ষোড়শ সংশোধনী বনাম বর্তমান আইনসভা-কামরুল হাসান বাদল

পোস্ট করা হয়েছে 28/08/2014-09:10am:   
সরকারের তিনটি বিভাগণ্ডআইন, বিচার ও শাসন বিভাগের দায়িত্ব, কর্তব্য, কর্তৃত্ব ও পরিধি যে এখনো মীমাংসিত নয় তা বেশ বোঝা যাচ্ছে কয়েকদিনের টকশো পত্রিকার কলাম ও বিভিন্ন আলাপ ও আড্ডার আলোচ্য বিষয় দেখে ও শুনে। বিতর্কটি তৈরি হলো সরকারের সংবিধানের ১৬শ সংশোধনীর প্রস্তাবে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদ বা আইনসভা ফিরে পাচ্ছে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা, যা ১৯৭২ সালের প্রথম সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত ছিল, পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনামলে এক ফরমান বলে তা সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলকে প্রদান করা হয়েছিল।
এ নিয়ে দেশে বেশ হৈচৈ হচ্ছে এখন। মানুষ রাত জেগে রাজনৈতিক টকশো দেখছে। পত্র-পত্রিকাগুলোয় বিস্তর লেখালেখি হচ্ছে, প্রধান বিরোধী জোট অর্থাৎ বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট নতুন একটি আন্দোলনের ইস্যু পেয়ে চাঙা হয়ে ওঠার সুযোগ কাজে লাগাতে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করছে। বিচার ও আইন পেশায় জড়িতরা এখন ভি আইপিতুল্য কভারেজ পাচ্ছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে।
বিষয়টি নতুন কিছু নয়, গণতান্ত্রিক বিশ্বের জন্যেতো নয়ই বাংলাদেশের জন্যেও নয়। আগেই বলেছি সংসদের এই ক্ষমতাটি পূর্বেও অর্থাৎ ১৯৭২ সালের সংবিধানে ছিল। মাঝখানে কয়েক দশক বাদে তা আবার পূর্বাবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। বিষয়টি গণতন্ত্রের সাথে সাংঘর্ষিক নয় বা গণতন্ত্রপরিপন্থিও নয়। কেন নয় সে বিষয়টি পরিষ্কার হোক আগে।
Government of the people by the people for the people. এটিকে যদি গণতন্ত্রের মৌলিক ব্যাখ্যা হিসেবে ধরি তাহলে বলতে হয় গণতন্ত্রে জনগণই হচ্ছে সার্বভৌম, জনগণই হচ্ছে রাষ্ট্রের ‘সুপ্রিম পাওয়ার’। সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইন সভা বা জাতীয় সংসদই যেহেতু জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত সেহেতু জাতীয় সংসদই হবে সার্বভৌম এবং অন্য দুটি বিভাগের চেয়ে অধিক সুপ্রিম ও স্বাধীন। কাজেই জনগণের প্রতিনিধিদের কাছে পক্ষান্তরে জনগণের কাছে জবাবদিহি করার মধ্যে কোনো অগৌরব আছে বলে আমি অন্তত মনে করি না। ফলে সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতি অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের ওপর ন্যস্ত করা কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নয়। বরং তা একটি পূর্ণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা।
এখন প্রশ্ন হতে পারে যে সংসদের বা সংসদ সদস্যদের হাতে এমন সুপ্রিম পাওয়ার তুলে দিচ্ছি সে সংসদ ও সংসদ সদস্যরা কেমন হতে পারে? তাদের যোগ্যতা, সততা, জবাবদিহি ও বিচক্ষণতা কেমন হতে পারে? তার আগে সংসদ বা একটি রাষ্ট্রের আইনসভা ও তার সভ্যদের বিষয়ে একটু আলোচনা করা যাক। বাংলাদেশের আইন সভাকে ‘জাতীয় সংসদ’ নামে অভিহিত করা হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম ভাগ ‘আইনসভা ১ম পরিচ্ছদ ‘সংসদ’ এ বলা হয়েছে ৬৫(১) জাতীয় সংসদ নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে। ‘তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান উপ-আইন, বা আইনগত কার্যকারিতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফায় কোনো কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না। অর্থাৎ আমাদের সংবিধানই জাতীয় সংসদকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছে। অন্যদিকে আইন সভার সভ্য বা জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা হিসেবে বলা হয়েছে। ৬৬(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাহার বয়স পঁচিশ বছর পূর্ণ হইলে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।
(২) কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না যদি
ক) কোনো উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা না করেন।
খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন।
গ) তিনি কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন।
ঘ) তিনি নৈতিক স্বল্পজনিত কোন ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হইয়া থাকে।

ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীনে যে কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া থাকেন। (সংক্ষিপ্ত করা হলো)
ঞ) সংসদ সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি
১। সংসদের কার্যধারার বৈধতা সম্পর্কে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। ২। সংসদের যে সদস্য বা কর্মচারীর ওপর সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ, কার্যপরিচালনা বা শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকিবে, তিনি সকল ক্ষমতা প্রয়োগ সম্পর্কিত কোনো ব্যাপারে কোনো আদালতের এখতিয়ারের অধীন হইবেন না। ৩। সংসদে বা সংসদের কোনো কমিটিতে কিছু বলা বা ভোটদানের জন্য কোনো সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো আদালতে কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না। ৪। সংসদ কর্তৃক বা সংসদের কর্তৃত্বে কোনো রিপোর্ট কাগজপত্র ভোট বা কার্যধারা প্রকাশের জন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো আদালতে কোনো কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না। ৫। এই অনুচ্ছেদ সাপেক্ষে সংসদের আইন দ্বারা সংসদের, সংসদের কমিটি সমূহের সংসদ সদস্যদের বিশেষ অধিকার নির্ধারণ করা যাইতে পারিবে।
সংবিধানের ৭৮ ধারার বিভিন্ন উপধারায় আমরা দেখতে পাচ্ছি সংসদ ও সংসদ সদস্যদের অধিকার ও ক্ষমতাকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্থান দেওয়া হয়েছে। তাদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এখন তাদের হাতে যদি বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা দেওয়া হয় তবে তা নতুন কিছু নয়। কিন্তু শঙ্কা হলো কোন ধরনের সংসদ বা সংসদ সদস্যদের হাতে আমরা এমন একটি স্পর্শকাতর অধিকার অর্পণ করছি।
বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও সংবাদ মাধ্যমের তথ্যমতে বিগত কয়েকটি সংসদের সদস্যদের মধ্যে প্রকৃত রাজনীতিকের সংখ্যা আশংকাজনকভাবে কম এবং এই প্রবণতা বা ধারা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজনীতি এখন প্রকৃত রাজনীতিকদের জন্যে কঠিন হয়ে উঠেছে। রাজনীতির মাঠ বা নেতৃত্ব দখল করেছে কালো টাকার মালিক, গডফাদার, মাস্তান, চাঁদাবাজ পেশি শক্তি। ফলে ব্যয় বহুল নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে এখন দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে বিত্তবানদের, যাদের অধিকাংশই কোনো না কোনোভাবে কালো বা অবৈধ টাকার মালিক। এদের দৌরাত্ম্যে সৎ, দেশপ্রেমিক নিবেদিত রাজনীতিকরা কোণঠাসা। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত আমলা সামরিক বা অন্যান্য বাহিনীর অবসরপ্রাপ্তরা মনোনয়নের দৌড়ে রাজনীতিকদের অনেক আগে। ফলে জাতীয় সংসদ এখন অনেকটা বিত্তবানদের ক্লাবে পরিণত হয়েছে। এছাড়া নির্বাচিত হওয়ার পরে এসব সংসদ সদস্যরা জড়িয়ে পড়েন বিভিন্ন অপকর্মে, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতিতে। এদের মধ্যে অনেকেই এমন কিছু আচরণ করে থাকেন ভাবতে কষ্ট হয় তা কোনো ভদ্র ও বিবেকবান মানুষের পক্ষে করা সম্ভব কিনা।
তবে এ পরিস্থিতি একদিনে তৈরি হয়নি। দীর্ঘদিন বিচারহীনতা, জবাবদিহিতার অভাব ও সমাজ থেকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া না পাওয়ার ফলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আর রাজনীতির এমনও ব্যাপক ক্ষতিটি করেছে আমাদের দেশের সামরিক শাসকরা। জিয়া থেকে এরশাদ তাদের অবৈধ ও সামরিক সরকারকে জনগণের কাছে গ্রহণীয় করে তুলতে রাজনীতিকদের অর্থ, ক্ষমতা পদের লোভ অথবা ভয় দেখিয়ে দলছুট করেছেন। দল ভেঙে নিজের দল গড়েছেন। জিয়া এ কাজে স্বাধীনতা বিরোধীদের ব্যবহার করেছিলেন, এরশাদ ব্যবহার করেছিলেন স্বাধীনতাবিরোধীসহ দুর্নীতিবাজ রাজনীতিকদের। সেই যে রাজনীতিতে নীতি ও আদর্শহীনতা প্রবেশ করেছে তা থেকে রাজনীতি আর মুক্ত হতে পারেনি বরং এই দৈত্য আরও জেঁকে বসেছে রাজনীতির কাঁধে। ফলে এখন রাজনীতি হয়ে উঠেছে শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে আর ক্ষমতা হয়ে উঠেছে নিজের আখের গোছানোর মস্ত বড় অবলম্বন হিসেবে। যে জন্যে আজ সংসদ সদস্য হওয়া একটি বড় পুঁজি খাটানোর ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এখানে পুঁজি খাটালে তা যে কয়েক শ কারো কারো বেলায় হাজার গুণ লাভের ক্ষেত্র তা এখন প্রকাশ্য বিষয়। যেহেতু পদটি অত্যন্ত লাভজনক পদে পর্যবসিত হয়েছে সে কারণে ওখানে লগ্নি করতে অনেকে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। শুধু দলের মনোনয়ন পেতেই কয়েক কোটি টাকা খরচ করেন অনেকে। অনেকে আছে টাকা নিয়ে রাজধানীতে যান এক দলের মনোনয়ন বঞ্চিত হলে অন্যদল থেকে মনোনয়ন কিনে নিয়ে আসেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে বর্তমানসহ বিগত কয়েকটি সংসদের সদস্যদের অনেকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আছে।
তবে এর জন্যে আমি শুধু মাত্র ব্যক্তিকে দায়ী করব না। এর জন্যে দায়ী অনেকটা আমাদের ‘সিস্টেম’। অর্থাৎ আমরা এমন কিছু সুযোগ করে রেখেছি একজন সংসদ সদস্যের জন্যে যে, তাঁকে দুর্নীতিবাজ হতে সে পথই উৎসাহিত করে, আহ্বান করেন।
পূর্বেই বলেছি একজন সংসদ সদস্য মূলত একজন আইন সভার সভ্য। আইন প্রণয়ণটি যাঁর মহৎ কাজ। সংবিধান অনুযায়ী তাঁরা আইন প্রণয়ন করবেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নিরন্তর কাজ করবেন এবং সরকারের সহায় হিসেবে অবদান রাখবেন। কিন্তু আমাদের দেশে একজন সংসদ সদস্য থানার ওসি-দারোগা থেকে শুরু করে স্কুলের দপ্তরিকে পর্যন্ত বদলির দায়িত্ব পালন করেন। স্কুল কমিটিতে হস্তক্ষেপ করা ছাড়াও তাঁর এলাকায় এমন কোনো কাজ করতে দেন না যাতে তাঁর সায় নেই বা লাভ নেই। তাঁর হাতেই তাঁর এলাকার সমস্ত উন্নয়ন কাজের ভার। তাঁর হাত দিয়েই ব্যয় হয় হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজের অর্থ। তিনি তার নির্বাচনী এলাকার একমাত্র বাদশা। তাঁর কথার বাইরে সরকারি লোকও কিছু করতে পারেন না। স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি অর্থাৎ উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাকিয়ে থাকেন তাঁর কৃপা দৃষ্টির জন্যে। তবে দু’একটি এলাকার যেখানে উপজেলা চেয়ারম্যান কোনো কারণে কিছুটা দাফট রাখেন সেখানের চিত্র ভিন্ন।
এই যখন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা সেখানে আমাদের ভাবতে হবে দু’বার যে এমন সংসদ সদস্যদের হাতে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা অর্পণ কতটা যুক্তিযুক্ত। তবে সে সাথে এর বিরূপ নিয়েও ভাবতে হবে আমাদের। এই যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের দুর্নীতির কথা, হাতে ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব অর্পণ ও তার অপ প্রয়োগের কথা বললাম তাতো একটি দিক। এর বিকল্প কী হতে পারে? অর্থাৎ যে সংশোধনীর মাধ্যমে তাদের হাতে আরেকটি ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব তুলে দেওয়া হচ্ছে এবং সে সাথে তাঁদের হাতে সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ তুলে দেওয়া হচ্ছে এর বিকল্প ব্যবস্থা কী হতে পারে?
একদিকে সুপ্রিম জুডিশিয়াল যা বর্তমানে বহাল আছে এবং উন্নয়ন কাজে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিকে কর্তৃত্ব দেওয়া তার আগে আমরা দেখে নিতে চাই এক্ষেত্রে আমাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা কী। প্রিয় পাঠক তার জন্যে আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

[email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।