শীর্ষ সংবাদ

ব্রেকিং নিউজঃ বিদ্যুতের ভেলকিবাজি চট্টগ্রামে লুকোচুরির খেলা

আজ সোমবার ভোর সকাল থেকে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত কিছুক্ষণ পরপর বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে বিদ্যুৎ যাওয়া আসা করছে। সূত্র জানান, তীব্র গরমে প্রাণীকুল একটু শীতল পরশের জন্য নানাভাবে চেষ্টায় তখন বিদ্যুতের ভেলকিবাজি নাগরিক জীবনযাত্রা অনেকটা দুর্বিষহ করেছে। গত কয়েক দিন যাবত অতীতের যেকোন সময়ের সহ্যসীমা অতিক্রম করেছে। বিদ্যুতের এই অসহ্য ভোগান্তিতে জনবিস্ফোরণের আশংকা বাড়ছে।অতীতের যেকোন সময়ের সহ্যসীমা অতিক্রম করেছে। বিদ্যুতের এই অসহ্য ভোগান্তিতে জনবিস্ফোরণের আশংকা বাড়ছে। চট্টগ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র গরম মানুষের নানা বিধ রোগ ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে সর্দি জ্বরের প্রাদুর্ভাব প্রকট আকার ধারণ করেছে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৮টা৪০ মিনিটে বিদ্যুৎ সন্ধ্যা থেকে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার আসা-যাওয়ার মধ্যে আছে।এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।একবার বিদ্যুৎ এসে ২০ মিনিট থাকলেও এ সময়ের মধ্যে অন্তত ২/৩ বার আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকে। সারাদিন বিদ্যুতের দেখা থাকেনা। দিনে ২/৩ ঘন্টার বিদ্যুৎ পোলেও তা মেলে গভীর রাতে। যা গ্রাহকদের তেমন উপকারেও আসছে না। সব মিলিয়ে বিদ্যুতের একটানা বেহাল দশায় গ্রাহকরা ক্ষুদ্ধ-বিরক্ত। কিন্তু বিপর্যয়ের এই সময়েও বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে স্পষ্ট কোন বক্তব্য মিলছে না। বিপর্যয় চলমান থাকায় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা কোন ফোন রিসিভ করছেন না। অফিসেও সময় দিচ্ছেন না। বিস্তারিত আসছে..

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আজ ৭৪তম জন্মদিন

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আজ ৭৪তম জন্মদিন।তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে ’৭৫ পরবর্তী সময়ে ইতিহাসের সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক, ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর। তিনি বাবা-মায়ের প্রথম সন্তান। শৈশব কৈশোর কেটেছে টুঙ্গীপাড়ায় গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী বিধৌত টুঙ্গিপাড়ায় শেখ হাসিনার জন্ম ।নদীর তীরে বাঙালির চিরায়ত গ্রামীণ পরিবেশে, দাদা-দাদির কোলে-পিঠে।পিতা শেখ মুজিবুর রহমান তখন জেলে বন্দি, রাজরোষ আর জেল-জুলুম ছিল তার নিত্য সহচর। রাজনৈতিক আন্দোলন এবং রাজনীতি নিয়েই শেখ মুজিবুর রহমানের দিন-রাত্রি, যাপিত জীবন। বাঙালির মুক্তি আন্দোলনে ব্যস্ত পিতার দেখা পেতেন কদাচিৎ। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে শেখ হাসিনা ছিলেন জ্যেষ্ঠ সন্তান। তার কনিষ্ঠ ভাই-বোন হলেন- শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেল। শেখ হাসিনা গ্রামবাংলার ধুলোমাটি আর সাধারণ মানুষের সাথেই বেড়ে উঠেছেন। গ্রামের সাথে তাই তার নিবিড় সম্পর্ক। শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয় টুঙ্গীপাড়ার এক পাঠশালায়। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দীর্ঘ যাত্রায় পার করেছেন নানা চড়াই-উতরাই। কারাভোগ করেছেন, একাধিকবার গৃহবন্দী ছিলেন। চারবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। প্রায় তিন দশক ধরে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘাতকদের গুলিতে নিহত হন। তখন বিদেশে ছিলেন শেখ হাসিনা ও ছোট বোন শেখ রেহানা। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন শেখ হাসিনা। ওই বছর দলের সম্মেলনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এরপর ওই বছরের ১৭ মে দেশে ফেরেন তিনি। ১৯৯৬ সালে তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসে। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা। এরপর ২০০৮ সালে দ্বিতীয়, ২০১৪ সালে তৃতীয় ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন তিনি।জন্মদিন পালনে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করবে আওয়ামী লীগ। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টায় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সীমিত সংখ্যক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।একইদিনে ঢাকাসহ সারাদেশে সকল সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, বিশেষ প্রার্থনা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ সকল কর্মসূচি যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে পালন করবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম আর নেই।সর্বত্র শোকের ছায়া.

অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তিনি বাংলাদেশের ১৩তম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনি ঢাকার (সিএমএইচ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার রাতে ৭টা ২৫ মিনিটে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি।তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন গভীর শোক প্রকাশ করেন। এদিকে অ্যাটর্নি জেনারেলের মৃত্যুতে আইন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তারা। তারা হাসপাতালে অবস্থান করা পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন।

আগামীকাল দূরদর্শী বলিষ্ঠ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন

 আজ রোববার(২৭সেপ্টেম্বর)আগামীকাল দেশের দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি তিনি।তিনি এইদিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও এবার করোনা মহামারি পরিস্থিতির কারণে দেশেই আছেন।এবছর ৭৫তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ইউএনজিএ) অধিবেশনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশগ্রহন করেছেন। উচ্চ পর্যায়ের এই ভার্চুয়াল অধিবেশনে তিনি রোহিঙ্গা সংকট ও সাশ্রয়ী মূল্যে কার্যকর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিশ্বব্যাপী সমবণ্টনসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর অন্যান্য বিশ্বনেতাদের অংশগ্রহনে ইউএনজিএ’র সাধারণ বিতর্কে প্রতি বছরের মতো আগের রেকর্ডকৃত বাংলায় ভাষণ দেন।করোনা আতঙ্কের আবহেই তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে।নিজ দলের নেতাকর্মী এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষ এদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা ও দেশের প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ কামনা এবং শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা জানাবেন। দিনটি উপলক্ষে সারাদেশে সব মসজিদে দোয়া মাহফিল এবং মন্দির, প্যাগোডা, গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান,শেখ হাসিনার জন্মদিন বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। বঙ্গবন্ধু আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার রোল মডেল। শেখ হাসিনা আমাদের উন্নয়ন এবং অর্জনের রোল মডেল। তিনি নিজে যা অর্জন করেছেন, তা নজিরবিহীন। বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে বিশেষ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। তাঁর জন্মদিন পালন না করলে আমরা জাতির কাছে অকৃতজ্ঞ থেকে যাব।’চতুর্থবারের মত দেশে  প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।। তাঁর নেতৃত্বে অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও তিনি বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয় দিয়ে সারা বিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত। বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। এছাড়া শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্থায়ী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যে স্বনির্ভরতা, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গ্রামীণ অবকাঠামো, যোগাযোগ, জ্বালানী ও বিদ্যুৎ, বাণিজ্য, আইসিটি এবং এসএমই খাতে এসেছে ব্যাপক সাফল্য।যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচার, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিসহ জাতীয় জীবনের বহুক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি। করোনাকালেও দেশের প্রবৃদ্ধি এশিয়ায় প্রায় সবদেশের ওপরে। গত সাড়ে ৬ মাস বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা একদিনের জন্যও বসে থাকেননি, প্রতিদিনই কাজ করছেন। করোনা মোকাবেলায় তাঁর বলিষ্ট নেতৃত্বে এই মহামারিকে নিয়ন্ত্রন এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখা গেছে। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন,বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণেই করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকায় আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এশিয়ার প্রায় সব দেশের ওপরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্ব, সময়োচিত পদক্ষেপ, মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা, খাদ্য সহায়তা, অর্থনীতিকে বাঁচানোর জন্য অর্থনৈতিক প্রণোদনা ঘোষণা এবং তা বাস্তবায়নের কারণে দেশে সাড়ে ৬ মাসে অনাহারে একজন মানুষেরও মৃতুু হয়নি, খাদ্যের জন্য কখনো কোথাও হাহাকার হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা মহামারীর মধ্যেও দেশ ও মানুষের জন্য দিনরাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত কয়েকমাসে শুধু কোভিড-১৯ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নে সরকার যে সব নির্দেশনা জারি করেছে সেগুলো পর্যালোচনা করলে এবং পরিমাণ বিবেচনা করলেই কিছুটা অনুমান করা যায় জনগণের জীবন ও জীবিকা নিশ্চিত করতে দিন-রাত কতটা পরিশ্রম করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু কোভিড-১৯ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নে জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও মন্ত্রণালয় যেসব নির্দেশনা জারি করেছে তার পরিমাণ ১ হাজার ৯৭৬ পৃষ্ঠা। ভবিষ্যতে করোনা মহামারির মত যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলার কথা চিন্তা করে এসব নির্দেশনা সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এসব নির্দেশনা বই আকারে ৫টি ভলিউমে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের পাশাপাশি শেখ হাসিনার ঝুলিতে জমেছে অনেকগুলো অর্জন। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক অনেক সম্মাননা ও পদক। এ পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে দেওয়া আন্তর্জাতিক পুরস্কারের সংখ্যাও অনেক (৩৯টি)। টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের সফলতা জন্য গত বছরের (২০১৯) ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার দেয় গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)। একই মাসে শেখ হাসিনাকে ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পদক প্রদান করা হয়। এর আগে বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউট শান্তি প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র সমুন্নত ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন পর্যায়ের পদক প্রদান করে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানে দায়িত্বশীল নীতি ও তার মানবিকতার জন্য প্রধানমন্ত্রী আইপিএস ইন্টারন্যাশনাল এচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড এবং ২০১৮ স্পেশাল ডিসটিংশন এওয়ার্ড ফর লিডারশিপ গ্রহণ করেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রবক্তা স্বপ্নদর্শী এই নেত্রী ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের পর থেকে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেন এবং ১৯৯৬ সালে প্রথম, ২০০৮ সালে দ্বিতীয় এবং ২০১৪ সালে তৃতীয় এবং ২০১৮ সালে চতুর্থ বারের মত নির্বাচনে জয়লাভ করে দলকে দেশের নেতৃত্বের আসনে বসাতে সক্ষম হন। দাদা শেখ লুৎফর রহমান ও দাদি সাহেরা খাতুনের অতি আদরের নাতনি শেখ হাসিনার শৈশব-কৈশোর কেটেছে টুঙ্গিপাড়ায়। শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেলসহ তারা পাঁচ ভাই-বোন। বর্তমানে শেখ হাসিনা ও রেহানা ছাড়া কেউই জীবিত নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু এবং মাতা ফজিলাতুন্নেছাসহ সবাই ঘাতকদের নির্মম বুলেটে নিহত হন। শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল টুঙ্গিপাড়ার এক পাঠশালায়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। তখন পুরনো ঢাকার রজনী বোস লেনে ভাড়া বাসায় ওঠেন তারা। বঙ্গবন্ধু যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হলে সপরিবারে ৩, নম্বর মিন্টু রোডের বাসায় তারা বসবাস শুরু করেন। শেখ হাসিনাকে ঢাকা শহরে টিকাটুলির নারী শিক্ষা মন্দিরে ভর্তি করা হয়। এখন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শেরেবাংলা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ নামে খ্যাত। শুরু হয় তার শহর বাসের পালা। তিনি ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেন। ওই বছরেই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সে ভর্তি হন এবং ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। শেখ হাসিনা ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজে পড়ার সময় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদস্য এবং রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে তিনি আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন এবং ৬-দফা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু উত্থাপিত ৬-দফা দাবিতে পূর্ববাংলায় এক অভূতপূর্ব জাতীয় জাগরণ সৃষ্টি হয়। শাসকগোষ্ঠী ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে। শুরু হয় প্রচন্ড দমন-নির্যাতন। আটক থাকা অবস্থাতেই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। তার জীবন ও পরিবারের ওপর নেমে আসে গভীর বিপদাশংকা ও দুঃসহ দুঃখ-যন্ত্রনা। এই ঝড়ো দিনগুলোতেই বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে ১৯৬৮ সালে পরমাণু বিজ্ঞানী ড.ওয়াজেদ মিয়ার সাথে শেখ হাসিনার বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যাওয়ার পর গোটা পরিবারকে ঢাকায় ভিন্ন এক বাড়িতে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। অবরুদ্ধ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই শেখ হাসিনা গৃহবন্দী অবস্থায় তার প্রথম সন্তান ‘জয়’-এর মা হন। ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর কন্যা সন্তান পুতুলের জন্ম হয়। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালে সপরিবারে নিহত হবার আগে ছোট বোন শেখ রেহানাসহ শেখ হাসিনা ইউরোপ যান। সেখানে অবস্থানকালে তিনি সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর নিহত হবার খবর পান। তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ফেরার কোনো পরিবেশ না থাকায় তিনি ইউরোপ ছেড়ে স্বামী-সন্তানসহ ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। শেখ হাসিনার পরবর্তী ইতিহাস একবিংশ শতকের অভিযাত্রায় তিনি কীভাবে বাঙালি জাতির কান্ডারি হয়েছেন তারই ইতিহাস। বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখতেন সেই স্বপ্ন রূপায়নের দায়িত্ব নিয়ে বাঙালি জাতির আলোর দিশারী হওয়ার ইতিহাস। ১৯৮১ সালের ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। আর ঐ বছরেরই ১৭ মে দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তিনি ১৯৯০ সালের ঐতিহাসিক গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর সরকার গঠন করে এবং সে বছরের ২৩ জুন প্রথমবারের মত দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড নিক্ষেপ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও ওই হামলায় ২৪ জন নিহত এবং ৫শ’ নেতা-কর্মী আহত হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিয়ে বিশাল বিজয় অর্জন করে। এই বিজয়ের মধ্যদিয়ে শেখ হাসিনা দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তৃতীয়বার এবং ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে চতুর্থবারের মত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। শিল্প সংস্কৃতি ও সাহিত্য অন্তপ্রাণ শেখ হাসিনা লেখালেখিও করেন। তাঁর লেখা এবং সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩০টিরও বেশি। প্রকাশিত অন্যতম বইগুলো হচ্ছে- শেখ মুজিব আমার পিতা, সাদা কালো, ওরা টোকাই কেন, বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম, দারিদ্র্য দূরীকরণ, আমাদের ছোট রাসেল সোনা, আমার স্বপ্ন আমার সংগ্রাম, সামরিকতন্ত্র বনাম গনতন্ত্র, আর্ন্তজাতিক সর্ম্পক উন্নয়ন, বিপন্ন গনতন্ত্র, সহেনা মানবতার অবমাননা, আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি, সবুজ মাঠ পেরিয়ে ইত্যাদি।

নীল আকাশে মেঘ-বৃষ্টি-রোদের খেলা

রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে উচ্ছল নীল আকাশে এই রোদ হঠাৎ । এই আবার নীল আকাশে কালো মেঘের ভেলা।। কিছুক্ষণ পরেই এক পশলা বৃষ্টি।মেঘের আড়ালে রোদের হাসি উঁকি আবার কখনো তীব্র গরম। তারপর যেন আকাশ ভেঙ্গে তীব্র বৃষ্টি। এমন আবহাওয়া স্বস্তি বা অস্বস্তির যাইহোক না কেন, এমন মেঘ-বৃষ্টি-রোদের খেলা চলবে আরও কয়েকদিন।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বিজলী চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।বিস্তারিত আসছে

ব্রেকিং নিউজ »ভারতের সাবেক মন্ত্রী যশবন্ত সিংয়ের মৃত্যু

ভারতের সাবেক মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা যশবন্ত সিং মারা গেছেন। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোববার সকাল ৭টার দিকে দিল্লির আর্মি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। গত জুন থেকে ‘মাল্টিওরগান ডিসফাংশান সিনড্রোম’ এবং মস্তিস্কে গুরুতর ইনজুরির চিকিৎসা নিচ্ছিলেন যশবন্ত সিং।১৯৩৮ সালের ৩ জানুয়ারি রাজস্থানের বারমের জেলার জসোল গ্রামে যশবন্তের জন্ম। মেয়ো কলেজ এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি থেকে পড়াশোনা করে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন ষাটের দশকে। পরে রাজনীতিতে ক্যারিয়ার গড়তে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অফিসার পদ ত্যাগ করেন। বিজেপির প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। রাজ্যসভায় প্রথম পা রাখেন আশির দশকে। তার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটবার্তায় লিখেছেন, ‘প্রথমে একজন সেনা এবং তারপর অভিজ্ঞ রাজনীতিক হিসেবে দেশসেবা করেছেন তিনি।’ অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকারে তিনি অর্থমন্ত্রী, বিদেশ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে আমি শোকাহত। দলের সাংগঠনিক দিকেও প্রয়াত এই রাজনীতিকের অবদান স্মরণ করে মোদি সমবেদনা জানিয়েছেন তার পরিবারের প্রতি।

শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

আজ রোববার(২৭ সেপ্টেম্বর)আগামীকাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা, স্বাধীন বাংলাদেশে ইতিহাসের সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  ৭৪তম জন্মদিন ।এতে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করবে আওয়ামী লীগ।কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকাল ৩টায় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।এতে এ সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন জাতীয় নেতৃবৃন্দ।এ ছাড়া কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বাদ জোহর এবং দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে সকাল ৯টায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার (মেরুল বাড্ডা), সকাল ১০ টায় খ্রিস্টান এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (সিএবি) মিরপুর ব্যাপ্টিস চার্চ (২৯ সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০), সকাল ৬টায় তেজগাঁও জকমালা রাণীর গির্জা এবং বেলা ১১টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। এসব কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। একইদিনে ঢাকাসহ সারাদেশে সকল সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, বিশেষ প্রার্থনা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ সকল কর্মসূচি যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে পালন করবে।আগামীকাল  ঢাকাসহ সারা দেশে সকল সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, বিশেষ প্রার্থনা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ সকল কর্মসূচি যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে পালন করবে। শেখ হাসিনা’র ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে সারাদেশে সকল মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করার জন্য আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সংস্থাসমূহের সকল স্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি। ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মধুমতি নদী বিধৌত গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। মাতার নাম বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। তিনি বাবা-মায়ের প্রথম সন্তান। শৈশব-কৈশোর কেটেছে নদীর তীরে টুঙ্গীপাড়ায় বাঙালির চিরায়ত গ্রামীণ পরিবেশে, দাদা-দাদির কোলে-পিঠে। একইসাথে তিনি আওয়ামী লীগের সকল জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডসহ সমস্ত শাখার নেতৃবৃন্দকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে অনুরূপ কর্মসূচি গ্রহণ করে দিবসটি পালন করার অনুরোধ । জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান তখন জেলে বন্দি, রাজরোষ আর জেল-জুলুম ছিল তাঁর নিত্য সহচর। রাজনৈতিক আন্দোলন এবং রাজনীতি নিয়েই শেখ মুজিবুর রহমানের দিন-রাত্রি যাপিত জীবন। বাঙালির মুক্তি আন্দোলনে ব্যস্ত পিতার দেখা পেতেন কদাচিৎ। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে শেখ হাসিনা ছিলেন জ্যেষ্ঠ সন্তান। তাঁর কনিষ্ঠ ভাই-বোন হলেন- শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেল। শেখ হাসিনা গ্রামবাংলার ধূলোমাটি আর সাধারণ মানুষের সাথেই বেড়ে উঠেছেন। গ্রামের সাথে তাই তাঁর নিবিড় সম্পর্ক। শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয় টুঙ্গীপাড়ার এক পাঠশালায়।

ব্রেকিং নিউজ » বাংলাদেশ ও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা আজ

আজ ২৭ সেপ্টেম্বর রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে টেলিফোনে দ্বিপক্ষীয় ও সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। এই টেলিফোন আলাপ আজ বিকেল ৫টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে বলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।এদিকে সৌদি সরকার প্রবাসী শ্রমিকদের তাঁদের কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সমাধানে গত বুধবার ইতিবাচক সাড়া দেয়। এরপর গত শনিবার সৌদি এয়ারলাইনসের প্রথম ফ্লাইটে করে তিন শতাধিক যাত্রীর প্রথম দল দেশটির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যায়। সম্প্রতি ৫৪ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরানোর বিষয়টি সৌদি সরকার উত্থাপন করলেও টেলিফোনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সৌদি আরবে কয়েক দশক ধরে বসবাস করা ৫৪ হাজার রোহিঙ্গাকে দেশটি ফেরত পাঠাবে না বলে গত শুক্রবার পুনরায় জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন। ড. মোমেন বলেছেন, সৌদি সরকার আমাদের বলেছে যে যদি আমরা রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দিই, তাহলে তাদের উপকার হবে। কারণ তারা রাষ্ট্রহীন মানুষ রাখে না। তিনি জানান, সৌদি আরবের অনুরোধের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।তিনি বলেন, ‘সৌদি সরকার আমাদের বলেছে যে, যদি আমরা (রোহিঙ্গাদের) পাসপোর্ট দেই তাহলে তাদের উপকার হবে। কারণ তারা (সৌদি আরব) রাষ্ট্রহীন মানুষ রাখে না।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সৌদি আরবের অনুরোধের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ‘এর মানে এই নয় যে সৌদি সরকার তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে,’ বলেন ড. মোমেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেক বছর আগে, প্রায় ৩৯ থেকে ৪০ বছর, তখনকার সৌদি কর্তৃপক্ষ দুর্দশা দেখে রোহিঙ্গাদের নিয়ে গিয়েছিল। তাদের কোনো পাসপোর্ট ছিল না এবং তারা আরবিতে কথা বলেন। ‘বাংলাদেশ প্রথমে তাদের পরিচয় যাচাই করতে চায়, কেননা আমরা অতিরিক্ত বোঝা নিতে চাই না।’ ড. মোমেন বলেন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য বর্তমানে সৌদি কারাগারে থাকা ৪৬২ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশকে আহ্বান জানিয়েছে সৌদি সরকার। বাংলাদেশ মিশন পরীক্ষা করে দেখেছে যে তাদের মধ্যে কেবল ৭০ থেকে ৮০ জনের বাংলাদেশের পাসপোর্ট রয়েছে। ড. মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকা ওই ৭০ থেকে ৮০ জনকে ভ্রমণ ভিসা দিয়ে ফিরিয়ে আনবে বাংলাদেশ। অন্যদের বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।’

শুদ্ধি অভিযান শুরু কক্সবাজার বদলির ঢেউ এবার সিএমপিতে ?

মেজর সিনহা হত্যার পর কক্সবাজার জেলায় পুলিশের প্রায় সব সদস্যকে বদলি করার পর বদলির ঢেউ পড়ছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশেও। কক্সবাজারে এসপি, ৮ থানার ওসি সব সাব ইন্সপেক্টর ও কনস্টেবলসহ পুরো ইউনিটকে সেখান থেকে সরিয়ে বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হয়। সেই বদলির ঢেউ এসে এবার সিএমপিতেও আসছে বড় ধরনের রদবদল। সরাসরি পুলিশ সদর দপ্তরের আদেশে নিজস্ব তদন্তের পর বদলি।কয়েকদিনের মধ্যে সিএমপিতে ওসিসহ কনস্টেবল পর্যন্ত পদে ব্যাপক বদলি কথা রয়েছে৷ পুলিশ সদর দপ্তরের আদেশে সিএমপির ৬শ কনস্টেবল ও ৭৫ জন সাব ইন্সপেক্টরের বদলি হবে শিগগিরই। এদের সিএমপি নয় শুধু চট্টগ্রাম বিভাগে বা রেঞ্জেও পোস্টিং করা হবে না। এছাড়া ওসি থেকে ডিসি লেভেল পর্যন্ত অনন্ত ৩০ জনের নামও এই বদলি তালিকায় তা ছাড়া সিএমপির অনেক প্রভাবশালী ওসির নামও রয়েছে এই তালিকায় ৷ পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর সিএমপিতে যেসব বিতর্কিত কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে একই থানায়, ফাঁড়ি বা দপ্তরে কর্মরত আছেন তাদের তালিকা করেছেন। ইতিমধ্যে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের সরিয়ে সৎ ও দক্ষ অফিসার পদায়ন শুরু হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এক থানায়, ফাঁড়ি বা ইউনিটে কর্মরত বিতর্কিত অফিসারদের মধ্যে এখন চলছে ‘বদলি আতঙ্ক’। নতুন আইজিপি বেনজির আহমেদ পুলিশে যে সংস্কার শুরু করেছেন তার পালে হাওয়া লেগেছে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটে যাওয়া সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রদীপ-লিয়াকতের ভূমিকা। এটাকে সামনে নিয়েই মূলত পুলিশে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে। সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর জনসাধরণের মনে পুলিশ নিয়ে যে ইমেজ সংকট সৃষ্টি হয়েছে, সেই সংকট থেকে উত্তরণ এবং দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারদের কড়া বার্তা দিতেই এই ‘শুদ্ধি অভিযান’ শুরু হয়েছে। এছাড়া দক্ষ ও যোগ্য অফিসারদের পদায়ন করে কাজে গতিশীলতা আনা ও এ কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য একটি উদ্দেশ্য।

চসিক আইন সংশোধনের তাগিদ পরামর্শক কমিটির

আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টাইগারপাসস্থ চসিক ভবনে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরামর্শক কমিটির প্রথম সভায় চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের সভাপতিত্বে সভায় চট্টগ্রামে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল,চট্টগ্রাম বন্দর,চট্টগ্রাম ওয়াসা,কর্ণফুলী গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন,চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট অপরাপর সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়হীনতার কারণে নগরের কাঙ্খিত উন্নয়ন হচ্ছে না। নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণে সংস্থাগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য প্রয়োজনে আইনি সংশোধনের মাধ্যমে সমন্বয় নিশ্চিতকরণের বিষয়টি নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন পরামর্শকগণ।নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, স্থানীয় সরকার আইনে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি সমন্বয় সভায় সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থা অংশগ্রহণের জন্য নির্দেশনা আছে। কিন্তু অনুপস্থিত থাকলে বা সমন্বয় না করলে সংস্থাগুলোর প্রতি সিটি কর্পোরেশনের করণীয় নির্ধারণে কোন বিধান নেই। অনেক ক্ষেত্রে সমন্বয় সভাগুলোতে সংস্থা প্রধান না এসে একজন প্রতিনিধি পাঠানো হয়। অথচ সভায় উপস্থিত প্রতিনিধির কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা প্রদানের ক্ষমতা নেই। এতে করে সমন্বয়হীনতা রয়েই যাচ্ছে। এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার আইন সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে ভাববার সময় এসেছে। পরামর্শক কমিটির প্রধান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব ও সরকারি সংস্থা পিকেএসএফ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল করিম, নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড অ্যানিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ, নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জোবায়ের আহমেদ, নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি আশিক ইমরান, কেডিএস গ্রæপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান, শিক্ষাবিদ হাসিনা জাকারিয়া, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সভাপতি প্রবীর কুমার সেন, বিএসআরএম গ্রæপের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস এবং বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি এম এ সালাম উপস্থিত ছিলেন। (চসিক) পরিচালনায় কর্মচারীদের বেতনসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, সরকারি আইন অনুসারে ইপিজেড থেকে আমরা (চসিক) কোনো হোল্ডিং ট্যাক্স পাই না। সরকারের আইনে আছে যে হোল্ডিং টেক্স ওইখানে মওকুফ। কিন্তু ওরা তো আমদের শহরটা ব্যবহার করে। উনাদের গাড়িগুলো তো আমাদের এখান দিয়ে চলাচল করে। আমাদের আলো উনারা ব্যবহার করে। আমাদের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা উনাদের সহযোগিতা করে। কাজেই উনারা ট্যাক্স না দিক, কর না দিক। যদি একটা উন্নয়ন সার্ভিস চার্জ না দেয় তাহলে আমরা উনাদের সহযোগিতা করবো কিভাবে? চসিকের আয় বাড়াতে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং চসিক আইন সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছেন চসিকের উন্নয়নে গঠিত পরামর্শক কমিটি। সভায় এসব তথ্য জানান চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। তিনি বলেন, নগরবাসীদের সেবা দিতে গিয়ে বছরের পর বছর ধরে আয় ব্যয়ের হিসাব মিলিয়ে উঠতে পারছে না চসিক। তার উপরে বেড়েই চলেছে ব্যয়। অন্যদিকে বিভিন্ন সেক্টর থেকে কর আদায়ে আছে নানা জটিলতা। এভাবে আয় বঞ্চিত হয়ে নগরীর ভাঙা সড়ক মেরামত, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রায় প্রতিটি খাত হয়ে উঠেছে জরাজীর্ণ। বাড়ছে নাগরিক দুর্ভোগ। তবে এবার সব প্রতিকূলতা মাড়িয়ে একটি উন্নত শহর গড়ে তুলতে বিশিষ্টজনদের নিয়ে খোলা হবে একটি ম্যাসেঞ্জার বা হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ। সেখানে আপাতত নিশ্চিতভাবে থাকছেন সাবেক চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনসহ আরও বিশিষ্ট ১৬ জন। পরে যুক্ত হতে পারে আরও দুই/তিন জন। এই গ্রুপের তথ্য আদান প্রদান করে শুরু হবে বিভিন্ন জটিলতা সমাধানের কাজ। পরামর্শক কমিটির সবাই অংশগ্রহণ করলেও প্রথম সভায় উপস্থিত হতে পারেননি বিএসআরএম গ্রুপের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ, দৈনিক পূর্বকোণের সম্পাদক ডা. ম রমিজ উদ্দিন চৌধুরী ও পুলিশের সাবেক আইজি মো.নুরুল আলম। এ বিষয়ে চসিক প্রশাসক বলেন, উনাদের সাথে আমার কথা হয়েছে মহামারি পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন কারণে আজ উপস্থিত হতে পারেননি। কিন্তু সবাই জানিয়েছেন উনারা আমাদের সাথে আছেন।

লাইভ টিভি

ওয়ার্ড পরিক্রমা

আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎসাহী সমাজকর্মী, স্কাউট আন্দোলন এর কর্ণধার ও আলোর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও বসুন্ধরা শিশু কিশোর সংগঠন এর উপদেষ্টা আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, প্রিয় স্যারের প্রতি আবু তাহের সর্দার স্মরণ সভা কমিটির উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, বলেন আবু তাহের সর্দার সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। জন্মিলে মরিতে হবে এটি চিরন্তন সত্য। তবুও মানুষ তাঁর সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকতে পারে। সেজন্য যাঁরা কীর্তিমান তাঁরা তাঁদের সেবামুলক কাজের মাধ্যমে মানবসমাজে বেঁচে থাকেন বহু যুগ যুগ ধরে। তিনি বলেন, এ নশ্বর পৃথিবীতে সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ, কোনো মানুষই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে না। সেজন্য দেশ ও মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই আবু তাহের সর্দার অমর হয়ে থাকবেন এ রাষ্ট্র সমাজে। এ জনসমাগম স্মরণ সভা থেকে তা বুঝ যায় তিনি কতবড় ত্যাগী মানুষ ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৬৩ বছর এ রাষ্ট্র সমাজের জন্য শ্রম দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত মনের বিস্ময় প্রতিভা মানুষ ছিলেন আবু তাহের সর্দার। বক্তরা বলেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে লাঘব করতে আবু তাহের সর্দারের প্রচেষ্টা অতুলনীয়; সমাজের আলোক বর্তিকা হয়ে তিনি সমুজ্জ্বল। আবু তাহের সর্দারের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজ বিনির্মানে তরুনদের এগিয়ে আসার শপথ নিতে হবে। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম, বখতিয়ার উদ্দীন সহ মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা।

খেলা

নতুন সূচিতে হচ্ছে শ্রীলঙ্কা সফর আজ শনিবার(২৬সেপ্টেম্বর)বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফর নিয়ে কম জলঘোলা হচ্ছে না। লঙ্কান সরকারের অনড় সিদ্ধান্তে টাইগারদের শ্রীলঙ্কা সফর যে আগের সূচিতে হচ্ছে না।শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মধ্যকার তিন ম্যাচ সিরিজের টেস্ট হচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়ে না হলেও প্রায় এক মাস পিছিয়ে যাচ্ছে। কেননা পুরোনো সূচি বদলে নতুন সূচি অনুযায়ী ডোমিঙ্গো শিষ্যরা দেশ ছাড়বে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে।  এ বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অপারেশন্স চেয়ারম্যান বলেন,আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে জানা যাবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত। ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসলে অক্টোবরের ৭ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে উড়াল দিতে পারে ক্রিকেটাররা। কোচ, নির্বাচক, প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছি আজ। খেলোয়াড়দের তিন দিনের বিরতি দিয়েছি। হয়তো আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে শ্রীলঙ্কা সফরের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত পাবো। যেহেতু আমাদের সফর পিছিয়ে যাচ্ছে, তাই আমাদের হাতে এখন কিছুদিন সময় আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা থেকে সর্বশেষ বলেছে যে, এটা ওদের হাতে নেই, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার।  ওরা আশা করেছিল মন্ত্রণালয় কোনো খবর দিবে। কিন্তু সেটা পাওয়া যায়নি। আশা করছি আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে আমাদেরকে ওরা জানতে পারবে। ওরা চাচ্ছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গাইডলাইন সব ঠিক করে ফেলতে। সোমবার বা মঙ্গলবারে হয়তো আবার কিছু জানাবে।’ শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট ও বিসিবির মতের মিল যদি এবার হয়ে যায় তাহলে আর বেশি দেরি করতে হবে না ক্রিকেটারদের। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই সাগরপাড়ের দেশটিতে উড়াল দিতে পারেন তামিম-মোমিনুল-মুশফিকরা। শ্রীলঙ্কার শর্ত না মানলে বাংলাদেশের সফরটি করার দরকার নেই- এমন কথা বলেছে শ্রীলঙ্কা। তবে আকরাম খান জানালেন, এমন কোনো তথ্য তারা পাননি। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ধরনের কোনো তথ্য আসেনি। বাইরে কী হচ্ছে না হচ্ছে এটা নিয়ে আমরা কিছু করতে পারব না। ব্যাপারটা হলো- আমাদেরও সময় আছে, ওদেরও আছে। ওরা বারবার অনুরোধ করছে, আমরা কিছুদিনের মধ্যে জানাবো। এমন না যে ওরা চাচ্ছে না, আর আমরা জোর করছি। আমরা ওভাবে যেতে চাইলে ওদের শর্ত মেনেই চলে যেতাম।’

সর্বশেষ সংবাদ