জনগণই প্রত্যাখ্যান করবে এই রাজনীতিকে- কামরুল হাসান বাদল কবিও সাংবাদিক

পোস্ট করা হয়েছে 22/01/2015-01:25pm:    গত সোমবার বিকেলে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠকের পর সন্ধ্যা সাতটায় সংবাদ সম্মেলন করে বেগম খালেদা জিয়া অবরোধ আরও চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। একই সংবাদ সম্মেলনে বেগম জিয়া নাশকতা ও মানুষ পুড়িয়ে মারার জন্য সরকারকে দায়ী করেন। তিনি দাবি করেন শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সম্পর্কে দেশে-বিদেশে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশে ক্ষমতাসীনরা নাশকতা ও অন্তর্ঘাতের পথ বেছে নিয়েছে। নারী, শিশু, ছাত্রছাত্রীদের বহনকারী যানবাহনে পেট্রোল বোমা মেরে অনেক নিরপরাধ মানুষকে হতাহত ও দগ্ধ করা হয়েছে। তিনি এসব পৈশাচিক বর্বরতার নিন্দা জানান। ‘এসব পৈশাচিক বর্বরতার’ নিন্দা জানানোর জন্য আমি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। বর্তমানে আন্দোলন সংগ্রামের নামে যা চলছে তাকে ‘পৈশাচিক বর্বরতা’ বলায় তাঁকে সাধুবাদ জানাই। বেগম জিয়া ১৮ দিন ‘অবরুদ্ধ’ থেকে বাইরে বেরিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ তাতে কোনো সন্দেহ নেই এবং সন্দেহ নেই বাংলাদেশে তিনি একজন ক্ষমতাধর নেত্রী। ক্ষমতাধর না হলে কোনোরূপ পূর্ব ঘোষণা প্রস্তুতি কিংবা দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা না করেই বাড়ির গেটে দাঁড়িয়ে অবরোধের ডাক দিলেন আর সাথে সাথে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল জ্বালাও-পোড়াও। এই জ্বালাও-পোড়াও এমন ভয়াবহ ও নিষ্ঠুর হয়ে উঠল যে, তার সাথে একমাত্র ২০১৩ সালের শেষার্ধের নিষ্ঠুরতা ও ভয়াবহতার তুলনা চলে। ১৯৯৬ সালের মধ্য ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে কয়েকদিনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়াকে গণনা করলে তিনি তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের। কাজেই তার বক্তব্য বা মতামতের নিশ্চয়ই একটি গুরুত্ব ও তাৎপর্য আছে। কাজেই তিনি সরকার তথা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন তা খতিয়ে দেখা উচিত। কারণ তার মতো একজন নেতাতো বানোয়াট বা মিথ্যা তথ্য দিতে পারেন না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেছেন নাশকতা ও মানুষ পুড়িয়ে মারছে সরকারই। আমরা সাধারণ মানুষ। আমাদের রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা যা-ই বলেন তা-ই বিশ্বাস করি। তাকে সত্য বলে ধরে নিই। কিন্তু তারপরও সমস্যা হলো কিছু কিছু বিষয়ে হিসাব মেলাতে না পারা। যেমন গত ১৫ জানুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন ‘বিজিবির সদস্যরা কাওকে গুলি করবে না। তবে কেউ আক্রান্ত হলে জীবন বাঁচাতে গুলি করতে পারবে। একজন ব্যক্তি যদি বোমা ফাটায় তাহলে পাঁচজন ব্যক্তি নিহত হতে পারে। এই দৃশ্য কোনো বিজিবি সদস্যের নজরে এলে ওই বোমা বহনকারীকে ক্যাজুয়ালটি (হতাহত) করা তার দায়িত্ব। বিজিবি প্রধানের এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপি সাথে সাথে বিবৃতি প্রদান করে। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, ‘সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে ক্ষমতাসীনদের অনেকেই উস্কানিমূলক হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত রাষ্ট্রীয় বাহিনীর কিছু উৎসাহী কর্মকর্তা বেআইনী নির্দেশ ও রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক বক্তব্য প্রকাশ্যে দিতে শুরু করেছেন।’ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয় ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দিয়ে সবকিছু দমিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ বেগম জিয়ার সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য যদি সত্যি হয় অর্থাৎ সরকারের লোকজনই যদি বর্তমান নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকে, তারাই যদি গাড়িতে, পথচারীদের পেট্রোল বোমা মেরে পুড়িয়ে হত্যা করে তবে তাদের বিরুদ্ধে বিজিবি অ্যাকশনে গেলে তাতে বেগম জিয়ার নিন্দা জানানোর কি আছে। বিজিবির অপারেশনে বা গুলিতেতো বোমা নিক্ষেপকারী সরকারের লোক বা তাদের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের কর্মী-সমর্থকদেরই মৃত্যু হওয়ার কথা। এতে তো বেগম জিয়া ও তাঁর দল বিএনপির খুশী ও আনন্দিত হওয়ার কথা। তারা বিজিবি ও পুলিশ প্রধান এবং ডিএমপি কমিশনারের কথায় গোস্বা হচ্ছেন কেন? আসলে বিএনপির বলার মতো মুখ নেই। কারণ আন্দোলন সংগ্রামের নামে অবরোধ কর্মসূচি দিয়ে জামায়াত-শিবিরের সহায়তায় বিএনপি দেশে যে নাশকতা চালাচ্ছে তাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলা যেতে পারে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়। যেকোনো গণতান্ত্রিক দেশে সব রাজনৈতিক দলের আন্দোলন সংগ্রাম করার অধিকার সংবিধান সম্মত এবং সে আন্দোলন সংগ্রামের অংশ হিসেবে হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি দেওয়ার অধিকারও তাদের আছে। অন্যদিকে কোনো রাজনৈতিক দলের আন্দোলন-সংগ্রামের সাথে একাত্মতা প্রকাশ না করার অধিকারও প্রতিটি নাগরিকের আছে। কাজেই জনগণের ওপর কোনো কর্মসূচি চাপিয়ে দেওয়া কোনোক্রমেই সুস্থ রাজনীতির লক্ষণ নয়। কেউ হরতাল আহবান করলে যে হরতালে অংশ না নেওয়ার অধিকারও প্রত্যেক নাগরিকের আছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ২০০৯ সালে সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর থেকে বিএনপি নানাভাবে আন্দোলন সংঘটিত করার চেষ্টা করেছে কিন্তু জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ না থাকায় কিংবা তাতে জনগণের কোনো দাবি না থাকায় তা সফল করে তুলতে পারেনি। গত বছরের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পরেও প্রায় এক বছর তারা কার্যত কোনো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। চেষ্টা করেও সফল হয়নি। ফলে তারা বর্তমান অবরোধ কর্মসূচিকে সফল করার নামে পৈশাচিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে যাতে গত মঙ্গলবার পর্যন্ত অর্থাৎ অবরোধের পনরতম দিন পর্যন্ত যানবাহনে আগুন ও ভাঙচুর করা হয়েছে ৫৯৪, রেলে নাশকতা চালানো হয়েছে ৪ দফা, নিহতের সংখ্যা ২৭, এর মধ্যে পেট্রোল বোমা ও আগুনে ১২ জন, সংঘর্ষে- ১০ ও অন্যান্য ৫ জন। শুধু ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন ২৮ জন। আহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। প্রতিদিন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হাজার হাজার কোটি টাকা। এমনকি বিশ্ব ইজতমা চলাকালীনও বিএনপি অবরোধ শিথিল করেনি। পূর্বেই বলেছি আন্দোলন সংগ্রাম করার অধিকার অবশ্যই আছে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের। তবে একটি স্বাধীন দেশের আন্দোলনের চরিত্র আর পরাধীন দেশের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামের চরিত্র ও রূপ কি একই ধরনের হতে পারে? এক সময়ে ব্রিটিশদের বিতাড়িত করতে ভারতবাসী অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম এমনকি সশস্ত্র যুদ্ধও করেছে। শত বছরের শৃঙ্খল মুক্তির জন্য ক্ষুদিরাম রেল লাইনে বোমা পেতে অবশেষে নিজেকে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে গিয়েছিলেন। রাষ্ট্রের ভাষায় বিচ্ছিন্নতাবাদী বলা হলেও শ্রীলংকার তামিলরা মূলত একটি স্বাধীনভূমির জন্য বিপ্লব করেছিল। বিশ্বের গেরিলা যুদ্ধের ইতিহাসে চরম নিষ্ঠুরতার জন্য এলটিটিই চিহ্নিত হলেও তাদের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল। আর তাহলো জাতিগত বৈষম্য থেকে শ্রীলংকার দক্ষিণাঞ্চলের মুক্তি অর্থাৎ তামিলদের জন্য একটি আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও বলতে হয়, কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে নয়। কিছু যুদ্ধাপরাধীকে মুক্ত করা ও ক্ষমতার মসনদে নিজেদের অভিষিক্ত করার অভিপ্রায়ে বিএনপি-জামায়াত ২০১৩ ও বর্তমানে সরকার বিরোধী আন্দোলনের নামে যেভাবে নারী শিশু ও সাধারণ মানুষ হত্যা করছে তা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ‘এলটিটিই’এর নির্মমতাকে হার মানিয়েছে। শুধু আমি নই, দেশবাসী বেগম জিয়ার ওপর প্রচণ্ড খুশী হতেন যদি তিনি অবরোধ হরতালে নিহত আহত মানুষদের পক্ষে সত্যি করে কিছু বলতেন। এই নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে যদি আন্তরিকভাবে কিছু বলতেন, কিংবা প্রকাশ্যে যদি নিজ দলের লোকদের ধ্বংসাত্মক কাজ না করার আদেশ-নির্দেশ বা উপদেশ দিতেন। আমরা খুশী হতাম যদি বেগম জিয়া ১৫ দিনের কথিত ‘অবরুদ্ধ’ অবস্থা থেকে এসে তাঁর দলের সাম্প্রতিক দুটি জঘন্য মিথ্যাচারের বিষয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতেন। জালিয়াতির জন্য ক্ষমা চাইতেন। ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির সভাপতি অমিত সাহার সাথে তাঁর কথিত ফোনালাপ এবং মার্কিন কংগ্রেসম্যানের প্যাড ও স্বাক্ষর জাল করে দেওয়া বিবৃতির বিষয়ে তাঁর দলের জঘন্য মিথ্যাচারের একটি ব্যাখ্যা দিতেন। ভুল দোষ স্বীকার করে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতেন। দুঃখিত এর কোনোটিই বেগম খালেদা জিয়া করেননি। করেননি কারণ এমন অসংখ্য ভুল ও মিথ্যার ওপর এ দলের জন্ম এবং দলের রাজনীতি। ফলে দুটি বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ দেশের রাজনীতিকদের জড়িয়ে বিএনপির চরম মিথ্যাচার নিয়ে দলের অন্যান্য নেতাদের মতো খালেদা জিয়াও অনুতপ্ত হলেন না। বিএনপি এবং তার সমমনা দলের নেতৃত্বকে বুঝতে হবে একটি স্বাধীন দেশের রাজনীতি, আন্দোলন সংগ্রাম এবং তার চর্চা ও চরিত্র একটি স্বাধীনতা সংগ্রামের আন্দোলনের মতো হতে পারে না। দেশের সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে আগুনে পুড়িয়ে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে ক্ষমতায় যাওয়ার পথ তৈরি করা দায়িত্বশীল রাজনীতি হতে পারে না কোনোক্রমেই। এত হত্যা, এত নৈরাজ্য, এত পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের পরেও মানুষের জীবনযাত্রা সচল দেখে, মানুষের কর্মোদ্যোগ দেখে বিএনপির নেতৃত্বকে বোঝা উচিত ছিল জনগণ তাদের সাথে নেই অথবা থাকলেও তাদের এই জ্বালাও পোড়াও জনগণ পছন্দ করছে না। এই জ্বালাও পোড়াওয়ের দায় কিন্তু সরকার ও সরকারি দল আওয়ামী লীগকেও নিতে হবে। কয়েকদিন আগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে অগ্নিদগ্ধদের দেখতে গিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। ২০১৩ সালে দেশব্যাপী সংঘটিত বিএনপি জামায়াত হেফাজতের তাণ্ডবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে সময়ের ঘটনার সাথে জড়িতদের যদি দ্রুত ও কঠোর বিচার করা হতো তাহলে বর্তমান নিষ্ঠুরতা ঘটতো না বা ঘটার সাহস করতো না। ২০১৩ সালে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত যে ভয়ংকর তাণ্ডব চালিয়েছিল তার প্রকৃত বিচার করতে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। শুধু বিচারে ব্যর্থ হয়েছে তা নয় দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করতেও ব্যর্থ হয়েছে। হয়েছে শুধু পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্য আর আওয়ামী লীগের কিছু নেতার তদবির বাণিজ্য। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, বাঁশখালী, সীতাকুণ্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন কুকীর্তি নিয়ে স্থানীয় সংবাদপত্রে অনেক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব তা অনুসন্ধানেও দুর্বৃত্তদের বিচারের ব্যাপারে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেনি। যার ফলে ড. মিজানুর রহমানের সাথে একমত পোষণ করে বলি আওয়ামী লীগ ও পুলিশ প্রশাসন সেদিনের ঘটনার দোষীদের বিচারে ব্যর্থ না হলে আজকের ভয়াবহতা অনেকখানি নিয়ন্ত্রিত থাকতো। তবে যাই হোক ধ্বংস থেকে গভীর খাদের কিনার থেকে এদেশের মানুষ অনেকবার এগিয়ে এসেছে, উঠে দাঁড়িয়েছে। এবারেও দাঁড়াবে নিশ্চয়ই। তবে এবারের জনগণের রাজনীতিকদের জন্য একটি সতর্ক সংকেত আছে। আর তাহলো বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনজাগরণে অগ্রযাত্রায় ছন্দের সাথে তাল মেলাতে না পারলে সে রাজনীতি বা রাজনৈতিক দল জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হবে। সে সময় খুব বেশি দূরে নয়। Email : [email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।