নতুন মেয়র সমীপে -সংবর্ধনা নয়, সুষ্ঠু পরিকল্পনা নিন/ কামরুল হাসান বাদল কবি ও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 14/05/2015-07:47pm:    বাংলায় প্রবাদের মতো একটি কথা চালু আছে। ‘রেগে গেলেনতো হেরে গেলেন’। রেগে গেলে মানুষ কিছু কিছু ভুল করে পরিণতিতে তা পরাজয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বলে এ কথাটির প্রচলন। মানসিক স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরাও বলে থাকেন, কিছু কিছু মুহূর্তে মানুষের মস্তিষ্ক ঠিক মতো কাজ করে না। যেমন, উত্তেজিত হলে অর্থাৎ ক্রোধান্বিত হলে, বিপদে পড়লে, প্রেমে পড়লে (আবেগ প্রবণ হলে) ও অতিশয় আনন্দিত হলে। এ ধরনের কিছু মুহূর্তে মানুষের মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল অস্বাভাবিক বেড়ে যায় যে কারণে মস্তিষ্কের সবকটি সক্রিয় কোষ কিছু সময়ের জন্য স্থবির হয়ে যায়। বিষয়টি কম্পিউটার বা অ্যান্ড্রায়েড মোবাইল ফোনের মতো। অনেকগুলো কমান্ড একসাথে দিলে কম্পিউটার বা হ্যান্ডসেটটি যেমন হ্যাং হয়ে যায় ব্যাপারটি সে রকম। বিপদে পড়লে মানুষ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে। কী করবে বুঝতে পারে না। সে সময় সে অন্যের পরামর্শ কামনা করে। রেগে গেলে এমন আচরণ করে স্বাভাবিক সময়ে যা তার জন্যে কল্পনাতীত। আনন্দের আতিশয্যে কে কেমন করে খেলার মাঠে খেলোয়াড়দের আচরণ দেখে তা বেশ বুঝতে পারা যায়। গোল দেওয়ার পরে কিংবা বিপক্ষ দলের কাউকে আউট করার পরে বিচিত্র আচরণ দেখি আমরা এবং তা ভীষণ উপভোগও করি। নির্বাচনে জয়লাভের পরেও অনেকে কিছু কিছু অস্বাভাবিক আচরণও করেন। ভয় পেলেও অনেকে করে থাকেন। এ কথাগুলো মনে এলো মেয়র নির্বাচনের পরে নগরীতে সংঘটিত কিছু কিছু ঘটনা অবলোকন করে। ২৮ এপ্রিলের নির্বাচনে জয়লাভ করে চট্টগ্রামের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রামের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাবেক ছাত্রনেতা আ.জ.ম নাছির উদ্দিন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি তার দল ও দলের বাইরের বিভিন্ন পেশার মানুষের সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন। এর মধ্যে তার দল আওয়ামী লীগ মহানগর শাখার পক্ষ থেকে বিশাল অনুষ্ঠান ও মেজবানের মাধ্যমে সংবর্ধিত হয়েছেন। লোকমুখে শোনা এ সংবর্ধনায় মেজবানের দায়িত্ব নিয়ে ছিলেন তার এক সময়ের প্রতিপক্ষ ও অগ্রজ রাজনীতিক এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। আগেই উল্লেখ করেছি নতুন মেয়র ঘুম থেকে ওঠার আগে থেকে জড়ো হওয়া শুভেচ্ছা জানানোর লোকগুলো ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। সংর্বধনায় আমার কোনো আপত্তি নেই। মানুষ তার দলের বিজয়ী নেতাকে ভালোবাসা জানাতেই পারে। অন্য কেউও একজন বিজয়ী মানুষকে অভিনন্দন জানাতে পারে। তবে কথা হলো তা যেন বাড়াবাড়ি এবং সাধারণ নাগরিকদের দুর্ভোগের কারণ হয়ে না দাঁড়ায়। আর এমন সংবর্ধনা ও বিজয়াভিনন্দনের তালে পড়ে একজন নেতা যেন তার স্বাভাবিক চিন্তার শক্তিটা না হারান। আমার ওপর ভীষণ অবিচার করা হবে যদি মনে করা হয় যে, আমি নবনির্বাচিত মেয়রকে উপদেশ প্রদানের চেষ্টা করছি। কারণ একজন মানুষের যা যা থাকতে পারে দৃশ্য বা অদৃশ্য সবদিক থেকেই আ.জ.ম নাছির উদ্দিন আমার চেয়ে লক্ষগুণ যোগ্য। কাজেই তেমন ধৃষ্টতা করার মতো বোকা অন্তত আমি নই। তবে যা বলতে চেয়েছিলাম তা হলো এমন সংবর্ধনায় গা ভাসিয়ে চলতে গেলে দু-চারটি বেফাঁস কথাবার্তাও বেরিয়ে যেতে পারে মুখ ফসকে। গোস্তাফি না নিলে বলতে চাই ইতিমধ্যেই এমন কিছু বক্তব্য নিয়ে নিন্দুকেরা বলাবলিও শুরু করেছেন। অনেকে প্রশ্ন করে বলতে বাধ্যও করে থাকতে পারে। বেশি নয় একটিমাত্র উদাহরণ দিতে চাই। তিনি হয়ত বোঝাতে চেয়েছিলেন- প্রধানমন্ত্রী ও তার মাঝখানে অন্যকেউ নেই অর্থাৎ মধ্যস্ততাকারীর দরকার নেই। কিন্তু অনেকে প্রচার করার চেষ্টা করছে যে, নাছির সাহেব সৃষ্টিকর্তা ও জনগণকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছেন। বিজয় অর্জনের পরে প্রথমে যা প্রয়োজন তা হলো সংযম ও বক্তব্যে সতর্ক হওয়া। ছাত্র রাজনীতিতে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেওয়া আ.জ.ম নাছির অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন । তিনি যে, চট্টগ্রামের রাজনীতিতে একজন গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি তা অনেক আগেই প্রমাণিত হয়েছে। শুধু তাই নয় তাঁর নেতৃত্ব নিয়েও এখন আর প্রশ্ন তোলার প্রয়োজন পড়ে না। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃত্ব গ্রহণের পর তিনি এ সংস্থার আমূল সংস্কার সাধন করেছেন। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বীও করে তুলেছেন। এক সময়ে সন্ধ্যার পর ভূতুড়ে এলাকা বলে পরিচিত স্টেডিয়াম পাড়াকে এখন আলো ঝলমল করে তুলেছেন। তার মানে দায়িত্ব পেলে তিনি যে ব্যর্থ হবেন না তার কিছু কিছু উদাহরণ তিনি ইতিমধ্যেই তৈরি করেছেন। কাজেই সংবর্ধনার নামে বিমানবন্দর থেকে জামালখান এলাকা পর্যন্ত ট্রাফিক জ্যাম করে, শহরের সর্বত্র বড় বড় বিলবোর্ডে নবনির্বাচিত মেয়রের ছবির সাথে নিজেরও ছবি ছাপিয়ে, যেখানে সেখানে ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে নগরীকে বিশ্রী করে তোলার মধ্যে কোনো প্রকার আত্মতৃপ্তি আছে বলে আমি মনে করি না। নির্বাচনের দিন থেকে তাঁর সাথে অনেককে দেখা যাচ্ছে যাদের আগে কখনো দেখা যায়নি। বাংলাদেশের বাস্তবতা হচ্ছে এ-ই। ক্ষমতার বলয়ে কিংবা ক্ষমতাবানদের সাথে অনেকে থাকতে চান ক্ষমতা থেকে সরে গেলে অনেকের দেখা পাওয়া যায় না। নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমা হিলের বাসায় পরপর কয়েকদিন গিয়ে আমার তাই মনে হয়েছে। (তবে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এ অবস্থা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি)। তাই আমি বলতে চাই, সিটি মেয়রের দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার আগে আ.জ.ম নাছির উদ্দিন বেশ কিছুদিন সময় পাচ্ছেন। এ সময়টুকু তিনি যেন সংবর্ধনা না নিয়ে আগামী পাঁচ বছরের একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং বছরওয়ারি সে কাজের একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক কার্যতালিকা প্রস্তুত করেন। সংবর্ধনার বদলে খোলা ময়দানে জনগণকে যেন কর্মপরিকল্পনা পেশ করেন। মহিউদ্দিন চৌধুরী যখন মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন তখন তার সামনে তেমন কোনো দৃষ্টান্ত বা উদাহরণ ছিল না। কিন্তু তিনি নিজেই একজন সফল মেয়রের উদাহরণ হয়ে উঠেছিলেন। নতুন মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর সফলতা ও ব্যর্থতার কারণগুলো চিহ্নিত করে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মহিউদ্দিন চৌধুরীর দু-একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ছাড়া সিংহভাগই ছিল গণবান্ধব। তাই তিনি সফল হয়ে ছিলেন। তাঁর সময়ে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রভূত সাফল্য অর্জন করেছিল। তার ১৭ বছরের মেয়রকালীন তিনি সিটি কর্পোরেশনে ‘অ্যালোপ্যাথী চিকিৎসা’ চালিয়ে ছিলেন। মাঝেমধ্যে ‘শল্যচিকিৎসকের’ দায়িত্বও পালন করেছিলেন। কিন্তু তার পরে ‘সুবোধ মেয়র’ বলে খ্যাত মনজুরুল আলম মনজুর ‘হোমিওপ্যাথী চিকিৎসায়’ বর্তমান সিটি কর্পোরেশন মুমুর্ষু অবস্থায় নিপতিত হয়েছে । একে আবার চাঙা করে তুলতে, সপ্রাণ করে তুলতে আ.জ.ম নাছিরের মতো একজন নেতার প্রয়োজন। তা কী করে সম্ভব হবে তা বলি এবার। আওয়ামী লীগের বড় দুর্বলতা হচ্ছে এ দলটির অধিকাংশ নেতাই অনুধাবন করতে পারে না যে,, এ দলের কী অপরিসীম ক্ষমতা। ক্ষমতা বলতে প্রশাসন পুলিশ-র‌্যাবের নির্ভরতার কথা বলছি না। বলছি এর কর্মী বিশেষ করে এ দলের ছাত্র ও যুব সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাধ্যের কথা। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি হচ্ছে যুব সমাজ। যাদের বয়স ১৫ থেকে ৩৫ এর মধ্যে। এই সংখ্যা ইউরোপের কয়েকটি দেশের মোট জনসংখ্যার সমান। এ ছাত্র ও যুবশক্তির উল্লেখযোগ্য একটি অংশ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। এ সংখ্যা যদি এক কোটিও ধরি তবে একটি দেশ ও জাতিকে তা আমূল বদলে দিতে সক্ষম। কিন্তু মুশকিল হলো আওয়ামী লীগ এত বিপুল শক্তিটাকে পূর্ণভাবে কাজে লাগাতে পারছে না। এ হিসাবটি যদি নতুন মেয়র মহোদয় মনে রাখেন তাহলে তিনিও একটি পরিবর্তনের সূচনা করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে ছাত্র ও যুবলীগের সবার মধ্যে তার প্রতি আস্থা সৃষ্টি করতে হবে। আ.জ.ম নাছির সাহেবের সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় নেই। তবে তার রাজনীতির আমি একজন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষদর্শী। পূর্বেই বলেছি ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতা তিনি। প্রতাপের সাথে গ্রুপ পলিটিক্সও করেছেন। আমি দেখেছি চট্টগ্রামে তরুণদের মধ্যে বিশেষ করে যারা ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত তাদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা তুমুল। শুধু তাই নয় তার প্রতি তাদের আনুগত্য ও ভক্তি দেখে আমি একটু বিস্মিতও হই। এ বিপুল সংখ্যক তরুণদের যদি তিনি ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে পারেন তবে আগামী পাঁচ বছর তার পক্ষে চট্টগ্রামকে বদলে দেওয়া সম্ভব। এরা যদি তার পরিবর্তনের রাজনীতির পক্ষে কাজ করে তবে নাছির একজন গণমানুষের নেতা হয়ে উঠবেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ১৯৯৪ সালে মেয়র নির্বাচনের সময়ে মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ তোলা হয়েছিল একই অভিযোগ আ.জ.ম নাছিরের বিরুদ্ধেও এবার তোলা হয়েছে। মহিউদ্দিন চৌধুরী মেয়র থাকাকালে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে মিথ্যা প্রমাণিত করেছিলেন। আমি আশা করি নাছির সাহেবও তা পারবেন। মহিউদ্দিন চৌধুরী ও মঞ্জুরুল আলম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছিলেন চাক্তাই খাল সংস্কার তথা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা দূর করার ক্ষেত্রে। দুজনকে অজনপ্রিয় করে মূলত জলাবদ্ধতাই। বর্ষা প্রায় এসে গেছে। নতুন মেয়র যখন দায়িত্ব বুঝে নেবেন তখন ভরা বর্ষা। এবারের বর্ষায় নগরবাসী যে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। চাক্তাই খালসহ নগরীর অন্যান্য খাল খনন ও নগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে। নতুন মেয়র হিসেবে এ কাজটিই হবে তার অন্যতম প্রধান কাজ। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ছাড়াও আরও অনেক কাজের প্রতিও তাঁকে নজর দিতে হবে। খেলার মাঠ, পার্ক, বিনোদন, নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমন অনেক বিষয় আছে যা তাকে করতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে তার সকল উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রথমেই বাধাগ্রস্ত হবে তার নগর ভবনেই। এ ভবনে গেড়ে বসা দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যদি তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন তাহলে মনজু সাহেবের মতো পরিণতি হতে পারে তার। আশা করি তা হবে না, কারণ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দুর্নীতির সাথে জড়িত ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের চেয়ে ক্ষমতা ও শক্তির লড়াইয়ে আ.জ.ম নাছির অনেক এগিয়ে। লেখাটির অবয়ব আর বাড়ানো সম্ভব নয়। যদিও সবকিছু বলা হয়ে ওঠেনি এখনো। ‘আকলমন্দকে নিয়ে ইশারাই কাফি হ্যায়’ বিশ্বাস করে ধরে নিচ্ছি বাদবাকিটুকু বলার প্রয়োজন নেই। কাজ-ই মূল্যায়ন করবে নাছিরকে, সংবর্ধনার পরিমাণ নয়। বরং নাছির সাহেব বলতে পারেন সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছার নামে অর্থব্যয় না করে সে অর্থ তার ‘দুস্থ ফান্ডে’ দিতে। যা দিয়ে পরে তিনি কোনো কল্যাণমূলক কাজ করতে পারেন। আর হ্যাঁ- চট্টগ্রামের মেয়র, তিনি প্রতিমন্ত্রী না পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা পাচ্ছেন তাতেতো কিছু যায় আসে না। জনগণের ভালোবাসায় অধিক মর্যাদা কী দিয়ে পরিমাপ হতে পারে। মেয়র নির্বাচিত হওয়ার সাথে সাথে যারা বক্তৃতা-বিবৃতির মাধ্যমে তাঁকে পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানাচ্ছে তাদের কাছ থেকে নাছির সাহেবকে দূরে থাকাই উচিত। কারণ এমন অতি উৎসাহী ব্যক্তিরাই নেতাদের বিব্রত করে তোলেন। নাছির সাহেব নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, জনগণকে মেয়রের কাছে যেতে হবে না, মেয়র নির্বাচিত হলে তিনিই জনগণের কাছে যাবেন। জনগণ তার এ প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখতে চায়। তবে এক্ষেত্রেও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে চাটুকাররা। তাদের ভিড় ঠেলে নাছির জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারবেন কি না তা ভেবে দেখতে হবে। নতুন মেয়রের সাফল্য কামনা করি। ১৪ মে ২০১৫ [email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।  তথ‌্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি মহোদয়ের শুভ জন্মদিন আজ করোনায় পোশাক কারখানায় ৫৫ শতাংশ কাজ কমে গেছে: রুবানা হক