আয়লান নয়, মুখ থুবড়ে পড়ে আছে সভ্যতা-কামরুল হাসান বাদল-কবি ও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 10/09/2015-08:39pm:    আমেরিকার পরে বিশ্ব সভ্যতার জন্য আজ সবচেয়ে বড় যে হুমকি আইএস বা ইসলামিক স্টেটের জঙ্গিরা। তাও আমেরিকার মদদে সৃষ্ট। এর আগে আফগানিস্তানে সোভিয়েত সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সৃষ্ট তালেবান তা-ও পাকিস্তানের সহায়তায় গড়া আমেরিকার কুকীর্তি। সাদ্দাম হোসেনও এক সময় আমেরিকার তোষণকারী ছিলেন। কিন্তু কুয়েত আক্রমণ করার পর সাদ্দাম আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বলয় পরিবর্তন করেন এবং প্রবল আমেরিকাবিরোধী হয়ে উঠেছিলেন। তিনি ডলারের পরিবর্তে ইউরোকে শক্তিশালী করতে গিয়ে কিছু ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যার জন্যে তাকে প্রাণ দিতে হয়েছে। লিবিয়ার গাদ্দাফিরও পরিণতি হয়েছিল তাই।
ইরাক, লিবিয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার এবারের টার্গেট সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ। যে অপরাধে আজ আসাদকে উচ্ছেদের নামে আমেরিকা সেখানে গৃহযুদ্ধ লাগিয়েছে। চরম জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসকে অস্ত্র, গোলাবারুদ সরবরাহ করেছে সে অপরাধে দায়ী মধ্যপ্রাচ্য বা দক্ষিণ আফ্রিকার অনেক দেশ আমেরিকার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আয়লানের মৃত্যু বিশ্ব মানবতাকে চরম প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
লাল জামা আর নীল রঙের হাফ-প্যান্ট পরা তিন বছরের একটি শিশু মুখ থুবড়ে পড়ে আছে তুরস্কের সমুদ্র তটে। দূর হতে যে কেউ ভাবতে পারে কোনো শিশু হয়তো খেলার ছলে দুষ্টুমি করে এভাবে হাত পা ছড়িয়ে দিয়ে শুয়ে আছে। আসলে তা নয়। আয়লান নামের এই শিশুটির প্রাণহীন নিথর দেহটি পড়ে আছে। আসলে আয়লানও নয়, এভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে বিশ্বসভ্যতা আর মানবতা।
যুদ্ধ কাকে বলে তা এ শিশুটি জানে না, জানার কথাও নয়। সে শুধু তার বাবা-মায়ের সাথে পাড়ি দিয়েছে শত শত মাইল। সেই বিপদ সংকুল পথ পাড়ি দেওয়া আয়লান উপভোগ করেছে কি না জানি না। মৃত্যুভয় আয়লানকে স্পর্শ করেছিল কি না তাও আমরা জানি না। তবে আয়লানের বাবা যুদ্ধ কী তা বুঝেছে। দেখেছে যুদ্ধের ভয়াবহতা। তাই নিজে বাঁচতে স্ত্রী ও দু’সন্তানকে বাঁচাতে নিজ মাতৃভূমি ছেড়েছে। শান্তি ও নিরাপত্তার অন্বেষণে মৃত্যু ঝুঁকি নিয়েছে। আয়লানের পিতা আবদুল্লাহ কুর্দির পেছনে তাড়া করছে যুদ্ধ, ধ্বংস ও মৃত্যু আর সামনে অনিশ্চিত জীবন। যেখানে জীবন ও মৃত্যুর সম্ভাবনা পঞ্চাশ-পঞ্চাশ। আবদুল্লাহ কুর্দি এবং তার মতো হাজার হাজার ভয়ার্ত মানুষ পেছনে নিশ্চিত মৃত্যুর চেয়ে সামনের পঞ্চাশ ভাগ সম্ভাবনাকে বেছে নিয়েছে।
মানুষ কখন এবং কী পরিস্থিতিতে পড়লে নিজ মাতৃভূমির মায়া ত্যাগ করে। পূর্ব পুরুষের ভিটেমাটি ছেড়ে অনিশ্চয়তার পথে নেমে পড়ে তা একমাত্র ভুক্তভোগী, অভিবাসী বা উদ্বাস্তু ছাড়া অন্যরা উপলব্ধি করতে পারবে না।
সিরিয়া থেকে পালিয়ে তুরস্ক হয়ে সমুদ্রপথে গ্রিস যাওয়ার চেষ্টা করেছিল আবদুল্লাহ কুর্দি। গত বুধবার ২ সেপ্টেম্বর যাত্রাপথে সাগড়ে নৌকাডুবিতে ১২ জন মারা যায়। বাবার হাত ধরে ছিল আয়লান আর তার ভাই। প্রবল ঢেউয়ে যখন নৌকা দুলে উঠেছিল সে সময় স্ত্রীকে ধরতে গিয়ে ক্ষণিকের জন্য তা থেকে ছিঁটকে যায় তারা। মা ও ভাইয়ের সাথে মৃত্যুবরণ করে শিশু আয়লান। বিশ্বকে, সভ্যতাকে, মানবতাকে চরম ব্যাঙ্গ করার জন্যই হয়তো সাগরও শিশু আয়লানকে গ্রহণ করেনি। কোনো জলচর প্রাণির খাদ্য করেনি। ঢেউয়ের আগায় পৌঁছে দিয়েছে তীরে। মানুষ যেন নিজেদের ধ্বংস আর সর্বনাশের দিকে তাকিয়ে লজ্জা পায়।
আবদুল্লাহ কুর্দির মাতৃভূমি সিরিয়ায়। সেখানে গৃহযুদ্ধ চলছে কয়েক বছর থেকে। সে যুদ্ধে এরই মধ্যে প্রাণ হারিয়েছে আড়াই লক্ষাধিক মানুষ। উদ্বাস্তু বা শরণার্থীর জীবন বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে তার চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ। সিরিয়ায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে সেখানে বিদ্রোহীদের অর্থ, অস্ত্র, গোলাবারুদ দিয়ে সাহায্য করছে আমেরিকা। আশ্চর্যের বিষয় এই, সিরিয়ায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ছুঁতোয় লাগিয়ে দেওয়া যুদ্ধে আমেরিকা অস্ত্র পাঠাচ্ছে সৌদী আরব ও কাতারের মাধ্যমে, যে দুটি রাষ্ট্রেই নেই কোনো গণতন্ত্র। রাজতন্ত্রের নামে যেখানে চলছে পরিবারতন্ত্র।
আসলে আমেরিকার যুদ্ধনীতির কারণে এখন অধিকাংশ মুসলিম দেশেই চলছে গৃহযুদ্ধ। নয়তো হানাহানি, পরস্পর হত্যাকাণ্ড। আমেরিকার ভুল ও আগ্রাসন নীতির কারণে আয়লানের মতো লাখ লাখ শিশু এখন উদ্বাস্তু হয়েছে। হাজার হাজার পরিবার মাতৃভূমি ছেড়ে শরণার্থীর জীবন বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। যে ইউরোপ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্য ও আগ্রাসন নীতিকে সমর্থন দিয়েছে তাদেরই আজ আমেরিকার এই দায় বহন করতে হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকা খুব কৌশলে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ক্ষমতা বিস্তারের চেষ্টা করেছে।
গত শতকের ৬০ দশক থেকে মধ্যপ্রাচ্যের তেলখনি করায়ত্ত করার মাধ্যমে বিশ্বের জ্বালানি বাজারে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করেছে এবং এর মাধ্যমে তাদের দেশের মুদ্রা ডলারকে আন্তর্জাতিক মুদ্রায় পরিণত করার চেষ্টা চালিয়েছে। তেলের দাম ডলারে পরিশোধ করতে গিয়ে ডলার হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা। আর এই মুদ্রার মালিক হচ্ছে আমেরিকা। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার প্রভাব বৃদ্ধিতে প্রথম থেকেই সহায়তা করেছে তেল সমৃদ্ধ দেশ, সৌদী আরব, কুয়েত, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। আরব বা আফ্রিকার যেসব জাতীয়তাবাদী নেতা আমেরিকার এই বশ্যতা মেনে নিতে কার্পণ্য করেছে তাদের হত্যা বা ক্ষমতা থেকে উৎখাত করেছে অতি নির্মমতার সাথে। আমেরিকার বলয় থেকে যারা বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছে যেমন সাম্প্রতিককালের ইরাকের সাদ্দাম হোসেন, লিবিয়ার কর্নেল গাদ্দাফি, তাদের ক্ষমতা থেকে উৎখাতই করা হয়নি, নির্মমভাবে হত্যাও করা হয়েছে।
আমেরিকার পরে বিশ্ব সভ্যতার জন্য আজ সবচেয়ে বড় যে হুমকি আইএস বা ইসলামিক স্টেটের জঙ্গিরা। তাও আমেরিকার মদদে সৃষ্ট। এর আগে আফগানিস্তানে সোভিয়েত সৈন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সৃষ্ট তালেবান তা-ও পাকিস্তানের সহায়তায় গড়া আমেরিকার কুকীর্তি।
সাদ্দাম হোসেনও এক সময় আমেরিকার তোষণকারী ছিলেন। কিন্তু কুয়েত আক্রমণ করার পর সাদ্দাম আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বলয় পরিবর্তন করেন এবং প্রবল আমেরিকাবিরোধী হয়ে উঠেছিলেন। তিনি ডলারের পরিবর্তে ইউরোকে শক্তিশালী করতে গিয়ে কিছু ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যার জন্যে তাকে প্রাণ দিতে হয়েছে। লিবিয়ার গাদ্দাফিরও পরিণতি হয়েছিল তাই।
ইরাক, লিবিয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার এবারের টার্গেট সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ। যে অপরাধে আজ আসাদকে উচ্ছেদের নামে আমেরিকা সেখানে গৃহযুদ্ধ লাগিয়েছে। চরম জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসকে অস্ত্র, গোলাবারুদ সরবরাহ করেছে সে অপরাধে দায়ী মধ্যপ্রাচ্য বা দক্ষিণ আফ্রিকার অনেক দেশ আমেরিকার ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
আয়লানের মৃত্যু বিশ্ব মানবতাকে চরম প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। অর্থনীতি ও সামরিক দিক দিয়ে শক্তিমান দেশগুলো ও তার রাষ্ট্র প্রধানরা বিবেকের তাড়নায় আজ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ খবরগুলো পাঠকরা প্রতিনিয়ত সংবাদ মাধ্যমে পড়ছেন ও দেখছেন। এক সময়ের ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র জার্মানির ভূমিকা এখানে সবচেয়ে বেশি। জার্মান ইতিমধ্যে ৩শ কোটি ডলারের তহবিল গঠন করেছে, যা তাদের স্থানীয় সরকারগুলোকে দেওয়া হবে অভিবাসীদের পুনর্বাসনে খরচ করার জন্য। দীর্ঘদিন যুদ্ধ, হানাহানি, মৃত্যু ও ধ্বংসের পরে এখন সে সব দেশ থেকে লাখ লাখ মানুষ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অভিবাসনের আশায় ঢুকে পড়ছে। তাদের বাধা দিয়ে রাখা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো শরণার্থীদের ওপর সদয় না হয়েও পারছে না। দীর্ঘদিন সভ্যতা, ভব্যতা, আধুনিকতা, মানবতা আর মানবাধিকারেরা যে তত্ত্ব ও শিক্ষা ইউরোপ বিশ্ববাসীকে দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবার তাদেরকেই সে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে।
এখন যা ঘটছে তা না হয়ে উপায় ছিল না। পানির ধর্ম যেমন নিচে গড়িয়ে পড়া, মানব জাতির ধর্মও হচ্ছে উজান ঠেলে ওঠা। অভিবাসনের ইতিহাস তাই হাজার হাজার বছরের। মানুষ বেঁচে থাকার তাগিদে, কখনো আরও উন্নত জীবনের তাগিদে পাড়ি জমিয়েছে এক দেশ থেকে অন্য দেশে। এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে। একটি সময় খরা, মহামারী, বন্যা বা নানাবিধ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে, এরপর যুদ্ধ বিগ্রহ ও জাতিগত নিপীড়নের কারণে মানুষ মাতৃভূমি ছেড়েছে। শান্তিপূর্ণ দেশগুলোতে যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়ে পরাশক্তিগুলো যে পাপ সঞ্চয় করেছে তা স্খলনের সময় বোধ হয় উপস্থিত হয়েছে। মানুষ বেঁচে থাকার প্রয়োজনে সীমানা পাড়ি দেবে। বেঁচে থাকার প্রয়োজনে মৃত্যু ঝুঁকি নেবে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলো থেকে সামনে আরও অভিবাসী ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তাদেরকে আশ্রয় দিতে হবে। তাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিতে হবে। বিশ্বের কিছু মানুষকে যুদ্ধে, ধ্বংসে নিপতিত করে কিছু মানুষ আরাম আয়েশে থাকতে পারে না। যুদ্ধবাজ আমেরিকার প্রতি ইউরোপ নিজ স্বার্থেই চাপ প্রয়োগ করতে বাধ্য হবে। লক্ষ লক্ষ অভিবাসীর সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে শান্তিপ্রিয় বিশ্ববাসী বলবে, ‘যুদ্ধ থামাও, নতুবা সীমান্ত খুলে দাও।’
সৌর জগতের একমাত্র গ্রহ পৃথিবী যেখানে মানুষ বাস করে। এই পৃথিবীর সব কিছুতেই মানুষের সমান অধিকার। এখানে যে কোনো প্রান্তে মানুষের বাস করার অধিকার আছে। কাজেই যুদ্ধবাজদের প্রভাব থামতে হবে। অন্যের দেশে যুদ্ধ লাগিয়ে নিজেকে দীর্ঘদিন নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ রাখার দিন বোধ হয় শেষ হয়ে আসছে। যারা এখনো বলে বেড়ায়, ‘সারা জাহানের মুসলিম একই জাতি’ তাদেরও বুঝি এখন বাস্তবতায় ফেরার সময় হয়েছে। ক্ষমতা, অর্থ আর নিজেদের স্বার্থের কাছে ধর্ম কখনো বড় নয়। অর্থাৎ রাজনীতিই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মকে তখন শুধু উন্মাদনার জন্য ব্যবহার করা হয়।
আজ ইউরোপ হাজার হাজার অভিবাসীকে আশ্রয় দিচ্ছে বটে। তবে তা কতদিনের জন্য। একটি সময় তাদেরও বোঝা হয়ে উঠবে এসব শরণার্থী। কাজেই ইউরোপীয় দেশগুলোকে ভাবতে হবে আর কত বছর তারা আমেরিকার যুদ্ধনীতির সহায়ক হয়ে থাকবে। এবার তাদের বাস্তবতায় ফিরে আসা উচিত। দেশে দেশে পরস্পরের মধ্যে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ না করলে, যুদ্ধ না থামালে অভিবাসীর স্রোত প্রতিদিন বাড়তেই থাকবে। কাজেই এখন থেকে বিশ্ব নেতাদের ভাবতে হবে তারা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে কি না।
[email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।