সিটি সার্ভিস ফ্লাইওভারে উঠলে দূর হবে যানজট-কাজী ইব্রাহিম সেলিম

পোস্ট করা হয়েছে 28/07/2017-10:37pm:   
কাজী ইব্রাহিম সেলিম : যানবাহন সুশৃঙ্খল যাতায়াতের ব্যবস্থা করলে দূর হবে যাবে যানজট। সড়ক দুর্ঘটনাও রোধ হবে। এখই স্থানে যাওয়ার মতো সিটি সার্ভিস গাড়ি, পরে ছেড়ে আসা গাড়িটি এসে পৌঁছলে, সাথে সাথে আগে ছেড়ে আসা গাড়িটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে হবে। যেন দুইটি গাড়ি একই স্থানে দাঁড়িয়ে সড়ক দখল করে রেখে যাত্রী নিতে না পারে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে পরে ছেড়ে আসা গাড়ি আগে ছেড়ে আসা গাড়িকে ওভারটেক করে আগে গিয়ে গন্তব্যে পৌঁছলে চালকের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারে গাড়ি না উঠার কারণে জনগণ থেকে আদায়কৃত অর্থ খরচ করে কেন ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হল জনসাধারণের এই সমালোচনার সম্মূখীন হতে হয়েছিলো কতৃপক্ষকে। সেজন্য, মুরাদপুর লালখান বাজার ফ্লাইওভার নির্মাণ নিয়ে জনসাধারণ যেন সমালোচনা না করেন সেভাবে পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে হবে। যথাপরিমাণ গাড়ি ফ্লাইওভারে উঠার জন্য চালকদেরকে সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। নতুন ব্রিজ থেকে ও বহদ্দারহাট বাস টার্মিন্যাল থেকে ছেড়ে আসা সিটি সার্ভিস গাড়িগুলোর অধিকাংশ গাড়িকে ফ্লাইওভারে উঠার ব্যবস্থা করতে হবে। যেন ফ্লাইওভারে উঠে একটানে লালখান বাজার গিয়ে গাড়ি থামবে ও যাত্রী উঠা নামা করবে। আর কিছু সিটি সার্ভিস গাড়ি ফ্লাইওভারের নীচ দিয়ে চলবে। সেগুলো মুরাদপুর, ২ নম্বর গেইট, ওয়াসার মোড় হয়ে নিউ মার্কেটের চলে গেলে লালখান বাজারের ও কাটগড়ের যাত্রী সেই গাড়ীতে উঠবে না। এভাবে দুই লাইনের গাড়ী যাত্রীও যথাপরিমাণে পাবে বিধায় ফ্লাইওভারে উঠে গাড়ি চলাতে কোনো গাড়ির মালিক ও চালক দ্বিমত পোষণ করবেনা। সেজন্য, সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ দরকার। কাজী ইব্রাহিম সেলিম, কবি ও সাংবাদিক, সভাপতি, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী পরিষদ, চট্টগ্রাম।
জলাবদ্ধতা ও জোয়ারে পানিবন্দি শহরবাসী
কাজী ইব্রাহিম সেলিম : গতকাল ২৪ জুলাই আবারো চট্টগ্রাম শহর ডুবল জলাবদ্ধতায়। শুধু বৃষ্টিপাতের ফলে মানুষকে পানিবন্দি হতে হচ্ছে তা নয়। রুদ্রঘন মুহূর্তেও জোয়ারের পানি এসে শহরের আগ্রাবাদ, হালিশহর ওদিকে চৌধুরী স্কুল, বলির হাট এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ঘরবাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মানুষকে পানিবন্দি হতে হচ্ছে বারে বার। পাহাড়ি বালি মাটি এসে নদী ভরাট হয়ে গেছে বিধায় এ অমঙ্গল দেখা দিয়েছে। পাহাড়ের গায়ে জন্মানো গাছপালা, বনজঙ্গল এর অভ্যন্তরীণ বন্ধন সুদৃঢ় রাখে কিন্তু পাহাড় কাটার কারণে পাহাড় ক্ষয়ে যাচ্ছে। এতে পাড়াড়ি ঢল নামলে কাটা পাহাড়ের বালি-মাটি নেমে নালা-নর্দমা ভরাট হয়ে যাচ্ছে। নদীর পানি ঘোলাটে হয়ে পড়ে, নাব্যতা হারাচ্ছে নদী। পাহাড় কাটার কারণে কর্ণফুলী নদী ভরাট হয়ে গেছে। সেজন্য, নগরীতে সামান্য বৃষ্টিপাতে এখন জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় জোয়ারের পানি ধারণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে নদী। সেজন্য, জলাবদ্ধতা ও জোয়ারের কবল থেকে শহরবাসীকে রক্ষা করতে হলে কঠোর হস্তে পাহাড় কাটা রোধ করতে হবে। বালি মাটি তুলে নিয়ে নদী পরিস্কার করতে হবে। -কাজী ইব্রাহিম সেলিম, কবি ও সাংবাদিক, সভাপতি, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী পরিষদ, চট্টগ্রাম।

চট্টগ্রামকে যানজট মুক্ত রাখা সম্ভব
কাজী ইব্রাহিম সেলিম : চট্টগ্রাম নগরীকে যানজটের কবল থেকে মুক্তির লক্ষ্যেই নির্মাণ করা হয়েছে মুরাদপুর-লালখান বাজার ফ্লাইওভার। তবুও মিলছেনা মুক্তি। দেখা যাচ্ছে মুরাদপুর মোড়, ২ নং গেইট মোড়সহ নগরীর মোড়গুলোতে যানজট আগের মতোই রয়ে গেছে। ফ্লাইওভার ও রাস্তাঘাট যতই বড় করা হোক, যদি সুষ্ঠুব্যবস্থাপনা না থাকে তাহলে যানজট থেকে কখনো মুক্তি মিলবে না। যেমন, অক্সিজেন হয়ে মুরাদপুর ও ২ নম্বর গেইটে আসা গাড়িগুলোকে সরাসরি পাঁচলাইশ-চকবাজার ও জিইসির মোড়ের দিকে যেতে দিলে বহদ্দারহাটের দিকে যাওয়ার অধিকাংশ গাড়িকে ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে রাখা হয়, ফলে সৃষ্টি হয় যানজট। সেজন্য, চার রাস্তার মোড়গুলোতে ট্রাফিক সিগন্যালে গাড়িকে দাঁড়িয়ে রাখা বর্জন করতে হবে। অক্সিজেন হয়ে আসা গাড়ীগুলো মুরাদপুর ও ২ নং গেইট আসার পর, বামে পূর্ব দিকে বহদ্দারহাটের রাস্তায় ফ্লাইওভারের পাঁচ পিলারের মধ্যে গাড়ী মোড় ঘুরানোর ব্যবস্থা রাখতে হবে। যাতে করে গাড়ি মোড় থেকে একটু দুরে গিয়ে মোড় ঘুরে বামে ধীর গতিতে গাড়ি চলার লাইনে গিয়ে পাঁচলাইশ-চকবাজারের দিকে চলে যেতে পারে এবং দ্রুতগতিতে গাড়ি চলার লাইন দিয়ে মোড়ে এসে না দাঁড়িয়ে সোজা জিইসির মোড়-আগ্রাবাদের দিকে গাড়ি চলে যেতে পারে। পশ্চিম দিকেসহ অন্যান্য মোড়গুলোতেও এভাবে ব্যবস্থাপনা করলে আমার মনেহয় যানজট অনেকটা কমে যাবে। আরও কিছু সুষ্ঠুব্যবস্থাপনা রয়েছে সেগুলো গ্রহণ করলে নগরীতে যানজট থাকবেই না। কাজী ইব্রাহিম

সর্বশেষ সংবাদ