চিকিৎসকরা হঠাৎ অসহিষ্ণু কেন? [কামরুল হাসান বাদল ]

পোস্ট করা হয়েছে 17/05/2014-11:27pm:    চিকিৎসকরা হঠাৎ অসহিষ্ণু কেন? হঠাৎ করে দেশের চিকিৎসকরা অসহিষ্ণু ও মারমুখী হয়ে উঠেছেন। কোনো পূর্ব ঘোষণা বা আলটিমেটাম ছাড়া কর্মবিরতি করছেন অর্থাৎ চিকিৎসা সেবা বন্ধ ঘোষণা করছেন। এরফলে হাজার হাজার রোগীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠেছে চিকিৎসার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মহৎ পেশায় যারা জড়িত, মানুষের জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন যে পেশার সাথে জড়িত তারা এমন আচরণ করতে পারেন কি? বিষয়টি কতটা যৌক্তিক, মানবিক এবং পেশার সাথে সংগতিপূর্ণ। চিকিৎসকরাতো সাধারণ কোনো পেশা বা শ্রমিক শ্রেণীর নয় যে, ইচ্ছে করলেই কর্মবিরতি পালন করতে পারেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বাংলাদেশে চিকিৎসকরা এমন অমানবিক আচরণই করছেন। রোগীদের জিম্মি করে তারা তাদের দাবি আদায় করে নিতে চাইছেন। এ লেখাটি লিখতে বসার একটু আগে (মঙ্গলবার রাত ১টা, বস্তুত বুধবার) একটি টিভি চ্যানেলে দেখলাম- সাক্ষাৎকার দেওয়ার নাম করে সিকদার মেডিকেল কলেজের এক চিকিৎসক এক সাংবাদিককে ডেকে নিয়ে বেদম প্রহার করেছেন। এই পর্যন্ত ঘটে যাওয়ার মধ্যে এটি শেষ ঘটনা। বৃহস্পতিবার লেখাটি পাঠকদের কাছে যাওয়ার আগে আরও ঘটনা হয়ত ঘটতে পারে। এর আগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, তারপরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ওপর হামলা। আহত সাংবাদিকদের চিকিৎসা না দেওয়া, ইন্টার্নি চিকিৎসক কর্তৃক ইনজেকশন দিয়ে রোগী মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া ইত্যাদি অনেক অনেক ঘটনা। রাজশাহীর ঘটনার পর সারা দেশে এখন চিকিৎসক ও সাংবাদিকদের সম্পর্ক অনেকটা শাপে-নেউলের মতো দাঁড়িয়েছে। আমরা যারা সাধারণ মানুষ, ভাবছি হঠাৎ চিকিৎসকরা এমন আচরণ করছেন কেন? নিজের পেশার মহত্ব ভুলে তাঁরা যদি অন্য দশটি মানুষের মতো আচরণ করেন তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে, কার কাছে যাবে, তাদের চিকিৎসা হবে কী ভাবে। এমনিতে দেশের চিকিৎসক ও চিকিৎসাকেন্দ্রের প্রতি অনাস্থার কারণে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য চলে যান। এমনকি খুব সাধারণ অসুখ বা পরীক্ষার জন্যেও অনেকে দেশের চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয় কেন্দ্রের ওপর ভরসা করতে পারেন না। এভাবে অর্থাৎ শুধু চিকিৎসার জন্যেই বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে চলে যাচ্ছে। দেশে অনেক অভিজ্ঞ ও বিশ্বমানের চিকিৎসক থাকা সত্ত্বেও শুধু আস্থার সংকটের কারণে এমন ঘটনা ঘটছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই প্রবণতা আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধি করবে সন্দেহ নেই। একবার এক চিকিৎসকের চেম্বারে আমার আগের নম্বরে থাকা রোগী ডাক্তারকে ফিস কম দিতে চাইলে ডাক্তার সাহেব ভীষণ ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বললেন, আমার বাবা হালের গরু বিক্রি করে আমার পড়াশোনার খরচ চালিয়ে আমাকে ডাক্তার বানিয়েছেন ফিস কম নেওয়ার জন্যে নয়। আমি সে সময় প্রতিবাদ জানিয়ে বললাম, ডাক্তার সাহেব একটু ভুল বললেন। আপনার ডাক্তারি পড়ার খরচ আপনার বাবার গরু বেচার টাকায় শুধু হয়নি, তা সম্ভবও নয়। ডাক্তার বানাতে আপনাদের মতো একেকজন ছাত্রের জন্য সরকারকে কয়েক লাখ টাকা খরচ করতে হয়েছে। আর সরকারি টাকা মানে তা জনগণের টাকা। ওই রোগী এবং আমার বাবার টাকাও আছে তাতে। আপনিতো সরকারি হাসপাতালেই পড়েছেন। আমার কথা শুনে ডাক্তার সাহেব খুশি হননি হওয়ার কথাও নয়। মাঝখানে যা ঘটল তাঁর সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্কটি নষ্ট হয়ে গেল। বেসরকারি মেডিকেল কলেজের কথা পরে বলব। আগে সরকারি মেডিকেল কলেজ নিয়ে বলি। এসব কলেজে যাঁরা পড়েন নিঃসন্দেহে তাঁরা দেশের অত্যন্ত মেধাবী সন্তান। যোগ্যতার কঠিন পরীক্ষা দিয়ে তাঁরা মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পান। মেডিকেলে লেখাপড়া করাও অনেক কষ্টকর। প্রচণ্ড মনোযোগী ও স্মরণশক্তির অধিকারী হতে হয় তাদের। এমবিবিএস পাস করলেই যে ভালো বেতনের চাকরি পান অথবা প্রাকটিস করে ভালো রোজগার করতে পারেন- তা কিন্তু নয়। প্রতিনিয়ত তাঁদের পড়াশোনা করতে হয়। রোগ-রোগী চিকিৎসা ও ওষুধের নব নব অধ্যায়ে তাদের সমকালীন অর্থাৎ আপ-টু-ডেট থাকতে হয়। চিকিৎসা শাস্ত্র অধ্যয়নও বেশ ব্যয়বহুল। যা নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির পক্ষেও অনেক সময় সম্ভব হয় না। তবে অনেক সময় তা সম্ভব হয়ে ওঠে কারণ এইখাতে অর্থাৎ একজন চিকিৎসা শাস্ত্রের ছাত্রের পেছনে সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন। ধনী-গরিব যাই হোক একজন ডাক্তার তৈরি করতে সরকারের কোষাগার থেকে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার ব্যয় আর সরকারি কলেজের ব্যয় পাশাপাশি দাঁড় করলেই তফাৎটা পরিষ্কার হবে। এ ছাড়া পেশার মধ্যে একমাত্র চিকিৎসকদেরই পাস করার পরে একটি শপথ নিতে হয়- সেখানে যা লেখা থাকে খুব দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বেশিরভাগ চিকিৎসকই তা ভুলে যান। অথবা ভুলে থাকার চেষ্টা করেন। ওই শপথনামা যদি চিকিৎসকরা মেনে চলেন তবে তাঁকে হত্যা করতে আসা ব্যক্তিটি যদি আহত হন তার চিকিৎসা করাটাও ডাক্তারের পবিত্র দায়িত্ব। কারণ একজন বিচারকের মতো চিকিৎসকরাও রাগ-অনুরাগ- ক্রোধ ও প্রতিশোধে বশবর্তী হতে পারেন না। বর্তমান চিকিৎসা-ব্যবস্থা ও চিকিৎসকদের অসহিষ্ণু আচরণের জন্যে কয়েকটি কারণকে আমি চিহ্নিত করেছি- ১। পেশার চেয়ে রাজনীতির প্রতি বেশি মনস্ক হওয়া। ২। রাতারাতি ধনী হয়ে ওঠার প্রবণতা। সামাজিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়া। ৩। বর্তমান সরকার বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ডাক্তার তথা সরকারি ডাক্তারদের গ্রামে পোস্টিং হলে সেখানে থাকতে বাধ্য করার প্রতিক্রিয়া ৪। জামায়াত-শিবির সমর্থিত চিকিৎসকদের অন্তর্ঘাতমূলক প্ররোচনা। দেশের প্রায় মানুষই জানেন চিকিৎসকরা মূলত দুটি রাজনৈতিক ধারায় বিভক্ত। একটি আওয়ামীলীগ ও প্রগতিশীল অংশের যা স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদ (স্বাচিপ) ও অন্যটি বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)। যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তখন সে সরকার সমর্থিত ডাক্তারদের সংগঠন বদলি বাণিজ্য থেকে শুরু করে হাসপাতালের ওষুধ বেচা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। সংগঠনের নেতাদের মর্জিতেই মোটা টাকার বিনিময়ে বদলি বাণিজ্য হয়ে থাকে। প্রতিপক্ষের নেতারা তখন গ্রাম বা প্রত্যন্ত ও অলাভজনক স্থানে বদলি হয়ে পড়ে থাকেন বছরের পর বছর। অবশ্য মোটা টাকার বিনিময়ে তার ব্যতিক্রমও হয়ে থাকে। স্বাচিপ আর ড্যাবের জ্বালায় অতিষ্ঠ অনেক দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসকরা চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন শেষ পর্যন্ত এমন নজিরও আছে। এ কারণে সরকারি ডাক্তাররা চিকিৎসায় মনোযোগী না হয়ে শুধু ওপরওয়ালাকে তুষ্ট রাখতে সচেষ্ট থাকেন বেশি। চিকিৎসকরা সমাজের বাইরের কেউ নন। কাজেই বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা ও ক্ষয়িষ্ণু মূল্যবোধের বাইরে থাকতে পারছেন না তারা। আমাদের সমাজ ক্রমশ অমানবিক, নির্দয় ও নির্মম হয়ে উঠছে। চরম অসহিষ্ণু ও হিংসাত্মক হয়ে উঠছে, যা বাঙালির হাজার বছরের চরিত্র ও মানস গঠনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কাজেই যে কোনো প্রকারে রাতারাতি ধনী হয়ে ওঠা, খ্যাতি ও ক্ষমতাবান হয়ে ওঠার একটি প্রবণতা কাজ করে তাদের মধ্যে। রোগীর কাছ থেকে মোটা অংকের ফি নেওয়ার পরেও শুধুমাত্র কমিশনের লোভে তাদের দিয়ে অনর্থক কিছু টেস্ট করিয়ে নেন অধিকাংশ চিকিৎসকরা। প্রতিদিন কতজন রোগী দেখবেন বা একজন চিকিৎসকের পক্ষে ভালো করে দেখতে গেলে কতজন রোগী দেখা সম্ভব সে নিয়মটাও তারা মানেন না। এর মধ্যে ভুল চিকিৎসা। ভুল ডায়াগনোসিস ও ওষুধ কোম্পানির উপটোকন নিয়ে নিম্নমানের, ভেজাল ও অপ্রয়োজনীয় ওষুধ প্রেসক্রাইব করাতো আছেই। একজন সরকারি কর্মচারী পক্ষান্তরে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। তাকে যেখানে বদলি করা হবে চাকরির শর্ত অনুযায়ী সেখানে যেতে বাধ্য। কিন্তু সরকারি চিকিৎসকরা গ্রামে বা প্রত্যন্ত কোনো এলাকায় থাকতে চান না। মাসের পর মাস বছরের পর বছর তারা ওই পদের বিপরীতে বেতন-ভাতা গ্রহণ করেন কিন্তু জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করে অনুপস্থিত থাকেন। পেশার শপথ ও সরকারি চাকরি বিধিমালা ভঙ্গ করে গ্রামীণ জনপদে চিকিৎসা ব্যবস্থায় ধস নামিয়েছেন এসব চিকিৎসক। বর্তমান সরকার বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেক আগে থেকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার। মাস দুয়েক আগে তিনি সরাসরি বলেছেন গ্রামে পোস্টিং হলে সেখানে থাকতে হবে নতুবা চাকরি ছেড়ে দিতে হবে। চিকিৎসকদের এই অসদাচরণের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর এই কঠোর অবস্থান কি কোনো কোনো পক্ষকে ক্ষিপ্ত করে তুলেছে। অর্থনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক প্রায় সব ক্ষেত্রেই জামায়াত-শিবিরের একটি বড় ও শক্ত অবস্থান আছে। মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের রায় ঘোষিত হওয়ার পরপর দেশব্যাপী তাদের ভয়াবহ তাণ্ডবের দুঃসহ স্মৃতি দেশের মানুষ এখনও ভোলেনি। সমাজের ও প্রশাসনের প্রতিটি স্তরেই তাদের লোক আছে শক্ত ও সংঘবদ্ধভাবে। গত ৪৩ বছর ধরে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি ক্ষমতায় থেকে কমবেশি তার অপব্যবহার, দুর্নীতি, লুটপাট করেছে অন্যদিকে এই তিন দলের সাথে নানাভাবে সহাবস্থান ও ঐক্য গড়ে প্রশাসনসহ সকল স্তরে নিজেদের লোকদের নিয়োগ দিয়ে জামায়াত শক্তি ও অবস্থান দৃঢ় করেছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে বর্তমান অরাজকতা সৃষ্টি ও সংবাদমাধ্যমসহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংঘাত তৈরির পেছনে ওই শক্তির কোনো হাত আছে কিনা তা-ও ভাবনার বিষয় বৈ কি। এটিও খতিয়ে দেখা উচিত। এক কিস্তিতে লেখাটি শেষ করা যাবে বলে মনে হচ্ছে না। কারণ আরও অনেক বিষয় রয়ে গেল যা এই কিস্তিতে উল্লেখ করা গেল না। তবে এ পর্যন্ত পড়ে সাধারণ পাঠক ও ডাক্তারদের কেউ কেউ মনে করে থাকতে পারেন যে আমি শুধু চিকিৎসকদের নেতিবাচক দিকগুলোই তুলে ধরলাম। প্রশ্ন উঠতে পারে দেশে কি তবে ভালো ও সৎ চিকিৎসা নেই। আমি বলব অবশ্যই আছে না হলে দেশের মানুষ অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন কীভাবে। চট্টগ্রামসহ সারাদেশে অনেক চিকিৎসক আছেন যাঁরা সততার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেও দেশ ও জাতির যে কোনো সংকট দুরবস্থায় জনতার পাশে এসে দাঁড়ান। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। গরিব-অসহায়দের প্রতি সহৃদয়তার হাত প্রসারিত করেন। একটি পেশার সব যেমন মন্দ হয় না তেমনি সবাই সৎও হয় না। তবে এই পেশার সাথে মানুষের জীবন মরণ ও সুস্থভাবে বেঁচে থাকার প্রশ্নটি যখন জড়িত তখন এই পেশা নিয়ে সাধারণে আগ্রহ সমালোচনা ইত্যাদি বেশি থাকবেই। এরও একটি কারণ আছে। পশ্চিমা দেশ নয় মোটামুটি উন্নত দেশের চিকিৎসা সেবাও নয়, শুধু পার্শ্ববর্তী কলকাতার চিকিৎসা সেবার কথা শুনেই মনে হয় কোন দোজখে বাস করছি। কাদের হাত নিজের ও প্রিয়জনের জীবন তুলে দিচ্ছি। পুনশ্চঃ এই লেখার পরে আমার নিজেরই চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায় কিনা আল্লাহ মালুম। Email : [email protected]

সর্বশেষ সংবাদ
এবার ঘরে বসে তৈরি করুন জিভে জল আনা কাঁচাআমের জুস সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সফল অস্ত্রোপচার, দোয়া কামনা চট্টগ্রামের -১৬ বাঁশখালীর এমপিসহ পরিবারের ১১ সদস্য করোনা আক্রান্ত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্র্ধ্বগতিতে জনদুর্ভোগ এখন চরমে আজ বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হওয়ার নি‌র্দেশ আইজিপি’র  তথ‌্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ এমপি র  শুভ জন্মদিনে শুভ কামনা।  তথ‌্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি মহোদয়ের শুভ জন্মদিন আজ করোনায় পোশাক কারখানায় ৫৫ শতাংশ কাজ কমে গেছে: রুবানা হক