করপোরেট পুঁজির নমিনি নরেন্দ্র মোদি [কামরুল হাসান বাদল ]

পোস্ট করা হয়েছে 29/05/2014-10:33am:    ৪৫ সদস্যের-মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে ভারতের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন গুজরাটের অতি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা নরেন্দ্র দামোদারদাস মোদি। নির্বাচনে যেমন ক্যারিসমা দেখিয়েছেন তেমনি করে নিজের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকেও জমকালো ও ব্যতিক্রমী করে তুলেছেন এই নতুন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের ইতিহাসে লাল বাহাদুর শাস্ত্রির পর তিনিই দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি কোনো অভিজাত রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য নন। বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ, যার ভোটার সংখ্যাও চুরাশি কোটির অধিক, ভারতের এই নির্বাচন, তার ফলাফল এবং বিজয়ী দল বিজেপি ও তার মনোনীত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী মোদিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে, বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর আগ্রহের কমতি ছিল না। প্রতিবেশী ও অন্যতম বৃহৎ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রাজনীতি, টেবিল টক, টক শোসহ সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এই নির্বাচন। নির্বাচনের আগে বেশ কিছু জনমত জরিপে আগাম আভাষ দেওয়া হয়েছিল বিজেপির সম্ভাব্য বিজয় নিয়ে। কিন্তু বিজেপির এমন ভূমিধস বিজয় অর্জিত হবে, কিংবা প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো রাজনৈতিক দল জাতীয় কংগ্রেসের এমন ভরাডুবি হবে তা বাংলাদেশেতো নয়ই ভারতেও ভাবেনি কেউ। নির্বাচনে বিজেপি ও তাদের জোটের বিজয়কে অনেকে নরেন্দ্র মোদির বিজয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। অর্থাৎ মোদির জাদুতেই ভারতবাসী মজেছে ফলে ১৯৮৪ সালের পর এবারই এমন ‘ব্রুট ম্যাজরিটি’ পেয়েছে কোনো দল। দেহরক্ষীদের গুলিতে ইন্দিরা গান্ধী নিহত হওয়ার পর ভারতবাসীর সহানুভূতিকে পুঁজি করে তার প্রথম সন্তান যিনি মূলত ছিলেন একজন পেশাদার বিমানচালক, রাজিব গান্ধী নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন। এখন চুলচেরা বিচার বিশ্লেষণ ও তথ্যানুসন্ধান চলছে মোদি জাদুর রহস্যটা কী তা জানার বা উদঘাটনের। বলা হচ্ছে মোদিকে তৈরি করেছে করপোরেট পুঁজি তাকে হিরো করে তোলার, গ্রহণযোগ্য করে তোলার রাজনৈতিক সামাজিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় সকল ক্ষেত্রই প্রস্তুত করা হয়েছিল। যিনি নিজ দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘৃণিত ও বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন তাঁর নিজ রাজ্য গুজরাটে নিরীহ মুসলিম হত্যার অভিযোগে। মাত্র কয়েকমাস আগেও যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর ভিসা নিষিদ্ধ ছিল, সে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিজয়ের সাথে সাথে মোদিকে অভিনন্দন জানান। নির্বাচনের আগে আগে মোদির বিজয়ের সম্ভাবনা দেখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চতম প্রতিনিধিদল মোদির সাথে সাক্ষাৎ করেন। এসব সম্ভব হলো কী করে। রক্তের দাগ লেগে থাকা হাতে পুষ্পস্তবক ঠাঁই পেল কী করে। বলা হচ্ছে মোদির গুজরাট মডেল অর্থাৎ তাঁর রাজ্যের উন্নয়ন মডেল আকর্ষণ করেছে ভারতবাসীকে। দেশের চেয়ে রাজ্যের জিডিপি বেশি এবং সে সাথে এক ধরনের দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠারকারণেই মোদির নেতৃত্বে পূর্ণ আস্থা রেখেছে ভারতবাসী। কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রশ্ন থেকে যায় ধর্ম নিরপেক্ষ ভারতে বিজেপির মতো একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক দল এবং তার নেতা মোদি যিনি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার উস্কানিদাতা ও এক সময়ের আর এস এসের সক্রিয় কর্মী। তিনি কীভাবে এমন বিজয় অর্জন করতে পারেন। এর কিছু কারণ চিহ্নিত করলে বিষয়টি বুঝতে সুবিধা হবে এবং তা থেকে একটি শিক্ষা ও অন্তত নেওয়া যাবে বলে মনে হয়। ভারতে এ মুহূর্তে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে টেলিভিশনের সংখ্যা কত তা আমরা জানি না। আমরা শুধু তাদের হিন্দি ও বাংলা চ্যানেলগুলোই দেখি যার সংখ্যাও চল্লিশের কম নয়। ভারতের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ও বিভিন্ন চ্যানেল আছে যা ভাষাগত কারণে আমাদের দেশে দেখে না কেউ। ভারতীয় এসব হিন্দি ও বাংলা চ্যানেলগুলো আমাদের দেশেও ভাষণ জনপ্রিয়। এই জনপ্রিয়তা অর্জনের ও তা ধরে রাখার জন্যে করপোরেট পুঁজিওয়ালার নিরন্তর গবেষণা ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে। ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলোর অনুষ্ঠানের দিকে লক্ষ্য করলে তা স্পষ্ট হবে। প্রায় ১০০ কোটি সনাতন ধর্মের দেশের ধর্ম যে একটি মূল্যবান পণ্য বা রেমঢলর্ড তা বুঝতে দেরি করেনি করপোরেট হাউজগুলো। ওসব টেলিভিশনে যেহেতু সিরিয়ালগুলো বেশ জনপ্রিয় এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিরাট একটি অংশ এর দর্শক সেহেতু এসব নাটক ও সিরিয়ালগুলোতে ধর্ম ও ধর্মাচারের ব্যবহার হতে থাকলো যথেষ্টভাবে। ধর্ম ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানকে জনপ্রিয় করতে কাজে লাগানো হয় এসব নাটক ও সিরিয়ালকে। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বেশি পূজা-অর্চনা, মোর্চা সিঁদুর আর বিভিন্ন আস্তানাবাজিদের কেরামতি দেখাতে দেখাতে সমাজকে আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি ভাববাদী বা অদৃষ্টবাদী করে তোলা হয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে মধ্যরাতের পর বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোতে তাবিজ কবজ, পানি পড়া, হনুমানজির রক্ষা কবজ, বিভিন্ন মায়ের প্রতিকৃতি সম্বলিত কবজ আর ভোরে বিভিন্ন বাবাজির ফুলে ফুলে শোভিত আসন থেকে ধর্মীয় বয়ান। মাসের পর মাস, বছরের পর বছর এমন প্রচার প্রপাগান্ডায় মানুষের মধ্যে জন্ম নিয়েছে ধর্মীয় গোঁড়ামি, কুসংস্কার আর সে সাথে ধর্মান্ধতা। এসবরই প্রতিরূপ দেখতে পাই রাজনীতিতে এবং তার ফলে এই উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠীর জনপ্রিয়তা। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী দেশ পাকিস্তানের উগ্র সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গি গোষ্ঠীর উত্থান, সে সাথে আফগানিস্তানেরও বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান ও সংখ্যালঘুদের ওপর নানা সময়ের নির্যাতন ভারতীয় জনগণকে সাম্প্রদায়িক দলকে সমর্থন দানে অনুঘটকের কাজ করেছে। এ প্রসঙ্গে আরেকটি কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন বলে মনে করি আর তা হলো পাকিস্তানের কিছু জঙ্গি কর্তৃক ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবন আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় অনেক ভারতীয় অপমানিত ও আহত বোধ করে, তাদের ধারণা এক্ষেত্রে কংগ্রেস যথার্থ ও কঠোর ভূমিকা পালন করতে পারেনি। এদেরই অনেকের ধারণা এক্ষেত্রে বিজেপি বা নরেন্দ্র মোদির মতো নেতা থাকলে পাকিস্তানিদের আরও কঠোর জবাব দেওয়া যেত। তার মানে ভারতের জনগণের একটি বিশাল অংশ এখন কঠোর ও যুদ্ধাংদেহী একটি সরকার দেখতে আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি আগ্রহী। বিজেপির বিপুল বিজয় ও কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয়ের জন্য কংগ্রেসও কম দায়ী নয়। প্রথমত দুর্নীতি দমন করতে না পারা, মন্ত্রীদের অনেকেই দুর্নীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকা এবং সর্বোপরি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে না পারা ছিল কংগ্রেস ও তাদের সমর্থিত জোট সরকারের ব্যর্থতা। এর পাশাপাশি কংগ্রেসের দলীয় একটি সিদ্ধান্ত ছিল চরম আত্মঘাতি আর তা হলো প্রণব মুখার্জিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা। এরফলে এই নির্বাচন মোদির সাথে পাল্লা দেওয়ার মতো কংগ্রেসে সর্বভারতীয় নেতা ও দলের কাণ্ডারি কেউ ছিলেন না। রাহুল গান্ধী তেমন কোনো ক্রেজ তৈরি করতে পারেননি। এত কিছুর পরেও নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত সাফল্যকে খাটো করে দেখার জো নেই। কারণ অতি সাধারণ পরিবারের এই সন্তান রাজনীতিতে হাত পাকানোর পাশাপাশি নিজেকে যোগ্য ও শিক্ষিত করে তুলেছেন নিজের প্রচেষ্টায়। গুজরাটে আহত, নিহত সর্বস্বহারা সংখ্যালঘু মুসলিমরা ন্যায় বিচার না পেলেও সংখ্যাগুরুদের স্বার্থে তিনি যেখানে সুশাসন কিছুটা হলেও প্রতিষ্ঠা করেছেন। উন্নয়ন করেছেন গুজরাটের। কাজেই করপোরেট পুঁজিদাতারা সঠিক ব্যক্তিকেই বেছে নিয়েছেন বলা যেতে পারে। এখন মোদি গুজরাটের নন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আর ভারত একটি দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। ক্ষমতার বাইরে থেকে মাঠ গরম করার মতো অনেক কিছুই বলা যায় কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে সবকিছুই সংযমী ও সতর্ক হতে হয়। বাবরী মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির নির্মাণের ঘোষণা কার্যত কতটা বাস্তবায়ন করা যায় তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। বারাক ওবামা যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন এখন এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকাসহ বিশ্বের অনেক দেশের কোটি কোটি জনগণ ভেবেছিল এবার হয়ত মার্কিন নীতিতে কিছুটা পরিবর্তন হবে। কিন্তু বাস্তবে হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করে ওবামা ব্ল্যাক বুশেই পরিণত হয়েছেন, চলমান মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারেননি তিনি। এবার আমরা অপেক্ষা করি ধর্মনিরপেক্ষ ভারতে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে দেশ পরিচালনায় মোদি কতটা উগ্র ও কট্টর হয়ে থাকতে পারেন। নাকি করপোরেট পুঁজিওয়ালাদের হাতের পুতুলে পরিণত হয়ে ধর্মীয় জিগির তুলে ধর্মকে পুঁজি করে বিস্তৃত করবে বাজার। আর প্রতিবেশী দুদেশের মধ্যে ভারত-পাকিস্তান মারদাঙ্গা মনোভাব জিইয়ে রেখে অস্ত্র বাজারের বিস্তৃতি ঘটাতে তৎপর থাকবে। ভারতের নতুন সরকারকে যুদ্ধংদেহী করে তোলা গেলে মার্কিন অস্ত্র নির্মাতাদের বাজার প্রশস্ত হবে। আর আমরা বিশ্ববাসী কে না জানি যে, এসব অস্ত্র বিক্রেতার পক্ষে প্রকাশ্য দালালি করতে যুক্তরাষ্ট্রের খোদ প্রেসিডেন্টেওর লাজ লজ্জা থাকে না। ভারতে যে প্রক্রিয়ায় প্রচার মাধ্যম নরেন্দ্র মোদিকে শিখণ্ডী করে তুলেছে। আমরা একটু খেয়াল করলে বুঝতে পারবো ঠিক একই কায়দায় বাংলাদেশেও তেমনটি করার চেষ্টা চলেছিল বিগত দুতিন বছর ধরে। কিছু কিছু গণমাধ্যম বিভিন্ন জরিপের মাধ্যমে বারবার একটি রাজনৈতিক শক্তির প্রতি জনসমর্থন দেখানোর চেষ্টা করেছে এবং এই লক্ষ্যে বারবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ইস্যুকে সামনে নিয়ে এসেছে। নির্বাচন কমিশন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান ও উচ্চ আদালতের রায় ইত্যাদি বিষয় উহ্য রেখে বারবার তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিকে একটি সময় অত্যন্ত পক্ষপাতমূলক বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশে এই শক্তিটি চেষ্টা করে, দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ও পলাতক আসামি তারেক জিয়া, আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদের সাথে যার যোগাযোগ আছে বলে অভিযোগ আছে তাকে বাংলাদেশের মোদি করে তোলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু হাওয়া ভবন কেন্দ্রিক দুর্নীতি-দুঃশাসনের স্মৃতি জনগণের মন থেকে অপসৃত না হওয়ায় এবং আমেরিকার হুমকি-ধামকি উপেক্ষা করে নিজ সিদ্ধান্তে শেখ হাসিনা অটল থাকার কারণে গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচন অন্য ধরনের হয়েছে। বাংলাদেশে গত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই করপোরেট মিডিয়া হাউজগুলোর চক্রান্ত থেকে থেমে থাকবে না ভবিষ্যতে তা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশেও একজন নরেন্দ্র মোদি তৈরি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। ভারতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে না পারার দায় নিতে হয়েছে কংগ্রেসকে। বিগত কিছুদিনের ঘটনায় মনে হচ্ছে আওয়ামী লীগও সে পথেই অগ্রসর হচ্ছে। অর্থাৎ মনে হয় আওয়ামী লীগ নিজেই বাংলাদেশে একজন নরেন্দ্র মোদির আগমনের পথকে মসৃণ করে তুলছে।

সর্বশেষ সংবাদ
স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে: দুদক চেয়ারম্যান কক্সবাজার রেড জোন,শনিবার থেকে আবারো লকডাউন এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।