শরণার্থী সমস্যা, বাংলাদেশ ও কালশী হত্যাকাণ্ড [ কামরুল হাসান বাদল ]

পোস্ট করা হয়েছে 26/06/2014-01:16pm:    মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার ইতিহাস নতুন নয়। যুদ্ধ, সংঘাত, মহামারী, খরা, দুর্ভিক্ষ ইত্যাদি কারণে শতশত বছর থেকে মানুষ নিজ মাতৃভূমি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। পাড়ি দিয়েছে এক দেশ থেকে অন্য দেশে কিন্তু গত শতকের দ্বিতীয় দশকে সংঘটিত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর উদ্বাস্তু মানুষের সংখ্যা প্রথমে নজরে আসে বিশ্ববাসীর। এরপরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং তারপরে বিভিন্ন দেশে সংঘটিত যুদ্ধ, গৃহযুদ্ধ, লড়াই, সংগ্রাম সংঘাতের কারণে বাড়তে থেকেছে বাস্তুহারা মানুষের সংখ্যা। সংঘাতময় এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থান খুঁজতে গিয়ে একসময় পেরিয়ে গেছে নিজদেশের সীমানা। অন্যদেশে আশ্রয় নিয়ে তাদের নতুন পরিচয় হয়েছে শরণার্থী হিসেবে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর গত শুক্রবার বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে বিশ্বজুড়ে মোট শরণার্থীর সংখ্যা ছিল পাঁচ কোটি ১২ লাখ। এই সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে ৬০ লাখ বেশি। সিরিয়া, মধ্য আফ্রিকা ও সুদানে যুদ্ধের কারণে এক বছরেই এই সংখ্যা এত বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সংখ্যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্বোচ্চ। ইউএনএইচসিআর তাদের নিজস্ব তথ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার দেওয়া তথ্যও সংগ্রহ করেছে। এখনও শরণার্থীর সংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান, এরপরে সিরিয়া ও সোমালিয়া। এ তিনটি দেশের শরণার্থীর সংখ্যা বিশ্বের মোট শরণার্থীর অর্ধেকের বেশি। শরণার্থী বেশি আশ্রয় নিয়েছে পাকিস্তান, ইরান ও লেবাননে। ইউএনএইচসিআরের প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধের ভয়াবহতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পুরনো যুদ্ধগুলো কখনোই শেষ হবে না মনে হয়। যুদ্ধের ফলে শরণার্থীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় সহায়তা সংস্থাগুলোর মধ্যে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, বিশ্বে আজ শান্তির মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সহিংসতা আগের চেয়ে বেড়েছে এবং মানুষকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করছে। বাংলাদেশের জনগণেরও এই অভিজ্ঞতা আছে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন এদেশের প্রায় এক কোটি মানুষ শরণার্থী হিসেবে পাশের দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়োছিল। অবশ্য ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বিজয় অর্জিত হলে শরণার্থীরা দেশে ফিরে আসে। গত শতকের ৭০ ও ৮০ দশকে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠীর কিছু অংশ ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছিল। ১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তির ফলে তারা ফিরে আসে দেশে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ পরিস্থিতি হলেও বিশ্বের প্রায় ৬৩ লাখ মানুষ বছরের পর বছর অনেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম শরণার্থীর জীবন কাটাচ্ছে। সাধারণত উপদ্রুত এলাকা ছেড়ে তুলনামূলক উন্নত ও শান্তিপূর্ণ দেশই লক্ষ্য হয় শরণার্থীদের। অধিকাংশ ক্ষেত্রে উদ্বাস্তু হতে কোনোরূপ ভূমিকা না থাকলেও আশ্রয় নেওয়া দেশগুলোকে এর দায় নিতে হয়। আন্তর্জাতিক আইন মেনে দেশগুলোকে আশ্রয়ও দিতে হয়। গত শতাব্দীর ৬০ দশকে আলজেরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় ২০ লাখের বেশি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল মরক্কো ও তিউনিশিয়া। ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডার গণহত্যার সময় ২০ লাখ রুয়ান্ডাবাসী আশ্রয় নিয়েছিল জায়ারে, ২০০৩ সালে সুদানের দারফুরে গণহত্যার পর ২৫ লাখের বেশি মানুষ আশ্রয় নেয় চাদ ও লিবিয়ায়। ইরাক যুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল সুদান ও জর্দানে। বর্তমানে আফগানিস্তানের উদ্বাস্তু হওয়ার সংখ্যা ২৬ লাখ। উদ্বাস্তু ও শরণার্থী সমস্যা এখন বিশ্বের একটি অন্যতম মানবিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বর্তমানে ৫ কোটি ২২ লাখ শরনার্থী ইউরোপের দু তিনটি দেশের মোট জনসংখ্যার সমান। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ না চাইলেও তার জন্মের সাথে সাথেই জড়িয়ে গেছে এমন সমস্যায়। প্রথমটি উর্দুভাষী বিহারি। যারা মূলত পাকিস্তানি নাগরিক হিসেবে গণ্য। যাদের এখনও বলা হয়ে থাকে আটকে পড়া পাকিস্তানি। দ্বিতীয়টি গত শতকের ৭০ দশকের শেষ ও আশির দশকের শুরু থেকে তৈরি হওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা। বিহারিরা মূলত উর্দুভাষী। ভারতের বিহার রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিম ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময়ে তারা পাকিস্তানকে সমর্থন করে এদেশে আসে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বা আজকের বাংলাদেশে। উর্দুভাষী হওয়ার কারণে শুরু থেকেই তারা তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী পশ্চিম পাকিস্তানিদের আনুকূল্য লাভ করে। শিক্ষা-দীক্ষায় বাঙালিদের চেয়ে অগ্রসর না হলেও চাকরির ক্ষেত্রে তারা বাঙালিদের চেয়ে বেশি সুবিধাপ্রাপ্ত হয়। সে সময় বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে রেলওয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ চাকরিতে কম যোগ্যতা নিয়েও তারা ভালো পদে নিয়োগ পায়। শুরু থেকেই তারা ছিল বাঙালি বিদ্বেষী। বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রাম জোরালো হয়ে উঠতে থাকলে তা দমনে পশ্চিমাদের সহযোগিতায় এদেশে বিহারিরা প্রায় সময় দাঙ্গা-হাঙ্গামা চালাতো বাঙালির সাথে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার ছাড়া বাকি সব বিহারি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে গণহত্যা সংঘটিত করতে সহায়তা করে। এবং এ কাজে নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা প্রদান ও বাঙালি নিধনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে গড়ে তোলে আল-সামস বাহিনী। রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ও কারখানায় বিহারিদের প্রাধান্য থাকায় ১৯৭১ সালে সে সব স্থানে ব্যাপক বাঙালি নিধনযজ্ঞ চালায় বিহারিরা। স্বাধীনতার পরেও তারা অনুগত থাকে পাকিস্তানের প্রতি। দেশ স্বাধীনের পরে প্রতিশ্রুতি দিয়েও পাকিস্তান বাংলাদেশে আটকে পড়া তাদের এসব নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে চায়নি। এদেশে আটকে পড়া পাকিস্তানি নাগরিকরাও চেষ্টা করেছিল পাকিস্তানে ফিরে যেতে, এ নিয়ে তারা দেন-দরবার করেছে কিন্তু পাকিস্তান সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। বর্তমানে কাগজে কলমে বাংলাদেশের ৬৬টি ক্যাম্পে তিন লাখের মতো বিহারি আছে বলে বলা হলেও বাস্তবে এর সংখ্যা কত সে হিসাব কারও কাছে নেই। কারণ গত ৪৩ বছরে তাদের বংশবৃদ্ধি ঘটেছে এবং দীর্ঘদিন এদেশে থাকতে থাকতে বাঙালি অনেক পরিবারের সাথে বিবাহবন্ধনের সুবাদে মিশে যাচ্ছে মূল জনগোষ্ঠীর সাথে। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত কয়েক লাখ বিহারির ভরণ পোষণ ও আবাসনের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারকে। পাকিস্তানের সাথে দ্বিপাক্ষিক অনেক অমিমাংসিত বিষয়ের মতো এটিও ঝুলে আছে দীর্ঘদিন থেকে। মোহাজের নিয়ে (পাকিস্তানে বিহারি ও ভারত থেকে অভিবাসনকারীরা এ নামে পরিচিত) তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে পাকিস্তানের জনগণ ও সরকার এদের পাকিস্তানে ফিরিয়ে নিতে আর আগ্রহী নয়। কাজেই বিহারি শরণার্থী সমস্যা আরও কত দশক বাংলাদেশকে বয়ে বেড়াতে হবে তার কোনও নির্দিষ্টতা নেই। বিহারিরা যেহেতু বাংলাদেশের স্বাধীনতা মেনে নেয়নি উপরন্তু এর বিপক্ষে সশস্ত্রভাবে অবস্থান নিয়েছিল সে কারণে বাঙালি জাতীয়তাবাদীভিত্তিক বা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে এদের দূরত্ব এখনও দৃশ্যমান। অন্যদিকে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে এক কথায় পাকিস্তান ও ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি বিহারিরা দুর্বল। যে কারণে বিএনপি -জামায়াত-জাতীয় পার্টি দীর্ঘদিন রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলেও আটকে পড়া পাকিস্তানিদের সে দেশে ফিরিয়ে নিতে তারা কখনও পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করেনি। অধিকন্তু তারা তাদের রাজনৈতি স্বার্থসিদ্ধির জন্য বিহারিদের ভোটার ও এদেশে স্বায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দিতে চেষ্টা করেছে। এটি একটি বহুল আলোচিত বিষয় যে, দেশের কথিত ৬৬টি ক্যাম্পে পাকিস্তানি নাগরিকরা মানবেতর জীবন অতিবাহিত করছে। এদের মধ্যে একটি অংশ এখনও পাকিস্তানে ফিরে যেতে চায় এবং সে লক্ষ্যে তারা বর্তমানে প্রয়াত নাসিম খানের নেতৃত্বে বেশ আন্দোলন সংগ্রামও করেছে। তাঁর মৃত্যুর পর অবশ্য এই আন্দোলন অনেকটা স্তিমিত। এদের আরেকটি অংশ উপায়ান্তর না দেখে এদেশেই স্থায়ীভাবে বসবাসের পক্ষে। এই কয়েক লাখ পাকিস্তানি নাগরিক বর্তমান কী অবস্থায় আছে এবং এদের নিয়ে বর্তমান সরকারের অবস্থানই বা কী তা যখন বিস্মৃতির অতলেই ছিল সে সময় পল্লবীর কালশীর বিহারি ক্যাম্পে হামলা এবং তাতে ১০ ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা বাংলাদেশের এই শরণার্থী সমস্যাকে সামনে নিয়ে এসেছে এবং সে সাথে এসব ক্যাম্পকে কেন্দ্র করে দেশের অপরাজনীতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শবে বরাতের রাতে সংঘটিত এই হামলার ঘটনা যে শুধুমাত্র বাজি পোড়ানো ও পটকা ফাটানোর কারণে নয় বরং এর পেছনে যে দখল ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ জড়িত তা-ও উঠে এসেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। আর এসব অপকর্মের সাথে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও তার অনুগত বাহিনীর সম্পৃক্ততার খবরও প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। পূর্বেই উল্লেখ করেছি বাংলাদেশ না চাইলেও শরণার্থী সমস্যার দায় বাংলাদেশের কাঁধে চেপেছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে এদেরকে জোর করে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়াও সম্ভব নয়। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ওদেরকে এদেশই থাকার সুযোগ করে দিতে হবে। কিন্তু কালশীর ঘটনার পরে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের ভাবমূর্তি সামান্য হলেও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অর্থাৎ বৃহত্তর চট্টগ্রামের কক্সবাজার-বান্দরবান জেলায়ও লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে হয়েছে যা ইতিমধ্যে ওসব জেলায় সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। এদেশ তার ছোট আয়তনে বৃহৎ জনসংখ্যা নিয়ে এমনিতেই সমস্যায় ভুগছে তার ওপর লাখ লাখ শরণার্থীকে বছরের পর বছর কর্মহীন অবস্থায় অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান-চিকিৎসা-শিক্ষা প্রদান করা সম্ভব নয়। কাজেই বর্তমান সরকারতো বটেই সামনের যে কোনো সরকারের প্রাণিধানযোগ্য কাজ হবে পাকিস্তান ও মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা এবং দীর্ঘকালীন এই সমস্যা উত্তরণে একটি কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করা। আর সে সাথে প্রয়োজন এসব শরণার্থী শিবির ও ক্যাম্পে তদারকি জোরালো করা। বাস্তুহারা ও শরণার্থীরা তাদের বঞ্চনা ও কষ্টের কারণেই একটু অমার্জিত ও বেপরোয়া ধরনের হয়ে থাকে। আর এর সুযোগ গ্রহণ করে থাকে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল। অনেক সময় এরা রাজনীতির দাবার ঘুঁটি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কালশীর ঘটনার পরে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন জেগেছে এমন ক্যাম্পগুলোকে কেন্দ্র করে কতজন গডফাদারের উদ্ভব ঘটছে। দখলের রাজনীতি করতে গিয়ে আবার কতজনকে জীবন্ত দগ্ধ হতে হবে। লেখক : কবি, সাংবাদিক

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।