প্রশংসাকৃপণ বাঙালি ও অন্যান্য -কামরুল হাসান বাদল-কবি ও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 16/10/2015-05:41pm:   
বাঙালির গুণাবলীর শেষ নেই, তা অবশ্যই মানি। তবে তার কিছু দুনার্মও আছে স্বীকার করতে হয়। এর মধ্যে বাঙালির পরশ্রীকাতরতা ও প্রশংসা কৃপণতা অন্যতম। যেমন হঠাৎ কারো সাথে দেখা, এ কথা সে কথার পর ‘কী খবর তোমার চেহারাটা খারাপ হয়ে গেছে কেন?’ কিংবা ‘সব ঠিক আছে পেটটা কিন্তু বেশ বড় হয়ে গেছে।’ প্রেসার আছে? কোলেস্টেরল? এ বিষয়ে নারীরা আরেকটু এগিয়ে- ‘ভাবী শাড়িটাতো বেশ সুন্দর। ইশ আপনার রংটা যদি আরেকটু ফর্সা হতো, যা ভালো লাগতো।’ বা ‘ভাবী রান্না খুব ভালো হয়েছে তবে মাংসে বোধ হয় ধনেগুঁড়া একটু বেশি দিয়েছেন। শোনেন, আমি বলি, মাংস কষানোর আগে---।’
আপনি হয়তো কারো প্রশংসা করছেন দেখবেন শ্রোতাদের মধ্যে কয়েকজন বলে উঠবে, ‘আরে ভাই কী যে বলেন, আপনি ওনাকে চেনেন। হুঁ, চিনলে এভাবে বলতেন না। থাক প্রশংসা যখন করছেন করে যান আজ বলব না। কোনো একদিন বলব।’ একটি কবিতা ছাপা হলো। দেখে কেউ কেউ বলেন- ‘তোমার কবিতা দেখলাম।’ উত্তর দিতে পারি না কারণ- তখন ভাবতে থাকি কবিতা দেখার বিষয় হয়ে উঠল কখন। কারো লেখা বেশ ভালো হয়েছে। নিজে ভালো বলবে না, বলবে- ‘তোমার লেখাটি না কি ভালো হয়েছে। অমুক বলল। আমি অবশ্য এখনও পড়তে পারিনি।’ ‘ধন্যবাদ’ বাংলায় সবচয়ে কম উচ্চারিত একটি শব্দ।
সবাই যে এমন তা কিন্তু নয়, উজ্জ্বল ব্যতিক্রমও আছেন অনেকে।
এ একটি গল্পই বলি বরং। নরক পরিদর্শনে গেছেন কিছু ‘আন্তর্জাতিক সুশীল ব্যক্তি’। তাঁরা দেখছেন নরকের নারকীয় পরিবেশ। বড় বড় কড়াই জলন্ত উনুনের ওপর। তার ভেতর পাপীদের সেদ্ধ করা হচ্ছে। প্রতিটি কড়াইয়ের সামনে বিশাল আকৃতির ভয়াবহ চেহারার প্রহরীর দল। কড়াই থেকে যারা উঠে পালিয়ে প্রাণ বাঁচাতে চাইছে তাদের বিশাল বিশাল লাঠি দিয়ে ধাক্কা মেরে আবার কড়াইয়ে ফেলা হচ্ছে। পরিদর্শকরা একটি একটি কড়াই পার হচ্ছেন আর তাদের গাইড বর্ণনা দিচ্ছেন কোনটি কোন দেশের পাপীদের। একটি কড়াইয়ের সামনে এসে পরিদর্শকরা অবাক হলেন। দেখলেন সেখানে কোনো প্রহরী নেই। খুব আগ্রহ নিয়ে তারা জানতে চাইলেন এটি কোন দেশের পাপীদের। গাইড বললেন এটি বাংলাদেশের। বিস্মিত পরিদর্শকরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে বললেন, বাহ বাংলাদেশের পাপীরা এত ভালো। তারা পালাবারও চেষ্টা করে না। গাইড বললেন, আরে না, তা নয়। এখানে কেউ পালানোর চেষ্টা করলে অন্যরা তার পা টেনে ধরে আবার কড়াইয়ে ফেলে দেয়। তাই বাড়তি পাহারার দরকার হয় না। ওরাই ওদের পাহারা দেয়।
বলছিলাম, কেউ উপরে উঠতে গেলে তাকে টেনেটুনে না নামাতে পারলে যেন বাঙালির শান্তি নেই। জাতির কোনো বরেণ্য সন্তানও নিস্তার পায় না এদের হাত থেকে। এমন কি বাঙালির দু-শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু ও রবীন্দ্রনাথও বাকি নেই। এপার বাংলায় নিজ সৃষ্ট দেশে এখনো অনেকের তীক্ষ্ণ সমালোচনায় বিদ্ধ হন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু। আর ওপার বাংলায় রঞ্জন বন্দোপাধ্যায় নামের এক লেখক কবিগুরুর বিছানার খবর পর্যন্ত দিয়ে যাচ্ছেন যেন তিনি ওই ঠাকুর বাড়ির দেওয়ালের পলেস্তরা ছিলেন বলে সব প্রত্যক্ষ করেছেন। তবে সেখানে তিনি রবীন্দ্রনাথকে নামালেও নিজের টাকার পাল্লাটা ভারী করতে পেরেছেন। অতি সম্প্রতি শেখ হাসিনা পরিবেশের জন্য জাতি সংঘ থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন। ইনফরমেশন টেকনোলজির অগ্রগতির কারণেও তাঁকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। ক’দিন আগে আমার এক সাংবাদিক বন্ধু বললেন, ‘পরিবেশের জন্য এই পুরস্কারতো শেখ হাসিনা প্রথমবার পান নাই। এর আগেও বাংলাদেশের একজন পাইছিল।’ বললাম, কে তিনি? আমতা আমতা করে বললেন- কে যেন একজন পাইছে ভাই। বললাম, মনে করুন পেয়েছে তাই বলে এই স্বীকৃতিটা কি খাটো হয়ে যাবে? নিরুত্তর রইলেন ভদ্রলোক।
আমিতো বাংলাদেশের এমন কোনো সেক্টর দেখছি না যেখানে শেখ হাসিনার শাসনামলে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এ কথা বলতে দ্বিধা কেন? ভালোকে ভালো না বললে ভালো কাজে মানুষ উদ্বুদ্ধ হবে কেন? সামাজিক সূচকের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়ন অভূতপূর্ব। সে সাথে শিশু মৃত্যু ও প্রসবকালীন মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ অন্য দেশের কাছে এখন উদাহরণ। জাতি সংঘ থেকে বিশ্বব্যাংক সবাই বাংলাদেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ (আলাদা আলাদা পরিসংখ্যান তুলে ধরতে গেলে মূল লেখাটি শেষ হবে না) শুধু দেশের একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও আমাদের ‘নিরপেক্ষ’ সুশীলরা এই অগ্রযাত্রা দেখতে পান না। একটি উদাহরণ দিতে চাই। গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে বেশ কিছু শিশু হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সারা জাতি বেদনাহত হয়েছে তাতে। আমরাও ক্ষুব্ধ, ব্যথিত হয়েছি। বিচারের দাবিতে মানববন্ধন থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে লেখালেখিও করেছি। এখন বিচার শুরু হচ্ছে। এই লেখা প্রকাশের দিন অথবা শুক্রবার সৌদি আরব থেকে শিশু রাজন হত্যাকারী কামরুলকে দেশে নিয়ে আসা হবে। শুধু শিশু হত্যা নয়। শিশু নির্যাতন বন্ধসহ পথশিশুদের পুনর্বাসন ও শিশুদের বেশি বেশি পড়ার চাপ কমানোর দাবিও করে এসেছি দীর্ঘকাল ধরে। দেশের সকল শিশু সংগঠনসহ সচেতন মানুষ এই দাবিগুলো আদায়ে সোচ্চার। গত রবিবার রাজধানী ঢাকায় শিশু একাডেমি মিলনায়তনে ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০১৫’ উদ্বোধনকালে অবিস্মরণীয় অসাধারণ একটি ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমি ভেবেছিলাম দেশের শিশুদের নিয়ে যারা ভাবেন, শিশু অধিকার নিয়ে যারা আন্দোলন করেন, শিশুদের মাথা বেচে যারা এনজিও চালান তারা অন্তত প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ ভাষণকে স্বাগত জানাবেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করবেন এবং তাঁর নির্দেশনা যেন সুষ্ঠুভাবে পালিত হয় সে ব্যাপারে সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস দেবেন। কিন্তু তেমন কিছুই বাংলাদেশে ঘটেনি। কারণ ‘ধন্যবাদ’ এই শব্দটি উচ্চারণেও যে বাঙালি কার্পণ্য করে।
সেদিন প্রধানমন্ত্রী কী বলেছিলেন, পাঠকদের সুবিধার জন্য তার কিছুটা উদ্ধৃতি দিচ্ছি। তিনি বলেছেন, ‘একটি স্কুলে ভর্তি হতে গেলে ছাপানো প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিয়ে ভর্তি করতে হবে, তা নয়। যে এলাকায় যে বসবাস করে সে এলাকায় ভর্তি হওয়া তার অধিকার। সরাসরি তাদের আগে ভর্তি করিয়ে নিতে হবে। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু, সমাজকল্যাণ ও প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় অবশ্যই এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। আর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যেন এটা সমন্বয় করা হয়।’ (ট্রাফিক জ্যাম কমানোর লক্ষে নিজ এলাকায় স্কুলে শিশুদের পড়ানোর ব্যাপারে নগর পরিকল্পনাবিদদের একটি দাবি ছিল)। একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘তারা (শিশুরা) যদি লেখাপড়া শিখে ছাপানো প্রশ্নপত্র পড়ে পরীক্ষায় উত্তর দিয়ে স্কুলে ভর্তি হতে পারে তাহলে আর স্কুল কী শেখাবে। প্রাক প্রাইমারি বা প্রাইমারি স্কুল তাদের কী শেখাবে।’ শিশুদের ওপর পড়াশোনা বা বইয়ের অধিক চাপ দেওয়া হয় এ অভিযোগ আমাদের সকলের। সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘শিশুদের লেখাপড়া শেখাতে পাঠানো হয় এক গাদা বইয়ের বোঝা কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে। তাদের সারাক্ষণ পড়ো পড়ো এর ওপর রাখা হয় যা গ্রহণযোগ্য নয়।’ ফ্ল্যাট বাড়িতে শিশুরা ফার্মের মুরগির মতো বড় হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের জন্য খেলার জায়গা রাখার অনুরোধ করেন। শিশুদের শিক্ষাসহ মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইতিমধ্যে অনেক হিসাব এসেছে ৩৪ লাখ শিশু ঢাকার রাস্তায় থাকে। এখানে আমাদের মহিলা ও শিশু এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় আছে। আমি দুই মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিচ্ছি একটি শিশুও রাস্তায় ঘুরবে না। একটা শিশুও এভাবে মানবেতর জীবন যাপন করবে না।” প্রধানমন্ত্রী যে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন তা নিয়ে গত ৪৪ বছর ধরে আমরা বলে এসেছি। বিশেষ করে দেশের সকল শিশুসংগঠন, মানবাধিকারকর্মী ও এনজিওরা শিশুদের এই সমস্যাগুলো নিয়ে অনেককাল যাবত জনমত তৈরির চেষ্টা করেছেন, দাবি জানিয়েছেন এবং রাতের টকশোতে অনেক আলোচক এমন দাবি তুলতে তুলতে ক্লান্ত হয়েছেন। বিশ্ব শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য, নির্দেশনার পরে দেশের একটি শিশুসংগঠন, একজন মানবাধিকার কর্মী বা এনজিও কেউতো ছোট্ট একটি শব্দ ‘ধন্যবাদ’ টুকুও উচ্চারণ করলেন না। কেন, শেখ হাসিনা বলেছেন বলে? শেখ হাসিনার একটু প্রশংসা করলে নিরপেক্ষতার মুখোশটুকু যদি খুলে যায়, তাই?
প্রধানমন্ত্রী যা করতে বলেছেন তা উন্নত বিশ্বের তুলনায় তেমন কিছু নয়। এই সব সুবিধা সেখানে রাষ্ট্র অনেক আগেই নিশ্চিত করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো একটি জনবহুল দেশে এ বিষয়গুলো উপেক্ষতি থেকেছে দীর্ঘদিন। মানবিক বিষয়গুলোর দিকে তাকানোর ফুরসুতই পাননি অন্য শাসকরা।
বঙ্গবন্ধু পরিবারের দুর্ভাগ্য হচ্ছে অপপ্রচার থেকে এই পরিবার রেহাই পায়নি কখনো। ১৯৭৫ সালের পর থেকে শুনে আসছি,‘ বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হবে না’, ‘শেখ হাসিনা তার পিতা হত্যার বিচার করবে না’, শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে না’ ‘বিচার করলেও চূড়ান্ত রায় দেবে না,’ রায় দিলেও ফাঁসি দেবে না’, ইত্যাদি। লেখাটি একটি গল্প দিয়ে শুরু করেছিলাম। শেষও করি একটি গল্প দিয়ে। তা-ও এক পরশ্রীকাতর প্রতিবেশীর গল্প। প্রতিবেশী তরুণ বিয়ে করেছে শুনে পরশ্রীকাতর আরেক প্রতিবেশীকে বলছে, বিয়ে করলে কী হবে, দেখো ওর কোনোদিন ছেলেপুলে হবে না। একদিন ছেলে জন্ম নেওয়ার পর বললো, ‘ছেলে হলে কী হবে, লেখাপড়া শিখিয়ে কোনোদিন মানুষ করতে পারবে না। একদিন সে শিশু বড় হয়ে উচ্চ শিক্ষা শেষ করলো, প্রতিবেশীটি বললো, ‘লেখাপড়া শেষ করলে কী হবে দেখো চাকরি পাবে না। একদিন ছেলেটি ঠিক ঠিক চাকরি পেলো। শুনে সে ভীষণ বিমর্ষ হয়ে বলল, চাকরি হলে কী হবে দেখো বেতন পাবে না। দাঁত থাকতে না কি দাঁতের মর্ম বোঝে না বাঙালি।
শুধু দাঁত নয় বাঙালি তার বীরপুত্রদের জীবিতকালে খুব কম মর্মই বুঝেছে। শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছি বলে অনেকে আমাকে আওয়ামী লীগার, আওয়ামী লীগের দালাল লেখক, আওয়ামী লীগ দ্বারা সুবিধাপ্রাপ্ত নানাভাবে গালিগালাজ করতে পারেন। তাতে আমার বিন্দুমাত্র আপত্তি নেই। শেখ হাসিনা যে এক দূরদর্শী রাজনৈতিক নেতা এবং দক্ষ ও সফল রাষ্ট্রনায়ক সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বাঙালিেএখন স্বীকার করুক আর না করুক। বিশ্ব রাজনীতির এই ক্রান্তিকালে শেখ হাসিনার অবস্থান স্পষ্ট এবং চূড়ান্ত হয়ে গেছে। একদিন সবাইকে তা স্বীকার করতেই হবে। আমি আগাম বলে ফেলেছি। এই তফাৎ আর কি!
[email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।