বাংলাদেশের সেই অকৃত্রিম বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র ফিলিস্তিনে আবারও রক্ত ঝরছে। কামরুল হাসান বাদল

পোস্ট করা হয়েছে 30/07/2014-09:27pm:    প্যালেস্টাইন আরবিতে যা ফিলাসত্বীন এর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কটি আত্মিক ও আদর্শিক। এর কয়েকটি কারণের মধ্যে অন্যতম হলো আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অধিকাংশ আরব দেশ আমাদের বিপক্ষে থাকলে ফিলিস্তিন ও এর অবিসম্বাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাত ছিলেন পক্ষে। শুধু তাই নয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাথে ছিল তাঁর (ইয়াসির আরাফাতের) হৃদত্যপূর্ণ সম্পর্ক। বাংলাদেশের প্রতি তাঁর যে গভীর আবেগ ও ভালোবাসা ছিল তা বহুভাবে প্রমাণিত হয়েছে এবং তিনি তা আমৃত্যু বহাল রেখেছিলেন। আরব বিশ্বের একমাত্র দেশ ফিলিস্তিন যার রাষ্ট্রীয় আদর্শ ছিল বাংলাদেশের মতো ধর্মনিরপেক্ষ। ধর্মীয় কারণ ছাড়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ যে সম্পর্কটি তৈরি হয়েছিল তা হলো বাংলাদেশের মতো তারা শোষিত, বঞ্চিত ও স্বাধীনতাকামী। তারাও দীর্ঘকাল পি এল ও (প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন) প্রধান ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ চালিয়ে আসছিল। এই প্রজন্মের হয়ত অনেকে জানেন না গত শতকের সত্তর দশকে বাংলাদেশের অনেক তরুণ ও মুক্তিযোদ্ধা প্যালেস্টাইনে গিয়ে তাদের সাথে একত্রে যুদ্ধ করেছে ইসরাইলের বিরুদ্ধে। আরব দেশ সমূহের মধ্যে ইরাক ও মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আমাদের সমর্থন দিয়েছিল। যে কারণে আরবের অন্যান্য দেশের তুলনায় ফিলিস্তিন ও ইরাকের প্রতি বাংলাদেশ ও এর জনগণের ভালোবাসা ও সহানুভূতি অপরিসীম। বাংলাদেশের সেই অকৃত্রিম বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র ফিলিস্তিনে আবারও রক্ত ঝরছে। এ পর্যন্ত প্রায় দু শ’র কাছাকাছি ফিলিস্তিনি মারা গেছে তার মধ্যে ৮৬ শতাংশই বেসামরিক ও নারী-শিশু। প্রতিদিন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আমরা ফিলিস্তিনি শিশুদের রক্তাক্ত ছবি দেখতে পাচ্ছি। গাজার অসহায় নারী শিশুসহ শত শত মানুষের ভয়ার্ত, অসহায় ছবি দেখতে পাচ্ছি। হামাসের ব্যর্থ, অকার্যকর ও লক্ষভ্রষ্ট একেকটি রকেট হামলার জবাব দিচ্ছে ইসরাইল গাজার নিরপরাধ নারী-শিশুসহ বেসামরিক লোকদের হত্যা করে। ইতোমধ্যেই গাজার অনেক এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর পর্যন্ত আরব দেশসমূহের কোনো ব্যাপক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানায়নি তেমন কেউ। এমনকি জাতিসংঘ, অ্যামানস্টি ইন্ট্যারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইট ওয়াচের মতো সংগঠন, যারা এখনও বাংলাদেশের যোদ্ধাপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে প্রায় বক্তৃতা বিবৃতি প্রদান করে যাচ্ছে। আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ছোট্ট একটি ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইল এত ক্ষমতাধর কী ভাবে হলো বা এই ছোট্ট রাষ্ট্রটিই বা কী করে পুরো আরব জাহানকে তটস্থ করে রাখে এবং এই রাষ্ট্রের শক্তির উৎস কী প্যালেস্টাইনের সাথে যুদ্ধের কারণ কী তা জানতে আমাদের একটু পিছনে ফিরে তাকাতে হবে। একটি সময়ে বিশ্বের অনেক দেশ নিজেদের অধীন করে রেখেছিল ব্রিটেন। শত শত বছরও শাসন করেছে কোনো কোনো দেশ। কিন্তু এক সময় সে সব দেশে স্বাধীনতা আন্দোলন জোরদার হওয়ার ফলে তাদের স্বাধীনতা দিতে বাধ্য হয় ব্রিটেন। তবে স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হলে অধিকাংশ দেশে এমন কিছু সংকট তারা জিইয়ে রেখেছিল যে তার কারণে স্বাধীনতা অর্জন করলেও দীর্ঘ দীর্ঘ সময়ের জন্যে গভীর কিছু সংকটে নিপাতিত হতে হয়েছে দেশগুলো। ভারতের কাশ্মির সমস্যা, ভারত বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত ও ছিটমহল সমস্যার মতো মধ্যপ্রাচ্যেও তারা দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা তৈরি করে। কিছু ঐতিহাসিক কারণে ইহুদি মুসলিমদের মধ্যে চিরকালীন বৈরী সম্পর্ক সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে একটি ইহুদি রাষ্ট্র স্থাপন ইঙ্গ মার্কিন বদ মতলবেরই একটি অংশ। সিমেটিক ধর্মাবলম্বী অর্থাৎ ইহুদি, খ্রিষ্টান ও মুসলিম এই তিন ধর্মের অনুসারীদের কাছে প্যালেস্টাইনের জেরুজালেম একটি পবিত্র নগরী হিসেবে পরিগণিত। যে কারণে এই নগরীর অধিকার নিজেদের মধ্যে রাখতে এই তিন ধর্মাবলম্বীর মধ্যে মারামারি যুদ্ধ বিগ্রহ কম সংঘটিত হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে আরবদের মধ্যে ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুসলিম এই তিন ধর্মাবলম্বীর অবস্থান হলেও এক সময় মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিতারিত হতে হয় ইহুদিদের। খ্রিস্টানদের একটি বিশাল অংশ মধ্যপ্রাচ্যে তাদের আরব জাতীয়তাবাদ নিয়ে অবস্থান করতে পারলেও ইহুদিরা এক সময় রাষ্ট্রবিহীন জাতিতে পরিণত হয়। তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র বা দেশে। দীর্ঘ কয়েক শতাব্দি পরে গত শতকের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে মূলত ব্রিটেনই প্রথম উদ্যোগ নেয় মধ্যপ্রাচ্যে একটি ইহুদি রাষ্ট্র স্থাপনে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের জন্য বোমা তৈরি প্রয়োজনীয় উপাদান কৃত্রিম ফসফরাস তৈরি করে ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়ভাজনে পরিণত হন ইহুদি বিজ্ঞানী ড. হেইজ বাইজম্যান। মূলত তারই প্রস্তাবে ব্রিটেন মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিনে একটি ইহুদি রাষ্ট্র স্থাপনে উদ্যোগে গ্রহণ করে এবং ধীরে ধীরে ফিলিস্তিনে ইহুদি বসতি গড়ে তুলতে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির হিটলার কর্তৃক নির্বিবাদে ইহুদি হত্যার ফলে বিশ্বব্যাপী ইহুদির প্রতি একটি সমবেদনা ও সহানুভূতি জন্ম নেয়। তাই যুদ্ধে হিটলারের পরাজয় ও মিত্রবাহিনীর বিজয় অর্জিত হলে মিত্র বাহিনীর দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন ও আমেরিকার প্রত্যক্ষ উদ্যোগ ও হস্তক্ষেপে ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘে ভোট গ্রহণ হয় তাতে ৩৩টি রাষ্ট্র পক্ষে, ১৩টি বিপক্ষে এবং ১০টি ভোট দানে বিরত থাকে। ফিলিস্তিনে ইহুদিদের পুনর্বাসনের পরেও মোট জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশ হয়েও ইহুদিরা পায় ৫৭% আর ফিলিস্তিনিরা পায় ৪৩ শতাংশ ভূমি। এভাবে ইঙ্গ-মার্কিন উদ্যোগে জাতিসংঘে পাস হয়ে যায় একটি অবৈধ রাষ্ট্রের প্রস্তাব কিন্তু ফিলিস্তিনিদের বিষয়টি থাকে উপেক্ষিত। এরপর থেকে ইজরাইল নামক রাষ্ট্রটির পরিধি ও ইহুদি বসতি বৃদ্ধি চেষ্টা অব্যাহত থেকেছে আর ফিলিস্তিনি জনগণ উদ্বাস্তুর জীবন যাপনে বাধ্য হয়েছে। ফিলিস্তিনিদের নিজ মাতৃভূমি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে মূলত মধ্যপ্রাচ্যে একটি ইঙ্গ-মার্কিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফিলিস্তিনিরা নিজেদের জীবন বাঁচাতে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তারা উদ্বাস্তু হয়ে শরণার্থী হয় বেঁচে খাকে বিভিন্ন দেশে। এক সময়ে ফিলিস্তিনিরা নিজ মাতৃভূমি ফিরে পেতে সংগঠিত হয়। গঠিত হয় পিএলও বা প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন। ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে পিএলও ও প্যালেস্টাইন জাতীয় পরিষদ (পিএসসি) ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৭৪ সালে আরব লীগ শীর্ষ বৈঠকে পি এলও কে ফিলিস্তিন জনগণের একমাত্র বৈধ-প্রতিনিধি ও তাদের জন্য একটি দেশ প্রতিষ্ঠার আহবান জানানো হয়েছিল। বাংলাদেশসহ মুসলিমদেশসমূহ ইয়াসির আরাফাতকে ফিলিস্তিনের বৈধ রাষ্ট্রনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে পর্যবেক্ষণ রাষ্ট্রের মর্যাদা দেয়। মধ্যপ্রাচ্যে একটি ইহুদি রাষ্ট্র স্থাপনের মাধ্যমে ইঙ্গ-মার্কিন শক্তি শুধু ইহুদি, যারা বিশ্বব্যাপী অধিকাংশ কর্পোরেট পুঁজির অধিকারী তাদের সন্তুষ্টি রাখতে চেয়েছে অন্যদিকে আরবদের ওপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে মূলত মধ্যপ্রাচ্যে একটি মিনি আমেরিকা গড়ে তুলতে চেয়েছে। ১৯৭৩ সালে আরব-ইজরাইল যুদ্ধের পরে আমেরিকা ইজরাইলের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এবং এক সময়ে এই রাষ্ট্রটি আমেরিকার কাছে নিজেদের একটি অঙ্গ রাষ্ট্র হিসেবে নিরাপত্তার জন্য চূড়ান্ত সুবিধা অর্জন করেছে। কয়েকদিন আগে ইজরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্যেও একই কথার প্রতিধ্বনি শোনা গেছে। অর্থাৎ আমেরিকা আজ তার অধিকার বা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য যা করবে তদ্রুপ করবে ইজরাইলের জন্য। বর্তমানে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাস আল ফাতাহ নিয়ন্ত্রণে আছে রামাল্লা আর গাজার নিয়ন্ত্রণ আছে হামাসগ্রুপের অধীনে। বর্তমানে হামাসের সাথে দ্বন্দ্বে গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইজরাইল। ইজরাইল নিয়ে আমেরিকার দু ধরনের স্বার্থ জড়িত। প্রথমটি হচ্ছে আমেরিকাসহ বিশ্বের বড় বড় করপোরেট হাউজগুলোর মালিক ইহুদি। আমেরিকার অস্ত্র নির্মাতা-বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা ইহুদি। আমেরিকার অর্থনীতির বিশাল একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করে ইহুদিরা। এবং এর ফলে আমেরিকার রাজনীতিতে এদের বিপুল প্রভাব। কাজেই ক্ষমতায় যেতে এবং ক্ষমতাকে মসৃণ করতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ও তার প্রশাসনকে ইহুদি লবির কর্তৃত্ব মেনে নিতে হয়। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিশাল তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখতে মধ্যপ্রাচ্যে প্রয়োজন ছিল একটি মিনি আমেরিকার। ইসরাইলের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে তটস্থ রেখেছে আমেরিকা। আবার অন্যদিকে আরবের তেল সমৃদ্ধ দেশগুলোকে নিরাপত্তা দেওয়ার নাম করে কবজা করে রেখেছে তারা। যে কারণে ইজরাইলের বিরুদ্ধে আরব দেশগুলো ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারলেও আমেরিকাকে তোষামোদ করার ক্ষেত্রে তারা ঐক্যবদ্ধ। শাহের পতনের পর ইরান ও সাদ্দাম হোসেনের শেষের শাসনকাল ছাড়া আরবের অন্যান্য দেশ আমেরিকার প্রভাবমুক্ত নয়। ইজরাইল-ফিলিস্তিন বিষয়টি মোটা দাগে ইহুদি মুসলমান দ্বন্দ্ব হিসেবে দেখা হলেও তা মূলত একমাত্র ধর্মীয় কারণ নয়। এর পেছনে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুদূরপ্রসারী ক্ষমতা ও অর্থের স্বার্থ। আমেরিকা যখনই তার নিজ দেশে বা নিজ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমস্যায় পতিত হয় তখনই তারা বিশ্বের অন্য একটি অঞ্চলে আরেকটি সমস্যা তৈরি করে বিশ্ব জনগণের দৃষ্টি বিভ্রান্ত করে। আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি ও ইরাকের বর্তমান দাঙ্গা-হাঙ্গামা থেকে বিশ্বের দৃষ্টি ফেরাতে গাজা বা ফিলিস্তিনে একটি সমস্যা তৈরির প্রয়োজন ছিল তাদের। বিশ্বের মনোযোগ ইসরাইল গাজার দিকে নিবদ্ধ রেখে ইরাকে নতুন করে কোন খেলা খেলবে আমেরিকা তা ঠাহর করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হচ্ছে না। মনে রাখতে হবে আমেরিকা বা তার মিত্রদের সৃষ্ট কোনো সমস্যার আড়ালে দীর্ঘকালের আরেকটি সমস্যা তৈরির পাঁয়তারা করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি পুরানো ও চেনা আচরণ। আজ আবার ফিলিস্তিনের নারী শিশু হত্যা করে নতুন কিছু একটি ঘটানোর ফন্দিতে আছে সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। ইজরাইলের সীমানা বৃদ্ধি বা নতুন বসতি স্থাপনের আগে অতীতেও ইজরাইল ফিলিস্তিনে এরূপ হামলা পরিচালিত করেছে। তারপরে যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাবের আড়ালে নিজ দেশের আয়তন বৃদ্ধি করেছে। এবারও সম্ভবত তেমন কিছু অথবা ইরাককে দুটুকরা করার একটি উদ্যোগ কার্যকর করার পথেই অগ্রসর হচ্ছে ইঙ্গ-মার্কিন শক্তি। তবে যারা যাই করুক ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন সব সময়ের জন্য অব্যাহত থাকবে। ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে থাকবে বাংলাদেশ ও তার স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ। ই-মেইল[email protected] ,qumrulhasanbadal.blogspot.com/

সর্বশেষ সংবাদ