জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরে ৫৫টি স্থাপনা উচ্ছেদ

পোস্ট করা হয়েছে 27/09/2019-11:17am:    বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ফিরিঙ্গীবাজার খালের ওপর ওয়েল ফুডের শোরুম ও সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় খালের ওপর গড়ে তোলা রুবি সিমেন্টের স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। অভিযানে নগরের চারটি খালের ওপর গড়ে তোলা প্রায় ৫০ থেকে ৫৫টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সকালে শুরু হওয়া উচ্ছেদ অভিযানে এর মধ্যে একাধিক বহুতল ভবন, সেমিপাকা, কাঁচা ঘরের অবৈধ অংশ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। জলাবদ্ধতা নিরসনে ‘মেগা প্রকল্প’ বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় সিডিএর স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল আলম চৌধুরী এ অভিযান পরিচালনা করেন। সিডিএর সহকারী প্রকৌশলী হামিদুল হক বলেন, চারটি খালের ওপর গড়ে উঠা প্রায় ৫৫টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। ‘অভিযানে সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় খালের ওপর গড়ে তোলা রুবি সিমেন্টের একটি টিনশেড স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পাশাপাশি কোতোয়ালী মোড়ে ফিরিঙ্গীবাজার খালের ওপর ওয়েল ফুডের শো-রুমটির কিছু অংশ ভাঙা হয়েছে। ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে সিডিএর সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এরপর সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর খালের উভয় পাশে রিটেইনিং ওয়াল, রাস্তা নির্মাণ ও নিচু ব্রিজগুলো ভেঙে উঁচু করার কাজ শুরু করে। পাশাপাশি খাল থেকে ময়লা পরিষ্কার কার্যক্রমও শুরু হয়। ডিপিপি অনুযায়ী গৃহীত এ মেগা প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে প্রাথমিক পর্যায়ে ২০১৮ সালে ৩৬ খালের মাটি অপসারণসহ ৩০০ কিলোমিটার নতুন ড্রেন নির্মাণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ১০০ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ, ২০২০ সালের মধ্যে নগরে ৩৬টি খাল খনন, খালের পাশে ১৭৬ কিলোমিটার প্রতিরোধক দেয়াল, ৮৫ কিলোমিটার সড়ক, ৪২টি সিল্ট ট্র্যাপ নানা অবকাঠামো নির্মাণ করার কথা রয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ