শীর্ষ সংবাদ

গণমানুষের মাঝে গণসংযোগে নৌকার রেজাউল

আজ রবিবার মো. রেজাউল করিম চৌধুরীকে সমর্থনে মতবিনিময় সভা করেছে চট্টগ্রাম ফুটপাত হকার্স সমিতি। তবে প্রচারণায় গণমানুষের মাঝে নৌকার প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী আছেন বলে জানান নেতৃবৃন্দরা । করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও নগরীতে ফিরেছে পুরো নির্বাচনী আমেজ নৌকা প্রতীকে চসিক নির্বাচনের প্রচারণায় সাধারণ মানুষের মাঝে রেজাউল করিম চৌধুরী। দিন যত যাচ্ছে ততই জমে উঠছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা। আজ ১৭ জানুয়ারি সকাল থেকে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তাঁদের দল ও অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকেও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়া হচ্ছে। ভোটারদের আকৃষ্ট করার কৌশল হিসেবে চট্টগ্রামের ভাষায় গানসহ বিভিন্ন রকমের গান ও স্লোগান বানািয়ে প্রার্থীরা চালাচ্ছেন নির্বাচনী প্রচারণা।। গত ১০ দিন ধরেই নির্বাচনী নিয়ম মেনেই প্রচার-প্রচারণায় সঙ্গে আছেন দলের নেতা-কর্মীরাও। এখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, গণমানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার রাজনৈতিক অঙ্গীকার। মেয়র নির্বাচিত হলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কল্যাণে বিশেষ প্রকল্প চালু করতে উদ্যোগ নেব। ফুটপাতে যারা ব্যবসা করে জীবিকা চালায় তাদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট একটি নীতিমালা সকলের সমন্বয়ে প্রণয়ন করবে সিটি কর্পোরেশন। যাতে হকাররা ব্যবসা কার্য চালাতে পারে এবং জনসাধারণের চলাচলেও বিঘ্ন না ঘটে।তিনি বলেন, একটি আধুনিক, মানবিক, ব্যবসা বান্ধব ও গতিময় নগরী গড়তে ২৭ জানুয়ারি নৌকা মার্কায় ভোট দিন। আমি একজন কাজ পাগল মানুষ, আমি কাজ করতে চাই। নগরবাসীকে নিয়ে এই শহরকে গড়তে চায়।’ যাতে করে ব্যবসায়ীরা নিরাপদ, যানজটমুক্ত ব্যবসায় পরিচালনা করতে পারে।

চট্টগ্রামের বিপ্লবী ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত সকল স্থাপনা রক্ষার তাগিদে মশাল মিছিল

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত যাত্রামোহন সেনগুপ্তের বাড়ি রক্ষায় অবিলম্বে সরকারি ঘোষণা এবং বাড়িটি থেকে ভূমি দস্যুদের উচ্ছেদের দাবিতে চট্টগ্রামে মশাল মিছিল করেছে ‘চট্টগ্রামের সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকবৃন্দ’। রোববার (১৭ জানুয়ারি) বিকালে নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে মশাল মিছিলটি শুরু হয়ে জেএম সেন ভবনে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশ ও মশাল মিছিলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে বাড়িটি জাদুঘর ঘোষণা করা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে বলে হুশিয়ার করা হয়। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে শরীফ চৌহান বলেন, ‘আমাদের দাবির যৌক্তিকতা সরকার ইতিমধ্যে মেনে নিয়েছে। যতদূর জেনেছি, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিপ্লবীদের স্মৃতি চিহ্ন সংরক্ষণ করবে। আমরা যে আন্দোলন শুরু করেছি তার ধারাবাহিকতায় আজকের এ কর্মসূচি। অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত নাগরিকদের পক্ষে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আলটিমেটাম দিয়েছেন। যদি সেই সময়সীমার মধ্যে সকল দাবি মেনে নেয়া না হয় তাহলে কঠোর কর্মসূচি দিব।’ মুক্তিযোদ্ধা গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘বারবার বলার পরও দেশে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগুলো রক্ষিত হচ্ছে না। সবশেষ চট্টগ্রামে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটিও দখল করার পায়তারা চলছে। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে ইতিহাস-ঐতিহ্যকে রক্ষা করে এগিয়ে নিতে হবে। এই বাড়ি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।’ বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে যখন দেশ মানবিক বাংলাদেশ হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে তখন আমাদের ঐতিহ্যের উপর হামলা হয়েছে। যাত্রামোহন সেনের বাড়ির সাথে এই অঞ্চলের আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস জড়িত। যারা বাড়িটি ভাঙার মত কাজ করেছে তারা ন্যাক্কারজনক হামলা করেছে। এই ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষায় আমরা সবসময় সোচ্চার থাকব।’ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ চট্টগ্রামের সভাপতি তাপস হোড় বলেন, ‘ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসের সাথে সম্পৃক্ত যাত্রামোহন সেনগুপ্ত, যতীন্দ্র মোহন সেনগুপ্ত এবং নেলী সেনগুপ্তার স্মৃতি বিজড়িত এই বাড়ি। সেই বাড়ি ভূমিদস্যুরা ভাঙতে উদ্যত হয়েছে। ভাঙা ঠেকানো গেলেও ভূমিদস্যুরা এখনো ওই বাড়িতে অবস্থান করছে। সরকারের কাছে দাবি অনতিবিলম্বে ভূমিদস্যু সন্ত্রাসীদের সেখান থেকে উচ্ছেদ করে বাড়িটি জাদুঘর করা হোক এবং সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হোক। আমাদের প্রত্যাশা সরকার এই মানবিক উদ্যোগটি দ্রুত গ্রহণ করবে।’ ন্যাপ এর সাংগঠনিক সম্পাদক মিটুল দাশগুপ্ত বলেন, ‘কিছু ভূমিদস্যু এবং এক শ্রেণির দালাল স্বাধীনতা বিরোধী মিলে যাত্রামোহন সেনের বাড়িটি আত্মসাতের পায়তারা করছে। চট্টগ্রামের প্রগতিশীল মানুষ বাড়িটি রক্ষায় সোচ্চার হয়েছেন। স্পষ্টভাবে বলতে চাই গুটিকয়েক ধান্ধাবাজ যারা এ ঘটনায় জড়িত তাদের গ্রেপ্তার করে বাড়িটি রক্ষা করতে হবে।’ সাংস্কৃতিক সংগঠক ও প্রমার সভাপতি রাশেদ হাসান বলেন, ‘আমরা বলি সূর্যসেনের- প্রীতিলতার বীর চট্টলা। কিন্তু তাঁদের কোনো স্মৃতিই আমরা সংরক্ষণ করতে পারিনি। এমনকি পাহাড়তলির ইউরোপিয়ান ক্লাবটিও জাদুঘর করা হয়নি। চট্টগ্রামের একটি বধ্যভূমিও যথাযথ মর্যাদায় রক্ষা করতে পারিনি। কতিপয় ভূমিদস্যু বাড়িটি দখল করে এর সামনের অংশ ভেঙে ফেলেছে। প্রতিবাদের মুখে তারা দখল কাজ হয়ত বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। সরকার আশ্বাস দিয়েছে একমাসের মধ্যে বাড়িটি সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিবে। সেই সময় শেষের পথে। সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই যথাযথ উদ্যোগ নিন। চট্টগ্রামে কোনো নিদর্শন কোনো স্থাপনা দখলের পায়তারা করলে অবশ্যই নাগরিকরা আন্দোলনে সামিল হবে।’ সাংবাদিক প্রীতম দাশের সঞ্চালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন নাট্যজন সাংবাদিক প্রদীপ দেওয়ানজী, অধ্যক্ষ সুকুমার দত্ত, অ্যাডভোকেট চন্দন বিশ্বাস, নাট্য ব্যক্তিত্ব মোস্তফা কামাল যাত্রা, সাংস্কৃতিক সংগঠক সুনীল ধর, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পালিত, কাজল চৌধুরী, ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদের চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রুবেল পাল, ওয়ার্কার্স পার্টির চট্টগ্রাম জেলার সদস্য সুপায়ন বড়ুয়া, সংগঠক শিমুল দত্ত, সিপিবি জেলা কমিটির সদস্য প্রদীপ ভট্টাচার্য্য, হিন্দু সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি প্রদীপ দে, শৈবাল পারিয়াল, ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি এ্যানি সেন, বিপ্লবী ঘোষ, কাবেরী আইচ, সোমা মুৎসুদ্দি প্রমুখ।

বইমেলার তারিখ নির্ধারণ হয়নি : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

আজ রোববার (১৭ জানুয়ারি)২০২১ সালের অমর একুশে বইমেলার তারিখ নির্ধারণ হয়নি। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে শারীরিক উপস্থিতিতে বইমেলা হবে।আজ সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ জানান, ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৭ মার্চ ও ২৭ মার্চ প্রস্তাবিত তিন তারিখ প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হবে। এর আগে,বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে এক বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে সংস্কৃতি বিষয় মন্ত্রণালয়, মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমির ঊর্ধ্বতনদের পাশাপাশি প্রকাশকদের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। গত ১০ ডিসেম্বর বইমেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমির নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে ২০২১ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলা সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় ভার্চ্যুয়ালি বইমেলার আয়োজনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন লেখক-সাহিত্যিকরা। বাংলা একাডেমির এ সিদ্ধান্তকে ‘একতরফা’ ও ‘স্বেচ্ছাচারী’ বলে গণমাধ্যমে বিবৃতি দেন প্রকাশকরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ ডিসেম্বর সকালে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রকাশকদের দুই সমিতি-বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির নেতারা। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ভার্চ্যুয়ালি নয়, শারীরিক উপস্থিতিতেই আয়োজিত হবে ২০২১ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলা। তবে প্রথা অনুযায়ী, পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে এবারের বইমেলা শুরু হচ্ছে না। এজন্য প্রকাশকদের কাছ থেকে প্রস্তাব চাওয়া হয় বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে। এ সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ ডিসেম্বর শারীরিক উপস্থিতিতে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা আয়োজনের জন্য বাংলা একাডেমিকে লিখিত প্রস্তাব দেয় প্রকাশকদের দুই সংগঠন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি।

ফেব্রুয়ারিতে খুলছে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

আজ রোববার(১৭জানুয়ারি)করোনা মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩০ জানুয়ারি শেষ হচ্ছে। ফেব্রুয়ারি থেকে খুলে দেয়া হবে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সূত্রে জানান,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হলেও শুরুতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের আংশিক উপস্থিতিতে ক্লাস নেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতি বছরের এসএসসি সমমান ও এইচএসসি সমমান পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্র গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে। ছুটি আর নতুন করে বাড়ানো হবে না, আগামী মাসের (ফেব্রুয়ারি) শুরু থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। ফেব্রুয়ারি থেকে সব শিক্ষার্থীর ক্লাস শুরু হবে না। এ ক্ষেত্রে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সিলেবাস শেষ করতে ক্লাস শুরু করা হবে। ধাপে ধাপে অন্যান্য শ্রেণির ক্লাস শুরু করা হবে। জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগ থেকে প্রতিদিন একটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেয়া হবে। বর্তমানে সে ধরনের ক্লাস রুটিন তৈরির কাজ শুরু করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিতে যাচ্ছে মাউশি। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে ফেব্রুয়ারিতে স্কুল খুলে দেয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন। এ জন্য তারা প্রস্তুতি শুরু করেছেন বলেও জানান। এরপর থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তর-সংস্থাগুলো এ বিষয়ে কাজ করেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ফেব্রুয়ারির শুরুতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। শুরুতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও সব শিক্ষার্থীর ক্লাস শুরু করা হবে না। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আংশিক আকারে ক্লাস নিয়ে সিলেবাস শেষ করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মতি দেয়ার পর শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন। তার প্রেক্ষিতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল-কলেজে পাঠদান কার্যক্রম করতে নির্দেশনা দেয়া হবে।’ দ্রুত এ বিষয়ে মাউশি থেকে নির্দেশনা জারি করা হবে বলেও জানান মহাপরিচালক। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এর আগে করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি কয়েক ধাপে বাড়িয়ে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছিল। সেটি আরও এক দফা বাড়িয়ে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে।

সেচ খরচ হ্রাস ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

আজ রবিবার (১৭ জানুয়ারি) ২০২১ কৃষিবান্ধব বর্তমান সরকারের আমলে দেশে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, সেচ খরচ হ্রাস ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সবসময়ই কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে নিয়োজিত। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু কৃষিবিপ্লবের উপর অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু সেচের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে নিয়েছিলেন যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি নগদ ভর্তুকি ও সহজ শর্তে ঋণ দিয়ে কৃষকের মাঝে সেচযন্ত্র বিক্রির ব্যবস্থা করেন। জামার্নি থেকে জরুরী ভিত্তিতে পানির পাম্প এনেছিলেন। ১৯৭১-৭২ সাল থেকে ১৯৭৪-৭৫ সালে-এই ৩ বছরে অগভীর নলকূপের সংখ্যা ৬৮৫টি থেকে বেড়ে ৪০২৯টি, গভীর নলকূপের সংখ্যা ৯০৬টি থেকে ২৯০০টি এবং পাওয়ার পাম্পের সংখ্যা ২৪,২৪৩টি থেকে ৪০,০০০টি তে দাড়াঁয়। সে ধারা অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারও সেচের আধুনিকায়নের মাধ্যমে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ ও সেচ খরচ কমাতে নিরলস কাজ করছে। ফলে, সেচের এলাকা সম্প্রসারণের পাশাপাশি কমে এসেছে সেচ খরচও। আজ কৃষিমন্ত্রী রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউস্থ বিএডিসি অডিটোরিয়ামে ‘ভূগর্ভস্থ পানি মনিটরিং ডিজিটালাইজেশন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। বিএডিসি ‘ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়নে জরিপ ও পরিবীক্ষণ ডিজিটালাইজেশন প্রকল্পের’ আওতায় এ সেমিনারের আয়োজন করে। কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, পানির টেকসই ব্যবহার ও পানিসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। নদী-খাল খনন ও পুন:খনন, রাবার ড্যাম,জলাধার নির্মাণ, পানি সাশ্রয়ী পদ্ধতির ব্যবহারসহ অনেক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বাড়ছে এবং এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। ইতোমধ্যে ফসল উৎপাদনে সেচের খরচ অনেক কমেছে; এটিকে আরো কমিয়ে আনতে উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। সেচ দক্ষতাকে ৩৮% থেকে ৫০% উন্নীত করা হবে যাতে করে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ে ও সেচ খরচ আরও কমে আসে। বিএডিসির তথ্যে জানা যায়, বর্তমান সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির ফলে গত ১০ বছরে সেচ এলাকা সম্প্রসারণ হয়েছে ১০.৫০ লক্ষ হেক্টর; খাল পুনখনন করা হয়েছে ৯৪৫৭ কি.মি; সেচনালা স্থাপন করা হয়েছে ১৩,৩৫১ কি.মি. এবং ১০টি রাবার ড্যাম ও ১টি হাইড্রোলিক এলিভেটর ড্যাম নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে, সেচ এলাকা ৫৬.২৭ লক্ষ হেক্টরে, সেচ দক্ষতা ৩৫% হতে ৩৮% এবং ভূপরিস্থ পানির ব্যবহার ২১% থেকে ২৭% এ উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে। এবং সেচযোগ্য জমির ৭৩% সেচের আওতায় এসেছে। তাছাড়া, সেচের আধুনিকায়নে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সেচকৃত এলাকা ৬০ লক্ষ হেক্টর, সেচ দক্ষতা ৩৮% হতে ৫০% এ উন্নীতকরণ, সেচকাজে ভূপরিস্থ পানির ব্যবহার ৩০% এ উন্নীত এবং ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার ৭০% হ্রাস করা। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিসচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম। বিএডিসির চেয়ারম্যান মো: সায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেচ ও পানি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল মজিদ, সিইজিআইএসের নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা আবদুল্লাহ খান, প্রকল্প পরিচালক মো: জাফর উল্লাহ ও বিএডিসির সদস্য পরিচালক (ক্ষুদ্রসেচ) মো: আরিফ বক্তৃতা করেন। উল্লেখ্য, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পানির টেকসই ব্যবহার ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য ১৯৬৭-৬৮ সালে বিএডিসি প্রাথমিক পর্যায়ে কন্ট্রাক গ্যাজের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পরিমাপ কার্যক্রম শুরু করে। সম্প্রতি ‘ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়নে জরিপ ও পরিবীক্ষণ ডিজিটালাইজেশনকরণ প্রকল্প’ এর আওতায় প্রতিটি উপজেলায় ১ টি করে অর্থাৎ ৪৬টি ওয়াটার লেভেল ডাটা লগার স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির অবস্থানচিত্র তৈরি এবং সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করা হচ্ছে। এছাড়াও স্পেস টেকনোলজি ও রিমোর্ট সেন্সিং এর মাধ্যমে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, তথ্য সংগ্রহ এবং জিআইএস এর মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে পানির স্তরের হালনাগাদ তথ্য দেয়া হচ্ছে। তাছাড়াও সমুদ্র উপকূলবর্তী ৬০ টি উপজেলায় স্যালাইনিটি ডাটা লগার স্থাপনের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ লবণ পানি পর্যবেক্ষণ এবং অনুপ্রবেশ মনিটরিং এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাই কৃষি, শিল্প ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাজে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন নিরুৎসাহিতকরণ, ভূগর্ভে পানির পুনর্ভরণ এবং ব্যবহার কমিয়ে এনে উহার নিম্নগামিতা নিয়ন্ত্রণ করতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পরিবীক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেমিনারের আগে কৃষিমন্ত্রী সেচ ভবন কমপ্লেক্সে নবনির্মিত রেস্ট হাউজের উদ্বোধন করেন।

জয়ী হোক ও পরাজয়ী হোক পরবর্তী নির্বাচনে মনোনয়ন পাবে না প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত: সেতুমন্ত্রী

আজ রোববার(১৭ জানুয়ারি)নেতৃত্বের দুর্বলতা আর অস্বচ্ছ রাজনীতিই বিএনপিকে ভোটের রাজনীতি থেকে দিন দিন দূরে সরিয়ে দিচ্ছে বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।আজ তাঁর সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানান,জনগণের কাছে ভোট না চেয়ে সরকারের সমালোচনা ও মিথ্যাচারকেই ব্রত হিসেবে বেছে নিয়েছে, যা প্রকারান্তরে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে দুর্বল করে তুলছে। নেতৃত্বের দুর্বলতা আর অস্বচ্ছ রাজনীতিই তাদের দিন দিন ভোটের রাজনীতি থেকে পিছিয়ে দিচ্ছে।’পৌরসভা নির্বাচনে যারা আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন করে জয়লাভ করেছে, ভবিষ্যতে দলের কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদেরকে বিবেচনায় আনা হবে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন,পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে যারা দলের সিদ্ধান্ত মানবে না এবং দলের শৃঙ্খলা বিরোধী কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা জয়ী হোক কিংবা পরাজয়ী হোক- পরবর্তী নির্বাচনে আর মনোনয়ন পাবে না, এটাই আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত। শনিবার দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত পৌরসভায় নির্বাচনে দলের বিজয়ী সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিজয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও মানবিক নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়া উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা এবং সমৃদ্ধির বিজয়। এ বিজয়কে গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার বিজয় বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি। ওবায়দুল কাদের আরোও বলেন,নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক হিসেবে বলা হয়েছে শনিবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতিও ছিলো আশাব্যঞ্জক। সূত্র মতে ভোটার উপস্থিতি ছিলো ৬০ থেকে ৭০ ভাগ। ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি শেখ হাসিনা সরকার ও নির্বাচন ব্যবস্থার উপর জনগণের অব্যাহত আস্থারই বহিঃপ্রকাশ। এতে যারা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, নির্বাচন নিয়ে কথায় কথায় হতাশা প্রকাশ করে, দ্বিতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে জনগণ তাদের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারের জবাব দিয়েছে। বিএনপি নেতারা বলেছেন ভোটকেন্দ্র নাকি সরকারি দলের দখলে ছিলো, এই অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, তাহলে আপনাদের ৪ জন প্রার্থী কিভাবে বিজয়ী হলেন? বিএনপি নেতারা মাঠে না গিয়ে ঘরে বসে শীত উদযাপন করে। কর্মীরা ভোট দিতে চাইলেও মাঝদুপুরে ভোট বর্জনের সংস্কৃতি তাদের তাড়া করে। ইভিএমে ভোট প্রদানে জনগণের আগ্রহ এখন অনেক বেড়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইভিএমে জনগণ স্বাচ্ছন্দ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। তাদের মধ্যে ছিলো না কোন জড়তা। সিরাজগঞ্জের ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবেই নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দায়িত্ব পালন করেছেন। এজন্য আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। একই সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করারও নির্দেশ দেন তিনি।

খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেন ইসি

আজ রোববার (১৭ জানুয়ারি)নির্বাচন কমিশন (ইসি) খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। খসড়া তালিকায় ২০১৯-২০২০ সালে নতুন ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৬ জন ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন।আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০১৯-২০২০ সালে ভোটার তালিকা হালনাগাদে নতুন ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৬ ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৯ লাখ ১ হাজার ৯৮৩ জন, নারী ভোটার ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১৫ জন। কারো কোনো তথ্য ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য ৩১ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে হবে বলেও জানান ইসি সচিব। আজ পর্যন্ত ইসির তালিকায় মোট ১১ কোটি ১২ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৮ জন ভোটার আছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৫ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৫১৩ জন, নারী ৫ কোটি ৪৮ লাখ ৯৯ হাজার ২৭০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৩৭৫ জন। ইসি সচিব আরও জানান, খসড়া তালিকায় মৃত ভোটারদের বাদ দেওয়া হয়নি। ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান:প্রধানমন্ত্রী

আজ রোববার(১৭ জানুয়ারি)সিনেমা বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। এ শিল্প যাতে উন্নত হয়, দেশ ছাড়িয়ে বাহিরে যায় সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।’মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।আজ পৌনে ১২টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। প্রধানমন্ত্রী জানান,জাতির পিতাকে হত্যার পর বাঙালির সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব নষ্ট হয়ে যায়। আমরা যে বাঙালি, আমাদের সাংস্কৃতিক চিন্তা চেতনাটাও নষ্ট হতে বসেছিল। পরবর্তীতে আমরা যখন আবারও ক্ষমতায় এসেছি, অনেকগুলো কাজ করেছি। এর মধ্যে চলচ্চিত্র নিববন্ধন আইন-২০১১ প্রণয়ন, জাতীয় চলচ্চিত্র নীতিমালা ২০১৭ প্রণয়ন এমনকি যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নীতিমালা ২০১৭-ও আমরা করে দিয়েছি। সরকারি অনুদানে যাতে সিনেমা নির্মিত হয়।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চলচ্চিত্র নির্মাণে আর্থিক সংশ্লিষ্টতা আমরা বৃদ্ধি করেছি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র কল্যাণ ট্রাস্ট আইন-২০২০ করে দেয়া হচ্ছে। বিশেষ করে এটা আমি নিজে করার উদ্যোগ নিয়েছি। কারণ আমি দেখেছি অনেক শিল্পীর অবস্থা দুর্দশা। এই ট্রাস্টে চলচ্চিত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট সবার যাতে ব্যবস্থা হয়, সে সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছি। যাদেরকে আমরা দেখতে পারিনা, কিন্তু নেপথ্যে থেকে দিনরাত পরিশ্রম করে চলচ্চিত্র নির্মাণে ভূমিকা রাখছেন, তাদের জন্যই এই ট্রাস্ট।’ এ বছর ৪৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ পেয়েছেন ৩৩ জন শিল্পী-কলাকুশলী। ২৬টি ক্যাটাগরিতে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয় অসামান্য এই সম্মাননা। আর আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন প্রবীণ অভিনেতা মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা ও অভিনেত্রী কোহিনুর আক্তার সুচন্দা সুচন্দা। দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ও সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রদানের এ আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তথ্যসচিব খাজা মিয়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এতে আরও যোগ দেন চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ২০১৯ সালে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্য থেকে ২৬টি ক্যাটাগরিতে ৬টি যুগ্মসহ মোট ৩৩ জনকে জাতীয় পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করেছে জুরি বোর্ড। এর সাথে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এবছর আজীবন সম্মাননা পান সোহেল রানা ও সুচন্দা। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৯ প্রজ্ঞাপন জারি হয়। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (যুগ্ম): ন ডরাই ও ফাগুন হাওয়ায়। শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: নারী জীবন, শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: যা ছিলো অন্ধকারে, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক: তানিম রহমান অংশু (ন ডরাই), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে: তারিক আনাম খান (আবার বসন্ত), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী ধান চরিত্রে: প্রসুনেরাহ বিনতে কামাল (ন ডরাই)। এছাড়াও শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে: এম ফজলুর রহমান বাবু (ফাগুন হাওয়ায়), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে: নারগিস আক্তার (হোসনে আরা) (মায়া দ্য লস্ট মাদার), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খল চরিত্রে: জাহিদ হাসান (সাপলুডু), শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী (যুগ্ম) নাইমুর রহমান আপন (কালো মেঘের ভেলা) ও আফরীন আক্তার (যদি একদিন), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক: মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ইমন (মায়া দ্য লস্ট মাদার), শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক: হাবিবুর রহমান (মনের মতো মানুষ পাইলাম না), শ্রেষ্ঠ গায়ক: মৃনাল কান্তি দাস (তুমি চাইয়া দেখো…) (শাটল ট্রেন), শ্রেষ্ঠ গায়িকা (যুগ্ম): মমতাজ বেগম (বাড়ির ওই পূর্বধারে…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার) ও ফাতিমা-তুয-যাহরা ঐশী (মায়া, মায়া রে…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ গীতিকার (যুগ্ম): নির্মলেন্দু গুণ (ইস্টিশনে জন্ম আমার…) (কালো মেঘের ভেলা) ও ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী (কবি কামাল চৌধুরী) (চল হে বন্ধু চল…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ সুরকার (যুগ্ম): প্লাবন কোরেশী (আব্দুল কাদির) (বাড়ির ওই পূর্বধারে…) ও সৈয়দ মো. তানভীর তারেক (আমার মায়ের আঁচল…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার: মাসুদ পথিক (মাসুদ রানা) (মায়া দ্য লস্ট মাদার),শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: মাহবুব উর রহমান (ন ডরাই),শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা: জাকির হোসেন রাজু (মনের মতো মানুষ পাইলাম না) এবং শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: জুনায়েদ আহমদ হালিম (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। ১৯৭৬ সালের ৪ এপ্রিল প্রথম চলচ্চিত্র পুরস্কার দেয়া হয়। ২০০৯ সালে প্রথম চালু করা হয় আজীবন সম্মাননা পুরস্কার।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন ৩৩ জন

আজ রোববার(১৭ জানুয়ারি)৪৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ পেয়েছেন ৩৩ জন শিল্পী-কলাকুশলী। ২৬টি ক্যাটাগরিতে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয় মূল্যবান এই সম্মাননা।আজ সকাল পৌনে ১২টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। এ সময় গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এবার আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন প্রবীণ অভিনেতা মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা ও অভিনেত্রী কোহিনুর আক্তার সুচন্দা সুচন্দা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘সিনেমা বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। এ শিল্প যাতে উন্নত হয়, দেশ ছাড়িয়ে বাহিরে যায় সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।’দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ও সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রদানের এ আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তথ্যসচিব খাজা মিয়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এতে আরও যোগ দেন চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ২০১৯ সালে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্য থেকে ২৬টি ক্যাটাগরিতে ৬টি যুগ্মসহ মোট ৩৩ জনকে জাতীয় পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করেছে জুরি বোর্ড। এর সাথে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এবছর আজীবন সম্মাননা পান সোহেল রানা ও সুচন্দা। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৯ প্রজ্ঞাপন জারি হয়। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (যুগ্ম): ন ডরাই ও ফাগুন হাওয়ায়। শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: নারী জীবন, শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: যা ছিলো অন্ধকারে, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক: তানিম রহমান অংশু (ন ডরাই), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে: তারিক আনাম খান (আবার বসন্ত), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী ধান চরিত্রে: প্রসুনেরাহ বিনতে কামাল (ন ডরাই)। এছাড়াও শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে: এম ফজলুর রহমান বাবু (ফাগুন হাওয়ায়), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে: নারগিস আক্তার (হোসনে আরা) (মায়া দ্য লস্ট মাদার), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খল চরিত্রে: জাহিদ হাসান (সাপলুডু), শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী (যুগ্ম) নাইমুর রহমান আপন (কালো মেঘের ভেলা) ও আফরীন আক্তার (যদি একদিন), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক: মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ইমন (মায়া দ্য লস্ট মাদার), শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক: হাবিবুর রহমান (মনের মতো মানুষ পাইলাম না), শ্রেষ্ঠ গায়ক: মৃনাল কান্তি দাস (তুমি চাইয়া দেখো…) (শাটল ট্রেন), শ্রেষ্ঠ গায়িকা (যুগ্ম): মমতাজ বেগম (বাড়ির ওই পূর্বধারে…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার) ও ফাতিমা-তুয-যাহরা ঐশী (মায়া, মায়া রে…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ গীতিকার (যুগ্ম): নির্মলেন্দু গুণ (ইস্টিশনে জন্ম আমার…) (কালো মেঘের ভেলা) ও ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী (কবি কামাল চৌধুরী) (চল হে বন্ধু চল…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ সুরকার (যুগ্ম): প্লাবন কোরেশী (আব্দুল কাদির) (বাড়ির ওই পূর্বধারে…) ও সৈয়দ মো. তানভীর তারেক (আমার মায়ের আঁচল…) (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার: মাসুদ পথিক (মাসুদ রানা) (মায়া দ্য লস্ট মাদার),শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: মাহবুব উর রহমান (ন ডরাই),শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা: জাকির হোসেন রাজু (মনের মতো মানুষ পাইলাম না) এবং শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: জুনায়েদ আহমদ হালিম (মায়া দ্য লস্ট মাদার)। ১৯৭৬ সালের ৪ এপ্রিল প্রথম চলচ্চিত্র পুরস্কার দেয়া হয়। ২০০৯ সালে প্রথম চালু করা হয় আজীবন সম্মাননা পুরস্কার।

চসিকের কার্যক্রম চলমান রাখার নির্দেশনা প্রশাসকের

চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন করোনা আক্রান্ত হয়েও ঘরে আইসোলেসনে থেকে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন সমস্যার ব্যাপারে অবহিত হচ্ছেন এবং সেগুলো সমাধানে করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে থাকলেও নগরবাসীর বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকি। কোথাও কোন সমস্যা সৃষ্টি হলে তা দ্রুত সমাধানের জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়ি। ইতোমধ্যে সামাজিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন খাল-নালা-নর্দমা আবর্জনায় ভরাট হয়ে যাওয়ার খবর গণমাধ্যমে জানতে পেরে চসিকের যান্ত্রিক ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছি। এসকল সমস্যা সমাধানের জন্য ওয়াটসআপে ভিডিও কলের মাধ্যমে সকল কার্যক্রম তদারকি করছি। আমার এই প্রয়াস দায়িত্ব পালনের শেষ দিন পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রশাসক আরো বলেন, বাদশা মিয়া রোডের ওয়্যার সিমেট্রি একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এরই সংলগ্ন খালটি বহুদিন যাবৎ ময়লা আবর্জনায় ভরাট হয়ে আছে। এই খাল দিয়ে পানি চলাচলের পথ বাধামুক্ত করতে এবং জমে থাকা আবর্জনা অপসারণ করতে চসিকের যান্ত্রিক ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের নিয়োজিত প্রায় শতাধিক জনবল দিয়ে গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে শুরু করে শনিবার বিকেল পর্যন্ত পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ওয়্যার সিমেট্রি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত একটি সমাধিস্থল এবং এর আশেপাশে অভিজাত শ্রেণির লোকেরা বসবাস করেন। যেহেতু তারা সচেতন নাগরিক তাই তাদেরও কিছু সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে। আমি বারবার উল্লেখ করছি, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীরও দায়িত্ব রয়েছে। আমরা যদি নিজ নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখি ও খাল নালায় ময়লা আবর্জনা না ফেলি তাহলে কোনভাবেই খাল নালাগুলো ভরাট হবে না, এতে করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহও চলমান থাকবে এবং নগরবাসী জলাবদ্ধতার হাত থেকে মুক্তি পাবেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন বছরের পর বছর আবর্জনার ভাগাড় হয়ে পড়ে থাকা ২ নম্বর গেইটস্থ চশমা হিল সংলগ্ন খালের আবর্জনা ও মাটি অপসারণেও শুক্রবার সকাল থেকে কাজ করছে পরিচ্ছন্নতা এবং যান্ত্রিক বিভাগ। উক্ত খাল থেকে উভয় বিভাগের সমন্বয় এবং পরিচ্ছন্ন বিভাগের শতাধিক সেবকের মাধ্যমে ইতোমধ্যে পাঁচশত টন মাটি ও আবর্জনা অপসারণ করে গতকাল বিকেলে পানি চলাচলের পথ সুগম করা হয়েছে।

লাইভ টিভি

ওয়ার্ড পরিক্রমা

আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎসাহী সমাজকর্মী, স্কাউট আন্দোলন এর কর্ণধার ও আলোর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও বসুন্ধরা শিশু কিশোর সংগঠন এর উপদেষ্টা আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, প্রিয় স্যারের প্রতি আবু তাহের সর্দার স্মরণ সভা কমিটির উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, বলেন আবু তাহের সর্দার সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। জন্মিলে মরিতে হবে এটি চিরন্তন সত্য। তবুও মানুষ তাঁর সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকতে পারে। সেজন্য যাঁরা কীর্তিমান তাঁরা তাঁদের সেবামুলক কাজের মাধ্যমে মানবসমাজে বেঁচে থাকেন বহু যুগ যুগ ধরে। তিনি বলেন, এ নশ্বর পৃথিবীতে সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ, কোনো মানুষই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে না। সেজন্য দেশ ও মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই আবু তাহের সর্দার অমর হয়ে থাকবেন এ রাষ্ট্র সমাজে। এ জনসমাগম স্মরণ সভা থেকে তা বুঝ যায় তিনি কতবড় ত্যাগী মানুষ ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৬৩ বছর এ রাষ্ট্র সমাজের জন্য শ্রম দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত মনের বিস্ময় প্রতিভা মানুষ ছিলেন আবু তাহের সর্দার। বক্তরা বলেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে লাঘব করতে আবু তাহের সর্দারের প্রচেষ্টা অতুলনীয়; সমাজের আলোক বর্তিকা হয়ে তিনি সমুজ্জ্বল। আবু তাহের সর্দারের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজ বিনির্মানে তরুনদের এগিয়ে আসার শপথ নিতে হবে। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম, বখতিয়ার উদ্দীন সহ মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা।

খেলা

সাউদাম্পটনের কাছে হারলো লিভারপুল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষে থাকা লিভারপুল শুরুতেই অঘটনের শিকার হয়েছে। সাউদাম্পটনের কাছে তারা হেরে গেছে ১-০ গোলে। এই হার শীর্ষে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে। পরের ম্যাচে জিতলেই তারা লিভারপুলকে টপকে পয়েন্টের শীর্ষে উঠে যাবে। সোমবার ঘরের মাঠে লিভারপুলের বিপক্ষে লিড নিতে বেশি সময় নেয়নি সাউদম্পটন। রেফারির প্রথম বাঁশি বাজানোর পর জেমস ওয়ার্ড-প্রাউসের পাস থেকে দ্বিতীয় মিনিটেই লিভারপুলের জালে বল পাঠিয়ে দেন ড্যানি ইঙ্গস। এটা ছিল প্রিমিয়ার লিগে তার ৫০তম গোল। এরপর সমতায় ফিরতে চেষ্টা করলেও সাউদাম্পটনের জাল খুঁজে পাননি মোহামেদ সালাহ, সাদিও মানে, রবার্তো ফিরমিনোরা। তবে বিরতির আগে সুবর্ণ সুযোগ পান সালাহ। বাঁ দিক থেকে মানের ক্রসে ছয় গজ বক্সের সামনে থেকে মিশরের এই ফরোয়ার্ডের হেড উড়ে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। প্রথমার্ধে গোলের উদ্দেশে মোট ছয়টি শট নেওয়া লিভারপুল একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। ম্যাচের শেষ দিকে আরেকটি গোল খেতে বসেছিল ক্লপের দল। বল ক্লিয়ার করতে পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন আলিসন। তার পায়ের ফাঁক দিয়ে সাউদাম্পটনের এক ডিফেন্ডারের নেওয়া শট গোললাইন থেকে ফেরান জর্ডান হেন্ডারসন। শেষ পর্যন্ত চলতি মৌসুমে লিগে দ্বিতীয় হার মেনে নেয় ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। আর সাউদাম্পটনের বিপক্ষে টানা ছয় জয়ের পর হারের তেতো স্বাদ পেল তারা। ১৭ ম্যাচ থেকে ৩৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করে লিভারপুল রয়েছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। তাদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলে সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে ম্যানইউ। আর টানা পাঁচ ম্যাচ পর জয় নিয়ে এভারটনকে টপকে সাউদাম্পটন ষষ্ঠ স্থানে ওঠে এসেছে।

সর্বশেষ সংবাদ
গণমানুষের মাঝে গণসংযোগে নৌকার রেজাউল চট্টগ্রামের বিপ্লবী ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত সকল স্থাপনা রক্ষার তাগিদে মশাল মিছিল বইমেলার তারিখ নির্ধারণ হয়নি : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ফেব্রুয়ারিতে খুলছে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেচ খরচ হ্রাস ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী জয়ী হোক ও পরাজয়ী হোক পরবর্তী নির্বাচনে মনোনয়ন পাবে না প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত: সেতুমন্ত্রী খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেন ইসি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান:প্রধানমন্ত্রী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন ৩৩ জন চসিকের কার্যক্রম চলমান রাখার নির্দেশনা প্রশাসকের