শীর্ষ সংবাদ

টিকা নিরাপদ, ভয় পাবেন না : মোদি

আজ শনিবার (২২ জানুয়ারি) ভারতে টিকা নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এক সপ্তাহ আগে প্রয়োগ শুরু হলেও ছোঁয়া যাচ্ছে না প্রত্যাশিত সংখ্যা। নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন দেশটির চিকিৎসকদের একটি বড় অংশও। এই পরিস্থিতিতে টিকা নিরাপদ দাবি করে ভয় না পাওয়ার আহ্বান জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের কেন্দ্র বারাণসীর প্রতিষেধকপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে আজ এক ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা বলেন তিনি। মোদি বলেন, ‘বিজ্ঞানীদের সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার পরেই প্রতিষেধক বাজারে ছাড়া হয়েছে। তাই প্রতিষেধক নিতে অযথা ভয় পাওয়ার দরকার নেই।’ যদিও আজও ফের প্রতিষেধক নেওয়ার পরে মৃত্যুর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। তা নিয়ে সরকারিভাবে মুখ খোলেনি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রতিদিন তিন লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা এক দিনও ছোঁয়া যায়নি। শুক্রবার গোটা দেশে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৬৩ জন প্রতিষেধক নিয়েছেন। ফলে গত সাত দিনে প্রতিষেধক নিলেন ১২ লাখ ৭২ হাজার ৯৭ জন মানুষ। এর মধ্যে নতুন করে ২৬৭ জনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এসেছে মৃত্যুর খবরও। গত শনিবার গুরুগ্রামে ৫৬ বছর বয়সি এক ব্যক্তি কোভিশিল্ড প্রতিষেধক নিয়েছিলেন। আজ শনিবার সকালে ঘুমের মধ্যে তিনি মারা যান। মৃত্যুর সঙ্গে প্রতিষেধকের যোগ আছে কি না, ময়নাতদন্তের আগে তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ স্বাস্থ্যকর্তারা। তবে এই ঘটনার বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কা করছেন তারা। টিকাকরণ নিয়ে নেতিবাচক ধ্যান-ধারণা কাটানোর চেষ্টাই করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিষেধক নিয়েছেন, বারাণসীর এমন পাঁচ জন চিকিৎসক, মেট্রন, আশা কর্মীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন তিনি। পাঁচ জনই দেশের অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতিষেধক নিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। গতকালই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন অভিযোগ করেছিলেন, ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে দেশের মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। আজ বিরোধীদের কিছুটা পরোক্ষ আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিষেধক কেন আসছে না, সেই প্রশ্ন তুলে প্রথমে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। সরকার প্রথম থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, প্রতিষেধকের ব্যাপারে বিজ্ঞানী তথা বিশেষজ্ঞদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তারা যা বলবেন, সেই পথেই এগোনো হবে। সেটাই করা হয়েছে।’ করোনার প্রতিষেধক নিয়ে ভয় ও ভুল ধারণা ভেঙে বেরিয়ে আসার জন্য আজ নিজের বক্তৃতায় স্বাস্থ্যকর্মীদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পাঁচ স্বাস্থ্যকর্মীর উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যখন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা কোনও প্রতিষেধককে ক্লিনচিট দেন, তখন তা জনমানসে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়।’ ভারতে প্রথম দফায় যে দু’টি প্রতিষেধক ব্যবহার হচ্ছে, সেই কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনের মধ্যে দেশজ কোভ্যাক্সিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগের তিনটি ধাপ শেষ হওয়ার আগেই ছাড়পত্র পেয়ে যাওয়ায় সেটির কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। বহু চিকিৎসক কোভ্যাক্সিন নিতে আপত্তি জানানোয় গণ-টিকাকরণের উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। দিল্লির মতো কিছু বিরোধী রাজ্য অভিযোগ তুলেছে, পরিকল্পিতভাবে তাদের কাছে কোভ্যাক্সিন পাঠানো হয়েছে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা—সব রাজ্যেই ধাপে ধাপে দু’ধরনের প্রতিষেধক যাবে। কারণ পুরোটাই প্রতিষধকের জোগানের উপর নির্ভর করছে। আজ মোদিও দাবি করেন, ‘কোথায় কোন প্রতিষেধক যাবে, তা নিয়ে রাজনীতি হয়নি।’ কোভ্যাক্সিনের নির্মাতা ভারত বায়োটেকের বিরুদ্ধে অন্যতম অভিযোগ ছিল, তাদের গবেষণা কোনও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়নি। চলতি সপ্তাহেই কোভ্যাক্সিনের গবেষণা সংক্রান্ত একটি প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিষয়ক জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত হয়েছে। ব্রিটিশ ওই জার্নালে কোভ্যাক্সিনের প্রথম দফার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের রিপোর্টের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, ৩৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে ওই প্রতিষেধক দেওয়ার পরেও তাদের শরীরে কোনও নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। বরং করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্তাদের আশা, ল্যানসেটের ওই রিপোর্টের পরে কোভ্যাক্সিন নিয়ে সংশয় অনেকটাই কেটে যাবে।

মুজিববর্ষে জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহহীনদের ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আজ শনিবার (২৩ জানুয়ারি) মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোকে জমি ও গৃহ প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৪৯২টি উপজেলার ৬৯ হাজার ৯০৪ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পাকা ঘরসহ বাড়ি হস্তান্তর করেন তিনি। এ সময় লাইভে সংযুক্ত ছিল-খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা, চাপাইনবাবগঞ্জ সদর, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি, দেশের সব উপজেলাই অনলাইনে এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়েছে। এ সময় সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে আবাসন সুবিধার আওতায় আনার জন্য সরকারি কর্মসূচির অংশ হিসাবে ৬৬ হাজার ১৮৯ পরিবারের কাছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আধা পাকা ঘর হস্তান্তর করা হয়। এটিই বিশ্বে গৃহহীন মানুষকে বিনামূল্যে ঘর করে দেওয়ার সবচেয়ে বড় কর্মসূচি। এর মধ্য দিয়ে পৃথিবীতে নতুন ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ। উপকারভোগীদের মধ্যে যাদের জমি আছে, তারা শুধু ঘর পাচ্ছে। যাদের জমি নেই, তারা ২ শতাংশ জমি (বন্দোবস্ত) পাচ্ছে। দুই কক্ষবিশিষ্ট প্রতিটি ঘর তৈরিতে খরচ হচ্ছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। সরকারের নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে এসব ঘর। এতে রান্নাঘর, সংযুক্ত টয়লেট থাকছে। টিউবওয়েল ও বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হচ্ছে এ প্রকল্পে। চলমান এ কর্মসূচির অংশ হিসাবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি নাগাদ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে আরও এক লাখ বাড়ি বিতরণের কাজ করে যাচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে থাকা আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এই কাজ করছে। খাসজমিতে গুচ্ছ ভিত্তিতে এসব ঘর তৈরি হচ্ছে। কোথাও কোথাও এসব ঘরের নাম দেওয়া হচ্ছে ‘স্বপ্ননীড়’, কোথাও নামকরণ হচ্ছে ‘শতনীড়’, আবার কোথাও ‘মুজিব ভিলেজ’।

আজ প্রধানমন্ত্রীর উপহারে ভূমি ও গৃহহীন ছিন্নমূল জীবনের অবসান হচ্ছে

আজ শনিবার (২২জানুয়ারি)স্বায়ী ঠিকানা পেতে চলেছে ভূমি ও গৃহহীন, ছিন্নমূল ৬৬ হাজার ১৮৯টি পরিবার। দুই শতক জমি ও পাকা বাড়ির মালিকানা পাবেন পরিবারপ্রতি গৃহহীনরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সে উদ্বোধনের মাধ্যমে তাদের হাতে বসতবাড়ির মালিকানা তুলে দেন। দেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ শেখ হাসিনার এ ঘোষণা বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে জমিসহ পাকাবাড়ি পাচ্ছেন দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলো। গৃহহীনদের জন্য নির্মিত বাড়িগুলোতে দুটি করে থাকার ঘর, একটি করে টয়লেট, রান্নাঘর ও বারান্দা রয়েছে। সব বাড়ি একই নকশায় তৈরি করা হয়েছে। এতে থাকছে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা। এছাড়া বাড়ি বরাদ্দপ্রাপ্তদের কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণ ও ঋণসুবিধাও চালু করবে সরকার। ‘ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ প্রদান নীতিমালা-২০২০’ অনুযায়ী সারাদেশে আট লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি পরিবারকে বসতবাড়ি দেওয়া হবে। জেলা প্রশাসকদের করা তালিকা অনুযায়ী, দেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের সংখ্যা দুই লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১। জমি আছে কিন্তু ঘর নেই- এমন পরিবারের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৯২ হাজার ২৬১। মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রথম পর্যায়ে ৬৬ হাজার ১৮৯টি পরিবারকে দুই শতক সরকারি খাসজমিতে পাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তিন হাজার ৭১৫টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সরকার ঘোষিত চলমান মুজিববর্ষে সারাদেশের ৬৪টি জেলার তৃণমূল পর্যায়ে তালিকা করে ছিন্নমূল ও দুস্থ পরিবারকে এ ধরনের বিশেষ ঘর দেওয়া হচ্ছে।

মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরীর নৌকা মার্কার সর্মথনে

২২ জানুয়ারি শুক্রবার নগরীর উত্তর ও দ‌ক্ষিন প‌তেঙ্গাসহ দ‌ক্ষিন হা‌লিশহর ওয়া‌র্ডের জনসাধার‌নকে সালাম ও শু‌ভেচ্ছা জা‌নি‌য়ে গণসং‌যোগ ক‌রেন আওয়ামী লীগ ম‌নোনীত চ‌সিক মেয়র পদপ্রার্থী বীর মু‌ক্তি‌যোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল ক‌রিম চৌধুরী। মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরীর নৌকা মার্কার সর্মথনে নগরীর ৪১,৪০,নং ওয়ার্ডে আজ গণসংযোগ করেন সাবেক মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, ৪০ নং ওর্য়াড আওয়ামী লীগের মনোনীত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আলহাজ্ব ছালেহ আহমদ, কাউন্সিল পদপ্রার্থী বারেক,জিয়াউল হক সুমন,রোটারিয়ান মোঃ ইলিয়াস সদস্য মহানগর আওয়ামী লীগ, আবু তাহের যুগ্ন আহবায়ক ইপিজেড থানা,কামরুল হাসান ভুলু সহ ওর্য়াড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এসময় বি‌ভিন্ন পথসভায় রাখা বক্ত‌ব্যে তি‌নি উন্নত চট্টগ্রাম মহানগর গড়‌তে নৌকায় ভোট চে‌য়ে ভোট প্রার্থনা ক‌রে ব‌লেন, বঙ্গবন্ধুকন‌্যা জন‌নেত্রী শেখ হা‌সিনা জা‌নেন কিভা‌বে সমস‌্যা‌কে সম্ভাবনায় প‌রিনত কর‌তে হয়। চট্টগ্রাম সি‌টি কর্পো‌রেশ‌নের মেয়র প‌দে নির্বাচ‌নের জন‌্য আওয়ামী লীগ ও জন‌নেত্রী শেখ হা‌সিনা আমা‌কে নৌকা প্রতীকে ম‌নোনয়ন দি‌য়ে‌ছেন। আ‌মি আপনা‌দের ভোট ও দোয়া চাই।

নৌকার বিজয় মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিজয় রেজাউল করিম

স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ), চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার শিক্ষক সমাবেশে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.রেজাউল করিম চৌধুরী জানান,শিক্ষকরা কেবল মানুষ গড়ার কারিগর নয়, তাঁরা জাতির বিবেক। শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে তাঁরা যেমন জাতিকে শিক্ষিত করে তোলেন, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাঙালি জাতি গঠনেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সমাজের সর্বস্তরে যাতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয় সে লক্ষ্যে শিক্ষকদের কাজ করতে হবে। নৌকাকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক উল্লেখ করে তিনি বলেন, নৌকার বিজয় মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিজয়। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কতৃত্ব যাতে স্বাধীনতা বিরোধী কোন জোটের নেতার হাতে না যায় সে লক্ষ্যে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান। স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ), চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার উদ্যোগে এক শিক্ষক সমাবেশ সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক পার্থ সারথি চৌধুরীর সভাপতিত্বে নগরীর টাইগারপাস বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.রেজাউল করিম চৌধুরী। সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মো. খালেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আনিসুল মালেকের যৌথ সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক মো. মোজাম্মেল হক, সহ সভাপতি অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন, আমজাদ হোসেন চৌধুরী, অধ্যক্ষ লায়ন ড. মো. সানাউল্লাহ, পাহাড়তলী ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমান, প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ তালুকদার, প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদিন, সহকারী প্রধান শিক্ষক জানে আলম, উপাধ্যক্ষ রাজেশ কান্তি পাল, অধ্যক্ষ শরিফুল কাদের, অধ্যক্ষ আকিমুল ইসলাম, অধ্যাপক জসীম উদ্দিন চৌধুরী, শারীরিক শিক্ষাবিদ আইরিন পারভিন, প্রধান শিক্ষক মনজুর আলম, সহ প্রধান শিক্ষক তাজদীক মামুন, সিনিয়র শিক্ষক বিমল কুমার আচার্য্য, আব্দুস সবুর, গোলাম রসুল, রুমা মজুমদার প্রমুখ। প্রধান অতিথি রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তি ঐক্যবদ্ধ হলে এদেশ থেকে অচিরেই মৌলবাদী রাজনীতির মূল উৎপাটন হবে।

২০৪১ সালে আগেই দেশ সোনার বাংলায় পরিণত হবে: তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, ‘দেশের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২০৪১ সালের আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত হবে বলে আশা করছি।’ শুক্রবার রাজধানীতে লা মেরিডিয়ান হোটেলে ‘জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) বাংলাদেশ’ এর নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী জানান,শুধু নিজের বা নিজের পরিবারের জন্যই নয়, স্বপ্ন দেখতে হবে সমগ্র দেশ ও দেশের মানুষের জন্য। তাহলেই দেশ তার কাক্সিক্ষত ঠিকানায় পৌঁছুবে।’ তিনি আরোও বলেন,২০০৮ সালের খাদ্য ঘাটতির বাংলাদেশ আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ। বঙ্গবন্ধুকন্যার সুদক্ষ নেতৃত্বে আমরা করোনা মোকাবিলা সক্ষমতায় দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম ও বিশ্বে ২০তম। দেশের এই অভূতপূর্ব অগ্রগতির ধারা অক্ষুন্ন রাখতে তারুণ্যের অমিত শক্তি সব সময়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদ বক্তব্য রাখেন। নবনির্বাচিত জেসিআই প্রেসিডেন্ট নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইমরান কাদির, ফরচুন সু’জ এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এ সময় তরুণদের উদ্দেশ্যে প্রেরণাদায়ী বক্তৃতা দেন।

দরিদ্র দেশগুলোকে ৪ কোটি টিকা দেবে ফাইজার

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যে সকল দেশে শুরু হয়েছে তার অধিকাংশই উন্নত দেশ। তবে দরিদ্র দেশগুলো যাতে টিকা পায় এবিষয়ে এগিয়ে এসেছে টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজার-বায়োএনটেক। শুক্রবার মার্কিন টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজার ঘোষণা দিয়েছে তারা দরিদ্র দেশগুলোকে ৪০ মিলিয়ন তথা ৪ কোটি করোনার টিকা দিবে। সেগুলো বিনামূল্যে নয়, উৎপাদন মূল্যে। অর্থাৎ এই ৪ কোটি ডোজ থেকে ফাইজার কোনো লাভ করবে না। কেবল উৎপাদন খরচটা নিবে তারা। দরিদ্র দেশগুলো ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ফাইজারের টিকা পেতে শুরু করবে। আর এটা তারা দিবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গঠিত কোভ্যাক্সের মাধ্যমে, যারা বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের টিকার সুসম বণ্টন নিয়ে কাজ করছে। তাদের তালিকায় বিশ্বের ৯২টি দেশ রয়েছে, যেগুলো নিম্ন আয় ও নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ। ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে ফাইজারের চেয়ারম্যান আলবার্ট ব্যুরলা বলেছেন, ‘দরিদ্র ও অনুন্নত দেশগুলোরও যথা সময়ে টিকা পাওয়া উচিত। আমরা কোভ্যাক্সের মাধ্যমে এসকল দেশগুলোতে টিকা পাঠাবো এবং সেটা অলাভজনকভাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই কাজটি করার সুযোগ পেয়ে গর্বিত। দরিদ্র ও অনুন্নত দেশগুলোর স্বাস্থ্যকর্মীরা এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষগুলো যাতে করোনার টিকা পায় সে বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সহায়তা করতে যাচ্ছি।’

হোয়াটসঅ্যাপের চেয়েও ভয়াবহ মেসেঞ্জার

স্বর্ণালী প্রিয়া ডেক্স প্রতিবেদন:জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ প্রাইভেসি পলিসি বা গোপনীয়তার নীতিমালায় পরিবর্তন আনার ঘোষণার সাথে সাথে সমালোচনা ঝড় ওটে সর্বমহলে। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের ডেটাও সংরক্ষণ করতে চায় ফেসবুকের মালিকাধীন অ্যাপটি। কিন্তু এর চেয়ে ভয়াবহ রখমের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ফেসবুকের মেসেঞ্জার নিয়ে। ফেসবুকের মেসেঞ্জার কতটা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ–এ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফোবর্স। এতে এমন সব তথ্য উঠে এসেছে, যা জানলে কোনো সচেতন ব্যক্তি কখনও অ্যাপটি ব্যবহার করতে চাইবেন না। ব্যবহারকারীরা ‘ফ্রি’ সেবা পেলেও গোপনে তাদের বিভিন্ন তথ্য দিয়েই বাণিজ্যিক ফায়দা তুলে নিচ্ছে ফেসবুক। এসব তথ্যকে পুঁজি করে নিজেদের ব্যবসাকে বড় করেছে, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে আমরা যা কিছুই করছি, সবই তারা নিজেদের বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহার করছে। এর আগেও বড় বড় টেক জায়েন্ট কর্তারা ফেসবুকের গোপনীয়তার নীতিমালা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু নিজেদের অবস্থান খুব একটা নড়চড় করেনি সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্টটি। নীতিমালা নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ আলোচনায় আসার পর লাখ লাখ গ্রাহক বিকল্প অ্যাপ সিগনাল, বিআইপি ও টেলিগ্রামে চলে যাচ্ছে। এর জের ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ফেসবুকের নানা অনিয়ম ও অসততা নিয়ে জোরালোভাবে তথ্য-প্রতিবেদন প্রকাশ পাচ্ছে। হোয়াটসঅ্যাপ চলমান বিপর্যয় সামলাতে না পারলে এর নেতিবাচক প্রভাব নিশ্চিতভাবেই ফেসবুকের মেসেঞ্জারের ওপরও পড়বে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

এইবার শীতে তৈরি করুন ঝাল ঝাল ডিমের পিঠা

স্বর্ণালী প্রিয়া ডেক্স প্রতিবেদনঃঘন কুয়াশা আর মৃদু শৈত্যপ্রবাহ জানান দিচ্ছে শীতের। আর শীতকাল মানেই ঘরে ঘরে বাহারি পিঠা-পুলি বানানোর উৎসব। এই শীতে আপনিও ঘরেই তৈরি করতে পারেন মজাদার সব পিঠা-পুলি। আজকের ফিচারে জেনে নিন ভিন্ন ধাঁচে ঝাল ঝাল ডিমের পিঠা। উপকরণ:* চালের গুঁড়া- ১ কাপ * ডিম- ২টি * তেল- ভাজার জন্য * মরিচের গুঁড়া- আধা চা চামচ * হলুদ গুঁড়া-১/৪ চা চামচ * জিরার গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ * ধনিয়া গুঁড়া- আধা চা চামচ * গরম মসলা গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ * টেস্টিং সল্ট- আধা চা চামচ * লবণ- আধা চা চামচ * আদা বাটা- আধা চা চামচ * রসুন বাটা- ১/৪ চা চামচ * পেঁয়াজ বাটা- ১ টেবিল চামচ * কাঁচামরিচ কুচি- ১ চা চামচ * ধনেপাতা কুচি- ৩ টেবিল চামচ * বেকিং পাউডার- ১/৪ চা চামচ যেভাবে তৈরি করবেন ঝাল ঝাল ডিমের পিঠা: প্রথমে সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে অল্প অল্প করে পানি দিয়ে ব্যাটার তৈরি করুন। তারপর বেকিং পাউডার দিয়ে দিন। ব্যাস, এবার ছবির মতো পিঠার শেপ তৈরি করে গরম তেলে ভেজে পরিবেশন করুন ঝাল ঝাল ডিমের পিঠা।

ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ মিরাজ

আজ শুক্রবার(২২জানুয়ারি)ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৯.৪ ওভারে মাত্র ২৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। তার বোলিং নৈপুণ্যে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মিরাজের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের দিনে মোস্তাফিজ এবং সাকিব আল হাসান দুটি করে উইকেট পেয়েছেন। দুর্দান্ত দলগত বোলিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪৮ রানে গুটিয়ে যায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন রোভম্যান পাওয়েল। ব্যাট করতে নেমে ৩৩.২ ওভারে মাত্র তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল ৫০, সাকিব আল হাসান ৪৩, লিটন দাস ২২, নাজমুল হোসেন শান্ত ১৭ ও মুশফিকুর রহিম ৯ রান করেন।

লাইভ টিভি

ওয়ার্ড পরিক্রমা

আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎসাহী সমাজকর্মী, স্কাউট আন্দোলন এর কর্ণধার ও আলোর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও বসুন্ধরা শিশু কিশোর সংগঠন এর উপদেষ্টা আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, প্রিয় স্যারের প্রতি আবু তাহের সর্দার স্মরণ সভা কমিটির উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, বলেন আবু তাহের সর্দার সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। জন্মিলে মরিতে হবে এটি চিরন্তন সত্য। তবুও মানুষ তাঁর সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকতে পারে। সেজন্য যাঁরা কীর্তিমান তাঁরা তাঁদের সেবামুলক কাজের মাধ্যমে মানবসমাজে বেঁচে থাকেন বহু যুগ যুগ ধরে। তিনি বলেন, এ নশ্বর পৃথিবীতে সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ, কোনো মানুষই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে না। সেজন্য দেশ ও মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই আবু তাহের সর্দার অমর হয়ে থাকবেন এ রাষ্ট্র সমাজে। এ জনসমাগম স্মরণ সভা থেকে তা বুঝ যায় তিনি কতবড় ত্যাগী মানুষ ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৬৩ বছর এ রাষ্ট্র সমাজের জন্য শ্রম দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত মনের বিস্ময় প্রতিভা মানুষ ছিলেন আবু তাহের সর্দার। বক্তরা বলেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে লাঘব করতে আবু তাহের সর্দারের প্রচেষ্টা অতুলনীয়; সমাজের আলোক বর্তিকা হয়ে তিনি সমুজ্জ্বল। আবু তাহের সর্দারের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজ বিনির্মানে তরুনদের এগিয়ে আসার শপথ নিতে হবে। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম, বখতিয়ার উদ্দীন সহ মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা।

খেলা

ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ মিরাজ আজ শুক্রবার(২২জানুয়ারি)ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৯.৪ ওভারে মাত্র ২৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। তার বোলিং নৈপুণ্যে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মিরাজের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের দিনে মোস্তাফিজ এবং সাকিব আল হাসান দুটি করে উইকেট পেয়েছেন। দুর্দান্ত দলগত বোলিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪৮ রানে গুটিয়ে যায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন রোভম্যান পাওয়েল। ব্যাট করতে নেমে ৩৩.২ ওভারে মাত্র তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল ৫০, সাকিব আল হাসান ৪৩, লিটন দাস ২২, নাজমুল হোসেন শান্ত ১৭ ও মুশফিকুর রহিম ৯ রান করেন।

সর্বশেষ সংবাদ