নওকর শয়তান মালিক হয়রান | কামরুল হাসান বাদল/কবি ও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 08/05/2015-12:12am:    ---------------------------------------------------------------------------------------- www.alorkantho24.com
কার্লো গোলদোনির বিখ্যাত কমেডি যার নাম ‘দ্য সারভেন্ট অব টু মাস্টার্স। এই নাটকটি বাংলায় রূপান্তর করে নাম দেওয়া হয়েছে ‘নওকর শয়তান মালিক হয়রান।’ নওকর কাজটি বাংলা নয়। এর বাংলা হচ্ছে চাকর বা ভৃত্য। আজ অবশ্য এ নাটকটি নিয়ে আলোচনা করছি না। এক মালিকের বেহুদা বাঙচিৎ পড়ে নাটকটির নাম মনে এলো তাই।
যে মালিকের কথা বলছি তার পুরো নাম শাহদীন মালিক। পেশায় আইনজীবী। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের এক প্রকার বেতনভুক হিসেবে এখনও বর্তমান আছেন। তো এই মালিক সাহেব একখানা কলাম লিখেছেন ‘বদলে যাও বদলে দাও’ স্লোগান দেওয়া একটি জাতীয় দৈনিকে। না স্যাটায়ার না সিরিয়াসধর্মী এ লেখায় তিনি যে ওয়াজ নসিহত করেছেন তাতে মনে হতে পারে যে, তিনি পত্রিকার পাঠক কিংবা দেশের জনগণকে নেহায়েত নওকর, অর্থাৎ চাকর-বাকর ভাবেন। আর বর্তমান সরকার বা তার প্রধান তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার উপহাস ও ব্যঙ্গ বিদ্রুপের বস্তু। তিনি দেশ, সরকার এবং দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষের আবেগ-অনুভূতি ও মতামতকে থোরাই কেয়ার করেন। মনে করেন তিনি যে পত্রিকায় লিখছেন সে পত্রিকার সম্পাদক ও এক শ্রেণি পাঠকই বুঝি সমগ্র বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। নিয়ন্ত্রণ করে। এটাই শুধু দেশপ্রেমিক ও সৎ নাগরিক।
গত ৩ মে ওই পত্রিকায় “ফাস্ট ক্লাস নির্বাচন ও গণতন্ত্রের ভাষণ বিজয়’ শিরোনামে লেখা কলামটিতে তিনি এক তরফাভাবে বর্তমান সরকার তথা সরকার প্রধান শেখ হাসিনাকে উপহাস করে গেছেন। উপহাস করেছেন বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে। এখনো কাগজে কলমে যিনি ওই কমিশনের আইনজীবী। এই কমিশনের বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে গিয়ে তিনি এক পর্যায়ে লিখেছেন.... তবে ফলাফলতো জানাই আছে, তাই কর্মীদের দিয়ে নৌকা মার্কাতে সিল দেওয়ার জন্য কেন্দ্র, বুথ ইত্যাদি করতে হবে। প্রিসাইডিং অফিসার, পুলিশ ইত্যাদি নিয়োজিত করতে হবে। একটা নির্বাচন কমিশন লাগবে সবচেয়ে ভালো হয় বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে আরও বছর দশেকের জন্য রেখে দিলে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি আর ২৮ এপ্রিলের সুষ্ঠু, সঠিক এবং বিউটিফুল নির্বাচন করার পুরস্কার হিসেবে তারা অন্তত ১০ বছর থাকতেই পারে। থাকা উচিত।
এরপরে তিনি লিখেছেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফল হয়েছে। কাগজে কলমে এখনো নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আছি। কমিশন যেহেতু সুষ্ঠু, সঠিক ভালো কাজ করছে সেহেতু তাদের পক্ষে আর ওকালতি করা সাজে না। অবশ্য স্বীকার করতে হবে কমিশনও ইদানীং অধমের সাহায্য সহযোগিতা কামনা করেনি। তাদের আর দরকারও নেই। তাই ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেব। প্রিয় পাঠক এ লেখাটি যখন লিখছি মঙ্গলবার বাত প্রায় ১ টা। এ পর্যন্ত তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে কোনও প্রকার সংবাদ যেহেতু পাইনি সেহেতু ধরে নিচ্ছি তিনি এখনো স্বপদেই আছেন। যা হোক ভদ্রলোকের কথায় বুঝতে পারলাম তিনি গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়েও সন্তুষ্ট নন এবং তার জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন। তিনি যদি নীতি ও আদর্শের ব্যাপারে এতই কঠোর হয়ে থাকেন তাহলে তিনি ৫ জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের পরে পদত্যাগ করলেন না কেন? তিনি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়মের কথা বলে অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনকে তুলোধূনো করে এবার পদত্যাগপত্র পাঠাবেন বলে মনস্থির করেছেন। সেটিও কি নির্বাচন কারচুপির প্রতিবাদে না কি তার ভাষায় “কমিশনও ইদানীং অধমের কোনো সাহায্য সহযোগিতা কামনা করেনি’ বলে। এই নির্বাচন কমিশনার তো এর আগে ছয়টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন করেছিল।সে ব্যাপারে মালিকের কোনো বক্তব্য নেই। অর্থ্যাৎ বিএনপি-জামায়াত জোট বিজয়ী হলে তিনি নির্বাচক সুষ্ঠু হয়েছে বলে ধরে নেন।
তাঁর লেখায় কোথাও বিএনপির আকস্মিক নির্বাচন বর্জনের বিষয়ে কিছু উল্লেখ নেই। ব্যাপারটি এই তাকে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছিল এমন একটি একতরফা নিবন্ধ লিখতে। কারণ এত নিম্নমানের লেখা ও পত্রিকা সাধারণত ছাপায় না। ছাপায় যদি তাতে আওয়ামীলীগ ও বর্তমান সরকারকে গালাগাল করা হয়। গণতন্ত্রের জন্যে মায়াকান্না করা পত্রিকাটি কি এই লেখার প্রতিবাদে অন্য কারো লেখা ছাপাবে? এমন নজির এত বছর দেখিনি। প্রশ্ন করতে ইচ্ছে হয় এই পত্রিকায়ও কি কোনো প্রকার গণতন্ত্রের চর্চা আছে। এক ব্যক্তির মতের বাইরে কি অন্য কিছু করতে বা লিখতে পারেন। না কি টক শোতে পত্রিকায় সম্পাদকীয় রীতির বাইরে কথা বলতে পারেন?
খুব বেশি দিনের কথাতো নয়। সিটি নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগেও দেশে পেট্রোল বোমা মেরে নিরীহ মানুষ হত্যা করা হয়েছে। প্রায় তিনমাস ধরে চলা হরতাল-অবরোধের নামে (বিএনপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অবরোধ প্রত্যাহার করেনি) ১৭৫ জন মানুষ হত্যা আর দেশের সকল সেক্টরকে পঙ্গু করার পরও শাহদীন মালিক সাহেবরা তো একটু সমালোচনাও করেননি বিএনপির। এমন একটি লেখাতো তার কোথাও দেখিনি। আগুনে পোড়া মানুষের আর্তনাদ যাদের একটু সম্পর্শ করে না তারা নির্বাচনের সামান্য অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কীভাবে। বিএনপির নির্বাচন বর্জনের কারণেই নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারেনি। বরং মাঠ ছেড়ে দেওয়াতেই প্রতিপক্ষরা খালি মাঠে গোল দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
নির্বাচনের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেন মওদুদ সাহেব দলনেত্রীর নির্দেশে। (পরে গণমাধ্যমে প্রচারিত অডিও টেপে শুনলাম এই পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র কত আগে ও কীভাবে নেওয়া হয়েছিল) কিন্তু বিএনপির এই তিন মেয়র পদপ্রার্থী বিশেষ করে ঢাকার প্রার্থীরাতো বিএনপির নয়, তারা ছিলেন অধ্যাপক এমাজউদ্দিন সাহেবের নেতৃত্বে গড়া শত নাগরিক কমিটির। শত নাগরিক কমিটির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা যখন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন তখন টেবিলের একেবারে শেষ প্রান্তে অত্যন্ত কষ্ট করে বসার সুযোগ পেয়েছিলেন এমাজউদ্দিন সাহেব। ঘোষণার পরে তাকে শিখিয়ে দেওয়া কথা বলার জন্য যখন মাইক্রোফোন দেওয়া হলো তখন তিনি অনেকটা কম্পিত হস্তে মাইক ধরে কম্পিত কণ্ঠে জঘন্য কিছু মিথ্যাচার করলেন। অধ্যাপক সাহেব, যিনি তারেক জিয়ার মধ্যে শতাব্দির শ্রেষ্ঠতম নেতৃত্বগুণ খুঁজে পান, বললেন, ’৫৪ সাল থেকে ভোট দিচ্ছি, কিন্তু এবারের মতো এত জঘন্য ভোট আমি আর দেখিনি। (বাক্যের একটু হেরফের হলেও বক্তব্যটির অর্থ এমনই)
আইনজীবী জনাব মালিক ও অধ্যাপক এমাজ সাহেবরা ভুলে থাকার চেষ্টা করলেও বাংলার মানুষ এত সহজে জেনারেল জিয়াউর রহমানের গণভোট তথা হ্যাঁ/না ভোটের কথা ভুলে যায়নি। যেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল। এমনকি কিছু কিছু ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদানের সংখ্যা ছিল ১১০ শতাংশ। মানুষ ভুলে যায়নি সে সময়ের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের কথা। ভুলে যায়নি জেনারেল এরশাদের শাসনামলের নির্বাচনচিত্র। ভুলে যায়নি মাগুরা নির্বাচন, যেখান থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে এসেছিলেন তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং পরবর্তীতে কট্টর জাতীয়তাবাদী আবদুর রউফ। ভুলে যায়নি ঢাকা ১০ আসনের নির্বাচন। যেখানে মোসাদ্দেক আলী ফালুকে নির্বাচিত করে আনা হয়েছিল। ভুলে যায়নি সাদেক হোসেন খোকার মেয়র নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা।
আমার স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, এই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনে সম্পন্ন অন্যান্য নির্বাচনের চেয়ে একটু ব্যতিক্রম। কিন্তু তার জন্য কি শুধু শেখ হাসিনা বা তার প্রশাসন দায়ী? বিএনপির কি কোনো দায় নেই। রিটার্নিং অফিসারের নিকট কিংবা নির্বাচিত কমিশনের নিকট অভিযোগ না করেই দু-ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা কি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি বলে? না কি তারা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিল এ সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া সম্ভব নয়? এটা প্রমাণের জন্যে বিএনপির নেওয়া কৌশল কি সঠিক ছিল? তাড়াহুড়া করতে গিয়ে কি নিজেদের ফাঁদে তারা নিজেরাই পড়েন নি? আর এর রাগ কি শাহদীন মালিক শুধু সরকারের ওপরই ঝাড়তে চান?
তিনমাস ধরে চলা চরম বর্বরতার পর তিন সপ্তাহের মধ্যে যারা একটি ইউরোপীয় ধাঁচের নির্বাচন আশা করেন তারা হয়তো বোকার স্বর্গে বাস করেন। নতুবা অসৎ একটি উদ্দেশ্য নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চান। পশ্চিমা বিশ্বে স্যাটায়ার বেশ জনপ্রিয়। তাদের সেন্স অব হিউমারও বেশ উন্নত। শাহদীন মালিক, নব্য কলাম লেখক, তিনি না বোঝেন স্যাটায়ার, না নিখতে পারেনণ্ড সিরিয়াল। বাংলাদেশের বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো প্রায় সময় বিশেষজ্ঞদের! মতামত শোনায়। এদের কল্যাণে শাহদীন মালিকের কথাও অনেকবার শুনেছি। তবে তিনি যে এত কাঁচা লেখেন তা আগে কখনো জানার সুযোগ হয়নি। ভদ্রলোকের কলামটি পড়লে যে কেউ আমার কথার সত্যতা খুঁজে পাবেন। তার এলোমেলো বাক্যগঠন ও পাঠকদের বোঝানোর অক্ষমতা কেমন তার একটি উদাহরণ দিই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের রাজনীতিতে পাকিস্তানীদের গভীর ষড়যন্ত্রের দিকে মাঝে মাঝে অঙ্গুলি নির্দেশনা দেন। পুরোপুরি পশ্চিমা না হলেও স্বাধীনতার পর অর্ধশতাব্দীতো পার হতে চলল। এ দেশে এখনো কারা পাকিস্তানপন্থী? এ যে একমাস ধরে আমরা ক্রিকেটে পাকিস্তানিদের যে পেদানি (প্রিয় পাঠক, পেদানি শব্দটির দিকে লক্ষ্য করুন পাড়ার উঠতি বয়েসী ছেলেরাও সম্ববত এ শব্দ এখন ব্যবহার করেনা। অন্তত খেলার বিষয়ে) দিচ্ছি। তাতে উল্লেসিত না হয়ে খেলা শেষে ঘরের দরজা বন্ধ করে পরাজয়ের দুঃখে হু হু করে কেউ কেঁদেছে বলেতো শুনিনি। অবশ্য পাকিস্তানের পরাজয়ে যারা কান্নাকাটি করেছেন তারাই বোধ হয় পাকিস্তানপন্থী। পুলিশ, ডিবি, এনএসআই, র‌্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআইসহ আরও বহু সংস্থার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই তাঁদের ব্যাপারে খোঁজ খবর পান। এ ধরেন মাহমুদুর রহমান মান্না আর সাদেক হোসেন খোকার কথোপকত্থন, টেলিফোনে ঢাকা থেকে সেই নিউইয়র্ক। এতে বোঝা যায় ষড়যন্ত্র কত গভীর, একেবারে বিশ্বব্যাপী। পাঠকরা কি কোনো অর্থ উদ্ধার করতে পারলেন? আমিও অর্থ উদ্ধার করতে পারিনি তবে তাঁর উদ্দেশ্য বোধহয় উদ্ধার করতে পেরেছি। তিনি বলতে চেয়েছেন এ দেশে পাকিস্তানপন্থী কেউ নেই। তাঁর এ কথা শুনে মনে পড়ছে জামায়াতের মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মো. মুজাহিদের বক্তব্য। তারাও এক সময় বলেছিলেন বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী বলতে কেউ নেই। সে সাথে সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের বেতনভুক আইনসজীবী মনে করেন মান্না-খোকার টেলিফোন সংলাপটিও সরসার বা প্রধানমন্ত্রীর বানানো। একজন মানুষের বিবেক বুদ্ধি কতটা লোপ পেলে এমন বানোয়াট ও মিথ্যাচার করতে পারেন তা এ লেখা না পড়লে বুঝতে পারতাম না।
শাহদীন মালিক সাহেব এখানেই থেমে থাকেননি। বিএনপি জামায়াতের আন্দোলনের নামে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা এবং দেশের অর্থনীতিকে পর্যুদস্ত করায় প্রধানমন্ত্রী উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাকেও ব্যঙ্গ করেছেন এবং এ কারণে মানুষ যে বিএনপিকে ভোট দেবে না প্রধানমন্ত্রীর এ ধারণা সম্বলিত বক্তব্যকে কঠোরভাবে বিদ্রুপও করেছেন।
দুঃখ হয় শাহদীন মালিকদের কথা ভেবে। আর শাহদীন মালিকরা যে আইন ব্যবসা করে সচ্ছল জীবন যাপন করে জাতির উদ্দেশ্যে হেদায়েত দিচ্ছেন তা-ও সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার কারণে। তিনি বা তাঁর মতো যারা বিএনপি-জামায়াতের পরোক্ষ সমর্থক ও উস্কানিদাতা তারা এখনো বুঝতে পারছেন নাণ্ড বিএনপি-জামায়াতের লেজ ধরে যারা একদিন ক্ষমতায় আসবে তাদের রাষ্ট্রে কোর্ট-কাছারি বলে কিছু থাকবে না। আইন ব্যবসা করাতো দূরের কথা। আর শাহদীন মালিক ও তার পত্রিকা সম্পাদকদের পরামর্শে যদি শেখ হাসিনা চলতেন তা হলে এদেশে পাকিস্তানপন্থী নয় পাকিস্তানি হয়েই থাকতে হতো সবাইকে।

সর্বশেষ সংবাদ