ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া হবে না বাংলাদেশ- -কামরুল হাসান বাদল-কবি ও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 29/10/2015-09:44am:   
(এক) সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন ভেঙে যাচ্ছিল তখন অনেকে বুঝতে পারেননি এর নেতিবাচক প্রভাব কতটা বিপজ্জনক ও সুদূর প্রসারী হবে। সাম্যবাদী এই রাষ্ট্রটি ভেঙে গেলে স্নায়ু-যুদ্ধের অবসান হয়েছে বটে কিন্তু বিশ্বকে ফেলে দিয়েছে এক পরাশক্তির বিশাল থাবার নিচে। এখন থেকে বিশ্ববাসীর মুক্তি অর্থাৎ বিশ্বের শান্তিবাদী, মানবতাবাদী মানুষের মুক্তি কঠিন হয়ে উঠছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বের অনেক হিসাব-নিকাশ ওলট-পালট করে দিলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় উপকার করে দিয়ে গেছে। যুদ্ধের ডামাডোলে তারা পরমাণু বোমার অধিকারী হয়ে ওঠে এবং জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকির লাখ লাখ নিরীহ মানুষের ওপর সফল প্রয়োগের মাধ্যমে শুধু হিটলারকে নমনীয় করা নয়, সোভিয়েত ইউনিয়নকেও নিজেদের শক্তি ও সামর্থ্যের বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছিল। মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমণে যুদ্ধ শেষ হলেও দুই পরাশক্তির মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ লেগেই ছিল। বিশ্ব ছিল তখন এই দুই পরাশক্তির চাপে। গড়ে ওঠে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোট ও সোভিয়েত ইউনিয়ন নেতৃত্বাধীন ওয়ারশ জোট। এর বাইরে এশিয়া-আফ্রিকার কিছু শান্তিবাদী রাষ্ট্র গড়ে তোলে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন। মার্শাল টিটো ছিলেন যার অন্যতম সংগঠক। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকার এই জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে শরিক হয়েছিলেন। ধারণা করা হয়ে থাকে ১৯৭৫ সালে তাঁকে হত্যা করা না হলে মার্শাল টিটোর পর তিনিই নেতৃত্ব দিতেন জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দুই পরাশক্তি বিশ্বে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে, অস্ত্রের উৎপাদন ও মজুদবৃদ্ধি ঘটালেও আদর্শ ও চরিত্রগত দিক থেকে এই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে ছিল অনেক তফাৎ। সোভিয়েত ইউনিয়ন মূলত গঠিত হয়েছিল এক মহান আদর্শকে ধারণ করে। (মার্ক্সবাদের সে আদর্শকে পুরোপুরি অনুসরণ ও তা বাস্তবায়নের ব্যর্থতা রাষ্ট্র হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন বা তার শাসক শ্রেণির। এ ব্যর্থতা মার্ক্সবাদের নয়। যেটি অন্য আলোচনা।) তবে এ রাষ্ট্রটিই বিশ্বব্যাপী স্বপ্ন দেখাতে সক্ষম হয়েছিল মেহনতি মানুষদের। এই রাষ্ট্রটিই বিশ্বব্যাপী মানবতাবোধ ও সংস্কৃতির উন্মেখ ঘটাতে অবদান রেখেছিল তাতে কোনো সন্দেহ নেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমরা দেখতে পাই সোভিয়েত ইউনিয়ন তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে শুধু আর্থিক সাহায্য নয়। সে জাতির মনোবিকাশেও শিক্ষা-সংস্কৃতির বিকাশে অবদান রাখার চেষ্টা করেছে। তখন বলা হতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন দেশে দেশে অস্ত্র পাঠাচ্ছে রাশিয়া তখন জাহাজে করে বই পাঠাচ্ছে। কথাটি মিথ্যা নয়।
সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন ভেঙে গেল সে বিষয়ে আলোচনা আজ নয়। আজ আলোচনা করতে চাই এই রাষ্ট্রটি ভেঙে যাওয়ায় বিশ্বে তার নেতিবাচক প্রভাব কী হয়েছে তা-ই নিয়ে। তবে তার আগে আরবী কবি কাহলিন জিবরানের একটি গল্প বলি। আমার ধারণা এই গল্পটির উদাহরণ আগেও হয়ত দুয়েকবার দিয়েছি। আমার নিয়মিত পাঠকরা পুনরাবৃত্তির জন্য ক্ষমা করবেন। গল্পটি এমন পাহাড়ের উপত্যকায় একটি মেষ তার শাবকদের নিয়ে চড়ে বেড়াচ্ছিল। এমন সময় সে দেখতে পেল একটি বাজপাখি প্রচণ্ড গতিতে ধেয়ে আসছে তার শাবকদের প্রতি। মেষটি তার শাবকদের সতর্ক করতে করতে দেখতে পেল আরেকটি বাজপাখি কোথা থেকে এসে আগের বাজপাখিটিকে বাধা দিচ্ছে। ভয়ে জড়োসড়ো শাবকরা মা’কে বলছে, মা, মা বাজপাখি দুটো কি আমাদের খেতে আসছে? মা মেষ বলল, ‘না বাছা তোমরা বুঝতে পারছো কোন বাজটি আমাদের আক্রমণ করতে আর কোন বাজটি আমাদের বাঁচাতে আসছে।’
আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন দুই পরাশক্তি হলেও গত শতকে এমন কি এখনো অনেক মেষ শাবকদের ন্যায় বুঝতে পারেনি কোন শক্তিটি অধিকতর নিরাপদ ও মানবিক ছিল।
(দুই) সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন ছিল তখন আমেরিকা কমিউনিজমের ভয় দেখিয়ে বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রকে অস্ত্রমজুদ করতে ইন্দন যুগিয়েছে। জনগণের মুখে ভাত দিতে পারে না এমন রাষ্ট্রকেও অস্ত্র কিনতে ও তার পেছনে কোটি কোটি ডলার খরচ করতে বাধ্য করেছে। আর এভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার অস্ত্রের বাজার স্ফীত করেছে এবং অস্ত্র বিক্রির টাকায় নিজেদের অর্থনীতিকে জোরদার করেছে। যা সমান্তরীনভাবে সোভিয়েত ইউনিয়ন পড়েনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রভাবিত পশ্চিমা গণমাধ্যম গণতন্ত্রের ধুয়া তুলে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে বিষোদগার, অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করতো। গত শতকের শেষ ভাগে এসে সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন ভেঙে আলাদা আলাদা রাষ্ট্রে পরিণত হলো তখন স্নায়ুযুদ্ধের অবসান হলো ঠিক। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার যুদ্ধ ঠিকই বজায় রাখলো। এবার টার্গেট পরিবর্তন হলো শুধু। আগে কমিউনিজমের ভয় দেখাতো। এখন ইসলামী জঙ্গিদের ভয়। মাঝখানের যে কয়েক বছরের বিরতি তাতে আমেরিকার অর্থে, অস্ত্রে জঙ্গি তৈরি করার কাল। সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল আফগানিস্তানে তাদের সৈন্য প্রেরণ। এই ভুলটি আর্থিক, নৈতিক ও আদর্শিকভাবে তাদের দুর্বল করে দিয়েছিল। এবং এই একটি সুযোগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুটি ফায়দা হাসিল করেছিল। এক, সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বকে ক্ষেপিয়ে তোলা। দুই, ইসলামী জঙ্গি গোষ্টী গড়ে তোলা। যা পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের বদলে টার্গেট করে তোলা যায়। আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সৈন্য হটানোর কাজে আমেরিকা ব্যবহার করে তার দীর্ঘদিনের মিত্রদেশ পাকিস্তানকে। পাকিস্তানের সহযোগিতায় পাকিস্তানের মাটিতে প্রশিক্ষণ ও আমেরিকান অস্ত্র দিয়ে গড়ে তোলা হয় তালেবান জঙ্গিদের। এর ধারাবাহিকতায় আল-কায়েদা নেটওয়ার্ক এবং অধুনা আইসিস বা আইএস জঙ্গি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার অস্ত্রের বাজার প্রসার এবং বিশ্বকে পদানত করে রাখার কৌশল হিসেবে একদিকে এসব জঙ্গিদের অস্ত্র দিচ্ছে অন্যদিকে জঙ্গি দমনের নামে রাষ্ট্রগুলোর কাছে অস্ত্র বিক্রির সাথে সাথে নিজেদের কর্তৃত্বও প্রতিষ্ঠা করছে। মোট কথা গত শতকে তারা সোভিয়েত ইউনিয়নের বা কমিউনিজমের ভয় দেখিয়ে যেভাবে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছিল এই শতকে তারা ইসলামী জঙ্গিদের ভয় দেখিয়ে একই কাজ করার অপচেষ্টা করছে। তফাৎ শুধু এই, সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল একটি আদর্শিক রাষ্ট্র কাঠামো, স্বাধীন ও মানবিক। আর ইসলামী জঙ্গিবাদ হচ্ছে আমেরিকার অর্থে অস্ত্রে গড়ে তোলা চরম ফ্যাসিবাদী ও অমানবিক এক দানব শক্তি। গত শতকে বিশ্বের যে কোনো দেশ বা বিশ্বের যে কোনো মানুষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী ও যুদ্ধনীতির প্রতিবাদে কমিউনিজম বা জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে শরিক হতে পারতো নতুন শতকে এসে তার সামনে আর কোনো বিকল্প থাকলো না। বিশেষ করে ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর। প্যালেষ্টাইন নিয়ে ইসরাইলের প্রতি নগ্ন পক্ষপাত ও ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আমেরিকার অন্যায় আচরণে ক্ষুদ্ধ মুসলিম তরুণ সমাজ আমেরিকার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে বিকল্প হিসেবে বেছে নিচ্ছে তাদেরই সৃষ্ট ইসলামী জঙ্গিবাদকে। সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আফগানিস্তান যুক্ত করার কথিত লড়াইয়ে বিশ্বের বহু মুসলিম দেশের মতো বাংলাদেশ থেকেও অসংখ্য তরুণ অংশ গ্রহণ করেছিল। যেমন এখন অনেক দেশ থেকে এমনকি ইউরোপ থেকেও অনেক মুসলিম তরুণ তরুণী জিহাদের জোগে আইএস জঙ্গিদের সাথে ভিড়ে যাচ্ছে।
পশ্চিম গণমাধ্যম কতটা মার্কিন প্রভাবাশীল তার উজ্জ্বল প্রমাণ হচ্ছে ইরাক যুদ্ধ। ইরাকের প্রেসিডেন্ট তার দেশে বিরোধীদের ঠেকাতে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করছে এবং ইরাকে বিধ্বংসী অস্ত্র মজুদ আছে পশ্চিমা মিডিয়ায় এমন প্রচার এবং আমেরিকা ও তার মিত্রদের সেই যুদ্ধ যে ভুল ছিল তা সম্প্রতি স্বীকার করেছে। যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। এখন স্বীকার করলেও দুঃখজনক হচ্ছে ইরাকের যা ক্ষতি এবং যতটা ক্ষতি হতে পারে তার সবটাই সম্পন্ন হয়েছে। আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া হয়ে আমেরিকার এবারের লক্ষ্য সিরিয়া। সিরিয়ায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে এই অজুহাতে সেখানেও অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবং ব্লেয়ারের কথাতেই বলতে হয়ণ্ড ইরাক-যুদ্ধের ফলেই আইএসের মতো জঙ্গি সৃষ্টি হয়েছে। লক্ষ্য করার বিষয় যে, সিরিয়ায় শুধুমাত্র গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই দেশে বিদ্রোহীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিতে আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যের যে দুটি রাষ্ট্রকে ব্যবহার করেছে সে দু’টি রাষ্ট্র সৌদি আরব ও কাতার নিজেরাই চরম স্বৈরতান্ত্রিক দেশ। যেখানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা নিয়ে কখনো প্রশ্ন তোলেনি আমেরিকা। এক সময় মোল্লা ওমরকে খুঁজতে বিশ্বের যে কোনো দেশে হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করেছিল আমেরিকা, তারপর লাদেন এবং এরপর এখন আইএস জঙ্গি। এখন আইএস জঙ্গি আছে এমন অজুহাত তুলে যে কোনো দেশে বিশেষ করে মুসলিম দেশসমূহে হামলা করতে পারে আমেরিকা। যদিও আইএস জঙ্গি বিরোধী যুদ্ধ বাস্তবে যে আমেরিকা ও আইএস জঙ্গিদের যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা তা দিনের আলোর মতো স্বচ্ছ হয়েছে বিশ্ববাসীর কাছে, বিশেষ করে সিরিয়ায় রাশিয়ার প্রকৃত আইএস বিরোধী অভিযানের ফলে।
(তিন) একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হওয়া স্বত্তেও এখন বাংলাদেশ পড়েছে মহা ফাঁপরে। দেশে আইএস জঙ্গি আছে এটি স্বীকার করা মানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফাঁদে পা দেওয়া আবার নেই বলা মানে বর্তমান সরকার যে জঙ্গিবাদ নিয়ে জিরো টলারেন্স দেখাচ্ছে তা অসার প্রমাণিত হওয়া। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া, জঙ্গিবাদ বিরোধীদলের অর্থাৎ বিএনপির মতো একটি বড় রাজনৈতিক দলের একের পর এক ষড়যন্ত্রমূলক ও ধ্বংসাত্মক রাজনীতি এবং সে সাথে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঠেকাতে গিয়ে বর্তমান সরকার নানামুখি সমস্যা ও চাপে আছে। এই চাপ অব্যাহত ও জোরদার করার লক্ষ্যে সম্প্রতি দুজন বিদেশি নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে। ইতালীয় নাগরিক তাভেলি হত্যায় বিএনপি নেতা ও ঢাকার সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর কাইয়ুম জড়িত বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথ্য দিয়েছেন। এ ছাড়া জাপানি নাগরিক হত্যায়ও যে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা জড়িত সে বিষয়ে অনেকে অভিযোগ করেছেন। মনে হয় দুয়েকদিনের মধ্যে সে রহস্যও উদঘাটিত হবে।
আইএস আছে এমন প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বা না দিয়ে বলা সম্ভব নয়। এর উত্তর দিতে গেলে অনেক বিষয়ের অবতারণা করতে হবে। তবে এ কথাতো সত্যি যে বিশ্বব্যাপী ইসলামী জঙ্গিবাদের উত্থানে যে শক্তি ও আদর্শ অর্থাৎ ওয়াহাবী ও মওদুদীবাদীরা সক্রিয় বাংলাদেশেও তা বিদ্যমান। সরাসরি আইএসের অস্তিত্ব না থাকলেও কান টানলে মাথা আসার মতো বাংলাদেশে বিদ্যমান ওয়াহাবী ও মওদুদীবাদীরা প্রকৃত অর্থে আইএসের আদর্শ বহন করে। তাই এরা আদর্শিকভাবে আইএসের সমর্থক।
যাই হোক। বাংলাদেশের বিষয়ে বাংলাদেশের সরকার এবং এর জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। কোনো দেশের উপদেশ, আদেশ, হস্তক্ষেপ, উৎকণ্ঠা কোনো ভাবেই কাম্য নয়। কোনো শক্তি বা রাষ্ট্র যদি মনে করে সিরিয়ার পর বাংলাদেশেই হতে পারে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলার উপযুক্ত স্থান তবে তারা ভুল করবে। কারণ এ দেশের ভূগোল, ইতিহাস, জলবায়ু, জনগণ কথনো চরমপন্থীদের পছন্দ করেনি, প্রশ্রয় দেয়নি ভবিষ্যতেও দেবে না।
[email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।  তথ‌্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি মহোদয়ের শুভ জন্মদিন আজ করোনায় পোশাক কারখানায় ৫৫ শতাংশ কাজ কমে গেছে: রুবানা হক