শীর্ষ সংবাদ

আমেরিকার নির্বাচনী প্রচারণার মূল ইস্যু করোনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রচারণার মূল ইস্যু এখন করোনা মহামারি। স্থানীয় সময় অ্যারিজোনায় নির্বাচনী প্রচারণায় এবার ট্রাম্পের লক্ষ্যবস্তু ছিল করোনা মহামারি মোকাবিলায় শীর্ষ রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি। যার কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।  ট্রাম্প জানান,মহামারিতে যুক্তরাষ্ট্রের আট লাখের বেশি মানুষ মারা যেতো। দেশের মানুষ করোনা নিয়ে ফাউচি আর এসব অপদার্থদের কথা শুনতে শুনতেও ক্লান্ত।’শুধু ফাউচি নন, তার বাক্য আক্রমণ থেকে বাদ যাননি আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জো বাইডেন । ফাউচিকে ট্রাম্পের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাইডেন। সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের করোনা হওয়াটা খুব স্বাভাবিক ছিল বলে জানান ফাউচি। এরপরই ক্ষেপে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এদিকে ফ্লোরিডায় বাইডেনের রানিং মেট কমলা হ্যারিস প্রচারণা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত বিতর্কে দুই প্রার্থীর মধ্যে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবার মাইক্রোফোন বন্ধ করে দেয়ার নতুন নীতি যুক্ত করেছে ডিভেট কমিশন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন ব্যর্থ বিরোধীদল আর কেউ দেখেনি:সেতুমন্ত্রী

আজ মঙ্গলবার(২০ অক্টোবর)আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থতার জন্য বিএনপির নেতৃত্বের পদত্যাগ করা উচিত বলে করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ  সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত আনলাইন সম্মেলনে এসব কথা বলেন। সেতুমন্ত্রী জানান,বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন ব্যর্থ বিরোধীদল আর কেউ দেখেনি। তাই সরকারের পদত্যাগ দাবি করার আগে গত ১২ বছরে আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থতার জন্য বিএনপির নেতৃত্বের পদত্যাগ করা উচিত। বিএনপি নেতাদের সরকারের পদত্যাগ দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি ইস্যু না পেয়ে আন্দোলন করতে পারছে না, তাই সরকারের পদত্যাগ চাওয়া যেন মামার বাড়ির আবদার।’ তিনি বলেন, ‘তারা উপনির্বাচনে এজেন্ট না দিয়ে সকল কার্যক্রম থেকে নিজেদের সরিয়ে রেখে নির্বাচনকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালায়, যা বিএনপির পুরনো অপকৌশল।’ সামাজিক ঐক্য গড়ে তোলার মাধ্যমে ঘৃণ্য অপরাধীদের আশ্রয় প্রশ্রয় না দেওয়ায় পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রশ্রয়ও বন্ধ করার আহবান জানিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু বিএনপি এসব বাদ দিয়ে কখনো মধ্যবর্তী, কখনো নতুন নির্বাচনের দাবি তুলছে। যা এর সাথে সম্পর্কহীন ও অযৌক্তিক।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সরকারও ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন সংশোধন করেছে।’

আলুর কেজি ৩৫ টাকা নির্ধারণ: কৃষিমন্ত্রী

আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)প্রতি কেজি আলুর দাম ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। আজ সচিবালয়ে আলাপকালে কৃষিমন্ত্রী এ কথা জানান। আজ বিকেল খামারবাড়িতে কৃষি বিপণন অধিদফতরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে আলুর দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। আড়ৎদার, খুচরা ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বসে দামটা নির্ধারণ করা হয়। কৃষিমন্ত্রী জানান,গত ৭ অক্টোবর প্রতি কেজি আলুর দাম কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ টাকা বেধে দেয় কৃষি বিপণন অধিদফতর। এই দাম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়। কিন্তু এই দামের বিষয়ে আপত্তি জানায় ব্যবসায়ীরা।কৃষকরা আলুর দাম পায়নি, সরকার চেষ্টা করেও দাম বাড়াতে পারেনি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এতে আলু চাষের জমি কমেছে, উৎপাদনও কিছু কম হয়েছে। এর মধ্যে কোভিড মহামারি আসলো। আমাদের এবার লক্ষ্য ছিল আলুর দাম বাড়ানোর জন্য। দাম বাড়াতে গিয়ে এমন একটা বিপর্যয়কর অবস্থা হবে, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ, রিকশাওয়ালা-ভ্যানওয়ালা, শ্রমিক তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। এত দাম চিন্তাই করা যায় না। ৫০ টাকা কিংবা এরও বেশিতে বিক্রি হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘এবার ত্রাণের মধ্যে আলু দেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদেরও আলু দিতে বলেছিলাম। এজন্য আলুর ব্যবহারটাও বেশি হয়েছে। এছাড়া গত পাঁচ মাস ধরে একটানা বৃষ্টি। বৃষ্টিতে শাক-সবজি অনেক কমে গেছে, মানুষ আলুর ওপর নির্ভরশীল হয়েছে। তা না হলে কোনোক্রমেই আলুর দাম এত বেশি হওয়ার কথা নয়।’দাম অবশ্যই ৩০ টাকার বেশি হবে। ৩০ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে একটা দাম চিন্তা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এটা (নির্ধারিত দাম) পুনর্বিবেচনা করছি। পর্যালোচনা করে, মাঠ থেকে তথ্য নেয়া হয়েছে। যে দামে মোটামুটি একটা লাভ হয়। কোল্ড স্টোরেজ, পাইকারি ব্যবসায়ী, খুচরা ব্যবসায়ী, তাদের লাভ ধরে মূল্য অবশ্যই বাড়াতে হবে। দাম পুনর্নির্ধারণের পর আমরা আবার মনিটরিং করব, এটা কঠোরভাবে দেখার চেষ্টা করব।’ কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক আরোও বলেন, ‘এই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের কৃষি বিপণন অধিদফতর দাম নির্ধারণ করেছিল ৩০ টাকা। সেই দামেই বিক্রির জন্য তারা একটা প্রচেষ্টাও চালিয়েছে। কিন্তু সফল হয়নি। এখন ব্যবসায়ীরা আলুই বের করছেন না, দাম বেশি।আশা করি, নতুন আলু আসলে দাম কমে যাবে। এবার আলু অনেক বেশি হবে। আলুতে আমাদের ঘাটতি থাকার কোনো কারণ নেই। আমাদের পর্যাপ্ত আলু হয়। আশা করি, ভবিষ্যতে এই সমস্যা হবে না। আমরা এখনও চিন্তা করছি যে, আলু কীভাবে রফতানি করা যায়।’’ এই বিপর্যয়ের জন্য আমরা খুবই দুঃখিত। স্বল্প আয়ের মানুষ কষ্ট করছে।’ দেশে আলুর চাহিদা ৮০ থেকে ৯০ লাখ টন। ১৫ থেকে ২০ লাখ টন আলু আমাদর উদ্বৃত্ত থাকে বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী।

আগামীকাল মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন:শিক্ষামন্ত্রী

আজ মঙ্গলবার(২০অক্টোবর)আগামীকাল বুধবার(২১অক্টোবর)মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।আগামীকাল বেলা ১২টায় শিক্ষামন্ত্রী ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানান মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের।করোনার কারণে গত মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষাখাতে প্রায় স্থবিরতা নেমে এসেছে। শ্রেণিকক্ষে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলে পাঠদানের ধারাবাহিকতা রক্ষায় অনলাইন, টিভি ও বেতারে পাঠদান চালিয়ে আসছে সরকার। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা, অষ্টমের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা এবং সবশেষ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে এবছর। প্রাথমিক স্তর ও অষ্টমের সমাপনীর বদলে নিজ নিজ বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন করে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীতের সিদ্ধান্ত হলেও এইচএসসির শিক্ষার্থীদের জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের গড়ের ভিত্তিতে ফল প্রকাশ করা হবে। মাধ্যমিক স্তরে ষষ্ঠ, সপ্তম, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে তা জানাতে সংবাদ সম্মেলন করবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। চলতি বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত নিজ বিদ্যালয়ে মূল্যায়নের কথা চিন্তা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

চট্টগ্রামে ভোট কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িতে ককটেল হামলা

আজ মঙ্গলবার(২০অক্টোবর)চট্টগ্রামের লোহাগড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কেন্দ্রে জাল ভোটের খবর পেয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িতে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটে।আজ দুপুরে, এ ঘটনা ঘটে। ওই ভোট কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাবুদ্দিন ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী নুরুসসাফার অনুসারীরা বিশৃংখলা সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ির চালক আহত হয়।লোহাগাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিলুফা ইয়াসমিন চৌধুরী সুস্থ আছেন বলে জানা যায়। সূত্রে জানান,চট্টগ্রামে জাল ভোটসহ নানা সহিংসতার মধ্য দিয়ে ৬ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদে আজ সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।এতে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া ও ফটিকছড়ি উপজেলায় বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনা ঘটে।এই সহিংসতার কারণে লোহাগাড়া শাহ পীর এবতেদায়ী মাদ্রাসা কেন্দ্রে এক ঘণ্টা ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল।লোহাগাড়া উপজেলার সদর এবং আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িতে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটে। সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের নজিবুন্নেসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের উত্তর আমিরাবাদ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন,সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের নজিবুন্নেসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট এবং কেন্দ্র দখলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান লোহাগাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিলুফা ইয়াসমিন চৌধুরী। এ সময় তার গাড়ি লক্ষ্য করে পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে দুর্বৃত্তরা।লোহাগাড়ার আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের উত্তর আমিরাবাদ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইনামুল হাসানের গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল হামলা চালানো হয়। তবে ককটেল সরাসরি গাড়িতে আঘাত না করায় এতে কেউ হতাহত হননি। এতে গাড়ি চালক মো. শাহেদ (৩০) গুরুতর আহত হন। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌফিক আহমেদ জানান,ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের খবর পেয়ে ম্যাজিস্ট্রেটরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এ সময় দুইজন ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল হামলা চালানো হয়। এরমধ্যে এক গাড়ি চালক গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সুয়াবিল ও নানুপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের একটি কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আওয়ামী লীগের ২ নেতা আহত হয়েছেন। বেলা ১১টার দিকে সুয়াবিলের শোভনছড়ি জেএমসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ সহিংসতার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, আলী আকবর জুনু (৪৫) ও ইমাম উদ্দিন জেম (৩৫)।  আলী আকবর জুনু নাজিরহাট পৌরসভা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং ইমাম উদ্দিন জেম উপজেলা যুবলীগের সদস্য। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তির পর পরে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।

প্রতিদিন পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে বাড়ছে ভিড়

নাজমূল বরাত কক্সবাজার থেকে» মহামারি করোনাভাইরাস কারণে দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে। গত ১৭ আগস্ট থেকে কক্সবাজারসহ দেশের বেশ কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে কক্সবাজার, কুয়াকাটা, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চলনবিল, হালতিবিল, মাধবকুন্ড, লাউয়াছড়া, বিছানাকান্দি, রাতারগুল, জাফলং, টাঙুয়ার হাওর, হাকালুকির হাওর ও সবুজ চা বাগানসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। হোটেল, মোটেল, কটেজ, রেস্টুরেন্টসহ পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিনোদন কেন্দ্র সর্বত্র ফিরে এসেছে প্রাণ চাঞ্চল্য। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন সব বয়সের মানুষ। করোনা আতঙ্কে দীর্ঘদিন ঘরবন্দি থাকার ফলে এক ধরনের অবসাদ মানুষকে ঘিরে ধরেছে। বিশেষ করে শিশুরা ঘরবন্দি থেকে অনেকটা বিমর্ষ। এর থেকে মুক্তি পেতে মানুষ ছুটছে সমুদ্র কিংবা পাহাড় ঘেরা প্রাকৃতির কাছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে খুলছে বাংলাদেশের দার্জিলিং খ্যাত পর্যটন কেন্দ্র রাঙামাটির সাজেক ভ্যালি। এটা খুললে কোলাহাল বাড়বে পর্যটকদের। সেই সাথে জীবন জীবিকার সংস্থান বাড়বে। করোনা মহামারির কারণে স্থবির হয়ে পড়েছিল পর্যটন শিল্প। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়- এ খাতে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৪০ লাখ জনবল বেকার হয়ে পড়েছিল। পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ায় আবার সবাই কর্মচঞ্চল হয়ে পড়েছে। ফলে পর্যটন নির্ভর অর্থনীতি আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। খুব দ্রæত পর্যটন খাত আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে সংশ্লিষ্টদের আশাবাদ। প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্র্য ও সৌন্দর্যে ঘেরা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। ধীরগতিতে হলেও এ শিল্পের উন্নয়ন চোখে পড়ার মতো। বিগত কয়েক বছরের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন, রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার কারণে পর্যটন শিল্পের যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছেপাহাড়-পর্বত, নদী-সমুদ্র, বনাঞ্চল, হাওরসহ বৈচিত্র্যের সম্ভার আমাদের এই দেশ। এই সম্পদগুলোকে সঠিকভাবে পরিকল্পনা করা গেলে এই দেশে দেশীয় পর্যটকের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। তবে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য আমাদের বর্তমান ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজতর করতে হবে। আমাদের বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরের কর্মকান্ডকে আরও পর্যটক বান্ধব করতে হবে। যেসব সূচকে আমাদের দেশ পিছিয়ে আছে, তাতে আরও মনোযোগ দিতে পারলে বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতে এই শিল্পে আরও উন্নতি করতে পারবে। করোনাকালীন ক্ষতিও সহজে কাটিয়ে উঠতে পারবে।গত ১৭ আগস্ট থেকে খুলে দেয়া হয়েছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, হোটেল, মোটেল, কটেজ, রেস্টুরেন্টসহ পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো। পর্যটনে নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়ার পর থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক আসছেন কক্সবাজারে। করোনার কারণে দীর্ঘ পাঁচমাস ঘরবন্দি থাকার পর মানুষ ভ্রমণ করছেন পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারে। ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, রাজনীতিক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শ্রেণি পেশা নির্বিশেষে সকলেই কক্সবাজার ভ্রমণ করে ক্লান্তি ও অবসাদ কাটানোর চেষ্টা করছেন। গতকাল পর্যটন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কলাতলীর ডলফিন মোড়, লাবনী পয়েন্ট, সীইন পয়েন্টসহ সৈকত এলাকা ও হোটেল মোটেল জোনে পর্যটকদের পদচারণা। খবর নিয়ে জানা গেছে, হিমছড়ি ইনানী বিনোদন কেন্দ্রও সরব হয়েছে পর্যটকে। এদিকে করোনা সচেতনতায় স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানার নির্দেশনা থাকলেও কিছু কিছু ভ্রমণকারী এবং ব্যবসায়ী তাতে এখনো কিছুটা অসচেতন দেখা গেছে। এবিষয়ে জেলা প্রশাসন সচেতন রয়েছেন।

আজ বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস

আজ মঙ্গলবার(২০অক্টোবর)বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস। দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয়- ‘কানেক্টিং দ্যা ওয়ার্ল্ড উইথ ডাটা উই ক্যান ট্রাষ্ট’।বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় পাঁচ বছর অন্তর বাংলাদেশেও তৃতীয়বারের মতো ‘বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস-২০২০’ পালিত হচ্ছে। জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোতে একযোগে পালিত হচ্ছে দিবসটি। এই দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এক বাণীতে বলেছেন, সব খাতে পরিসংখ্যানের প্রয়োগ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে সহায়ক হবে। ২০১০ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় ২০ অক্টোবরকে ‘বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়। সিদ্ধান্ত হয়, পাঁচ বছর পর পর জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলো এ দিবস পালন করবে।পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় পাঁচ বছর অন্তর বাংলাদেশেও তৃতীয়বারের মতো ‘বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস-২০২০’ পালিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ জানান,আর্থ সামাজিক সকল কর্মকান্ডের গতি-প্রকৃতি নির্ণয় ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব অপরিসীম। মূলত সঠিক পরিসংখ্যানই কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়নের পূর্বশর্ত। অর্থনৈতিক, জনমিতিক, সামাজিক সকল ক্ষেত্রে পরিমাণগত ও গুণগত পরিমাপে পরিসংখ্যানের ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।বর্তমান বিশ্বে সরকারি ও বেসরকারি পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সঠিক ও সময়োচিত পরিসংখ্যানের ব্যবহার অপরিহার্য। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রতিটি সেক্টরে নির্ভুল ও সময়ানুগ পরিসংখ্যানের প্রয়োগ দেশকে দ্রুত উন্নয়নশীল থেকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারে।  তিনি বলেন,বাংলাদেশসহ বিশ্বের উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশগুলোর প্রকৃত উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরতে পরিসংখ্যানের বিকল্প নেই। সরকার পরিসংখ্যান কার্যক্রমকে আধুনিকায়ন করে তা জাতীয় উন্নয়নে ব্যবহারের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক।জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থার উন্নয়নে ‘পরিসংখ্যান আইন ২০১৩’ ও এতদসংক্রান্ত জাতীয় কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি আশা করেন, বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস পালনের মধ্য দিয়ে দেশের সকল খাতে পরিসংখ্যানের প্রয়োগ বৃদ্ধি পাবে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে সহায়ক হবে।তিনি‘বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস ২০২০’ উদযাপনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাসের মহামারি থেকে জীবন বাঁচাতে এবং এর থেকে উত্তরণে পরিসংখ্যানের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। করোনা সংকটকালে সরকারের নগদ সহায়তা ও প্রণোদনাসহ সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে মৃত্যুর হার হ্রাস এবং অর্থনীতি গতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন,আমি বিশ্বাস করি, টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সঠিক, নির্ভরযোগ্য, সময়োপযোগী এবং বিশ্বস্ত পরিসংখ্যান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং আমাদের পরিবর্তিত বিশ্বকে বুঝতে সাহায্য করে।’দেশের উন্নয়নের জন্য অন্যতম প্রধান শর্ত হলো সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা। সঠিক পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজন সময়োপযোগী সঠিক পরিসংখ্যান। পরিসংখ্যান যত নির্ভুল হবে, নীতি-নির্ধারকদের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ তত সহজতর হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার সকলক্ষেত্রে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয়, সময়োপযোগী এবং মানসম্পন্ন পরিসংখ্যান সংগ্রহ ও প্রকাশ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তথ্য-উপাত্ত প্রক্রিয়া ও পরিজ্ঞাত করণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে চাহিদা মাফিক উপাত্ত সরবরাহ এবং পরিসংখ্যান বিষয়ক কার্যক্রম সময়োপযোগী ও ত্বরান্বিত করণে আমরা সর্বদা সচেষ্ট। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশে সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন, উন্নয়ন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব উপলব্ধি করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিসংখ্যান কার্যক্রমে নিয়োজিত কয়েকটি পৃথক প্রতিষ্ঠানকে একীভূতও সুসমন্বিত করে ১৯৭৪ সালে বিবিএস প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে বিবিএস-এর সার্বিক কর্মকা- সমন্বয়, তত্ত্বাবধান ও সাচিবিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠান করা হয় পরিসংখ্যান বিভাগ। জাতীয় পরিসংখ্যানিক ব্যবস্থাকে আইনগত ভিত্তি প্রদানের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৩ সালে ‘পরিসংখ্যান আইন-২০১৩’ প্রণয়ন করে। ’প্রধানমন্ত্রী আরোও বলেন,পরিকল্পনাকারী, নীতি নির্ধারক, শিক্ষাবিদ এবং গবেষকগণ যারা দেশের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচেছন, তাদেরকে বিদ্যমান পরিসংখ্যানের সর্বোত্তম ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমি মনে করি, বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস পালনের মাধ্যমে দেশবাসীকে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করার একটি অনন্য সুযোগ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও ২০ অক্টোবর ‘বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস-২০২০’ পালন করা হচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর ক্রোড়পত্র প্রকাশের উদ্যোগকে তিনি সাধুবাদ জানান। এ বছর বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবসের প্রতিপাদ্য পরিসংখ্যানের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও ব্যবহারের গুরুত্বকে সামনে নিয়ে এসেছে বলেও জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, সময়োপযোগী সঠিক পরিসংখ্যানের সাহায্যে যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ করে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হবেন। প্রধানমন্ত্রী ‘বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস-২০২০’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

স্থানীয় সরকারের দুই শতাধিক পদে ভোট গ্রহণ চলছে

আজ মঙ্গলবার(২০অক্টোবর)স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা ও জেলা পরিষদের দুই শতাধিক পদে সাধারণ নির্বাচন ও উপ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে।এর আগে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান- ইসির পরিচালক (জনসংযোগ) যুগ্ম-সচিব এসএম আসাদুজ্জামান।ইউনিয়ন ও উপজেলায় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এবং জেলা পরিষদের বেলা ২টা পর্যন্ত ভোট হবে। তিনি জানান,দেশের ১৫টি ইউনিয়নে সাধারণ, ১৭৭টি ইউনিয়নে বিভিন্ন শূন্য পদে উপ-নির্বাচন, একটি উপজেলায় সাধারণ, ৮টি উপজেলায় বিভিন্ন পদে উপনির্বাচন এবং ৭টি জেলা পরিষদে বিভিন্ন পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ নির্বাচন চেয়ারম্যান, সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১৫ ইউনিয়ন পরিষদ হচ্ছে- রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুস্কুরিনী, হরিদেবপুর, চন্দনপাট; ভোলার লালমোহন উপজেলার ফরাশগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদ, পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ভাঙ্গুড়া, মন্ডতোষ। ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ও কোরকান্দি, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর, চুয়াডাঙ্গা সদরের গড়াইটুপি (ইভিএম); চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার আমিরাবাদ, লোহাগাড়া, আধুনগর এবং ফটিকছড়ির সুয়াবিল।

করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু আড়াই লাখ ছাড়াল

দেশে করোনার তাণ্ডব কিছুটা কমলেও বিপরীত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। যেখানে এখনও গড়ে অর্ধলক্ষ মানুষের করোনা শনাক্ত হচ্ছে। থেমে নেই প্রাণহানি।সেখানে ৪৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে করে সর্বোচ্চ ক্ষমতার দেশটিতে মৃতের সংখ্যা আড়াই লাখ ছাড়িয়ে গেছে।যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার পরিসংখ্যানে জানান  ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৭ হাজার ৩২৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৮৪ লাখ ৫৬ হাজার ৬৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৪২ জন। এ নিয়ে প্রাণহানি বেড়ে ২ লাখ ২৫ হাজার ২২২ জনে ঠেকেছে।সুস্থতা লাভ করেছেন আরও ৪৫ হাজার ৫৩৯ জন রোগী। এতে করে বেঁচে ফেরার সংখ্যা ৫৫ লাখ ৩ হাজার ২৬৮ জনে পৌঁছেছে।  ২১ জানুয়ারি শিকাগোর এক বাসিন্দার মধ্যে প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর থেকে ক্রমান্বয়ে ভয়ানক হতে থাকে পরিস্থিতি। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ধারণা ইতোমধ্যে তাদের দেশের অন্তত ২০ মিলিয়ন (দুই কোটি) মানুষ করোনার শিকার হয়েছেন। দ্য সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) বলছে, ‘প্রকৃত তথ্য হলো, প্রকাশিত সংখ্যার অন্তত ১০ গুণ বেশি মানুষ করোনার ভয়াবহতার শিকার।’  এর মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা ক্যালিফোর্নিয়ায়। প্রাণহানি তুলনামূলক কম হলেও এ শহরে করোনার শিকার ৮ লাখ ৮১ হাজারের কাছাকাছি। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৭ হাজার ১ জনের। সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হার দীর্ঘ হচ্ছে টেক্সাসে। এ শহরে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ৭৭ হাজারের অধিক। যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ১৭ হাজার ৫৯৯ জনের। ফ্লোরিডায় করোনার শিকার ৭ লাখ ৫৭ হাজারের কাছাকাছি। ইতোমধ্যে সেখানে ১৬ হাজার ২৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। নিউইয়র্কে আক্রান্ত ৫ লাখ ২১ হাজার অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে না ফেরার দেশে ৩৩ হাজার ৪৯৭ জন ভুক্তভোগী।  ইলিনয়েসে এখন পর্যন্ত করোনার ভুক্তভোগী সাড়ে ৩ লাখের বেশি। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৯ হাজার ৪৯৬ জন। জর্জিজায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩ লাখ ৪১ হাজারের বেশি। এর মধ্যে প্রাণ ঝরেছে ৭ হাজার ৬৫৭ জনের। অ্যারিজোনায় আক্রান্ত ২ লাখ ৩২ হাজার ছুঁই ছুঁই। যেখানে প্রাণ গেছে ৫ হাজার ৮৩০ জনের। নিউ জার্সিতে করোনার শিকার ২ লাখ ২৫ হাজার ছুঁই ছুঁই। এর মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ১৬ হাজার ৩৩৯ জনের।  এছাড়া ম্যাসাসুয়েটসস, পেনসিলভেনিয়া, , লুসিয়ানা, টেনেসি ও অ্যালাবামার মতো শহরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে।

দলের প্রার্থীর বিজয়ে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করতে হবে - আ জ ম নাছির উদ্দীন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দল মনোনীত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীদেরকে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি আজ ১৯ অক্টোবর সোমবার ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওতাধীন ক/১,খ/২ ও গ/৩ ইউনিটের পৃথক পৃথক কার্যকরী সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এই আহবান জানান। সভায় তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরীকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে। দল মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য আমাদের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নামতে হবে। চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিজয়ের বিকল্প বলে কিছু নেই। এই নির্বাচনে অন্য কেউ নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামের কোন উন্নয়ন হবে না। অন্য কেউ এসে উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পারবে না। নগরের ৭০ লাখ মানুষের প্রতিনিধি নির্বাচনে তাই আমাদেরকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। রেজাউল করিম চৌধুরী দলের প্রার্থী, নৌকার প্রার্থী। নৌকাকে সামনে নিয়েই নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। পৃথক পৃথক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী। এতে নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী, উপদেষ্টা শফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মসিউর রহমান চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজ কল্যান সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু তাহের, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম, সদস্য বেলাল আহমদ, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, মোরশেদ আকতার চৌধুরী, পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কায়সা মালেক,সহসভাপতি আবুল কাশেম,নাদিরা সুলতানা হেলেন, ইউনিট নেতা আবদুস সালাম জায়গীরদার, আবু বকর সিদ্দিক,আবুল হোসেন মাস্টার আনোয়ার হোসেন বাবু,আবুল হাশেম শাহ,আবু জাফর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

লাইভ টিভি

ওয়ার্ড পরিক্রমা

আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎসাহী সমাজকর্মী, স্কাউট আন্দোলন এর কর্ণধার ও আলোর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও বসুন্ধরা শিশু কিশোর সংগঠন এর উপদেষ্টা আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, প্রিয় স্যারের প্রতি আবু তাহের সর্দার স্মরণ সভা কমিটির উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, বলেন আবু তাহের সর্দার সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। জন্মিলে মরিতে হবে এটি চিরন্তন সত্য। তবুও মানুষ তাঁর সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকতে পারে। সেজন্য যাঁরা কীর্তিমান তাঁরা তাঁদের সেবামুলক কাজের মাধ্যমে মানবসমাজে বেঁচে থাকেন বহু যুগ যুগ ধরে। তিনি বলেন, এ নশ্বর পৃথিবীতে সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ, কোনো মানুষই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে না। সেজন্য দেশ ও মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই আবু তাহের সর্দার অমর হয়ে থাকবেন এ রাষ্ট্র সমাজে। এ জনসমাগম স্মরণ সভা থেকে তা বুঝ যায় তিনি কতবড় ত্যাগী মানুষ ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৬৩ বছর এ রাষ্ট্র সমাজের জন্য শ্রম দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত মনের বিস্ময় প্রতিভা মানুষ ছিলেন আবু তাহের সর্দার। বক্তরা বলেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে লাঘব করতে আবু তাহের সর্দারের প্রচেষ্টা অতুলনীয়; সমাজের আলোক বর্তিকা হয়ে তিনি সমুজ্জ্বল। আবু তাহের সর্দারের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজ বিনির্মানে তরুনদের এগিয়ে আসার শপথ নিতে হবে। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম, বখতিয়ার উদ্দীন সহ মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা।

খেলা

মেসির গোলে আর্জেন্টিনার জয় বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব জয় দিয়ে শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। ইকুয়েডরকে ১-০ গোলে হারিয়েছে লিওনেল মেসি নেতৃত্বাধীন দলটি। দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেছেন অধিনায়ক নিজেই।আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ছয়টায় শুরু হয় ম্যাচটি। বুয়েনস আয়ার্সের লা বোমবোনেরা স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১৩তম মিনিটে পেনাল্টির মাধ্যমে গোল তুলে নেন বার্সেলোনা মহাতারকা।জুনিয়র্সের মাঠে ১-২-৩-৪ ফরম্যাটে দল সাজিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি।ইন্টার মিলানের লাউতারো মার্টিনেজ ছিলেন ফরোয়ার্ড লাইনে। মেসি ও সেভিয়ার লুকাস ওকাম্পোস ছিলেন দুই উইংয়ে। ডিফেন্সে রিভার প্লেটের গঞ্জালো মন্টিয়েল, ফিওরেন্টিনার লুকাস মার্টিনেজ, ম্যানচেস্টার সিটির নিকোলাস ওটামেন্ডি ও আয়াক্স নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকো ছিলেন। গোলকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন রিভার প্লেটের ফ্রাংকো আরমানি।   ঘরের মাঠে দাপট দেখিয়ে খেলা শুরু করে আলবিসেলেস্তেরা। ১১ মিনিটের মাথায় ওকাম্পোসকে ফেলা দেয়া হয় ইকুয়েডরের পেনাল্টি বক্সের মধ্যে। মেসি শট নিলে আর্জেন্টিনার হয়ে ক্যারিয়ারের ৭১ তম গোলটি তুলে নেন। বলের নিয়ন্ত্রণ স্বাগতিকদের কাছে থাকলেও এদিন খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি লাউতারো মার্টিনেজ।ওকাম্পোস, রদ্রি পল ও গঞ্জালো মন্টিয়েলের পারফরমেন্স ছিল উজ্জ্বল। যদিও দ্বিতীয়ার্ধে পারেদেস থেকে পাওয়া বল লাউতারো ওকাম্পোসের কাছে দিলে একটি সুযোগ নষ্ট নয়। শেষ পর্যন্ত কোনও গোল না হলে ২০২২ বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়ার লড়াই জয় দিয়েই শুরু করে মেসিরা। আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত দুইটায় কাতার বিশ্বকাপের বাছাইয়ের দ্বিতীয় ম্যাচে বলিভিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে আকাশী-সাদারা।

সর্বশেষ সংবাদ