পাকিস্তান কি বন্ধু রাষ্ট্র? -কামরুল হাসান বাদল-কবি ও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 05/12/2015-03:59pm:   
‘কুকুরের কাজ কুকুর করেছে কামড় দিয়েছে পায়/ তাই বলে কি কুকুরকে কামড়ানো মানুষের শোভা পায়? পাকিস্তানের সাম্প্রতিক আচরণকে আমি এমন দুটি চরণ দিয়ে তুলনা করতে চাই না। হাজার হোক একটি রাষ্ট্রতো। হোক না তা ব্যর্থ রাষ্ট্র। হোক না এই রাষ্ট্রের আকাশটা আমেরিকার, মাটিটা তালেবানের। হোক না এই রাষ্ট্রের আয়তন বর্তমানে রাজধানী ছাড়া আর দুএকটি শহরে সীমাবদ্ধ। হোক না এই রাষ্ট্রে একটি নির্বাচিত সরকার আছে বটে কিন্তু ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে ক্যান্টনমেন্ট। আফটার অল কাগজে-কলমে এখনো রাষ্ট্রতো। মেনুফ্যাকচারিং ফল্ট বলে একটা কথা প্রচলিত আছে। কোনো পণ্যের নির্মাণ বা তৈরির সময়ে কোনো ত্রুটি থেকে গেলে পরবর্তী কোনো মেকানিক তা সারাতে পারেন না। পণ্যটি নিখুঁত হয় না। এই ত্রুটিটা থেকেই যায়। পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটির জন্মই হয়েছিল একটি ত্রুটি নিয়ে। এই ত্রুটি কখনো সারবে না। এভাবেই চলবে পাকিস্তান।
পাকিস্তান-বাংলাদেশকে ভুলে থাকতে পারলেও বাংলাদেশ পাকিস্তানকে কখনো ভুলবে না। ভুলতে পারে না। পাকিস্তান এ দেশের বুকে যে পাপ করেছিল বাংলাদেশ প্রত্যুষ থেকে প্রদোষ অবধি তা স্মরণ করে প্রচণ্ড ঘৃণা ও তাচ্ছিল্যে। বাংলাদেশে পাকিস্তানের ২৩ বছরের অপশাসন, দুঃশাসন, নিপীড়ণ আর ১৯৭১ সালে ৯ মাসব্যাপী ব্যাপক গণহত্যার ক্ষত বাংলাদেশকে পাকিস্তানের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজনীতি এমনকি অর্থনীতিতে পাকিস্তান একটি অন্যতম আলোচ্য বিষয়। পাকিস্তানকে বাংলাদেশ ভুলতে না পারার আরও একটি কারণ আছে তা হলো এ দেশ থেকে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটির অস্তিত্ব বিলোপ হলেও এ দেশে পাকিস্তানের কিছু প্রেতাত্মা রয়ে গেছে যারা বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে দেশটির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ঘর পোড়া গরু যেমন সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায় তেমনি করে এ দেশের প্রকৃত ও দেশপ্রেমিক মানুষ তাদের দেখে এবং তাদের কার্যকলাপে ভয় পায় এই বুঝি পাকিস্তান তার ভাবধারায় বাংলাদেশে ফিরে আসছে। যা থেকে মুক্ত হতে এ দেশের ত্রিশ লাখ মানুষকে প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছিল, তিন লক্ষাধিক নারীর সম্ভ্রম লুণ্ঠিত হয়েছিল। সেই পাকিস্তান আবার আলোচনায় এসেছে। এসেছে প্রবলভাবে। বাংলাদেশে একটি একটি যুদ্ধাপরাধীর বিচার হচ্ছে আর সে সাথে পাকিস্তানের প্রসঙ্গ উঠে আসছে। বাংলাদেশে ফাঁসি হয় যুদ্ধাপরাধীর আর তার জন্য বিলাপ ও মাতম ওঠে পাকিস্তানে। সর্বশেষ সাকা ও মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করার পর পাকিস্তানের ভূমিকা ও আচরণ আন্তর্জাতিক সকল নিয়মনীতি ও ভব্যতাকে ম্লান করে দিয়ে তাদের প্রকৃত চেহারাকে প্রকাশ করে দিয়েছে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বর্তমান সরকার ২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেছিল। সেদিনের সে বিজয় ছিল ধস নামানো বিজয়। অর্থাৎ দেশের সিংহভাগ মানুষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে রায় দিয়েছিল। তার ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও নির্বাচিত হয়েছে এবং বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। এটিই আওয়ামী লীগের প্রতিশ্রুতি, এটিই আওয়ামী লীগের রাজনীতি। কাজেই এই বিচার প্রক্রিয়া থেকে পিছিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বরং দেশের কিছু কিছু মানুষ কখনো বিশ্বাস করতে পারেনি আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের সত্যি সত্যি বিচার করবে। বিচারের মাঝপথে যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতে ইসলামীর সাথে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ কোনোরূপ সমঝোতায় যাচ্ছে কি-না তা নিয়েও অনেকের মনে সন্দেহ ছিল। কিন্তু একের পর এক রায় দেওয়া এবং সর্বশেষ সালাউদ্দিন কাদের ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করার ফলে এখন কারও মনে সামান্য সন্দেহ থাকার কথা নয় আর। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারে বাংলাদেশ যে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অবান্তর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি সেনাদের বিচারের জন্য গঠিত ন্যুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের চেয়েও এর স্বচ্ছতা বেশি। ন্যুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালে আসামীদের আপিল করার সুযোগ ছিল না। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে তা রাখা হয়েছে। বরঞ্চ প্রথমবার আসামী পক্ষকে এতটাই সুযোগ দেওয়া হয়েছিল যে, আপিল করার সুযোগ সংরক্ষণ করা হয়েছিল শুধুমাত্র আসামীপক্ষের জন্য। গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের কারণে সে আইনে পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় সরকার। এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, দেশের মানুষ না চাইলে সেদিন ট্রাইব্যুনালে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হলো কেন সরকার? একটি বিষয় মনে রাখা দরকার। সাধারণ ফৌজদারি আইনে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়নি। এ ধরনের ট্রাইব্যুনাল বিশ্বের কোথাও সাধারণ ফৌজদারি আইনে গঠিত হয় না। করা সম্ভবও নয়। কাজেই এসব মামলায় কোনো চাক্ষুস সাক্ষীর প্রয়োজন হয় না। ন্যুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল থেকে শুরু করে বর্তমান বসনিয়ায় গণহত্যার জন্য গঠিত ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দা ফরমার যুগো াভিয়া না।
বলছিলাম একেকটা ফাঁসি হয় বাংলাদেশে আর মাতম ওঠে পাকিস্তানে। প্রশ্নটি হলো কেন? এর উত্তর আমাদের দিতে হয়নি। পাকিস্তানের বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী আসমা জাহাঙ্গির পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়ার জবাবে বলেছেন, ‘সালাউদ্দিন কাদের ও মুজাহিদের ফাঁসির পর পাকিস্তান যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তাতে মনে হয় ও দুজন পাকিস্তানের চর ছিল।’ এ মন্তব্যের জন্য অবশ্য আসমা জাহাঙ্গিরকে খেসারত দিতে হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে নানাভাবে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অনেকে তাঁকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছে। আসমা জাহাঙ্গির মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে উচ্চারিত একটি নাম। তিনি পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট বারের প্রথম নারী সভাপতি। তাঁর বাবা মালিক গুলাম জিলানিও ছিলেন একজন স্বাধীনচেতা মানুষ। সামরিক শাসনের বিরোধিতা করায় তাঁকে কারাভোগ করতে হয়। একাত্তরে বাংলাদেশে পাকিস্তানি সৈন্যদের গণহত্যার বিরুদ্ধে যারা সোচ্চার ছিলেন পাকিস্তানে আসমার পিতা গুলাম জিলানি তাঁদের মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বন্ধু হিসেবে পাকিস্তানের অন্যান্যের সাথে তাঁকেও সম্মানিত করে। বাবার পক্ষ থেকে তা গ্রহণ করেছিলেন আসমা জাহাঙ্গির। পাকিস্তানের এই মানবাধিকার কর্মী দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশে গণহত্যা চালানোর দায়ে অভিযুক্ত করেছেন পাকিস্তানকে এবং তার জন্য তিনি পাকিস্তানকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনারও আবেদন জানিয়েছেন অসংখ্যবার।
সালাহউদ্দিন ও মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করার পরে পাকিস্তান যে ভাষায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে তা নি:সন্দেহে বাংলাদেশের জন্য, দেশের আইন ব্যবস্থার জন্য অবমাননাকর। সঙ্গত কারণে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় গত সোমবার ইসলামাবাদে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকে তলব করে পাকিস্তান। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে গণহত্যার দায় অস্বীকার করে তারা মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যায় দোষী ব্যক্তিদের বিচার ও সাজা প্রশ্নে পাকিস্তানের বিরোধিতার বিষয়ে ঢাকার অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও অমূলক বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। এ ছাড়া গণহত্যা কিংবা মানবতা বিরোধী অপরাধে মদদ দেওয়ার অভিযোগও পাকিস্তান প্রত্যাখ্যান করেছে। শুধু তাই নয় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার সময় পাকিস্তানি কূটনীতিক বেশ উত্তেজিত ও আগ্রাসী মেজাজে ছিলেন এবং বারবার ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির প্রসঙ্গ তোলেন। শুধু তিনি নন পাকিস্তানের মন্ত্রী পর্যায়েও বাংলাদেশ ও ট্রাইব্যুনাল বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য প্রদান অব্যাহত রয়েছে। জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান এবং ইমরান খানের তাহরিক-এ-ইস্তেকলালও বেশ আপত্তিজনক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।
কিন্তু বাংলাদেশ সরকার ও এ দেশের জনগণ মনে করে পাকিস্তানের এ ধরনের আচরণ চরম অবন্ধুসুলভ, আপত্তিকর ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর সামিল। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন পর হলেও তার ইতিহাসের দায় স্বীকার করেছে। অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখী করে দেশকে সভ্যতার পথে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ বিচার করছে তার দেশের নাগরিকদের, যারা একাত্তরে নিজ মাতৃভূমির বিপক্ষে অস্ত্র ধরেছিল, গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটতরাজ করেছিল। বিচার করছে একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে। যেখান থেকে রায় ঘোষিত হওয়ার পর আসামী পক্ষ আপিল করার সুযোগ পাচ্ছে দেশের প্রচলিত উচ্চ আদালতে, শুধু তাই নয় আপিলের পর রিভিও করার সুযোগও তারা পাচ্ছে। এই বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা রেখেই সাকা-মুজাহিদসহ অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এতদিন ধরে। এ ধরনের যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে প্রকাশ্য ও ন্যক্কারজনকভাবে অবস্থান নিয়ে পাকিস্তান আরেকবার প্রমাণ করলো, ‘--- লেজ বাঁকা’।
যা হোক যে প্রবচন দিয়ে শুরু করেছিলাম সেখানে ফিরে যাই। এখন বাংলাদেশকে যখন কামড় দিয়েছে তার প্রতিকারতো করতে হবে। এখন বাংলাদেশের জন্য সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হলো একাত্তরে বাংলাদেশে গণহত্যা চালানোর বিষয়টি বিশ্ব দরবারে পুনর্বার উপস্থাপন করা। এবং সে সাথে পাকিস্তান যে সব শর্ত লঙ্ঘন করেছে তা তুলে ধরে পাকিস্তানকে শর্ত পূরণে বাধ্য করতে আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া।
১৯৫ জন সামরিক ব্যক্তি, যারা বাংলাদেশে গণহত্যার নির্দেশদাতা ও বাস্তবায়নকারী তাদের বিচার করবে বলে পাকিস্তান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও তারা সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি, বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও বর্তমানে রক্ষা করতে নানাবিধ চক্রান্ত করছে। বাংলাদেশের উচিত হবে সে ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের জন্য পাকিস্তানের ওপর চাপ প্রয়োগ করা। আমাদের সম্পদের ন্যায্য হিস্যার দাবি তোলা। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশের পাওনা প্রায় চার হাজার কোটি টাকা, ৪৪ বছরে সুদসহ ফেরত দেওয়া এবং বাংলাদেশে গত ৪৪ বছর ধরে পড়ে থাকা লাখ লাখ পাকিস্তানি নাগরিককে সে দেশে ফিরিয়ে নেওয়া। এ ছাড়া বাংলাদেশে বাস করে এখনো যারা পাকিস্তানের স্বপ্ন দেখেন, পাকিস্তানি ভাবধারায় চলেন তাদেরও সে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানা।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিপক্ষে এই অভিযোগগুলো তুলে ধরতে পারে। প্রয়োজনে লবিস্ট নিয়োগ করতে পারে সরকার।
পাকিস্তান আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র নয়। ছিল না কখনো। হতে পারে না কখনো। মাঝে মাঝে হতে পারে যখন দেশে পাকিস্তানি ভাবধারার সরকার ক্ষমতায় আসে। ১৯৭৫ সালে জাতির জনককে হত্যার পর প্রতিক্রিয়াশীল চক্রটি বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে অবিরাম। ১৯৭৫ এর পর এবং মাঝখানে ১৯৯৬-২০০১ সময়কাল বাদ দিলে বাকি সময়টি জিয়া এরশাদ-খালেদার সময়ে বাংলাদেশ কার্যত পাকিস্তানের মতোই চলেছে। এখন যে সরকার ক্ষমতায় তাদের অগ্রহে দেশ এখন প্রকৃত বাংলাদেশ, একাত্তরের বাংলাদেশ, ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের পক্ষে আগ্রসর হচ্ছে। ফলে বর্তমান সরকার বা একাত্তরের বাংলাদেশ, বায়ান্নের বাংলাদেশ বাঙালিদের বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তান নামক একটি ব্যর্থ, জঙ্গি ও ভঙ্গুর রাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও ক্ষতির চেয়ে লাভই হবে বেশি। স্বাধীনতা দিতে চায়নি যে রাষ্ট্রটি, গণহত্যা চালিয়েছে যে রাষ্ট্রটি, ১৯৭১ সালের পর থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অপপ্রচার চালিয়েছে যে রাষ্ট্রটি তার সাথে কখনো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হবে না। কাজেই কূটনৈতিক সম্পর্কেরও বড় বেশি প্রয়োজন পড়বে না।
আমাদের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে, আমাদের স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে যে কটাক্ষ করেছে পাকিস্তান তার জন্য তাকে নিঃশর্তে ক্ষমা চাইতে হবে। এবং আমাদের সাথে অমিমাংসিত বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি করতে হবে। পাকিস্তান নেমে গেছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। আমরা কেন নিশ্চুপ বসে থাকব। Email:[email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।  তথ‌্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি মহোদয়ের শুভ জন্মদিন আজ করোনায় পোশাক কারখানায় ৫৫ শতাংশ কাজ কমে গেছে: রুবানা হক