আওয়ামী লীগ বদলালে বাংলাদেশ বদলাবে | কামরুল হাসান বাদল কবি ও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 25/06/2015-01:34pm:    কী এক অসাধারণ কো-ইন্সিডেন্স (শব্দটি ইংরেজিতে লিখতে হলো বলে দুঃখিত)! ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন। পলাশীর আম বাগানে বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এবং এর মধ্য দিয়ে পরে পুরো ভারতবর্ষ ইংরেজদের দখলে ছিল ১৯০ বছর। এ ঘটনার ১৯২ বছর পরে ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে একই তারিখে একটি রাজনৈতিক দলের জন্ম হয়। সে দিন কে ভেবেছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ নামের এই রাজনৈতিক দলটিই একদিন বাংলার হারানো স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনবে। যদিও প্রশ্ন আছে সেদিনের বাংলার নবাব সিরাজউদৌল্লাহ প্রকৃত অর্থে-স্বাধীন ছিলেন কি না এবং সে সময়ের জনগণও স্বাধীন ছিলো কি না। তবে এ মুহূর্তে আমরা সে বিতর্কে না গিয়ে আওয়ামী লীগের জন্ম,আন্দোলন-সংগ্রাম এবং এ দলের অসামান্য অবদান ও সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে চাই।
তৎকালীন আওয়ামী-মুসলিম লীগের জন্ম ছিল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। কারণ এই দল গঠনে যাঁদের ভূমিকা ছিল মুখ্য তাঁদের অধিকাংশই মাত্র দুবছর আগেও ছিলেন। লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান এর ঘোরতর সমর্থক। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার দু বছর পূর্তির আগেই কেন তারা অনুধাবন করেছিলেন যে, পুর্ব বাংলার জন্য একটি রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন। যে দল বাঙালির শোষণ বঞ্চনার প্রতিবাদে আর অধিকার আদায়ে সোচ্চার থাকবে। কারণ ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবকে উপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত বিভক্ত হয়ে দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলেও পূর্ব বাংলা প্রকৃতই অধীন থেকে যায় পাকিস্তান নামক সাম্প্রদায়িক একটি রাষ্ট্রের। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হলেও পুরো রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতা চলে যায় পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে এবং তারা পূর্ব বাংলা,পরে পূর্ব পাকিস্তানকে নিজেদের জমিদারী হিসেবেই ভাবতে শুরু করে। আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনের পেছনে যারা ছিলেন তারা সবাই ছিলেন ঝানু রাজনীতিক দূরদর্শী রাজনীতিক। কাজেই তারা বুঝতে পেরেছিলেন ‘ইয়ে আজাদি জুটা হ্যায়।’ রোজ গার্ডেনে যখন এই দলের জন্ম হয় তখন বঙ্গবন্ধু কারাগারে। কারান্তরীণ অবস্থাতেই তাঁকে দলের যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন মাওলানা ভাসানী। সামশুল হক নির্বাচিত হয়েছিলেন সাধারণ সম্পাদক। আওয়ামী মুসলিম লীগ নামটি নির্বাচন করেছিলেন মাওলানা ভাসানী। একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় এ দলটি যখন গঠিত হয় শেখ মুজিবুর রহমান তখনও ছাত্রনেতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের আন্দোলনের সাথে জড়িয়ে জেলে গেছেন। সে অবস্থাতেই তাঁকে যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কারণ হচ্ছে এর আগেই কলকাতা থাকাকালীন দুর্ভিক্ষ ও দাঙ্গা মোকাবেলা করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু নিজে এক জনপ্রিয় রাজনীতিকে পরিণত হয়েছিলেন। তাছাড়া হোসেন শহীদ সোহওয়ার্দীর সাথে বঙ্গবন্ধুর সখ্যের কারণে এতদাঞ্চলের গণতন্ত্রকামীদের কাছে ক্রমশ গ্রহনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। এই দলটি প্রতিষ্ঠার পরপরই জনপ্রিয়তা লাভ করতে থাকে। শুধু তাই নয় নবগঠিত এই দলটি প্রতিষ্ঠার মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টের হয়ে ক্ষমতা লাভ করে এবং যুক্তফ্রন্টের সে সরকারে বঙ্গবন্ধু প্রথমে প্রতিমন্ত্রী পরে পূর্ণমন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছিলেন। প্রতিষ্ঠার মাত্র ছয় বছরের মধ্যেই দলের নীতি নির্ধারকরা অনুধাবন করেছিলেন যে, বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সংগ্রাম করতে হলে দলকে অসাম্প্রদায়িক হতে হবে এবং দলের নাম থেকে সাম্প্রদায়িক শব্দটি বাদ দিতে হবে। এ বাস্তবতায় ১৯৫৫ সালে কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। এরপরে মাওলানা ভাসানী আর এই দলে থাকেন নি। ১৯৫৭ সালে দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামে আলাদা একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। মূলত এরপর থেকে আওয়ামী লীগের মূল নেতৃত্ব গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু।
এর পরের ইতিহাস কারো অজানা নয়। বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ঘোষণা, ’৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন, ’৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ এবং একজন সাধারণ ছাত্রনেতার বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠার ইতিহাস এবং ‘বঙ্গবন্ধু’ থেকে একটি জাতির পিতা হয়ে ওঠার ইতিহাস। বাঙালির গৌরব ও অহংকারের মুক্তিযুদ্ধ এবং বিজয়ের ইতিহাস। অর্থাৎ বাঙালির যা মহান অর্জন তার সাথে জড়িয়ে আছে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর দল আওয়ামী লীগের নাম। বঙ্গবন্ধু না হলে এই আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হতো না। আওয়ামী মুসলিম হয়ে মুসলিম লীগের একটি অংশ কিংবা ভাসানীর সৃষ্টি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির মতো আর দশটি রাজনৈতিক দলের মতো বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যেত। বঙ্গবন্ধু তাঁর একক প্রজ্ঞা, মেধা ও নেতৃত্বে একটি জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন এবং সে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্ব দিতে পেরেছিলেন।
এ কথা বাড়িয়ে বলা হবে না যে, শুধু স্বাধীনতাই নয়, স্বাধীনতা পরবর্তী অনেক অর্জনের পেছনেও এই রাজনৈতিক দলের অবদান কম নয়। এদেশের ইতিহাস থেকে তাই আওয়ামী লীগের নাম মুছে ফেলার কোনো সুযোগও নেই।
এই দলের ওপর আঘাত কম আসেনি। বঙ্গবন্ধু কর্তৃক বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা ঘোষণার পর থেকেই তিনি ও তাঁর দল তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকদের প্রধান শত্রুতে পরিণত হন। তখন তাঁর ও তাঁর দলের বিরুদ্ধে সৃষ্ট ষড়যন্ত্রের ধারা এখনো অব্যাহত রেখেছে পাকিস্তানি ভাবধারার রাজনৈতিক দলগুলো। স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলার আগেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট পরবর্তী ঘটনা যাদের মনে আছে তারা নিশ্চয়ই স্মরণ করতে পারবেন যে দলের নেতৃত্বে এ জাতি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বাধীনতা অর্জন করেছিল সে দল কিংবা তার কর্মী সমর্থকদের ওপর কেমন ও কী ধরনের নির্মম নিষ্ঠুর নির্যাতন নেমে এসেছিল। বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব বাকশালকে একটি গালিতে পরিণত করা হয়েছিল এবং আওয়ামী লীগ নেতাদেরকেই উল্টো ঘৃনিত করে তোলা হয়েছিল রাজাকার-স্বাধীনতাবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক দল ও ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন করে। অনেকেই ভেবেছিল ’৭৫ এর পরে হয়ত আওয়ামী লীগ আর সংগঠিত হতে পারবে না। কিন্তু কী এক প্রাণ প্রাচুর্যে পুনরায় জেগে উঠেছে এই দল এবং সহসাই একটি অন্যতম রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছিল। ফিনিদ্র পাখির মতো জেগে ওঠা এই দলকে ঠেকাতে তখনো বেশ ষড়যন্ত্র অব্যাহত ছিল। আওয়ামীলীগকে খণ্ড খণ্ড করতে জেনারেল জিয়ার সরকারি বাহিনী ক্ষমতা প্রয়োগ করে। কখনো অর্থের প্রলোভনে আওয়ামী লীগের মধ্যে কোন্দল-উপদল সৃষ্টির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিল। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে এখনও লুকিয়ে থাকা ষড়যন্ত্রীদের কারণে জিয়া কিছুটা সফলও হয়েছিলেন তাতে। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা যদি দলের ভার গ্রহণ না করতেন তাহলে বাংলাদেশের ইতিহাস হয়ত অন্যভাবে লিখতে হতো আজ।
এ দলের অন্যতম প্রধান শক্তি হচ্ছে সাধারণ জনগণ। তৃণমূল পর্যন্ত এমন বিস্তৃত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে দ্বিতীয়টি আর নেই। অনেকবার আঘাত এলেও এ দল তাই এলোমেলো ও দিকভ্রান্ত হয়নি কখনো। তবে এ ক্ষেত্রে স্বীকার করতে হবে এ ঐক্য ও সুসংগঠিত হয়ে থাকার মূলে আছে বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক উত্তরাধিকার বা জাতির জনকের রক্তের উত্তরাধিকার। কোনো একদিন এমন হতে পারে ভেবেই ’৭৫ সালে খুনীরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছিলো। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা বাংলাদেশে থাকলে তাদের হত্যা করা হতো সেদিন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। খুনীদের এ আশঙ্কা মিথ্যা ছিল না। শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ না করলে এ দলটির অস্তিত্ব কেমন হতো তা ভাববার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়। খুনীরা যে বোকা নয় তা আরেকবার প্রমাণিত হয়েছিল ২০০৪ সালে, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগ থাকলে বাংলাদেশকে সোজা কথায় পাকিস্তান বানানো সহজ নয় এবং আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে হলে শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে হবে এটা ছিল খুনীদের ‘সিম্পল ম্যাথ’।
একটি দলের ৬৬ বছর টিকে থাকা খুব সহজ ব্যাপার নয়। অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে দলটি আজকের অবস্থানে এসেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তৃতীয়বারের মতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছে। শেখ হাসিনার টানা সাত বছরের শাসনামলে দেশ সর্বক্ষেত্রে সাফল্য ও অগ্রগতি অর্জন করেছে। দেশ একটি মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পথে অনেকদূর অগ্রসর হয়েছে। ২০১৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারলে আরও অনেক প্রাপ্তিযোগ ঘটবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। বর্তমানে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি দল হিসেবে নিশ্চিহ্ন হওয়ার দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে। বিগত কয়েক বছর ধরে ভুল রাজনীতির কারণে জন্মের পর সবচেয়ে বড় দুঃসময় অতিক্রম করছে এ দলটি। অন্যদিকে যুদ্ধাপরাধীর দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক শক্তিও ক্ষীণমান। কাজেই বর্তমানে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করার মতো কোনো রাজনৈতিক শক্তি দেশে বর্তমান নয়। এবং ক্রমাগত ভুল চাল দেওয়ার কারণে বিএনপি-জামায়াত জোট খুব সহসা যে আবার পূর্ণশক্তি নিয়ে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারবে তা মনে হয় না। কাজেই এ খোলা মাঠে প্রায় বর্তমান আওয়ামী লীগের ভূমিকা কী হতে পারে তা নিয়ে সামান্য আলোচনা করা যেতে পারে।
শক্তিশালী বিরোধীদল না থাকায় এখন আওয়ামী লীগই আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যে কোথাও কোথাও তা-ই ঘটছে। এ দলের নেতা কর্মীদের মধ্যে একটি দুর্বিনীত ভাব উদ্ধত্য ও এক নায়কতান্ত্রিক মনোভাব জেগে উঠতে পারে। ইতিমধ্যে কোথাও কোথাও তা-ই ঘটছে। অন্য রাজনৈতিক দলে থেকে সুবিধা করতে না পেরে দলে দলে লোক আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনে যোগ দেবে। ‘আওয়ামী শিশু লীগের’ মতো ডজন ডজন দল গজিয়ে যাবে আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে। প্রতিদিন মুজিব কোট পরা নতুন নতুন লোকদের দেখা যাবে। এবং নতুন আওয়ামী লীগারদের কনুইয়ের ঠেলায় প্রকৃত ও ত্যাগী আওয়ামী লীগাররা যোজন যোজন দূরে সরে যাবে। অন্যদলের সমর্থক ও অর্থদাতা ব্যবসায়ীরা আর বসে থাকবে না। তারা আওয়ামী সমর্থক ব্যবসায়ীদের সাথে মিশে সর্বদলীয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিজেদের বাণিজ্য প্রবাহিত রাখবে আর ব্যবসা হাতিয়ে নিতে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের নগ্নভাবে ব্যবহার করবে।
এ সবকিছুই এখন আওয়ামী লীগের বেলায় ঘটবে। এ ধরনের ঘটনা যে কোনো রাজনৈতিক দলের জন্য বিপজ্জনক ও আত্মঘাতী। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের উপায় হচ্ছে আওয়ামী লীগকে বদলানো। কারণ এটি প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, আওয়ামী লীগ বদলালে বাংলাদেশ বদলাবে। একটি অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য এই দলের মতো একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন আছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থানে না থাকলে এদেশের অখণ্ডতাও রক্ষিত হবে না। কাজেই এ দেশের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যেও আওয়ামী লীগের প্রয়োজন সর্বাগ্রে।
পুনারাবৃত্তি করতে হচ্ছে বলে দুঃখিত। আওয়ামী লীগকে তাই নিজের প্রয়োজনেই বদলাতে হবে। তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আজ লেখার পরিসর বড় হয়ে গেল বলে বাকিটুকু আগামী সপ্তাহে লেখার আশা রইল।
Email : [email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে মুজিববর্ষে একাগ্রতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনেরও আহ্বান:প্রধানমন্ত্রীর বিএনপির গণতন্ত্র হচ্ছে ‘মুখে শেখ ফরিদ আর বগলে ইট:সেতুমন্ত্রী আইসিটির সমন্বয়ক হান্নান খানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সবাই মিলে দিব কর, দেশ হবে স্বনির্ভর:রাষ্ট্রপতি রেল সেতুটির নির্মাণ সম্পন্ন হলে আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে:প্রধানমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত ওস্তাদ শাহাদাত হোসেন চলে গেলেন না ফেরার দেশে আজ বহু প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধুর রেল সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ব্রেকিং নিউজ »আজ থেকে শীতের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা সরকারের সরলতাকে দুর্বলতা ভাববেন না:সেুতুমন্ত্রী মিরসরাইয়ে যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত