের পরিপন্থী। অথচ এমন ঘটনা অবাধে ঘটছে।
বর্তমানে বিশ্বের ৭১০ কোটি মানুষের মধ্যে ৩১৫ কোটি নারীর বৃহদাংশের ক্ষেত্রেই এ পরিসংখ্যা আংশিক বা পুরোপুরি প্রযোজ্য। তাই ধনী গরিব, ছোট-বড় সব দেশের নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নের জন্য সোচ্চার হয়েছে ‘নারী দিবস’।
তার পরও পুরুষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অর্থনীতি, রাজনীতি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে দ্রুত এগিয়ে আসছে নারীরা। বহুজাতিক কম্পানিগুলোর সিনিয়র পদ থেকে শুরু করে উদ্যোক্তা হয়ে কর্মসংস্থানও তৈরি করছে নারীরা। ফলে বিশ্বের ধনীর তালিকায়ও নারীর সংখ্যা প্রতিবছর বাড়ছে। সম্প্রতি ফোর্বস ম্যাগাজিন প্রকাশিত ২০১৫ সালের ধনীর তালিকায় রেকর্ড গড়েছে নারীরা। তালিকায় উঠে আসে বিশ্বের এক হাজার ৮২৬ জন ধনীর নাম। এর মধ্যে ১৯৭ জন নারী। যেখানে ২০১৪ এ তালিকায় নারীর সংখ্যা ছিল ১৭২ জন।
সবচেয়ে কম বয়সী নারী হিসেবে বিশ্বে ধনীর তালিকায় উঠে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এলিজাবেথ হোমস। যিনি সম্পদ গড়েছেন নিজ প্রচেষ্টায়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ধনীর তালিকায় ১২১ তম এবং বিশ্বের ধনীর তালিকায় ৩৬০ তম অবস্থানে রয়েছেন। ব্লাড টেস্টিং কম্পনি ‘থেরানস’ এর প্রতিষ্ঠাতা এলিজাবেথ হোমস মাত্র ৩১ বছর বয়সে বিলিয়নিয়রের খ্যাতি পেলেন। থেরানস কম্পানির মোট সম্পদ বর্তমানে ৯ বিলিয়ন ডলার। বর্তমান বাংলাদেশের সরকার নারী উদ্যোক্তা গড়ে তোলার জন্য ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ ‘স্বপ্ন’ প্রকল্প নামে অনেক প্রণোদনামূলক নারী উন্নয়বান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
বাংলদেশ ব্যাংক গভর্নর সম্প্রতি বলেছেন, প্রতি বছর ১০ হাজার নারী উদ্যোক্তা তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। খ্যাতনামা অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের অভিমত প্রকাশ করে বলেছেন এ উদ্যোগ উৎসাহব্যাঞ্জক কিন্তু বাস্তবায়নে দরকার কর্মসংস্থামুখী ডিপ্লোমা শিক্ষা। দেশের সার্বিক উন্নয়নের অন্যতম অপরিহার্য্য অনুসঙ্গ হচ্ছে নারী উন্নয়ন। যে কোন দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন দেশের মানুষকে প্রকৃত সম্পদে পরিণত করে সমৃদ্ধশালী করে তোলা, যার জন্য প্রয়োজন মুক্তবুদ্ধি ও প্রগতিশীল মানবিকতা বোধসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি যা কেবল গড়ে তুলতে পারে সুষ্ঠু ডিপ্লোমা শিক্ষার মাধ্যমে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ প্রতিষ্ঠার ফলে নারী শিক্ষা ঈর্ষান্বিতভাবে পরিবর্তন ঘটেছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে নারী-পুরুষের হার সমান-সমান। নারী শিক্ষার অগ্রগতির ধারার সুফল জাতি ভোগ করতে হলে যেখানে হাইস্কুল আছে, তারই পার্শ্বে ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতে হবে। এর জন্য ব্রিটিশ-পাকিস্তানীদের গড়া ডিপ্লোমা শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তন করে বিভাগীয় ডিপ্লোমা শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন হবে। বোর্ডের সহযোগিতায় বিদ্যুৎশাহী, সমাজসেবক, রাজনীতিবিদ, উচ্চপদস্থ সরকারি আমলা কর্তৃক নিজ এলাকায় ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে। বৈষম্যহীন নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আমাদের প্রত্যাশা, আমাদের দেশেও সকল ক্ষেত্রে নারী পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সকল অপশক্তি ও বৈষম্যকে সরকারের সদিচ্ছা দ্বারা দূরীভূত করা।
স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত নারীদের ক্ষমতায়নে অভূতপূর্ব উন্নতি হলেও তাঁদের সমঅধিকার ও মানবাধিকার বিষয়ে আরও কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বর্তমান সরকার সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর মর্যাদা, অধিকার, ক্ষমতায়ন ও সম-অংশগ্রহণ নিশ্চিতকল্পে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। নারীদের এগিয়ে নিতে তাঁদের অধিকার রক্ষায়, ক্ষমতায়নে ও সমান সুযোগ সৃষ্টিতে আমরা সকলে একযোগে কাজ করলেই আন্তর্জাতিক নারী দিবস সার্থকতা অর্জিত হবে ডিপ্লোমা শিক্ষায়। আসুন, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সকলে মিলে নারীর মানবাধিকার রক্ষা, ন্যায্য অধিকার প্রাপ্তি, ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা নিশ্চিতকল্পে কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা ধারার ডিপ্লোমা প্রবর্তন করে একটি সমতাভিত্তিক বিশ্ব গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি।

সর্বশেষ সংবাদ
এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।  তথ‌্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি মহোদয়ের শুভ জন্মদিন আজ করোনায় পোশাক কারখানায় ৫৫ শতাংশ কাজ কমে গেছে: রুবানা হক